User Login | | নীতিমালা | 19 Aug 2017 : Sylhet, Bangladesh :
    সংবাদ : বঙ্গবন্ধু'র  শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আ’লীগের দোয়া মাহফিল  সংবাদ : সিলেট রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন
সালাম সভাপতি,  মুকিত সম্পাদক   সংবাদ : শাল্লায় স্বাস্থ্য সেবায় মেডিজোনের  উদ্বোধন করলেন   প্রকৌশলী সৌমেন সেনগুপ্ত  সংবাদ : জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ২৩ ওয়ার্ড যুবলীগের আলোচনা সভা   সংবাদ : ভালো লেখক হতে হলে 
মননশীল মনের প্রয়োজন  সংবাদ : সিলেট প্রেসক্লাব-মহিবুন্নেছা স্মৃতি সম্মাননা  পাচ্ছেন  ফটো সাংবাদিক আতাউর রহমান আতা  সংবাদ : যুবলীগ নেতা চপলের মুক্তির
দাবীতে দিরাই যুবলীগের বিক্ষোভ  সংবাদ : মহানগর মহিলা দলের সদস্য সংগ্রহ’র উদ্বোধন  সংবাদ : শাবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন   সংবাদ : সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের মানববন্ধন  সংবাদ : বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন
সিলেট মহানগর শাখার কমিটি অনুমোদিত  সংবাদ : জাফলংয়ে এমপি ইমরান আহমেদ’র হস্তক্ষেপে
বিদ্যালয়ের ভূমি জটিলতার নিরসন  সংবাদ : সিলেট জেলার ১৭ পুলিশ কর্মকর্তা পুরস্কৃত
  সংবাদ : নগরীতে পাইপগানসহ ৯ মামলার দুর্ধর্ষ আসামী গ্রেফতার
  সংবাদ : বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকি উপলক্ষে ইফার পুরুষ্কার বিতরণ, আলোচনা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত   সংবাদ : ইসকন প্রতিষ্ঠাতার ১২১তম  আবির্ভাব তিথিতে ১২১ পাউন্ড কেক কাটলেন বিভাগীয় কমিশনার
  সংবাদ : দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ২৫টি পাকা সড়ক সংস্কার করা হবে  সংবাদ : জাতীয় শোক দিবসে ২৬নং ওয়ার্ড  জাসদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
sylhetexpress.com এর picture scroll bar এর code. এই কোড যেকোন website এ use করা যাবে।
| সিলেট | মৌলভীবাজার | হবিগঞ্জ | সুনামগঞ্জ | বিশ্ব | লেখালেখি | নারী অঙ্গন | ছবি গ্যালারী | রঙের বাড়ই ব্লগ |

