18 Nov 2017 : Sylhet, Bangladesh :

সিলেট 14 November 2017 আইন-অপরাধ

ছাতকে ওএমএস’র ৩০বস্তা চালসহ পিক-আপ আটকের ঘটনায় তোলপাড়

     

ছাতক প্রতিনিধি: ছাতকে ওএমএস’র চালসহ একটি পিক-আপ আটক করেছে জনতা। পরে আটককৃত চালসহ পিক-আপটি জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। চাল আটকের ঘটনায় গোটা উপজেলা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার জাউয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের ওএমএস ডিলার এমাদুর রহমান চাল উত্তোলন করে একটি পিক-আপ যোগে ইউনিয়নের জিয়াপুর বাজারে তার গোদামে নিয়ে যাওয়ার পথে স্থানীয় জনতা জাউয়া বাজারে পিক-আপসহ চাল আটক করেন। ৩ টনে ৬০ বস্তা ওএমএসর চাল নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও দেড় টন চাল তিনি অন্যত্র বিক্রি করে দেন। বাকী চাল পিক-আপ যোগে গোদামে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে আটক হয়। এসময় পিক-আপ ড্রাইভার গোদামের চালান কপি পুলিশকে দেখায়। চালান কপিতে ৬০ বস্তা চালের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও পিক-আপে পাওয়া যায় ৩০ বস্তা চাল। চালান ও মালের মধ্যে ব্যাপক গড়মিল থাকায় পিক-আপসহ চাল জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আটক করে রাখা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ গোদামের ওসিএলএসডির সহায়তায় দূনীতিবাজ ডিলাররা জনগণের হক গোদাম থেকেই দালালদের মাধমে বিক্রি করছে। এসব কাজে গোদামের ওসিএলএসডিসহ খাদ্য গোদামের কতিপয় লোক অবৈধ আর্থিক সহায়তা নিয়ে প্রত্যক্ষভাবে চোরাই কাজে সহায়তা করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইউপি চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন সাহেল এ ব্যাপারে জানান, তার ইউনিয়নের দরিদ্র জনগোষ্ঠির চাল এভাবেই লুটে-পুটে খাচ্ছে দালালরা। ইউনিয়নের বঞ্চিত জনতা চোর হাতেনাতে ধরে প্রমান করে দিয়েছে। ডিলার এমাদুর রহমান জানান, পরিবহনের কারনে তিনি দু’পিক-আপে করে চাল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ ব্যাপারে গোদামের ওসিএলএসডির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নূর মোহাম্মদ খান চাল আটকের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিন জানান, গোদাম থেকে এক বারেই সব মাল বের করে নিয়ে যাওয়ার বিধান রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনা শুনেছেন বলে জানান। তবে ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেন তিনি।


Free Online Accounts Software