20 Aug 2017 : Sylhet, Bangladesh :

যুদ্ধের সমাধিতে আজাদির যোদ্ধা নেই

যুদ্ধের সমাধিতে আজাদির যোদ্ধা নেই
     

সেলিম আউয়াল: পুলিশের কনস্টেবল পারলেন না। ভাবলাম সাব-ইন্সপেক্টর পারবেন, তিনিও বলতে পারলেন না চিটাগাং ওয়ার সেমিট্রির লকেসনটা। আন্দরকিল্লা শাহি জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেছি। গেটে অনেক পুলিশ দাঁড়িয়ে মুসলিøদের নিরাপত্তার জন্যে অথবা মিছিল বের হলে ঠেঙ্গাবার জন্যে। সাব ইন্সপেক্টরের সাথে যখন কথা বলছিলাম, কৌতুহলী হয়ে তাদের চেয়ে উচু আরেকজন পুলিশ কর্মকর্তা এগিয়ে এলেন। কিন্তু তিনিও বলতে পারলেন না চিটাগাং ওয়ার সেমিট্রিটা কোথায়।
আমাদের মধ্যে একমাত্র রাশেদই ওয়ার সেমিট্রি দেখেছে, কিন্তু ও জায়গাটির নাম বলতে পারছে না। রিকশা ড্রাইভার, অটো রিকশা ড্রাইভার কেউই ওয়ার সেমিট্রি চিনতে পারছে না দেখে আমরা পুলিশের হাওলা হয়েছিলাম। কিন্তু তারাও যখন পারলেন না, তখন সদ্য কৈশোর পেরুনো একদঙ্গল তরুণকে পেয়ে তাদের সরণাপন্ন হই। তারাই লকেশনটা বলে দেয়।
একটি সিএনজি অটো রিকসা চাপি। সিলেটে একটি অটো রিকসার সামনে ড্রাইভারসহ তিনজন আর পেছনে তিনজন বসে। চট্টগ্রামে ড্রাইভাররা সামনে একজন বসায় আর পেছনে পাঁচজন বসলেও আপত্তি নেই। আমরা পেছনে চারজন আর সামনের সিটে ড্রাইভারসহ দুজন বসি।
গাড়ী থেকে নেমে সত্তর টাকা গুণলেও আমরা সন্তুষ্ট। সিলেটে হলে আন্দরকিলøা জামে মসজিদ থেকে ওয়ার সেমিট্রি পর্যন্ত কম করে হলেও দেড়শ টাকা গুণতে হতো।
চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া এলাকায় ১৯ নম্বর বাদশা মিয়া চৌধুরী সড়কের বাম পাশে চট্টগ্রাম ওয়ার সেমিট্রি। উচুনীচু টিলা নিয়ে এলাকা। একটি উচু টিলার ঠিক নীচেই ওয়ার সেমিট্রি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ৭৩১জন সৈনিকের সমাধিস্থল। এরমধ্যে ১৭টি সমাধি অজানা ব্যক্তির। চট্টগ্রাম ওয়ার সেমিট্রি নামে পরিচিত হলেও সমাধিÿেত্রের অফিসিয়াল নাম কমনওয়েলথ ওয়ার সেমিট্রি। একসময় এখানে ধানের ÿেত ছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) সময় এখানে সেনাবাহিনীর এবং ১৫২ নম্বর ব্রিটিশ জেনারেল হাসপাতালের সুবিধে থাকায় চট্টগ্রামে মিত্র বাহিনীর এই পথিকৃৎ ক্যাম্পটি স্থাপন করা হয়। হাসপাতালটি ১৯৪৪ থেকে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর পর্যন্ত চালু ছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গভীর জলের পোতাশ্রয় চট্টগ্রাম এলাকা ছিলো আরাকান সামরিক তৎপরতার অন্যতম ঘাটি। মূলত: এই হাসপাতালটিতে যারা মৃত্যুবরণ করতো তাদেরকে সমাহিত করার জন্যেই এই সমাধিস্থলের সৃষ্টি হয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে প্রাথমিকভাবে এখানে সেনাবাহিনীর তত্ত¡াবধানে প্রায় চারশো মৃতদেহ সমাহিত করা হয়। যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এ সমাধিসৌধ প্রতিষ্ঠা করে। যুদ্ধশেষে লুসাই, ঢাকা, খুলনা, যশোর, কক্সবাজার, ধোয়া পালং, দোহাজারি, রাঙ্গামাটি, পটিয়া ও অন্যান্য অস্থায়ী সমাধি থেকে সৈন্যদের মৃতদেহ এখানে এনে সমাধিস্থ করা হয়। উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী এখানে যুক্তরাজ্যের ৩৭৮ জন, কানাডার ২৫ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৯ জন, নিউজিল্যান্ডের ২ জন, মায়ানমারের ২ জন, নেদারল্যান্ডের একজন, জাপানের ১৯ জন, অবিভক্ত ভারতের ২১৪ জন, পূর্ব আফ্রিকার ১১ জন, পশ্চিম আফ্রিকার ৯০ জন, অন্যান্য চারজন। এদের মধ্যে পেশা অনুসারে সৈনিক ৫২৪ জন, বৈমানিক ১৯৪ জন, নাবিক ১৩ জন। উইকিপিডিয়ার তথ্যে কিছু গরমিল পরিলÿিত হয়। প্রথমে বলা হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ৭৩১ জনের সমাধিস্থল, এরমধ্যে ১৭টি সমাধি অজানা ব্যক্তির। কিন্তু উইকিপিডিয়ায় দেশের পরিচয় হিসেবে কবরের সংখ্যা ৭৫৫টি। আবার পেশা হিসেবে কবরের সংখ্যা ৭৩১টি। যা হোক, আপাতত: কবরের সংখ্যায় খানিকটা গড়মিল হলে সাধারণ পাঠকের কিছু যায় আসে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইন্দো-বার্মা রণাঙ্গণে আজাদ হিন্দ ফৌজের আক্রমনে মিত্র বাহিনীর যে সব সৈন্য নিহত হন তাদের বেশীর ভাগকেই এ দেশে সমাহিত করা হয়। ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানী প্রতিবেশী পোল্যান্ড আক্রমন করলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বেধে যায়। জার্মানীর পÿে ছিলো ইতালী, যুগোশøাভিয়া, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া ও জাপান (অÿশক্তি)। অন্যদিকে পোল্যান্ড, ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, রাশিয়া, আমেরিকা প্রভৃতি দেশ নিয়ে গড়ে উঠে মিত্রবাহিনী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন তীব্রতর হয়। তখন ব্রিটিশরা ভারত শাসন করতো। নেতাজী সুভাষ বসু সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার উদ্দেশ্যে জার্মানীতে যান, ইচ্ছে হিটলারের সাহায্য নেবেন। কারন ভারতের সেই সময়ের শাসক ব্রিটেন। তাদের ঘোর শত্রæ ছিলো জার্মানী। কিন্তু হিটলার নেতাজীকে সাহায্য করলেন না। ব্যর্থ নেতাজী চলে যান জাপানে। সেখানে তখন অবস্থান করছিলেন রাস বিহারী। তিনি ছিলেন ভারতের স্বাধীনতাকামী সংগঠণ অনুশীলন সমিতির নেতা। তারা স্বাধীনতা অর্জনের জন্যে সশস্ত্র সংগ্রামে বিশ্বাস করতেন। রাস বিহারী ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে ভারত ছেড়ে জাপানে চলে যান। দি¦তীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যুদ্ধবন্দী ভারতীয়দেরকে নিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠণ করেন। সুভাষ বসু জাপান পৌছে রাসবিহারী বসুর কাছ থেকে আজাদ হিন্দ ফৌজের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। জাপান এবং প্রবাসী ভারতীয়দের সহযোগিতায় পুণর্গঠন করেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র, প্রয়োজনীয় প্রশিÿণ ও অর্থের অভাব থাকলেও সুভাষ বসুর অসাধারণ নেতৃত্বের ফলে খুব কম সময়ের মধ্যেই প্রায় ষাট হাজার সৈন্যের একটি সুশৃংখল দেশপ্রেমিক সৈনিকদল গড়ে উঠে।