অভিমানী গল্পকার


9 August 2017

SylhetExpress.com

তাসলিমা খানম বীথি:
১. চকচকে ঝকঝকে হাসির অন্তরালে অভিমানী একটি মুখ লুকিয়ে থাকে তার হৃদয়ে। যার প্রচন্ড অভিমান করার ক্ষমতা রয়েছে। তাকে বাইরে থেকে গুছালো মনে হলোও ভেতরে ভেতরে সে খুবই অগুছালো। কারন সে যখনই ঘর থেকে বের হয় তখন মানিব্যাগ না হয়, হাত ঘড়ি ঘরে রেখে দৌড় দেয়। তার মাথার চুল দেখলে মনে হবে পাখির বাসা। চুল আচড়ায় না বলে একদিন তাকে চিরুনি কিনে দিয়েছিলাম। নিজের প্রতি উদাসীন হলে কী হবে। কাছের মানুষদেরকে ঠিকই সে ভালোবাসে, যত্ন নেয়। প্রতি বছরে আমার জন্মদিনটি আসে আবার নীরবে চলেও যায়। কিন্তু ২০১৫ সালে জীবনে প্রথম কোন জন্মদিনে কেক কাটি। আর সেই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছিলো যাকে আমি কখনো ঘন্টু, কখনো নীল, আবার কখনো বাবু বলে ডাকি। জন্মদিনে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের সাহিত্যঙ্গনে আমার সবচেয়ে প্রিয়, সবচেয়ে কাছের মানুষেরা। সেদিন এতটাই আবেগাপ্লুত হয়েছিলাম যে, চোখের জলে আটকে গিয়েছিলো মনের কথাগুলো।
২.গত ঈদুল ফিতরের আগের দিন তাকে কল করে বলেছিলাম ঈদের দিনে সবাই মিলে বের হবো। আমি জানতাম মোবাইল বন্ধ করে ঘুমিয়ে যাবে সে। সেই জন্য মোবাইলের লাইন কাটার আগে কয়েকবার তাকে বলি- মোবাইল খোলা রাখিস। লক্ষী ভাইয়ের মত সেও জবাব দেয় আচ্ছা খোলা রাখবো, বন্ধ করবো না।
৩.ঈদের দিন সকালে তাকে কল করতেই মোবাইল বন্ধ পেয়ে ভাবলাম হয়তো নামাজের আগে ওঠে যাবে। সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মোবাইল বন্ধ রয়েছে। তখন কল করি ছড়াকার দিলওয়ার হোসেন দিলু ও আকরাম ছাবিতকে। তারা বলল- সে তো বাড়িতে যায়নি, রুমে হয় তো আছে। তাদের সাথে কথা বলে বসু (কবি বাশিরুল আমীন) কে কল করি। হ্যালো বলার আগেই কোথায় আছে জিজ্ঞাসা করি। তার বন্ধুর সাথে আছে, সুবিদবাজার পয়েন্টে আসলে পাবো। দ্রত তৈরি হয়ে বাসায় থেকে বের হই। সকাল ১০টায় রিকশা নিয়ে সোজা সুবিদবাজার পয়েন্টে এসে বসুকে সাথে করে মদিনা মার্কেটের দিকে ছুটি। দু’তলা সিড়ি বেয়ে ওঠতেই, বসু বলল-আপা তুমি নিচে দাঁড়াও আমি রুমে গিয়ে দেখে আসি, সে আছে কিনা। ব্যাচেলর বাসায় তো। ঠিক আছে বলে, সিঁড়ির নিচে দাঁড়াই। কয়েক বার কলিং বেল দেবার পর কারো সাড়া শব্দ না পেয়ে বসু এসে বলল- রুমে মনে হয় কেউ নেই। নিচে দাঁড়িয়ে আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেই একজন লোক আমাদের জিজ্ঞাসা করলেন - আপনারা কী কাউকে খুঁজছেন? তার নাম বলতেই তিনি বললেন, আপনি তার কে? আমি তার বোন। লোকটির সাথে কথা বলে, আবারো রিকশা ওঠি দুজনে। বসু জিজ্ঞাসা করছে কোথায় যাবে আপু? বাসায় চলে যাবো। এ কথা শুনে বসু গাল ফুলিয়ে বলে, আমাদের বাসায় না গিয়ে চলে যাবে। না- ঈদের দিন আমার বাসায় যেতেই হবে। কারো মন খারাপ থাকবে তাও আবার ঈদের দিন। সেটি কখনো মেনে নিতে পারি না। তাই বসুর সাথে তাদের বাসার দিকে চললাম। বাসায় যেতে না যেতে রান্না ঘরে ঢুকেই বসু নিজের হাতে করে পিঠার পুরো পাতিলটি নিয়ে হাজির আমার সামনে। তার মা হেসে বলল-পাগল ছেলের কাজ দেখো। আয়েশা, মনির, বসু ও আমি একসাথে বসে লাচ্ছিসহ বিভিন্ন ধরনের পিঠা খাচ্ছিলাম, তখন চোখ যায় বুবুর দিকে (বসুর দাদি) দাদিকে বুবু বলে ডাকে তাই আমিও ডাকি। একি! বুবুকে শাড়ি পড়িয়ে দিচ্ছে মনির। এ দৃশ্য দেখে আমি আর আয়েশা হেসে লুটোপুটি। বাহ! নতুন শাড়িতে বুবুকে দারুণ লাগছে। আমার কথা শুনে মনির লজ্জায় পালিয়ে যায়।
