বৃটেনের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিজের সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করছেন রেণু লুৎফা
   24 Jun 2017 : Sylhet, Bangladesh :

সিলেট 10 April 2016 সাক্ষাৎকার  (পঠিত : 4490) 

বৃটেনের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিজের সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করছেন রেণু লুৎফা


বৃটেনের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিজের সম্মানজনক
অবস্থান নিশ্চিত করছেন রেণু লুৎফা
     

তাসলিমা খানম বীথি: রেণু লুুৎফা এক স্বনামধণ্য ব্যক্তিত্ব, যুক্তরাজ্যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে এক পরিচিত জন। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বাংলাদেশে তাঁর জন্ম। মেধা ও যোগ্যতার বলে আজ তিনি অসংখ্য জাতি উপজাতির মিলনকেন্দ্র বৃটেনের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিজের জন্য এক সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন। শিক্ষকতা তাঁর পেশা হলেও অবসর সময় কাটান সমাজসেবা ও লেখালেখি করে। সাংবাদিকতার প্রতিও রয়েছে তাঁর ঝোক এবং কিছুদিন বাংলাদেশের প্রাচীন সাপ্তাহিক যুগভেরীতে পেশাজীবি সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন। লন্ডনের বাংলা সাপ্তাহিক পূর্বদেশ তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে। লন্ডনের সাপ্তাহিক সুরমা পত্রিকায় দীর্ঘদিন উপসম্পাদকীয় লিখেছেন। গল্প কবিতা ও প্রবন্ধ সাহিত্যের এই তিন শাখায় তিনি সমান সিদ্ধহস্ত। লন্ডন শহরের কেনজিংটন থেকে টাওয়ার হ্যমলেটের সীমানা পর্যন্ত বিভিন্ন শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়ন ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন। কমিউনিটির সর্বত্র তাঁর পদচারণা লক্ষ্য করার মতো। রেণু লুৎফার মধ্যে প্রাচ্য কালচার ও পাশ্চাত্য উদ্দামের আশ্চর্য সমন্বয় ঘটেছে। দক্ষতা ও কর্মের উজ্জ¦ল এক ফলগুধারা তাঁর মাঝে সতত প্রবাহমান।
সিলেটের প্রথম মহিলা পেশাজীবি সাংবাদিক প্রথম জীবনে ছিলেন গল্পকার। একটি সুশীল ও গতিশীল সমাজের সমর্থক। তাঁর লেখা পড়ে বুঝা যায় তিনি সস্তা নাম কুড়ানোর জন্য লেখেন না, লেখেন দায়িত্ববোধের কারনে। তিনি তাঁর লেখায় বৃটেনে বসবাসকারী বাংলাদেশী সমাজকে তীব্র কশাঘাত করে তাদের মনে নতুন আশা ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন। নিন্দুকের নিন্দাবাদকে তিনি পরোয়া করেন না এবং চাটুকারদের তোষামোদকে তিনি ঘৃণা করেন। সমাজ বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞ ড: রেণু লুৎফা এক পর্যায়ে সব কিছু ছেড়ে দিয়ে ফিরে যান অধ্যয়নে। আইনের ডিগ্রী নিতে। অক্লান্ত পরিশ্রমী, সংগ্রামী ও জ্ঞান পিপাসু ড: রেণু লুৎফার জন্ম ১৯৫৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার রানাপিং।

সিলেটের প্রথম অনলাইন দৈনিক সিলেট এক্সপ্রেস ডট কম-এর পক্ষ থেকে ড: রেণু লুৎফার একটি সাক্ষাতকার গ্রহণ করা হয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ১৮ আগষ্ট ২০১৫। সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেন সিলেট এক্সপ্রেস-এর স্টাফ রিপোর্টার তাসলিমা খানম বীথি।

বীথি: প্রথম লেখা কোথায় প্রকাশিত হয়?
ড: রেণু লুৎফা: চট্টগ্রামের আজাদী পত্রিকায়। ১৯৬৮ সালে। একটি গল্প।

বীথি: আপনাকে লেখালেখিতে কে বেশি উৎসাহ দিয়েছেন?
ড: রেণু লুৎফা: পাঠক সমাজ।

বীথি: আপনার লেখা কতটা বই বের হয়েছে। বইগুলো নাম কী?
ড: রেণু লুৎফা: ইতরের মতো সত্য, হে ইশ্বর তোমার যবনিকা, জীবন বলাকা, কালের কন্ঠ ১ম ও ২য় খন্ড, স্পর্ধিত আতœবোধ, যেতে দিতে পারি না, বৈ˜গ্ধ অনুলাপ। এছাড়া বেশ কয়েকটি রিসার্চও প্রকাশিত হয়েছে।

