27 Sep 2017 : Sylhet, Bangladesh :

30 April 2016 ব্যক্তিত্ব  (পঠিত : 8966) 

সুমী : সিলেটের প্রথম সফল কৃতি নারী ফটো সাংবাদিক

সুমী : সিলেটের প্রথম সফল কৃতি নারী ফটো সাংবাদিক
     

তাসলিমা খানম বীথি : জন্মমাত্রই প্রতিটি মানুষ সফল। কারন স্বয়ং স্রষ্টা মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে পাঠিয়েছেন এই পৃথিবীতে। সুতরাং সফলতার জন্যই মানুষের জন্ম। সাফল্য-কৃতিত্বের মূল উৎস হলো বিশ্বাস। আর বিশ্বাস হচ্ছে এক বিপুল শক্তি, এটা কোন ম্যাজিক বা অলৌকিক ব্যাপার নয়। সাফল্য প্রত্যাশীরা আশা করে একদিন সাফল্যের শীর্ষে পৌছবে আর যে কোন কাজকে ভালোবাসতে পারলে সফলতা আসবেই। যারা মনে প্রাণে সাফল্য কামনা করে এবং সেভাবে কাজ করে যায় তারা সাফল্যের চুড়ায় আরোহণ করবেই।

বিশ্বাস, চেষ্টা ও পরিশ্রম দিয়ে ক্যামেরা হাতে যিনি সফলতার মুখ দেখেছেন এবং মনের গহীনে লালিত স্বপ্নকে স্পর্শ করেছেন তিনি হলেন সিলেটের সফল ফটো সাংবাদিক বিলকিস আক্তার সুমি। ছোটবেলা থেকেই যার স্বপ্ন ছিলো বড় হয়ে একজন সফল সাংবাদিক হবেন। আর সেই জন্য প্রতিনিয়ত জীবনের স্বপ্ন পূরণে লক্ষ্যে ছুটে বেড়িয়েছেন নদীর এপার থেকে ওপার।

ক্যামেরা হাতে নিয়ে যেদিন তিনি প্রথম রাজপথে নেমেছিলেন সেদিনই মুখোমুখি হয়েছেন বিপদের। পুলিশের টিয়ার শেলের গ্যাসে চারদিক অন্ধকার। চোখে মুখে গ্যাস লেগে জ্বালা করছে। চারদিকে মানুষের চিৎকার দিশা হারিয়ে ফেলেন তিনি। এসময় তাকে সাহায্যে করতে এগিয়ে আসেন সহকর্মীরা। ক্যামেরা হাতে সেই সাহসী মানুষটি হলেন সিলেটের প্রথম মহিলা ফটোসাংবাদিক বিলকিস আক্তার সুমি। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় প্রাণনাশের হুমকি এসেছে। কিন্তু হুমকিতে পিছপা না হয়ে কাজে অনড় ছিলেন তিনি।
সেদিনটি ছিলো মার্চের প্রথম রাত। সূর্যদীঘল বাড়িটির চারপাশে নিরাপত্তা চাদরে ঢাকা ছিলো। তখন বাড়িটিকে ঘিরে সবার ছিলো টানটান উত্তেজনা। কখন কী ঘটে। সেই বাড়িতে অবস্থান করছিলো ‘মোষ্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গি নেতা শায়খ আবদুর রহমান ও তার সহযোগীরা। জঙ্গি নেতাকে আটক করতে অভিযানে প্রথম রাত পেরিয়ে দ্বিতীয় রাতটির পর যখন ভোরের আলো ফুটলো, তখনো এক নারীর নির্ঘুম চোখে ক্যামেরা হাতে দাঁড়িয়ে নিরবে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সময় তার ক্যামেরায় ধারণকৃত চিত্র চলে যাচ্ছে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ‘চ্যানেল আই’তে। সূর্যদীঘল বাড়িটির অভিযানের সময় রাত তিনটায় সেই নারীটিকে দেখে র‌্যাবের বড় কর্মকর্তা জিজ্ঞেস করেছিলেন ‘এত রাতে এই লেডি এখানে কেন ? তখন একজন পুলিশ জবাব দিয়েছেন, স্যার। তিনি মহিলা সাংবাদিক। এভাবেই অনেক চড়াই-উতরাই পার করে তিনি এখন ফটোসাংবাদিক।

