27 Jun 2017 : Sylhet, Bangladesh :

সিলেট 1 December 2015 প্রকৃতি পরিবেশ  (পঠিত : 3710) 

শ্যামলিমায় জমিনে রৌদ্রোজ্জ্বল আভায় আলোকিত হেমন্ত

শ্যামলিমায় জমিনে রৌদ্রোজ্জ্বল আভায় আলোকিত হেমন্ত
     

এহসান বিন মুজাহির: কার্তিক ও অগ্রাহায়ণ দুমাস হেমন্তকাল। নতুন ধানের আগমনে চারদিকে সুগন্ধ মৌ মৌ করে। কৃষকের গলায় ধরে আনন্দের গান। চারদিকে পাঠা-পায়েসের ধুম পড়ে যায়। শরৎকালীন শিশিরের স্নিগ্ধ হাসি মনকে ভরে দেয়। প্রত্যেক ঋতুর আগমনে বাংলাদেশের প্রকৃতি নব নব সাজে সজ্জিত হয়। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্তে এ ছয় ঋতুতে প্রকৃতি সাজে ছয় রকমে। হেমন্তের কুহেলী গুঞ্জন, শীতের শীর্ণ নদী ও কুয়াশার নেকার আর বসন্তের দখিনা মৃদুমন্দ বাতাস, গ্রীষ্মের দুঃসহ দহন, বর্ষার মুষলধারে বৃষ্টি, শরতের কাশফুল ষড়ঋতুরই অবদান।
শরতের শেষ প্রহর থেকেই বাতাসে মৃদু গুঞ্জন তোলে হেমন্তের রৌদ্রাঙ্কিত মোহনীয় প্রতিচ্ছবির নিবিড় তরঙ্গ। এভাবেই প্রকৃতি হেমন্তের গহন উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়, হয় অনুভূত। রৌদ্রোজ্জ্বল আভায় আলোকিত প্রকৃতি মানেই হেমন্ত। সারা বাংলার সবুজ শ্যামল প্রতিকৃতিতে হেমন্ত ছড়িয়ে দেয় স্বর্ণাঙ্কিত বর্ণময়তার গভীর আমেজ। শ্যামলিমায় জমিনে এখন শোভা পাচ্ছে সোনালি বর্ণের উজ্জ্বলতর হেমন্তের আলোক রেখা।
প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা বয়ে নিয়ে এসেছে হেমন্ত। শিশির বিন্দু ঝরার টুপটাপ শব্দ আর মৃদু শীতলতা জানান দিচ্ছে ঋতু আগমনের বারতা।
প্রত্যেক ঋতুর আগমনে বাংলাদেশের প্রকৃতি নব নব সাজে সজ্জিত হয়। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্তে এ ছয় ঋতুতে প্রকৃতি সাজে ছয় রকমে। হেমন্তের কুহেলী গুঞ্জন, শীতের শীর্ণ নদী ও কুয়াশার নেকার আর বসন্তের দখিনা মৃদুমন্দ বাতাস, গ্রীষ্মের দুঃসহ দহন, বর্ষার মুষলধারে বৃষ্টি, শরতের কাশফুল ষড়ঋতুরই অবদান।
শিশিরস্নাত সকাল, কাঁচাসোনা রোদমাখা স্নিগ্ধসৌম্য দুপুর, পাখির কলকাকলি ভরা ভেজা সন্ধ্যা আর মেঘমুক্ত আকাশে জ্যোৎস্না ডুবানো আলোকিত রাত হেমন্তকালকে যেন আরও রহস্যময় করে তোলে সবার চোখে; প্রকৃতিতে এনে দেয় ভিন্নমাত্রা। হেমন্তের এই মৌনতাকে ছাপিয়ে বাংলার মানুষের জীবনে নবান্ন প্রবেশ করে জাগরণের গান হয়ে, মানুষের জীবনে এনে দেয় সার্বজনীন উৎসবের ছোঁয়া। নবান্ন মানেই চারিদিকে পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ, নতুন অন্ন, গ্রামের মাঠে মাঠে চলে ধান কাটার ধুম, হেমন্তে এই ফসল কাটাকে কেন্দ্র করেই ঘরে ঘরে শুরু হয় নবান্ন উৎসব। গৃহস্থ বাড়িতে নতুন ধানে তৈরি পিঠাপুলির সুগন্ধ বাতাসে ভেসে বেড়ায়। হেমন্তের অন্য নাম নবান্ন। শরৎকালের পর এই ঋতুর আগমন। এর পরে আসে শীত, তাই হেমন্তকে বলা হয় শীতের পূর্বাভাস। এক সময় বাংলায় বছর শুরু হতো হেমন্ত দিয়ে। কারণ, ধান উৎপাদনের ঋতু হলো এই হেমন্ত। বর্ষার শেষ দিকে বোনা আমান-আউশ শরতে বেড়ে ওঠে। আর হেমন্তের প্রথম মাস কার্তিকে ধান পরিপক্ব হয়। হেমন্তের ফসল কাটাকে কেন্দ্র করেই নবান্ন উৎসবের সূচনা।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট ও যুগ্ন আহব্বায়ক, মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব



|

   অন্য পত্রিকার সংবাদ  অভিজ্ঞতা  আইন-অপরাধ  আত্মজীবনি  আলোকিত মুখ  ইসলাম ও জীবন  ঈদ কেনাকাটা  উপন্যাস  এক্সপ্রেস লাইফ স্টাইল  কবিতা  খেলাধুলা  গল্প  ছড়া  দিবস  দূর্ঘটনা  নির্বাচন  প্রকৃতি পরিবেশ  প্রবাস  প্রশাসন  বিবিধ  বিশ্ববিদ্যালয়  ব্যক্তিত্ব  ব্যবসা-বাণিজ্য  মনের জানালা  মিডিয়া ওয়াচ  মুক্তিযুদ্ধ  যে কথা হয়নি বলা  রাজনীতি  শিক্ষা  সমসাময়ীক বিষয়  সমসাময়ীক লেখা  সমৃদ্ধ বাংলাদেশ  সাইক্লিং  সাক্ষাৎকার  সাফল্য  সার্ভিস ক্লাব  সাহিত্য-সংস্কৃতি  সিটি কর্পোরেশন  স্বাস্থ্য  স্মৃতি  হ য ব র ল  হরতাল-অবরোধ