৪.দুপুর পৌনে ১টা তখন। কেন জানি মনে হচ্ছে সে রুমেই আছে। বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে রুমে ভেতর নিশ্চয় ঘুমাচ্ছে। তাকে আবার কল করতে বসুকে বলি। ফোন রিসিভ করতেই বসু বলল, ভাই আপনি কোথায়? আমি তো আপনার বাসার সামনে। খুব বাথরুম পেয়েছে। আমি রুমেই আছি, চলে আসুন। মোবাইলে লাইন কেটে দিয়ে দু’জনে আবার রিকশা নিয়ে মদিনা মার্কেটে তার বাসার কাছে পৌঁছাতে অনুপ্রাণন এর সম্পাদক নাসির উদ্দিন ও লিটল ম্যাগ অটোগ্রাফের সম্পাদক আবদুল কাদের জীবনের সাথে দেখা। আমাদের দুজনকে এক সাথে দেখে বলল কোথায় যাচ্ছি। তাদেরকে বি¯Íারিত বলতেই তারাও আমাদের সঙ্গী হয়। কলিং বেলের শব্দ হতেই সে দরজা খুলে বিস্ময় চোখে প্রশ্ন? তুমি! আমি তো ভাবছি- তার কথা শেষ হবার আগে পেছনে দাঁড়ানো নাসির ভাই, বসু ও জীবনকে দেখতে পেয়ে আরো অবাক। ঈদের দিন এরকম কিছু ঘটবে সে ভাবতেই পারিনি। রাগ না দেখিয়ে দ্রুত তৈরি হতে বলি। আমরা সবাই তার রুমে গিয়ে বসি। এলোমেলো বিছানার উপরে বই পত্র, খাতা কলম দেখে গুছাতে থাকি। টেবিলে উপরে টিফিন বক্স দেখে বুঝতে পারি নিশ্চয় মায়ের হাতে রান্না। টিফিন খুলতেই দেখি পুরোটাই খালি। লাল পাঞ্জাবীতে তোকে নতুন বরের মত লাগছে। চিরচেনা অট্টোহাসি দিয়ে বলল-কি যে বল না আপু। ঈদের দিনে আমাদের ঘুরাঘুরি অভিযান নাসির উদ্দিনের বাসা থেকে শুরু করে, ছড়াকার দেলোওয়ার হোসেন দিলু, গল্পকার সেলিম আউয়াল, কবি জান্নাতুল শুভ্রা মনি। গোধূলী বেলা শেষে আমাদের ফুফু ঔপন্যাসিক আলেয়া রহমানের বাসায়। ফুফু আমাদেরকে নাস্তা দিতেই সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে। কারণ দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও কারোর লাঞ্চ করা হয়নি। সবার একটু বেশি ক্ষিধা পেয়েছিল তখন। তাই ফুফু যা দেয় সব শেষ। খাওয়ার সাথে চলে আমাদের আড্ডাবাজী আর ফেইসবুকে আপলোডিং। ফেবুতে ছবি দেখে ইছমত আপা কল করে বললেন. যে করেই হোক আমরা যেন তার বাসায় যাই। ফুফুকে সাথে নিয়ে কবি ইছমত হানিফা বাসায় যাই। পরে ইছমত আপাকে সাথে নিয়ে সবাই মিলে কাজিবাজার সেতু গিয়ে জড়ো হতেই কবি মাসুদা সিদ্দিকা রুহি ও কবি ধ্রুব গৌতম এসে যোগদেন। সেতুতে দাঁড়িয়ে হলুদিয়া আলোয় ২০১৬ সালে ঈদের চাঁদের সাথে সেলফিতে বন্দি হই আমরা।
৫. এতক্ষন আমি যার কথা বলছিলাম। যাকে কেন্দ্র করে ঈদের দিনটি আমাদের জম্পেশ আড্ডায় মধ্যে দিয়ে দিন কাটলো তিনি আর কেউ না। সিলেটের সাহিত্যঙ্গনে সবার পরিচিত প্রিয়মুখ তরুণ গল্পকার মিনহাজ ফয়সল। তার সাথে পরিচয় হবার আগে প্রথমে তার কবিতার সাথে পরিচয় ঘটে প্রিয় কর্মস্থল সিলেট এক্সপ্রেসের মাধ্যমে। তারপর প্রথম দেখা কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসরে। তার হাসিমুখ, বিনয় আচার আচরণ যে কাউকে মুগ্ধ করবে।