বীথি: নতুন কোন বই বের করার পরিকল্পনা আছে কী?
ড: রেণু লুৎফা: হ্যাঁ, আত্মজীবনী লেখার চেষ্টা করছি।

বীথি: আপনার শৈশব কৈশোর কোথায় কেটেছে? শৈশোবের যে দূরন্তপনার কথা মনে পড়ে কী?
ড: রেণু লুৎফা: আমার শৈশব ও কৈশোরের কিছুটা সময় কেটেছে সিলেটের গোলাপগঞ্জ-এর রাণাপিং এ। কৈশোরের বাকী জীবন কেটেছে চট্টগ্রামে। দুরন্তপনার জন্য বেশ নাম ডাক ছিল এখনও আছে।

বীথি: লেখালেখির ক্ষেত্রে কোন বিষয় নিয়ে লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন? বর্তমানে কী নিয়ে লেখালেখি করছেন?
ড: রেণু লুৎফা: বিষয় নিয়ে কোন ধরাবাঁধা নেই। যে বিষয় আমার বিবেকে আঘাত করে সে বিষয় নিয়েই লিখি।

বীথি: কিসের তাড়নায় লেখতে বাধ্য হন ?
ড: রেণু লুৎফা: বিবেকের তাড়নায়।

বীথি: প্রথম কবিতা লেখার অনুভুতি কেমন ছিলো?
ড: রেণু লুৎফা: যেন কিছু একটা সৃষ্টি করতে পেরেছি। কবিতা আমার মনের ভাবগুলোকে প্রকাশ করার ক্ষমতা দিয়েছে। এ যেন মনের ভাবনাগুলোকে নিয়ে নিজের ইচ্ছে মতো খেলা করার দক্ষতা।

বীথি: প্রিয় লেখক?
ড: রেণু লুৎফা: অনেকেই। ছঁকে বাঁধা কেউ নেই।

বীথি: কার বই বেশি পড়া হয়? কী ধরনের বই পড়েন?
ড: রেণু লুৎফা: দেশ বিদেশের অনেক লেখককের সব ধরনের ভাল বই পড়ি। সস্তা উপন্যাসে কোন আগ্রহ নেই।

বীথি: কবিতা বলতে আপনি কী বুঝেন? কবিতায় প্রেম কতটা জরুরী?
ড: রেণু লুৎফা: আমার কাছে কবিতা হচ্ছে, তাৎক্ষনিক মনের ভাবনাগুলোর শক্তিশালী অনুভূতি প্রকাশ। কবিতা আমাকে কাঁদায়, হাসায়, মন খারাপ করে, ধরাবাঁধার সীমানা ছাড়িয়ে আকাশে উঁড়তে দেয় আবার চুপ করে বসে থাকতেও দেয়। কবিতার সিঁড়ি বেয়ে আমি নিশ্চিতে অনেক দুরে যেতে পারি। নিজেকে খুঁজে পাওয়ার সুখ। নিজেকে খুঁজে পাওয়ার সুখ।

বীথি: প্রিয়জনকে নিয়ে কোন কবিতা লিখেছেন?
ড: রেণু লুৎফা: হ্যাঁ। ‘যেতে দিতে পারিনা’ গ্রন্থটির সব কয়টি কবিতাই প্রিয়জনকে নিয়ে লেখা।

বীথি: আপনার কবিতার মধ্যে প্রেম কতটুকু আছে? কবিতা ছাড়া আর কী লিখেন?
ড: রেণু লুৎফা: কবিতা ছাড়া আমি গল্প প্রবন্ধ লিখি। গল্পকার হিসেবেই আমি লেখা শুরু করি। হ্যাঁ আমার কবিতায় প্রেম আছে।

বীথি: আজকের অবস্থান থেকে পেছন পানে চাইলে কী কথা মনে পড়ে?
ড: রেণু লুৎফা: আবিভার্ব সাহিত্য গোষ্ঠীর মোহাম্মদ আকসার বক্সকে। আমার প্রথম গল্প গ্রন্থ তাঁকে উৎসর্গ করি। তাঁর প্রতিষ্ঠান ছাঁপাঘর নিয়ে কত স্মৃতি!

