19 Jan 2018 : Sylhet, Bangladesh :

সিলেট 9 January 2018 বিবিধ  (পঠিত : 1344) 

সিলেটের সাবেক ডিআইজি মিজানের ‘বিয়ে কান্ডে’ তোলপাড়

সিলেটের সাবেক ডিআইজি মিজানের ‘বিয়ে কান্ডে’ তোলপাড়
     

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার, সিলেট রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি ও সাবেক এসএমপি কমিশনার মিজানুর রহমানের নারী কেলেঙ্কারি নিয়ে পুলিশ প্রশাসনে শুরু হয়েছে তোলপাড়। এ নিয়ে জাতীয় একটি দৈনিকে সচিত্র সংবাদ ছাপা হয়েছে। সংবাদটি একটি স্যাটেলাইট টেলিভিশনেও সম্প্রচার হয়েছে। প্রিন্ট মিডিয়ায়ও সংবাদটি গুরুত্ব সহকারে ছাপা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ডিএমপির ওই অতিরিক্ত কমিশনার তরুণী মরিয়ম আক্তার ইকো, তার পরিবার ও স্বজনদের ফোন ট্র্যাক করে ফাঁদ পেতেছেন। জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বিয়ে করার পর ৪ মাস সংসারও করেছেন। কিন্তু এখন মিজানুর রহমানের স্ত্রী প্রবাসী হওয়ায় তিনি এমন সুযোগ নিলেও ইকোর সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করছেন। এমনকি ইকোর বিরুদ্ধে মামলা সাজিয়ে গ্রেফতার করে হয়রানি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইকো অভিযোগ করেছেন, পুলিশ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান তাকে তুলে নিজের বেইলি রোডের ফ্ল্যাটে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে তিন দিন আটকে রাখে। এরপর কৌশলে ইকোর মাকে বাসায় ডেকে নিয়ে তার সামনেই ৫০ লাখ টাকা কাবিনে জোরপূর্বক ইকোকে বিয়ে করে। পুরো বিয়ের বিষয়টি মিজানুর গোপন রাখেন। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর মরিয়ম আক্তার ইকো ডিএমপির এই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের একটি ছবি ফেসবুকে আপলোড করার পর তাদের বিয়ের বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়। ছবি আপলোডের পর মিজান এবার তার অপকর্ম ধামাচাপা দিতে আবারো হুমকি-ধমকি দেয় এবং মামলা করে তাকে কারাগারে পাঠায়। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে মিজানুর তার স্ত্রীকে কারামুক্তি করান। তবে এরপর থেকে ইকোর হদিস মিলছে না বলে তার পরিবার দাবি করছে।
স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রোববার রাতে সম্প্রচারিত এক টকশোতে সাবেক আইজিপি এনামুল হক ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য হলে তার বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও জানিয়েছেন, আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়।
টকশোতে পুলিশের এআইজি সহেলি ফেরদৌস জানিয়েছেন, একজন পুলিশ কর্মকর্তার অপকর্মের দায় পুরো পুলিশ বাহিনীর নয়।
এদিকে, সোমবার থেকে শুরু হওয়া পুলিশ সপ্তাহ নিয়ে বাহিনীর সবাই ব্যস্ত। এ অবস্থায় মিজানুর রহমানের অপকর্ম নিয়ে সবাই মুখে কুলুপ এঁটেছেন। মিজানুরও এড়িয়ে যাচ্ছেন গণমাধ্যম এবং পদস্থ কর্মকর্তাদের।
ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে মরিয়ম আক্তার ইকোর বিষয়ে অনুসন্ধানী করেন একটি জাতীয় পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার নেসারুল হক খোকন।


Free Online Accounts Software