১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে সুভাষ বসু আজাদ হিন্দ বাহিনীকে নিয়ে কোহিমায় পৌছেন। ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রæয়ারি রেঙ্গুন থেকে যাত্রা করে ১৪ এপ্রিল ভারতের মাটি ময়রং-এ ভারতের ত্রিবর্ণের জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়। আজাদ হিন্দ ফৌজের সৈন্যরা ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের গোড়ার দিকে সর্বপ্রথম মায়ানমার হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলো আক্রমণ করে ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের ব্যতিব্য¯Í করে তোলে। সুভাষ বসুর সরাসরি নেতৃত্বে আজাদ হিন্দ ফৌজ ভারতের আরাকান, ইমফল, ময়রং, বিষেণপুর প্রভৃতি স্থান দখল করে নেয়। ব্রিটেনের নেতৃত্বে মিত্রবাহিনী দখলকৃত জায়গা পুনরুদ্ধারের জন্যে বিমান দিয়ে পাল্টা আক্রমণ করে। ফলে আজাদ হিন্দ ফৌজ ছত্রভঙ্গ হয়ে রেঙ্গুনে এসে পুনর্গঠিত হওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু আমেরিকা কর্তৃক জাপানে পারমানবিক বোমা নিÿেপ এবং এ কারনে জাপানের আত্মসমর্পণ ও নেতাজীর রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়ায় আজাদ হিন্দ ফৌজ দূর্বল হয়ে পড়ে। ভারতের বিভিন্ন স্থানে কয়েক মাস স্থায়ী যুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের ২৭ হাজার সৈন্যের মৃত্যু হয়। মিত্র বাহিনীরও প্রায় সাড়ে চার হাজার সৈন্যের মৃত্যু হয়েছিলো। মিত্রবাহিনীর নিহত সেই সৈন্যদের লাশ নিজেদের দেশে পাঠানো হয়। যাদের লাশ পাঠানো সম্ভব হয়নি, তাদেরকে চট্টগ্রাম ও কুমিলøায় সমাহিত করা হয়। পরে এ দুটো স্থানে কমনওয়েলথ গ্রেভস কমিশন আকর্ষণীয় ওয়ার সেমিট্রি গড়ে তুলে।
চট্টগ্রাম ওয়ার সেমিট্রির সামনের দিকটি লোহার উচু বেস্টনী দিয়ে ঘেরা। বাকী তিন দিকে ছোট্ট টিলা। অনেকটা শুকিয়ে যাওয়া পুকুরের মধ্যখানের মতো অংশে কবরগুলো ও কবরের ফলক। প্রায় চার একর জমির উপর নির্মিত ওয়ার সেমিট্রির সামনের অংশ নানা গাছগাছালিতে পূর্ণ। চারপাশ মিলিয়ে মনোরম একটি পার্কের মতো। আমরা যখন ওয়ার সেমিট্রিতে পৌছি, তখনো দুপুর গড়ায়নি। বিকেল না আসলেও তরুণতরুণীদের ভিড়। সেমিট্রিতে প্রবেশের জন্যে রয়েছে আলাদা একটি গেইট। গেইট থেকে শুরু করে পুরো গোরস্থানটি রঙ্গন ফুলের গাছ ছাটাই করে তৈরী সবুজ হেজে ঘেরা। এর ঠিক মাঝখানে শ্বেত পাথরে নির্মিত ক্রশাকৃতির স্মৃতি¯Íম্ভ। মূল গেইট থেকে স্মৃতি¯স্তম্ভে যেতে একটি প্রশস্থ রাস্তা। রাস্তার দুপাশে সবুজ ঘাসের মধ্যে সার বাধা দু তিন ফুট উচ্চতার স্মৃতি ফলক। প্রতিটি স্মৃতি ফলকের পিতলের প্লেটে মৃত সৈন্যের নাম, বয়স, জাতীয়তা ও র‌্যাংক খুদাই করে লেখা। এখানে হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান বিভিন্ন ধর্মের মানুষের কবর। পুরো সেমিট্রিতে এমন একটি পরিবেশ তৈরী করা হয়েছে, মনে হচ্ছে যুদ্ধের ময়দানে প্রাণ হারানো সৈনিকেরা এখানে প্রশান্তির ঘুম ঘুমোচ্ছে। আবার একটু অন্যভাবে ভাবলে এখানে ঘুমিয়ে থাকা সৈন্যটি যুদ্ধের ময়দানে বা হাসপাতালের বেডে শুয়ে শুয়ে কতো কথা ভেবেছিলো। সৈন্যটি হয়তো তার বাগদত্তা প্রিয়তমার কথা ভাবছিলো, অথবা প্রথম সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায় ছিলো, হয়তো বড়ো সাধ ছিলো মায়ের কোলে ফিরে যাবার। সেই সৈনিকের মা হয়তো জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত অপেÿায় ছিলেন তার সন্তান ফিরে আসবে। কিন্তু মা, স্ত্রী, সন্তান-স্বজনের সব স্বপ্ন ধুলোয় মিশিয়ে দেয় ছুটে আসা একটি বুলেট, বিমান থেকে ছুড়ে ফেলা বোমার স্পিøন্টার।
চট্টগ্রাম ওয়ার সেমিট্রিতে দাঁড়িয়ে মনে পড়লো আজাদ হিন্দ ফৌজের দেশপ্রেমিক সৈন্যদের কথা। তাদেরও তো কবর হতে পারতো এই সমাধিক্ষেত্রে। তারা তো এই দেশের জন্যে অখন্ড ভারতের স্বাধীনতার জন্যে লড়েছিলো। পরাজয় অথবা নিজের জীবনের কথা না ভেবেই একটি সুসজ্জিত বাহিনীর বিরুদ্ধে তারা দাঁড়িয়েছিলো। তাদের শক্তি ছিলো শুধু দেশপ্রেম। আজাদ হিন্দ ফৌজের অন্যতম নেতা কর্ণেল শাহ নেওয়াজ খান বলেছিলেন, জাপানের সাথে শর্ত দেয়া হয়েছিলো যে, ভারতে পদার্পণ করলে ভারতের মাটিতে আজাদ হিন্দ ফৌজের পতাকাই উড়বে, জাপানের পতাকা নয়। সুভাষ বসুর সুস্পষ্ট নির্দেশ ছিলো, সাহায্যকারী জাপানী বাহিনী ব্রিটিশের মতো আচরণ করলে তাদের বিরুদ্ধে বন্দুকের নল ঘুরিয়ে ধরতে হবে। কাজেই আজাদ হিন্দ ফৌজের সৈন্যদের স্বপ্নও তো মহৎ ছিলো, দেশকে মুক্ত করবে। এজন্যেই তো আমাদের স্বাধীনতার জন্যে অকাতরে দিয়েছিলো জীবন। কোথায় কোন বনবাদাড়ে পড়েছিলো সেই ফৌজদের মৃতদেহ। এতো মনোরম সেমিট্রি নয়, অন্তত একটি ফলক নির্মাণ করে তাদের দেশপ্রেমের প্রতি জানানো যায় শ্রদ্ধা।
আরেকটি ফলক কি এই সমাধিÿেত্রে থাকতে পারে না, যাতে লেখা থাকবেÑসঙ্গীন নামাও, মিথ্যে অজুহাতে মানুষকে হত্যা বন্ধ করো। পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ মানুষের প্রাণ, এসো সেই প্রাণ রÿায় হাত ধরি।

