৩ মাস থাকি ফানি ফাইনা ইতা কিজাত সিটির মানুষ
   22 Oct 2017 : Sylhet, Bangladesh :

সিলেট 19 May 2016 বিবিধ  (পঠিত : 1829) 

৩ মাস থাকি ফানি ফাইনা ইতা কিজাত সিটির মানুষ

৩ মাস থাকি ফানি ফাইনা ইতা কিজাত সিটির মানুষ
     

৩মাস থাকি ফানি ফাইনা, তারার গেছে দরখাস্ত দিতে দিতে আমরার খাম বিনাষ। ইতা দেখার খেউ নাই। টেখা দি ফানি ফায় বড় লোকে, আমরার গেছে খালি ফুট-খাজলি। সিটির মানুষ ইতা কোন তালোর। মরার সময় ফানিও কিতা ফাইতাম নানি আমরা। ফানি না ফাওয়ার খতা উল্লেখ খরিয়া দরখাস্তটাও ফিরিয়া দিলাইলো?

এভাবেই পানি না পাওয়ার কষ্টের কথা বললেন নগরীর সোনারপাড়া প্রাইমারি স্কুল গলির বাসিন্দা সামছুন্নাহার, আমেনা বেগম, সাবিয়া বেগম, রুমি বেগম, রাসনা বেগম, মনোয়ারা বেগমসহ অসংখ্য ভূক্তভোগিরা।

বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার সময় পানির পাওয়ার দাবিতে খালি কলসি হাতে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এসময় বিক্ষোভকারীরা আল্টিমেটাম দেন যদি অবিলম্বে তারা পানি না পান তাহলে সিটি করপোরেশন অফিস ঘেরাও করতে বাধ্য হবেন।

তাদের অভিযোগ এখানে স্কুল গলির প্রায় ৫০টি পরিবার তিন মাস যাবৎ পানি পাচ্ছে না। সমস্যার কথা স্থানীয় কাউন্সিলর আবদুর রকিব তুহিনকে জানানো হলে কাউন্সিলর সর্বাত্মক চেষ্টা করে তিনি সিসিক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কাড়তে পারেননি।

আমরা ভূক্তভোগিদের জন্য কাউন্সিলর চেষ্ঠা করেছেন। আমরা সিটির নির্বাহী কর্মকর্তা এনামূল হাবীবের কাছে আবেদন করলে তিনি বিষয়টি দু’দিনের মধ্যে সমাধান করার কথা বলে তিন মাসেও আমরা এর কোন সামধান পাইনি।

পানি না পাওয়ার কারণে আমাদের গৃহস্থালি কাজকর্ম ব্যহত হচ্ছে। আর দু’দিন পরে পবিত্র শবে বরাত তারপর রমজান কীভাবে কি করবো? আমাদের নামাজ-বন্দেগীও ঠিক মতো হচ্ছেনা।

এদিকে সোনারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৫শতাধিক শিক্ষার্থীরা পানি পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আমেনা খাতুন তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের এতো শিক্ষার্থীরা টিফিনের সময় পানি না পাওয়ায় কষ্ট পাচ্ছে।

এব্যাপারে সোনারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল মাহমুদ সুজন জানান, স্কুলের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের প্রায় ৫শতাধিক মানুষ দীর্ঘ দিন থেকে পানির জন্য হাহাকার করছেন তদুপরি সিসিক কর্তৃপক্ষ’র উদাসিনতায় মনে হচ্ছে এখানকার লোকজন মনে হয় সাহারা মরুভূমির বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ প্রদর্শনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাবেদ আহমদ, আলম মিয়া, আমরোজ হোসেন প্রমুখ।


Free Online Accounts Software