26 Sep 2017 : Sylhet, Bangladesh :

সিলেট 22 August 2015 ব্যক্তিত্ব  (পঠিত : 4716) 

শিক্ষাবিদ, লেখক ও সংগঠক লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর

শিক্ষাবিদ, লেখক ও সংগঠক 
লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর
     

বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল:
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, লেখক ও সংগঠক, মদন মোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর বহুমাত্রিক যোগ্যতার কারণে তিনি স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমাদৃত। তিনি সিলেট ও দেশের শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক বিভিন্ন পরিমণ্ডলে অবদান রেখে চলেছেন। বিশেষত এ দেশে রোটারী অঙ্গনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় সিলেটের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এছাড়াও তিনি সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রতিনিধিত্ব করে সাফল্য অর্জন করেছেন। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনালেখ্যে আগামী প্রজন্ম খুঁজে পাবে নতুন পাথেয়।
বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর ৮ এপ্রিল ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর মহল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মরমি কবি শাহ আছদ আলী (রহ.)-এর প্রপৌত্র এবং স্বনামধন্য শিক্ষক মরহুম আব্দুল মান্নান পীর-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র। তাঁর মাতার নাম আইয়ুবুন্নেছা খাতুন। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে তিনি এমসি কলেজ থেকে রসায়নে অনার্স এবং ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে ময়মনসিংহ আঠারবাড়ি কলেজে শিক্ষকতা শুরু করে ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে একই জেলার গৌরীপুর কলেজে অধ্যাপনা করেন। ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দে মদন মোহন কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০০২ খ্রিস্টাব্দ থেকে একই কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ২০১০ খ্রিস্টাব্দে অবসর গ্রহণ করেন। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি প্রথম শ্রেণিতে বিএড এবং ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে এম.এড ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি ইটালিস্থ দ্য নিউ এজ ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের জন্য গবেষণারত। তাঁর গবেষণার বিষয় হচ্ছে আর্সেনিক দূষিত এলাকায় বিকল্প পানির উৎস।
অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর একজন নীরব সাহিত্য সাধক, সত্যানুসন্ধানী গবেষক হওয়ার পাশাপাশি সাহিত্যকর্ম ও মননচর্চায় তাঁর সাফল্যও কম নয়। তিনি একাধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর গ্রন্থ দেশ-বিদেশের পাঠকদের কাছে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তাঁর গ্রন্থসমূহ অত্যন্ত সুখপাঠ্য মনোমুগ্ধকর। লেখায়, বর্ণনায় কৃতিত্ব পাণ্ডিত্য আছে। তাঁর প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও গ্রন্থের মাধ্যমে চলমান বিশ্বের ঘটনা প্রবাহ, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ধর্ম, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ইতিহাস সম্পর্কে তাঁর জ্ঞানের গভীরতা এবং জানার আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে : দ্য ক্রিড অভ্ ইসলাম (২০০৬, অনুবাদ); ইসলাম : কালজয়ী জীবনাদর্শ (২০০৭, প্রবন্ধ); জেনারেল ওসমানী (২০০৯, সম্পাদিত); সুখের সন্ধানে (২০০৯, প্রবন্ধ), দৈনন্দিন জীবনে কুরআনের শিক্ষা (২০১৪, ধর্মীয়), মহানবী (সা.)-কে নিবেদিত পঙ্ক্তিমালা (২০১৫, কবিতা), পাক্ষিক সাহিত্য আসরের মুখপত্র (কথালতা), (ছায়ালাপ) মোবাইল পাঠাগারের মুখপত্র ও মাসিক কৈতর।
অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর একজন স্বার্থক অনুবাদক। আবুল হাশিম রচিত ‘দ্যা ক্রিড অভ্ ইসলাম’ গ্রন্থটি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় অনুবাদ করেছেন। এই গ্রন্থে আতাউর রহমান পীর ইসলামকে উপজীব্য করে অত্যন্ত সুন্দর ভাষায় অনুবাদ করেছেন। আলোচ্য বিষয় ইসলাম হলেও অন্যান্য ধর্মের সংযুক্তি স্থাপন করে উদার ও অগ্রসর মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। অন্যদিকে তিনি দেখতে চেয়েছেন ধর্ম যেন চিন্তাশীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। যাতে স্বল্পশিক্ষিত ধর্মগুরু ও পুরোহিতদের কালিমা লেপন থেকে বেঁচে থাকে ধর্ম। তাঁর এই গ্রন্থ ধর্ম সম্পর্কিত অনেক উচ্চ জিজ্ঞাসার সমাধানে সহায়তা করবে এবং অনেক জ্ঞানপিপাসুদের তৃষ্ণা নিবারণ করবে।
‘ইসলাম কালজয়ী জীবনাদর্শ’ গ্রন্থে অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর বর্তমান অস্থির পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর নির্দেশিত পথ অনুসরণ করতে হবে। কেননা তাঁর প্রর্দশিত আর্দশই হচ্ছে উম্মতের জন্য উত্তম আর্দশ। কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে-‘লাকাদ কানা লাকুম ফি রাসূল্লিহাহি উসওয়াতুন হাসানা’ র্অথাৎ তোমাদের জন্য রাসূল (সা.) হচ্ছে উত্তম আর্দশ। আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে একটি বর্বর জাতিকে হিরক খণ্ডে পরিণিত করেছিলেন, একটি মর্যাদা সম্পন্ন জাতিতে রূপান্তরিত করেছিলেন। রাসূল (সা.) এর আর্দশে অনুপ্রাণিত হয়ে সেসময়ে সমাজের সবচেয়ে নিন্দিত ব্যক্তি নন্দিত হয়ে উঠেছিলেন। তাই বর্তমান সময়ে মৌলিক ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে এই অশান্ত পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। আল্লাহ পাক মানুষের জাগতিক সুখ, শান্তি ও পরকালের মুক্তির জন্য যে বিধান আরোপ করেছেন তা-ই হচ্ছে ইসলাম। স¤প্রতি কিছুসংখ্যক বিভ্রান্ত মানুষ ইসলামকে ব্যবহার করে নিজের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। র্নিবুদ্ধিতা বশত ইসলাম প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে সমাজে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। অথচ কুরআনে কারিমে স্পষ্ট বর্ণিত আছেÑ ‘লা তুফছিদু ফিল আরদ’ অর্থাৎ ‘তোমরা জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না। সন্ত্রাসী তৎপরতা সৃষ্টি করো না।’ কেননা ইসলাম এগুলো সমর্থন করে না।
এম আতাউর রহমান পীর-এর মহানবী (সা.)-কে নিবেদিত পঙ্ক্তিমালা-২০১৫ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশ পায়। গ্রন্থটি শিশু-কিশোরদের কচিমনের সুস্বাদু খাবার। এতে সুন্দর করে বর্ণিত হয়েছে ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র, সাদা-কালো, আরব-অনারব সকল শ্রেণির মানুষের প্রতি ইসলামের সহানুভূতি প্রকাশের ধর্ম।
হে নবী, মহান গুণাবলির অধিকারী মুহাম্মদ
তুমি এসেছো এ বিশ্বে উজ্জ্বল প্রদীপ, সুসংবাদদাতা
ও সতর্ককারী হিসেবে।
তুমি তোমার কথা ও কাজের মাধ্যমে মানুষের সামনে
তুলে ধরেছো লা-শরিক আল্লাহর দ্বীনের সত্যতা,
বাস্তবতা, সৌন্দর্য ও কল্যাণময়তা।
নবী (সা.)-এর গুণাবলি এক উজ্জ্বল আলোক রেখা, যা মানুষের চরিত্রে জোৎøার মতো দ্যোতি বিচ্ছুরণ করতো এবং তুচ্ছ থেকে অসাধারণ বস্তুতে পরিণত করতো জাহেলিয়াতের অন্ধকার। বস্তুত তিনি প্রেরিত হয়েছিলেন সংবাদদাতা এবং ভীতি প্রদর্শক হিসেবে।
অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর দৈনন্দিন জীবনে কুরআনের শিক্ষা গ্রন্থে তিনি মুসলিমদের জীবনে বিষয়ভিত্তিক এবং বাস্তবভিত্তিক কুরআনকে জানার জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। মুসলিম হিসেবে আল-কুরআন আমাদের জীবনবিধান। এতে জীবনযাপনের যাবতীয় নির্দেশনা বিদ্যমান। কিন্তু আমরা কুরআনের শিক্ষা থেকে ধীরেধীরে দূরে সরে যাচ্ছি। তার অন্যতম কারণ হচ্ছে ভাষাগত অজ্ঞতার কারণে কুরআনকে আত্মস্থ করতে না-পারা। অথচ কুরআনকে অনুধাবন করলে এবং একে অন্তরে ধারণ করলে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো না। তাই আমাদের জীবনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কুরআনকে অধ্যয়ন করা অতীব জরুরি। সেই অভিপ্রায় থেকে এম আতাউর রহমান পীর রচনা করেছেন দৈনন্দিন জীবনে কুরআনের শিক্ষা। লেখক গ্রন্থটিতে কুরআনের কিছু আয়াতকে বাংলা বর্ণমালার ক্রমধারায় বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় তুলে ধরেছেন। যারা ইসলামি আদর্শে জীবনকে পরিচালিত করতে চান তাদের জন্য গ্রন্থটি সহায়ক হবে।
অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর একজন সমাজসেবী, মানবদরদী, শিক্ষানুরাগী, প্রাণবন্ত, পরিশ্রমী, সুন্দর মনের মানুষ। ধৈর্য, সহনশীলতা তাঁর চরিত্রে পৃথক ছায়া ফেলে। একজন সুদর্শন ও দৈহিক সৌন্দর্যের অধিকারী হওয়ার পাশাপাশি হৃদয়ের সৌন্দর্যেও তিনি অনন্য ও অতুলনীয়। তাঁর অন্তর আকাশের মত উদার, সাগরের মতো বিশাল। কাউকে কিছু দেওয়ার মধ্যেই আনন্দ পান। একজন আন্তরিক মানুষ ও অভিভাবকতুল্য আচরণ প্রকাশ পায় তাঁর কাজেকর্মে। ফলে তাঁকে কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না। তাঁর পরিচিত জগত তাঁর অনিন্দ্য সুন্দর স্মৃতিকে অত্যন্ত সহজভাবে বহন করে চলছেন।
অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর হলেন একজন নিষ্ঠাবান মানুষ। সেখান থেকে আশার আলো আর সৃজনের শক্তি পাওয়া যায়। বর্তমানে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। সর্বদা তিনি মানুষের কল্যাণে নিজের কর্ম চিন্তা চেতনাকে বিলিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন।
‘পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি,
এ জীবন মন সকলই দাও।
তার মত সূখ কোথাও কি আছে?
আপনার কথা ভুলিয়া যাও।’
এ আদর্শ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর। ফলে জীবনের পরতে পরতে মানুষের ভালোবাসা, সম্মান ও আস্থা অর্জন করতে পেরেছেন।
শিক্ষাবহির্ভুত কার্যক্রমে তিনি ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর-এর অফিসার হিসেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে লেফটেনেন্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। তার সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০১ খ্রিস্টাব্দে সিলেট মুক্তিযুদ্ধ একাডেমি কর্তৃক সম্মাননা পদক লাভ করেন। ২০০২ খ্রিস্টাব্দে শিক্ষামন্ত্রণালয় কর্তৃক জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণিশিক্ষক সম্মাননা ও স্বর্ণপদক লাভ করেন। এছাড়া ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ স্কাউট কমিশনার পদক এবং ২০১১ খ্রিস্টাব্দে বিএনসিসি কর্তৃপক্ষ তাকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করে।
এম আতাউর রহমান পীর ১৯৯৭-১৯৯৮ রোটারি বর্ষে রোটারি ক্লাব অভ্ জালালাবাদ-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সিলেট মোবাইল পাঠাগার, মেট্রোপলিটন ল’ কলেজ সিলেট এবং মেট্রোপলিটন কিণ্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা। ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে তিনি সুনামগঞ্জ শহরে শাহ আছদ আলী (রহ.) ফাউন্ডেশন গঠন করেন। একই বছর সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর মহল্লায় জামেয়া হাফিজিয়া দরগাহে শাহ আছদ আলী পীর (রহ.) নামে একটি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর একজন জ্ঞানতাপস হলেও তার অবদান বহুমাত্রিক। স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রশংসনীয় ভূমিকা আমাদের জন্য বয়ে এনেছে সম্মান। যেখানেই দেশের ও দশের স্বার্থে তাঁর প্রয়োজন দেখা দিয়েছে তিনি ছুটে গিয়েছেন নিঃস্বার্থভাবে। শিক্ষাঙ্গনের বাইরেও দেশ ও জাতি যখনই কোন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে তিনি বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে তার মোকবেলা করার জন্য এগিয়ে এসেছেন। ধর্মীয় ও সামাজিক স্বার্থে তিনি প্রয়োজনে রাজপথের সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন। মানুষের কল্যাণে আজো তিনি ছুটে যান টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া। এ কর্মবীর তাঁর মিশনকে ব্যাপৃত করেছেন সামাজিক বিভিন্ন সংস্কার ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে। অতীতে সর্বদা আমরা তাকে কাছে পেয়েছি অভিভাবকরূপে। আজ আমরা তার মত মহান ব্যক্তিকে বরণ করতে পেরে গর্বিত। তাই জাতির এ সুসন্তানের জন্য আল্লাহর দরবারে বিনীত প্রার্থনা, তিনি তাঁর যেন হায়াত দারাজ করেন এবং জাতি যেন আরো বেশিদিন তাঁর কাছ থেকে উপকৃত হতে পারে।
লেখক : প্রকাশক ও প্রাবন্ধিক