৬. ফেব্রয়ারি মাস আসলেই বইমেলাকে কেন্দ্র করে লেখকদের ভেতরে একটি উৎসব চলে আসে। ২০১৭ সালে গল্পকার মিনহাজ ফয়সলের ‘মানুষ হাসতে জানে’ গ্রন্থটি হাতে পাওয়ার আগেই ফেইসবুকে দেখি বইয়ের প্রচ্ছেদ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি সিলেটে শুরু হয় প্রথম আলো বন্ধু সভার উদ্যোগে বইমেলায়। সন্ধ্যায় সেই বইমেলা গিয়ে নাগরী স্টলে ঢুকি তার নতুন গ্রন্থটি দেখার জন্য। ‘মানুষ হাসতে জানে’ বইটি হাতে নিতেই উৎসর্গ লাইনগুলোতে চোখ আটকে যায়। চার বোনকে উৎসর্গ করেছে সে। এই চারবোনের সাথে তার রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও আছে, আত্মার সম্পার্ক। হৃদয় আর আত্মার যে ভালোবাসা সৃষ্টি হয় সেই ভালোবাসাকে কখনো আলাদা করা যায় না। সেই চার বোনের মধ্যে আমি হচ্ছি দ্বিতীয়। বইটি উল্টেপাল্টে দেখার আগেই চোখে কোনে জল টলমল করতে থাকে। টপ করে জল পড়ার আগেই চোখের কোনটা মুছে নেই। স্টলে বাইরে দাঁড়িয়ে তখন কয়েকজনকে অটোগ্রাফ দিচ্ছে মিনহাজ। বইটি হাতে নিয়ে তার দিকে বাড়িয়ে দেই অটোগ্রাফের জন্য। মুখের দিকে তাকাতেই দেখে আমি। তুমি! কিনলে কেনা? আমি তো এমনি তোমাকে গিফট করতাম। তাকে কথা না বাড়িয়ে বললাম-অটোগ্রাফ দিবি কিনা বল। তারপর খসখস করে লিখে দিলো ‘প্রিয় ¯স্নেহময়ী আপু তাসলিমা খানম বীথি, এতো ¯স্নেহ কেন তোমার মনে? সবটুকুই আমার চাই। মিনহাজ ০৭/০২/১৭।
৭. রক্তের সর্ম্পক থাকলেই আপন হওয়া যায় না, আপন হতে হলে প্রয়োজন আত্মার সর্ম্পক। আর সেই আত্মার সর্ম্পক রয়েছে যে সকল ভাইয়েদের সাথে। যাদের হৃদয় নিড়ানো ভালোবাসা পাচ্ছি তাদের মধ্যে গল্পকার মিনহাজ ফয়সল অন্যতম। আমাদের ভাইবোনের মধ্যে রাগ অভিমানে পালা বদল চলতেই থাকে। আমার উপরে যত অভিমানই থাকুক না কেন? তাকে কোন কাজে ফোন করলে হ্যালো বলার আগেই কথা বলা শুরু হলে আর শেষ হবে না। কয়টা গল্প লেখছে, গল্পের বিষয়বস্তু কী ইত্যাদি। যেন আমার জন্যই সব জমা করে রেখেছে। তাকে কখনই পর মনে হয় না। সত্যি সত্যি যেন দুজনে একই মায়ের সন্তান।
৮. ‘মানুষ হাসতে জানে’ বইটির সর্ম্পকে কিছু কথামালা-
মানুষের জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে কত অজানা অচেনা গল্প লুকিয়ে থাকে। যেমনটি দেখা যায় সাদা এপ্রোন গল্পটিতে- অনিচ্ছা সত্ত্বেও ঘর থেকে বের হলো শাওন। উদ্দেশ্য তিন্নিকে সারপ্রাইজ দেবে। প্রচন্ড ভালোবাসে তাকে। তিন্নিও ভালোবাসে শাওনকে। তিন্নির জন্যই শাওন তার অগুছালো জীবনকে সাজাতে পেরেছে। যার ভালোবাসার চোখে জীবন যুদ্ধের সফল হবার শক্তি পায়। আসলে ভালোবাসা একটি শক্তি, একটি প্রেরণা। ভালোবাসাই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে, অমর করে রাখে। পৃথিবীতে নিজেকে তখনি সবচেয়ে সুখী মনে হয়, যখন ভালোবাসার মানুষটি ভালোবেসে পাশে থাকে..!! আর তখনি নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে হয়, যখন ভালোবাসার মানুষটি বিশ্বাস দিয়ে বিশ্বাস রাখে।
বইয়ের প্রতিটি পাতায় যে জীবন দেখতে পাই তা আমাদের কারো অচেনা নয়। প্রতিমুহুর্তে ঘটে যাওয়া আমাদের জীবনে প্রেম, বিরহ, আবেগ, ভালোবাসা, স্বপ্ন, সংগ্রামী জীবনের কথা ফুটে ওঠেছে এই গ্রন্থটিতে। যা সহজে পাঠকের মনে দাগ কাটবে। আমাদের জীবনের ঘটে যাওয়া বাস্তবতা প্রতিটি দৃশ্য বন্দি হয়েছে ‘মানুষ হাসতে জানে’ গল্পগুলোতে।