ফটো সাংবাদিক বিলকিস আক্তার সুমি’র ভাষায়- ছোটবেলা আমি একটি বাংলা সিনেমা দেখেছিলাম। সিনেমায় সাংবাদিক চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবানা। সেই সিনেমা দেখে আমার মনে স্বপ্ন জাগে বড় হয়ে সাংবাদিক হব। তারপর বান্ধবী রাহেনার কাছ থেকে জানতে পারি ‘সিআইপি’ (সেন্টার ফর ইমপ্রোভমেন্ট অব প্রেস)’ সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সর্ম্পকে। রাহেনা ও আমি সিআইপিতে ট্রেনিং গ্রহণ করি। এখান থেকেই মূলত সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি। ২০০২ সালে সিআইপিতে রিপোর্টিং-এর কাজ করি। একদিন বিশিষ্ট সাংবাদিক আল-আজাদকে বলি আমি সাংবাদিক হব। তার সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণায় ২০০৩ সাল থেকে চ্যানেল আইতে ক্যামেরা পার্সন হিসেবে কাজ শুরু করি। সেই থেকেই সাংবাদিকতা শুরু। সিলেট এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকে সাক্ষাতকার দেয়ার সময় কথাগুলো বলছিলেন ফটো সাংবাদিক বিলকিস আক্তার সুমি ।

সিলেটে প্রিন্টমিডিয়া ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সুপরিচিত মুখ বিলকিস আক্তার সুমি। ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে ২০ ডিসেম্বর তার জন্ম। সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় জালালপুর পৈতৃক নিবাস হলেও তার শৈশব কৈশোর কেটেছে নগরীর তোপখানায়। বাবা মরহুম আজম আলী, মা মরহুমা সালমা খানম। তিন ভাই ও সাত বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। পরিবারে তিনি ছিলেন সবার চোখের মধ্যমণি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। ২০০৮ সালে ১৪ ফেব্র“য়ারী সাংবাদিক ওয়েছ খছরু’র সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তার স্বামী দৈনিক মানবজমিন সিলেট বিভাগের ব্যুরো চীফ। একই সঙ্গে একুশে টেলিভিশনের সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধিও। অর্পিতা অমি তার একমাত্র কন্যা সন্তান। সে স্ট্যান্ডার্ড ওয়ানে ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ পড়াশোনা করছে।

সাংবাদিকদের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হচ্ছে আলোকচিত্রী বা ফটো সাংবাদিকতা। সেই ঝুঁকিপূর্ণ চ্যালেঞ্জিং পেশাকে বেঁচে নিয়েছেন সিলেটের কৃতি নারী বিলকিস আক্তার সুমি। তিনি বর্তমানে দৈনিক সবুজ সিলেট, বাংলার চোখ অনলাইন পত্রিকার ফটো সাংবাদিক হিসেবে ফটোসাংবাদিক হিসেবে কর্মরত আছেন। এখন তিনি রিপোর্টিংয়ে যোগ দিয়েছেন। তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে জিটিভির সিলেট প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। এ পর্যন্ত সফল নারী হিসেবে পুরষ্কার পেয়েছেন ‘রাঁধুনী কীর্তিমতী সম্মাননা ২০০৯’, রোটারীক্লাব অব জালালাবাদ, ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সংস্থা এবং তার নিজ গ্রাম জালালপুর এলাকাবাসীর উদ্যোগে সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট প্রদান।

সিলেটের প্রথম অনলাইন দৈনিক সিলেট এক্সপ্রেস ডটকম-এর পক্ষ থেকে ফটো সাংবাদিক বিলকিস আক্তার সুমি’র একটি সাক্ষাতকার গ্রহণ করা হয়। ৩০ আগষ্ট ২০১৪ সিলেট নগরীর শেখঘাটস্থ তার নিজের বাসায়। সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেন সিলেট এক্সপ্রেস-এর স্টাফ রিপোর্টার তাসলিমা খানম বীথি এবং সাথে ছিলেন সিলেট এক্সপ্রেসের আলোচিত্রী মাহমুদ পারভেজ।

বীথি: ফটো সাংবাদিকতা কবে থেকে শুরু করেছেন? প্রথম ছবি কোথায় প্রকাশিত হয়?
সুমি: ২০০৩ থেকে আমার ফটো সাংবাদিকতা শুরু হয়। চ্যানেল আই থেকে শুরু হয়ে সাংবাদিকতায় পথচলা। ক্যামেরা পার্সন হিসেবে চ্যানেল আইতে কাজ করি পাঁচ বছর। দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় লেখালেখির পাশাপাশি ছবি তুলতাম। আমার প্রথম ছবি দৈনিক সংবাদে প্রকাশ হয়। সেই ছবিটি ছিলো একটি আর্বজনা ছবি। মূলত রিপোটিং থেকে শুরু হয় পরে ফটো সাংবাদিকতা শুরু করি।

