19 Nov 2017 : Sylhet, Bangladesh :

সিলেট 22 July 2015 আইন-অপরাধ  (পঠিত : 4077) 

রাজন হত্যা : অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা : সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজন হত্যা : অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা : সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
     

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, রাজন হত্যার ঘটনায় পুলিশের গাফিলিতি ও উৎকোচ গ্রহণের বিষয়ে তদন্ত চলছে। রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই দায়ি পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার তিন দিনের সফরে সিলেট পৌছে নির্ধারিত কর্মসূচির বাইরে মন্ত্রী রাজনের বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, রাজন হত্যায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। দায়িদের বিরুদ্ধে সব ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সৌদিতে আটক কামরুল ইসলামকেও দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন, এইক্ষেত্রে আইনি কিছু জটিলতা রয়েছে। এসব শেষ করে শিগগিরই তাকে দেশে ফিরত এনে বিচারের মুখোমুখী করা হবে। রাজন হত্যা মামলার সকল নথিপত্র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়েও তলব করা হয়ে বলে তিনি জানান।

বুধবার দুপুরে নিহত রাজনের গ্রামের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাও ইউনিয়নের বাদে আলী গ্রামে পৌছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বাবা-মাকে সান্ত্বনা দেন। একই সাথে তার পরিবারকে তিনি এক লাখ টাকার অনুদান প্রদান করেন।

রাজনের বাড়িতে মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক সিসিক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সিলেট মেট্রোপলিট পুলিশের কমিশনার কামরুল আহসান, সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আশফাক আহমদ প্রমূখ।

স্বীকারোক্তি : রাজন হত্যা মামলায় রিমান্ডে থাকা প্রধান আসামি মুহিতুল আলম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মো. রহমত উল্লাহ। বুধবার দুপুরে তিনি এই তথ্য দেন।

প্রসঙ্গত, ৮ জুলাই সকালে শহরতলীর কুমারগাঁও এলাকার একটি ওয়ার্কশপের বারান্দায় খুঁটির সাথে বেধে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১৩ বছরের শিশু শেখ সামিউল আলম রাজনকে। সকাল ১১ টায় তার লাশ মাইক্রোবাসে করে গুম করতে গেলে জনতার হাতে আটক হয় মুহিত ও তার ভাই কামরুল। এরপর মহানগরীর জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর ও এসআই (বর্তমানে প্রত্যাহার) আমিনুল ইসলাম ১২ লাখ টাকার চুক্তিতে ৬ লাখ টাকা নিয়ে কামরুলকে ছেড়ে দেন। থানা থেকে ছাড়া পেয়েই কামরুল সৌদিতে পালিয়ে যায়। এরপর এই ঘটনার লোমহর্ষক ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে পড়লে তোলাপড় শুরু হয় সারাবিশ্বে। সৌদিতে আটক হয় কামরুল। সব মিলে এই মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেফতার ১১ জন। এরমধ্যে ইতোমধ্যেই চৌকিদার ময়না, নুর আহমদ ও দুলাল আহমদ মহানগর হাকিম আদালত-৩ এর বিচারক আনোয়ারুল হকের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

আরোও ছবি

রাজন হত্যা : অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা : সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজন হত্যা : অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা : সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Free Online Accounts Software