বীথি: একজন নতুন লেখকের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
ড: রেণু লুৎফা: নিজস্বতা বজায় রাখুন। অনুকরণ করতে যাবেন না।

বীথি: একজন ভালো লেখক হতে হলে কি গুন থাকতে হবে?
ড: রেণু লুৎফা: ভাষার প্রতি দখল থাকা চাই।

বীথি: প্রবাস জীবন কেমন লাগছে? আপনার প্রবাস জীবন সম্পর্কে কিছু বলুন? লেখালেখি ক্ষেত্রে সহায়ক নাকি প্রতিবন্ধক প্রবাস জীবন?
ড: রেণু লুৎফা: আমি নিজেকে প্রবাসী ভাবি না। আমি পরবাসী, এটাই আমাদের জীবন। এখানকার পরিবেশ লেখার জন্য সহায়ক যেমন তেমনি প্রতিবন্ধকতাও আছে। পরবাস আমাকে আত্মপ্রত্যয়ী হতে শিক্ষা দিয়েছে।

বীথি: প্রবাসে সাহিত্য চর্চা সর্ম্পকে আপনার অভিমত কী?
ড: রেণু লুৎফা: প্রবাসে সাহিত্য চর্চা নিয়ে আমি আশাবাদি, অনেক সময় মনে হয় দেশের চেয়েও ভাল চলছে। প্রচুর প্রবাসী লেখকদের লেখা ছাপা হচ্ছে তবে দেশীয় প্রকাশনাগুলো থেকে তারা সঠিক সহায়তা পাচ্ছেন না। দেশীয় প্রকাশনা গুলোর এ ব্যাপারে মনোযোগী হওয়া উচিত নইলে বিরাট ব্যবসা তাদের হাত ছাড়া হবার আশংকা রয়েছে।

বীথি: আপনার জীবনে সবচেয়ে মধুর মুহূর্ত সম্পর্কে কিছু বলুন?
ড: রেণু লুৎফা: আমার মেয়েদের জন্ম। পরিপূর্ণতার স্বর্গীয় সুখ।

বীথি: কী খেতে ভালোবাসেন?
ড: রেণু লুৎফা: ডাল ভাত।

বীথি: প্রিয় পোশাক?
ড: রেণু লুৎফা: যেখানে যে পোশাকের প্রয়োজন তাই পরি। প্রিয় পোশাক শাড়ি।

বীথি: কি অপছন্দ করেন?
ড: রেণু লুৎফা: মিথ্যাবাদী আর স্বার্থপরদের।

বীথি: আপনার শখ কী?
ড: রেণু লুৎফা: দেখতে পাচ্ছি, আমার শখ বয়সের সাথে সাথে পাল্টে যাচ্ছে। এই মূর্হুতে আমার শখ হচ্ছে নতুন একটা লাইব্রেরী করা।

বীথি: কার আর্দশে অনুপ্রাণিত হন?
ড: রেণু লুৎফা: আমি কাউকে অনুকরণ করিনা। বিধাতা আমাকে জ্ঞান দিয়েছেন। ভাল মন্দ বুঝার ক্ষমতা দিয়েছেন। আমার বিবেকই আমাকে চালিত করে।

বীথি: এ পর্যন্ত কতটা দেশ ভ্রমন করেছেন?
ড: রেণু লুৎফা: প্রায় পঞ্চাশেরও বেশী তবে সাউথ আমেরিকার কোন দেশ দেখা হয়নি।

বীথি: কাকে সবচে বেশি মিস করেন?
ড: রেণু লুৎফা: আমার মেয়েদের আর বাংলাদেশের বর্ষা মৌসুমকে।

বীথি: জীবনে একটি অনাকাঙ্খিত মুর্হুতের কথা বলেন যা আপনাকে কষ্ট দেয়?
ড: রেণু লুৎফা: আমি নেগেটিভ কোন বিষয় নিয়ে মন খারাপ করার মানুষ নই। নেগেটিভ বিষয়ই আমাদের পজেটিভ হতে প্রেরণা দেয়।

বীথি: জীবনে কী হতে চেয়েছিলেন?
ড: রেণু লুৎফা: খুব ছোট বেলায় চেয়েছিলাম আমার প্রাইমারী স্কুলের সামনের সুইট দোকানের মালিক হবো আর ইচ্ছে মতো চকলেট খাবো। একটু বড় হবার পর চেয়েছিলাম মাস্টার হতে। মহৎ কোন উদ্দেশ্য ছিল না। ছড়ি হাতে ঘুরার শখ ছিল কেবল।