বীথি: প্রথম ছবি পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার অনুভূতি কেমন ছিলো?
সুমি : আমার প্রথম ছবি যখন দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত হয়। তখনকার অনুভূতি প্রকাশ করার মত নয়। সেদিনটি ছিলো আমার জীবনে সবচেয়ে আনন্দের দিন।

বীথি: আপনি তো রিপোর্টার ছিলেন। ফটো সাংবাদিকতায় আসলেন কীভাবে?
সুমি : রিপোর্টিং তো মানুষের কথা বলে আর ছবি সেই কথাকে আরো গভীরভাবে মানুষের হৃদয়ে তুলে দেয়। একটি ছবি তুললে সেই ছবির ক্যাপশন কাউকে বলে দিতে হয় না। ছবিটি বলে দেবে ক্যাপশন কী হবে। ছবি তোলতে গিয়ে আমি যে আনন্দ পাই সেই আনন্দ অন্য কাজে পাই না। ফটোগ্রাফার হওয়ার জন্যে আমার বেশি শখ ছিল। তাই রিপোর্টিং বাদ দিয়ে ফটোগ্রাফিতে চলে আসি।

বীথি: প্রথম ছবি তোলার সময় আপনার বয়স কত ছিল?
সুমি : প্রথম ছবি তোলার সময় আমার বয়স ছিল ২৬ বছর।

বীথি: আপনার কী কখনো মনে হয়েছে সাংবাদিকতা পেশায় এসে ভুল করেছেন?
সুমি : না। কখনো মনে হয়নি সাংবাদিকতা পেশায় এসে ভুল করেছি। আমি যখন বাইরে কাজ করতে গিয়েছি তখন অনেক কথা শুনতে হয়েছে। অনেকেই বলতেন নারী হয়ে কেন বাইরে কাজ করব। একজন নারী হয়ে কেন? রাস্তায় রাস্তায় দৌড়াবো। সেইসব কথা শুনে অনেক সময় মন খারাপ হলেও ভেঙ্গে পড়িনি। মানুষের কুটক্তি শুনে যখন হতাশ হতাম সেই সময় আমার পাশে পেয়েছি, যাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছি তারা হচ্ছেন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট সাংবাদিক সেলিম আউয়াল, আতাউর রহমান আতা, আব্দুল বাতিন ফয়সল। তারা সবসময় আমাকে শান্তনা দিতেন, বুঝাতেন। তাদের কথা শুনে মনের ভেতর আরো বেশি সাহস পেয়েছি। আমি আমার পরিচয়ে পরিচিতি হয়েছি। কারো পরিচয়ে আমি বড় হইনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে বের হয়েছি। আর এখন তো ক্যামেরার পাশাপাশি টিভি চ্যানেলেও রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছি।

বীথি: মানুষের কুটুক্তি আপনার মনে কতটুকু প্রভাব ফেলেছিল?
সুমি : মানুষের কুটুক্তি শুনে প্রচন্ড মন খারাপ হত। তখন কাঁদতাম। আর ভাবতাম আমি যদি ছেলে হতাম তাহলে তো এসব কথা শুনতে হত না। মাঝে মাঝে ইচ্ছে হত সাংবাদিকতা ছেড়ে দেই। আবার ভাবতাম না সাংবাদিকতা ছাড়ব না। তাদের কথা শুনে কেন ছেড়ে দিব। সাংবাদিকতা শুধু ছেলেদের জন্য নয়, মেয়েরাও করতে জানে।

বীথি: সাংবাদিকতা পেশার ক্ষেত্রে কোন দায়িত্বটা আপনাকে সবসময় তাড়িত করে?
সুমি : ছবি তুলতে আমাকে বেশি তাড়িত করতো। ছবি তুলতে অনেক কষ্ট করতে হয়। কারণ একটি ছবি যদি ভালো না হয় তাহলে কোন পত্রিকায় ছাপানো হবে না। এখনো আমি বাইরে গেলে নিজের হাতে ক্যামেরা না থাকলেও সামনে কারো হাতে ক্যামেরা থাকলে একটি ছবি তুলবই।