৯. প্রতিটি নারী হৃদয়ে লালিত থাকে একটি স্বপ্ন। ফুটফুটে এক সন্তানের মা হবার স্বপ্ন। আর সেই নারী ছেঁড়া ধনের মুখে সারাক্ষণ মা ডাকটি শুনবে। যে সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে মায়ের সব কষ্টগুলো দূর হয়ে যাবে। ঠিক তেমনি একটি সন্তানের প্রতিক্ষায় প্রতিটি প্রহর কাটে নীলিমার। চোখের নোনা জলে বুক ভাসে তার। ‘ক্রন্দনে হাসি’র গল্পটিতে একজন নি:সন্তান জননীর কথা উঠে এসেছে।
‘কাঁঠাল লাগবে কাঁঠাল’ বাবার কাঁধে উঠে প্রতিটি সন্তানেরা খেলে। এ গল্পটি পড়লে যে কোন পাঠক তার শৈশবে ফিরে যাবে। আরো জানতে পারবে একজন মা কিভাবে সংগ্রাম করে দুটি সন্তানকে বড় করে তুলে। পৃথিবীতে একজন সন্তানের কাছে শ্রেষ্ঠ সম্পদ হচ্ছে তার মা বাবা। সন্তানের জন্য মায়েরা নিজের জীবন দিতে পিছপা হয় না। এরকম ঘটনা আমাদের চোখের সামনে অনেক আছে। ‘অসীমের কষ্ট’ গল্পে তেমনি একজন সংগ্রামী মায়ের কথা বলা হয়েছে।
‘মানুষ হাসতে জানে’ গ্রন্থেটিতে যে গল্পটি আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে, ‘একজন দর্জির স্বপ্ন যখন ফ্যানে ঝুলে’। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া নওমির বাবা একজন দর্জি। একমাত্র মেয়ের স্বপ্ন পূরনের জন্য দিনের পর রাত, রাতের পর দিন সেলাই মেশিনে পা চালিয়েছেন। তিলতিল করে গড়ে তোলা স্বপ্ন যখন এগিয়ে যাচ্ছিলো, ঠিক তখনই নওমির জীবনে আসে কালবোশেখী ঝড়। চারদিকে সেই ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায় দর্জিওয়ালা বাবার স্বপ্ন। মিনহাজ ফয়সল এ গল্পে একজন বাবার স্বপ্নকে কিভাবে গলাটিপে হত্যা করা হয় এবং আমাদের সমাজের বর্তমান প্রেক্ষাপটকে চৎমকারভাবে তার কলমের কালিতে ফুটে তুলেছেন।
১০.তাঁর গল্পগুলো শেষ পর্যন্ত আপনাকে হাসাবে এবং কাঁদাবে। যে কোন বয়সের মানুষের জন্য মিনহাজ ফয়সলে গ্রন্থের ১৪টি গল্প সুখপাঠ্য হবে বলে আমার বিশ্বাস। মানবিক আবেগের পাশাপাশি আমাদের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটের বাস্তবতা উঠে এসেছে ‘মানুষ হাসতে জানে’ গ্রন্থের বিভিন্ন গল্পে। তার গল্পের শুরুতে ভালো লাগা সৃষ্টি হয়। তবে শেষের দিকে কোথায় যেনো একটা তাড়াহুড়া প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। লেখার প্রতি লেখকের আরো যত্নশীল হতে হবে। কারণ শান্তিতে থাকার জন্য ভালোবাসতে হয় আর শান্তিতে থাকার কিছু সার্বজনীন উপায় আছে, তা মেনে চলতেই হয়। হৃদয়ের সমস্ত জিঞ্জির থেকে, সমস্ত অশান্তি ও অতৃপ্তির জাল থেকে, সমস্ত ঘৃণার কাঁটাতারের বেড়ায় আটকে থাকার অসহায়ত্ব থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে বই।
সবশেষে বলব-যে প্রজন্ম টিভি, কম্পিউটার, গেম নিয়ে ব্যস্ত থাকে, তাদের হাতে একটি বই তুলে দিয়ে আমাদের ভালোবাসাটা চারপাশে ছড়িয়ে দেই।
একজনরে-
বইয়ের নাম- মানুষ হাসতে জানে
লেখক-মিনহাজ ফয়সল
প্রকাশক- নাগরী
প্রচ্ছদ- ওয়ালিউল ইসলাম
প্রকাশকাল- অমর একুশে বইমেলা ২০১৭
মূল্য-১৪০ টাকা
পৃষ্টা সংখ্যা- ৬৩।






ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অবঃ)

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অবঃ)
আব্দুল হামিদ মানিক

আব্দুল হামিদ মানিক
ইকবাল বাহার সুহেল

ইকবাল বাহার সুহেল
সেলিম আউয়াল

সেলিম আউয়াল
হারান কান্তি সেন

হারান কান্তি সেন
বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল

বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল
শফিকুল ইসলাম<br>প্রা. মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট

শফিকুল ইসলাম
প্রা. মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট
এ.এইচ.এস ইমরানুল ইসলাম

এ.এইচ.এস ইমরানুল ইসলাম
জসীম আল ফাহিম

জসীম আল ফাহিম
আজিম হিয়া

আজিম হিয়া
জালাল আহমেদ জয়

জালাল আহমেদ জয়
দীপন জুবায়ের

দীপন জুবায়ের
জিবলু রহমান

জিবলু রহমান
কাউসার চৌধুরী

কাউসার চৌধুরী
সাঈদ নোমান

সাঈদ নোমান
	তাবেদার রসুল বকুল

তাবেদার রসুল বকুল
শাহাদাত চৌধুরী

শাহাদাত চৌধুরী
শাহ মিজান

শাহ মিজান
পহিল হাওড়ী (মোঃ আবু হেনা পহিল)

