27 Jun 2017 : Sylhet, Bangladesh :

সিলেট 31 May 2015 শিক্ষা  (পঠিত : 2013) 

ফলাফলে পিছিয়েছে শাহজালাল জামেয়া পাঠানটুলা মাদ্রাসা

     

সাঈদ নোমান: বরাবরের মত মাদ্রাসা বোর্ডে সিলেটের মধ্যে সর্বাধিক জিপিএ-৫ লাভ ও প্রথম স্থান অর্জন করেছে শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (এমএ) মাদ্রাসা পাঠানটুলা। তবে সার্বিক ফলাফলে বিগত বছরের তুলনায় এবার অনেকটা পিছিয়েছে এ প্রতিষ্ঠান। প্রতি বছর সিলেট বিভাগে মাদ্রাসা বোর্ডের ফলাফলে অপ্রতিদ্বন্দ্বি হলেও এবারের দাখিল পরীক্ষায় পাঠানটুলা জামেয়ার অর্জন বিগত বছরের তুলনায় অনেক কম। তবে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে সিলেট বিভাগের মধ্যে এবারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ফলাফলের দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। এবারের দাখিল পরীক্ষায় ২৩০জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১জন অকৃতকার্য হয়েছে। যা পাঠানটুলা জামেয়ার ইতিহাসে প্রথম। প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায়, অপ্রত্যাশিত এই ফলাফলে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। রিজাল্টসীট পাওয়ার সাথে সাথে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান শিক্ষকদের নিয়ে তাৎক্ষনিক পর্যালোচনা সভায় বসেছেন। তবে কয়েকজন অভিভাবক জানালেন, রাজনীতিক একটি তকমা লাগিয়ে শাহজালাল জামেয়ার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নানভাবে হয়রানী করা ও চাপে রাখা হয়েছে। ফলে ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান কার্যক্রমে বিঘœ সৃষ্টি হয়েছে। দাখিল পরীক্ষার ফলাফলেও এর প্রভাব পড়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান জানালেন, শত প্রতিকুলতার মধ্যেও শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (এম এ) মাদ্রাসা পাঠানটুলার পড়ালেখার পরিবেশ সুষ্ঠু রাখা হয়েছে। বিগত বছরের তুলনায় এবারের দাখিল পরীক্ষার ফলাফল কিছুটা খারাপ হয়েছে। তবে এর কারন তারা খতিয়ে দেখছেন। জানা যায়, মাদ্রাসা বোর্ডে সিলেট বিভাগের মধ্যে প্রতিবছর দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় সর্বাধিক শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে এ প্রতিষ্ঠান থেকে। বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগ থেকে সর্বাধিক জিপিএ ৫ ও শতভাগ সাফল্য অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি। জাতীয়ভাবেও কয়েকবার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জণ করেছে পাঠানটুলা জামেয়া। এ প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় স্থানসহ প্রথমও হয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। কিন্তু এ বছর ফলাফল খারাপ করায় পাঠানটুলা জামেয়ার সোনালী অতীত হারিয়ে যাবার আশংকা করেছেন অনেক অভিভাবক। যদিও শিক্ষকরা বলছেন আগামীতে তারা এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠবেন। এ বছর শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (এম এ) মাদ্রাসা পাঠানটুলা থেকে বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগে ২৩০জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে জিপিএ- পেয়েছে ৩৩জন, এ গ্রেড পেয়েছে ১২১জন, এ মাইনাস পেয়েছে ৪৫জন, বি গ্রেড পেয়েছে ১৭জন ও সি গ্রেড পেয়েছে ৩জন। ২৩০জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২১৯জন। অকৃতকার্য হয়েছে ১১জন। সার্বিক পাসের হার ৯৫.২১। গত বছর দাখিল পরীক্ষায় পাঠানটুলা জামেয়া থেকে সাধারণ ও বিজ্ঞান বিভাগে ২২৪ জন পরীক্ষার্থী ছিল।
এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ১৩২জন ও সাধারণ বিভাগের ৯২জন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পায় ৩২ জন, এ গ্রেড পায় ১শ’ ৬০ জন, এ মাইনাস পায় ২১ জন ও বি গ্রেড পায় ৩ জন। পাশের হার ছিল ৯৬.৪২ ভাগ। ২০১৩ সালে পাঠানটুলা জামেয়া থেকে সাধারণ ও বিজ্ঞান বিভাগে ১শ’ ৭৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পায় ৩৯ জন, এ গ্রেড পায় ১শ’ ১১ জন, এ মাইনাস পায় ১৫ জন ও বি গ্রেড পায় ৭ জন। পাশের হার ছিল ৯৮.২৮ ভাগ।

|

   অন্য পত্রিকার সংবাদ  অভিজ্ঞতা  আইন-অপরাধ  আত্মজীবনি  আলোকিত মুখ  ইসলাম ও জীবন  ঈদ কেনাকাটা  উপন্যাস  এক্সপ্রেস লাইফ স্টাইল  কবিতা  খেলাধুলা  গল্প  ছড়া  দিবস  দূর্ঘটনা  নির্বাচন  প্রকৃতি পরিবেশ  প্রবাস  প্রশাসন  বিবিধ  বিশ্ববিদ্যালয়  ব্যক্তিত্ব  ব্যবসা-বাণিজ্য  মনের জানালা  মিডিয়া ওয়াচ  মুক্তিযুদ্ধ  যে কথা হয়নি বলা  রাজনীতি  শিক্ষা  সমসাময়ীক বিষয়  সমসাময়ীক লেখা  সমৃদ্ধ বাংলাদেশ  সাইক্লিং  সাক্ষাৎকার  সাফল্য  সার্ভিস ক্লাব  সাহিত্য-সংস্কৃতি  সিটি কর্পোরেশন  স্বাস্থ্য  স্মৃতি  হ য ব র ল  হরতাল-অবরোধ