বীথি: সিলেটে নারী হিসেবে আপনিই প্রথম ফটো সাংবাদিকতা শুরু করেছেন তখন সহকর্মীদের কাছ থেকে কতটুকু সহযোগিতা পেয়েছেন?
সুমি : শুরুতে আমি যখন কাজ করেছি তখন অনেকের কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছি। সাংবাদিক আফতাব উদ্দিন, আব্দুল বাতিন ফয়সল, মামুন হাসান, তুখুল রানা, মরহুম সিএম মারুফ, শেখ নাসির, ইকবাল মনসুর, নুরুল, সাব্বির ফয়েজ, এস এম আরিফ তাদের কাছ থেকে সবসময় সহযোগিতা পেয়েছি। কোন সময় ছবি তুলতে না পারলেও তারা আমাকে ছবি দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।

বীথি: সাংবাদিকতা পেশায় কার উৎসাহ ছিল বেশী?
সুমি: আমার বড় ভাই মো: জামাল আহমদ ও মামাতো ভাই এম এ আজিজ তাদের উৎসাহ পেয়েছি সবচেয়ে বেশি। আমার মা কখনও চাইতেন না সাংবাদিকতা করি। কারণ এ পেশাটি জীবনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ।

বীথি: আপনার জীবনে সবচেয়ে স্মরণী একটি মুহুর্তের কথা বলেন?
সুমি : জঙ্গি নেতা শায়খ আবদুর রহমানকে গ্রেফতারের সময়টি ছিলো আমার জীবনে সবচেয়ে স্মরনীয় একটি মুহুর্ত। তখন রাত ৩টা ছবি তোলতে ভেতরে প্রবেশ করবো, র‌্যাবের একজন কর্মকর্তা প্রবেশ করতে নিষেধ করেছিলেন। সে সময় এস আই মুকুল নামে একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছিলেন, তিনি সিলেটের নারী সাংবাদিক, পরে ভেতরে প্রবেশ করি। তিনদিন তিন রাত তখন সেখানে ছিলাম। এ সময়টি আমার স্মরনীয় একটি মুহুর্ত।

বীথি: সাংবাদিকতা করতে গিয়ে আপনি কী কী সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন?
সুমি : সিলেট কোর্ট পয়েন্টে একবার ইসলামী একটি সমাবেশ চলছিল। তখন ছেলেরা সবাই ছবি তুলছিল আমিও তাদের পাশে দাঁড়াই ছবি তুলতে। সেই সময় সমাবেশের হুজুররা রাগ করেন। কেন নারী হয়ে ছবি তুলবো। সেই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা দেলওয়ার হোসেন সাঈদী। হুজুরদের রাগ দেখে তিনি বলেছিলেন, ছবি না তুললে চ্যানেল আইতে যাবে না তখন তোমরা কীভাবে দেখবে। উনার কথা শুনে সবাই শান্ত হয়ে ছবি তুলতে অনুমতি দিলেন।

বীথি: নবীন নারী সাংবাদিকদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
সুমি : নারীদেরকে আমি বলব আপনারা এগিয়ে আসুন। একজন নারী এগিয়ে আসলে আরেকজন নারী সাহস পাবে। সফল নারীরা অন্য নারীদের অনুপ্রেরনা যোগাবে। নতুন যারা কাজ করছে তাদেরকে বলব আরো বেশি করে কাজ করুন। একজন নারী হয়ে আরেকজন নারীকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন। আমি বিশ্বাস করি, আমার মতো আরো অনেক নারীই সাংবাদিকতা পেশা এগিয়ে আসবে।

বীথি: সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে আপনার স্বামী কী রকম ভূমিকা রেখেছেন?
সুমি : সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে তিনি আমাকে অনেক সহযোগিতা করেন। তিনি কখনো আমাকে বাধা দেননি। বরং এখনো তিনি কাজ করার জন্য উৎসাহ দেন। তিনি নিজেও একজন সাংবাদিক। বর্তমানে তিনি দৈনিক মানবজমিন সিলেট অফিসের এবং একুশে টেলিভিশনে ব্যুারো চীফ হিসেবে কর্মরত আছেন।

বীথি: জাতীয় পর্যায়ে আপনার ছবি কী প্রদর্শিত হয়েছে ?
সুমি : আমার ছবির এখনো কোন প্রদর্শনী হয়নি। তবে আমার ইচ্ছে আছে প্রদর্শনী করব।

বীথি: অবসর সময় কী করেন?
সুমি : বই পড়ি আর গান শুনি।

বীথি: আপনাকে সিলেট এক্সপ্রেস এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।
সুমি : তোমাকে এবং সিলেট এক্সপ্রেসকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।