পহিল হাওড়ী (মোঃ আবু হেনা পহিল)
হারূন আকবর

হারূন আকবর
মোহাম্মদ সায়েস্তা মিয়া

মোহাম্মদ সায়েস্তা মিয়া
মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন

মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন
মামুন হোসেন বিলাল

মামুন হোসেন বিলাল
মোঃ রফিকুল হক

মোঃ রফিকুল হক
মাহমুদ পারভেজ

মাহমুদ পারভেজ
Ibrahim khalil

Ibrahim khalil
মিহির রঞ্জন তালুকদার

মিহির রঞ্জন তালুকদার
সৌমেন রায় নীল

সৌমেন রায় নীল
সাকিব আহমদ মিঠু

সাকিব আহমদ মিঠু
রাহিকুল ইসলাম চৌধুরী

রাহিকুল ইসলাম চৌধুরী
সৈয়দ কাওছার আহমদ

সৈয়দ কাওছার আহমদ
সানৌ সিংহ

সানৌ সিংহ
তাজুল ইসলাম

তাজুল ইসলাম
মুসা আল হাফিজ

মুসা আল হাফিজ
মুনশি আলিম

মুনশি আলিম
মারুফ আহমদ

মারুফ আহমদ
জি.এম. নজরুল ইসলাম

জি.এম. নজরুল ইসলাম
মোহাম্মদ আব্দুল হক

মোহাম্মদ আব্দুল হক
মুহিউল ইসলাম চৌধুরী মাহিম

মুহিউল ইসলাম চৌধুরী মাহিম
      সৈয়দ মবনু

সৈয়দ মবনু
লুৎফুর রহমান তোফায়েল

লুৎফুর রহমান তোফায়েল
সালাহ্‌ আদ-দীন

সালাহ্‌ আদ-দীন
লুৎফুর রহমান

লুৎফুর রহমান
Muhammad Altaf Husain

Muhammad Altaf Husain
আলমগীর হুসাইন

আলমগীর হুসাইন
মোশাররফ হোসেন সুজাত

মোশাররফ হোসেন সুজাত
minhaz foysol

minhaz foysol
লেখক মেলা

লেখক মেলা
হাসনাইন সাজ্জাদী

হাসনাইন সাজ্জাদী
k

k
ছাদিকুর রহমান

ছাদিকুর রহমান
হাসনাত হাওড়ী

হাসনাত হাওড়ী
আফতাব চৌধুরী

আফতাব চৌধুরী
সাইয়িদ শাহীন

সাইয়িদ শাহীন
মাওলানা তাইজুল ইসলাম ফয়েজ

মাওলানা তাইজুল ইসলাম ফয়েজ
রাফিদুৃল ইসলাম চৌধুরী

রাফিদুৃল ইসলাম চৌধুরী
মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরী

মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরী
নাজমুল হক

নাজমুল হক
মিজানুর রহমান মিজান

মিজানুর রহমান মিজান
নাজমুল ইসলাম মকবুল

নাজমুল ইসলাম মকবুল
আমিনুল ইসলাম সফর

আমিনুল ইসলাম সফর
 মোঃ ওয়াহিদুল হক

মোঃ ওয়াহিদুল হক
শাহ নজরুল ইসলাম

শাহ নজরুল ইসলাম
আনোয়ার আহমদ আরিফ

আনোয়ার আহমদ আরিফ
গোলাম ইউসুফ সাগর

গোলাম ইউসুফ সাগর
ডাঃ আব্দুল হাই মিনার

ডাঃ আব্দুল হাই মিনার
ফারহান সাদিক

ফারহান সাদিক
ওলীউর রহমান

ওলীউর রহমান
Saifuddin Md. Khaled

Saifuddin Md. Khaled
মুফতি মোহাম্মদ উযায়ের

মুফতি মোহাম্মদ উযায়ের
আই. এ. জীবন

আই. এ. জীবন
এনাম  চৌধুরী

এনাম চৌধুরী
আব্দুল্লাহ আল শাহীন

আব্দুল্লাহ আল শাহীন
আবু মালিহা

আবু মালিহা
ফয়সাল আহমদ ভূঁইয়া

ফয়সাল আহমদ ভূঁইয়া
আবুসাঈদ আনসারী

আবুসাঈদ আনসারী
সুলায়মান আল মাহমুদ

সুলায়মান আল মাহমুদ
মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান

মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান
মোহাম্মদ আব্দুল হাই

মোহাম্মদ আব্দুল হাই
ডা. রায়হান কবীর খান

ডা. রায়হান কবীর খান
নূরুন্নেছা চৌধুরী রুনী

নূরুন্নেছা চৌধুরী রুনী
ইছমত হানিফা চৌধুরী

ইছমত হানিফা চৌধুরী
আমেনা আফতাব

আমেনা আফতাব
মাহবুবা সামসুদ

মাহবুবা সামসুদ
সুফিয়া জমির ডেইজী

সুফিয়া জমির ডেইজী
নীলিমা আক্তার

নীলিমা আক্তার
মাছুমা আক্তার চৌধুরী রেহানা

মাছুমা আক্তার চৌধুরী রেহানা
আমিনা শহীদ চৌধুরী মান্না

আমিনা শহীদ চৌধুরী মান্না
অয়েকপম অঞ্জু

অয়েকপম অঞ্জু
তাসলিমা খানম বীথি

তাসলিমা খানম বীথি
রিমা বেগম পপি

রিমা বেগম পপি
আলেয়া রহমান

আলেয়া রহমান
নাদিরা নুসরাত মাশিয়াত

নাদিরা নুসরাত মাশিয়াত
শামসাদ হুসাম

শামসাদ হুসাম
রায়হানা বারী রেখা

রায়হানা বারী রেখা
সালমা বখ্ত্ চৌধুরী

সালমা বখ্ত্ চৌধুরী
রওশন আরা চৌধুরী

রওশন আরা চৌধুরী
জান্নাতুল শুভ্রা মনি

জান্নাতুল শুভ্রা মনি
নাঈমা চৌধুরী

নাঈমা চৌধুরী
মাসুদা সিদ্দিকা রুহী

মাসুদা সিদ্দিকা রুহী
মাজেদা বেগম মাজু

মাজেদা বেগম মাজু


লেখালেখি পাতার সর্বশেষ পাঠানো লিখাঃ

ছড়া।। মুজিব মানে- ফৌজিয়া লীনা


মুজিব মানে ফৌজিয়া লীনা মুজিব মানে পরাধীনতার শিকল ভাঙ্গার চুক্তি, মুজিব মানে স্বাধীনতা লাখো জনতার মুক্তি। মুজিব মানে লড়ে যাওয়া অকুতোভয় বীর, মুজিব মানে অপরাজেয় চির উন্নত মম শির। মুজিব মানে সংগ্রামী সুর চেতনাত্মক গান, মুজিব মানে কারারুদ্ধ মনে দেশের তরে টান। মুজিব মানে আন্দোলনে ...Details...


পিতৃহারা জাতি


ফাহমিদা খান ঊর্মি: তখন ক্লাস নাইনে পড়ি। সেবছর থেকে আমাদের স্কুলে এবং উপজেলা পরিষদে জাতির জনকের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান আয়োজন শুরু হয়। আমি আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় নাম দিই। কিন্তু কি কবিতা আবৃত্তি করব খুঁজে পাই না। পরে গভীর রাতে নিজেই একটা কবিতা লিখে নিলাম এবং পরদিন আবৃত্তি করলা ...Details...


কলম তরী


জোবায়ের জুবেল:
আজ ধরেছি কলম তরী
সঁপেছি অনল বর্শা,
বট বৃক্ষ মনবল প্রাচীর অটল
মনে গেঁথেছে শত
আশা।
! ! আজ দাড়িয়েছি হিমালয় হয়ে
ঝঞ্ঝাট দিব সাড়িয়ে,
তীক্ষ্ণ কাটাপথ চলেছে যুগপৎ
বরফগলা নদী মাড়িয়ে/
! ! আজ স্বচকিত মরু প্রান্তর
উদ্ধাস্ত যত গতিপথ ,
মরীচিকার বালি বিষাধ ঢালি
...Details...


বঙ্গবন্ধু তুমি


কামরান চৌধুরী :
বাংলার ধূলি বাংলার জল
হবেনা বিলীন কভু অস্তাচল।
স্বাধীনতা সূর্য বিজয় নিশানে
বাঙালির গর্বে শতত মননে
চিরঞ্জীব তুমি মানব হৃদয়ে
হিমালয় উঁচু গৌরবে অভয়ে।
বঙ্গবন্ধু আজো, বাঙালি ভোলেনি
বজ্রকণ্ঠ কেউ দাবাতে পারেনি।
সৌর্য বীর্যে তুমি শিরায় শিরায়
শপথের প ...Details...