ভ্রমণ সূত্র: বিশিষ্ট সাহিত্যিক সংগঠক কবি রাগিব হোসেন চৌধুরীর একমাত্র পুত্র লবিদ হোসেন চৌধুরীর বিয়ের বরযাত্রী হয়ে আমরা চট্টগ্রাম গিয়েছিলাম। ২৪-২৫জুন ২০১৬, চট্টগ্রামে কাটে আমাদের দিন। এরই ফাকে আমরা আন্দরকিলøা শাহী জামে মসজিদ, কমনওয়েলথ ওয়ার সেমিট্রি, বায়েজিদ বো¯বোস্তামীর কবরে গিয়েছিলাম। বরযাত্রী ছিলাম অনেক, পরিব্রাজক ছিলাম আমরা পাঁচজন আমি, সাঈদ নোমান (সিনিয়র সাংবাদিক ও সাহিত্যকর্মী), এডভোকেট মোশাররফ রাশেদ (তরুণ আইনজীবী), মাহমুদ পারভেজ (ছড়াকার ও আলোকচিত্র শিল্পী) ও মো. সাজ্জাদুর রহমান রানু (ব্যবসায়ী)। আজাদ হিন্দ সম্পর্কিত তথ্য নির্মল সেন লিখিত ‘আজি হতে অর্ধশত বছর আগে’ (শাহাদত চৌধুরী সম্পাদিত সাপ্তাহিক বিচিত্রা, ঈদ সংখ্যা ৩১ জানুয়ারি ১৯৯৭-এ প্রকাশিত) থেকে প্রাপ্ত।
রচনা:০২-০৮-২০১৬