বীথি: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কোন স্মৃতি মনে পড়ে কী?
ড: রেণু লুৎফা: হ্যাঁ অনেক স্মৃতি রয়েছে। বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার স্মৃতি, হাজার হাজার শরনার্থীদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার দৃশ্য যা এখনো আমার চোখে অশ্রু বয়ে আনে। আমাদের ছোট ভাইয়া ও তার বন্ধু মুহিত ভাইকে অজানার উদ্দেশ্যে ঠেলে দেওয়ার স্মৃতি খুবই পীড়া দেয়। আমার আব্বা তখন গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর আত্মগোপনের যন্ত্রনা কখনোই ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। আগস্টের মাঝামাঝি পাক হানাদার বাহিনী তার অবস্থান সর্ম্পকে জেনে যায় এবং তাঁকে আঅ¥সমর্পন করে আমার সেজোভাইকে তাজ্য করে রেডিওতে বিবৃতি দিতে বাধ্য করে। আমার সেজো ভাই ক্যাপ্টেন আজিজুর রহমান (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল) বীরত্বের সাথে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে সিলেট মুক্ত করেছিলেন। তখনকার সময়ে প্রায় সকল ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যানদের শান্তিবাহিনীর চেয়ারম্যান হতে বাধ্য করা হলেও আব্বার ক্ষেত্রে ছিল এর ব্যতিক্রম। আব্বা যেহেতু আত্মগোপনে ছিলেন তখন তাঁর অবর্তমানে একজন প্রভাবশালী মেম্বারকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমাদের দুই ভাই (আজিজুর রহমান ও লুৎফুর রহমান) যেহেতু সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের ময়দানে বেশ কৃতিত্তে¡র সাথে যুদ্ধ করছিলেন তাই আত্মসমর্পনের পরেও পাকবাহিনীর সাথে আব্বার কোন সুসম্পর্ক ছিল না। মুক্তিযুদ্ধকালে আমাদের বড় ভাই আতাউর রহমানের অকাল মৃত্যুও আমাদের যন্ত্রনা দেয়। আজকাল রাজাকারের ছেলেও প্রবাসে বসে মুক্তিযুদ্ধের মনগড়া ইতিহাস লিখে দেখে আহত হই।

বীথি: দেশে কিছু করার ইচ্ছে আছে কী?
ড: রেণু লুৎফা: ইচ্ছে তো আছে, কিন্তু দেশের পরিস্থিতি তা কতটুকু সফল করবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে।

বীথি: অবসর সময় কি করেন?
ড: রেণু লুৎফা: নদীর তীরে/ সবুজে ঘেরা পার্কে (লন্ডনের বিখ্যাত হাইড পার্কে পাশেই আমার আবাস) হাঁটতে বের হই। প্রকৃতির সাথে আমার ভীষণ ভাব। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিই।

বীথি: আপনাকে সিলেট এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ?
ড: রেণু লুৎফা: তোমাকেও সিলেট এক্সপ্রেসকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।





   অন্য পত্রিকার সংবাদ  অভিজ্ঞতা  আইন-অপরাধ  আত্মজীবনি  আলোকিত মুখ  ইসলাম ও জীবন  ঈদ কেনাকাটা  উপন্যাস  এক্সপ্রেস লাইফ স্টাইল  কবিতা  খেলাধুলা  গল্প  ছড়া  দিবস  দূর্ঘটনা  নির্বাচন  প্রকৃতি পরিবেশ  প্রবাস  প্রশাসন  বিবিধ  বিশ্ববিদ্যালয়  ব্যক্তিত্ব  ব্যবসা-বাণিজ্য  মনের জানালা  মিডিয়া ওয়াচ  মুক্তিযুদ্ধ  যে কথা হয়নি বলা  রাজনীতি  শিক্ষা  সমসাময়ীক বিষয়  সমসাময়ীক লেখা  সমৃদ্ধ বাংলাদেশ  সাইক্লিং  সাক্ষাৎকার  সাফল্য  সার্ভিস ক্লাব  সাহিত্য-সংস্কৃতি  সিটি কর্পোরেশন  স্বাস্থ্য  স্মৃতি  হ য ব র ল  হরতাল-অবরোধ