আরোও ছবি

যুদ্ধের সমাধিতে আজাদির যোদ্ধা নেই যুদ্ধের সমাধিতে আজাদির যোদ্ধা নেই


   অন্য পত্রিকার সংবাদ  অভিজ্ঞতা  আইন-অপরাধ  আত্মজীবনি  আলোকিত মুখ  ইসলাম ও জীবন  ঈদ কেনাকাটা  উপন্যাস  এক্সপ্রেস লাইফ স্টাইল  কবিতা  খেলাধুলা  গল্প  ছড়া  দিবস  দূর্ঘটনা  নির্বাচন  প্রকৃতি পরিবেশ  প্রবাস  প্রশাসন  বিবিধ  বিশ্ববিদ্যালয়  ব্যক্তিত্ব  ব্যবসা-বাণিজ্য  মনের জানালা  মিডিয়া ওয়াচ  মুক্তিযুদ্ধ  যে কথা হয়নি বলা  রাজনীতি  শিক্ষা  সমসাময়ীক বিষয়  সমসাময়ীক লেখা  সমৃদ্ধ বাংলাদেশ  সাইক্লিং  সাক্ষাৎকার  সাফল্য  সার্ভিস ক্লাব  সাহিত্য-সংস্কৃতি  সিটি কর্পোরেশন  স্বাস্থ্য  স্মৃতি  হ য ব র ল  হরতাল-অবরোধ