দোয়েল পাখি প্রিয় পাখি


মোহাম্মদ আব্দুল হক: পাখি শব্দটির সাথে মিশে আছে পাখাদুটো। মানুষের স্বাভাবিক বসবাস আছে অথচ পাখি নেই এমন কোনো অঞ্চল বা মানুষের দেশ বায়ুমন্ডলের কোথাও আছে এমনটি জানা নেই। সারা পৃথিবীজুড়ে কতো রকমের পাখি যে আছে তার সবগুলোর দেখা পাওয়া আমাদের কারো পক্ষেই কখনওই সম্ভব হবে কি না বলা না গেলে ...Details...


নীরব আঁধারে এক বিন্দু আলো


জালাল জয়:
ছায়াময় সন্ধ্যায় ধীরে ধীরে নামলো আঁধার
চারিদিকে কেমন যেন অলৌকিক দৃশ্য,
কম্পনে কম্পিত হৃদয়ের স্পন্দন
মাটিতে পা রাখতেই শীতল দেহমন
যেন কোন যুদ্ধের মধ্য সীমান্তে আছি দাঁড়িয়ে অস্ত্রবিহীন,
গাছেদের মিছিলে জেগে থাকা রাত এখানে
কখন যে কী হয়
তাও আলোহীন, পথ যে কোথায় গি ...Details...


টোল তিল জাল


সরওয়ার ফারুকী:
যে-আনারে ভর করে তিলের অলি
টোলপড়া গাল দিও তারে
হও যদি মনোখেদি ইশকের বন
ডাকিও টোলেল পরি যখনতখন।
ভেজা ভেজা প্রাণ যার দিলের কুমে
তারেই ভাবিও সারাক্ষণ
রক্তকরবী ঠোঁটে চুম দিও কুমে
কাঁপায়ো অধর প্রিয় অধরের উমে।
চঙ্গল পুরা যার চোখের কুটে
মাতালামি করো তার ...Details...


(অনু গল্প) শখের জিনিস


মোহাম্মদ আব্দুল হক: দুজনার দেখা হলো। মেয়েটি বলছে, আমি ওই চৌধুরীর পোলারে বিয়ে করায় তুমি কি আমার উপর রেগে আছো? ছেলে বলছে, কেনো রাগ করবো। আমি তোমার হাত ছুঁয়েছি, আমার ঠোঁটের ভিতর তোমার ঠোঁট নিয়ে খেলেছি অনেকদিন। আর একদিন তোমাকে আমার বুকের সাথে চেপে ধরে রেখেছিলাম। কিন্তু আমার টাকাকড়ি ছিলো ...Details...


বন্ধু রজব আলী খান নজীবের চির বিদায়


হারান কান্তি সেন: গত ডিসেম্বরের (২০১৬) তৃতীয় সপ্তাহে রাতের বাসে আমি ঢাকা যাচ্ছিলাম। বাসে আমার পিছনের সিটে রজব ভাই বসেছিলেন। গাড়ীতে ওঠে তাঁকে দেখে আমি কাছে যাই এবং বলি রজবভাই আদাব-তিনি তক্ষুনী "আরে হারানদা"বলে ওঠেন।দু'জনে একটু সময়ের মাঝে অনেক কথা হয়। আমি তাঁর কানে কানে গেয়ে ওঠি কবিগ ...Details...


ভোট চাও বেলাজ ঠোঁটে


মোহাম্মদ আব্দুল হক:
নাইরে নাইরে নাইরে নাই
সুখের খুঁজে ঘুরি তাই।
আমার সেই রাজাও নাই
স্বাধীন দেশে কষ্টের ঠাঁই।
জনগণের হাসফাস
নেতার আওয়াজ ঠাশঠাশ।
উচিত কথায় চোখ রাঙায়
গুন্ডা - ফুলিশ মিলে ঠেঙায়।
উন্নয়নের ঠন্ ঠন্
মুখের বুলি ভন্ ভন্।
মেঘ ভেঙ্গে নামে বৃষ্টি
বৃষ্টিস্ ...Details...


লেখালেখি পাতার সর্বাধিক পঠিত লিখাঃ

ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার কথা সে জানতো (3053 বার পঠিত)


সেলিম আউয়াল: একদিন দুপুরে হঠাৎ ফোন করলো আবদুর রাহমান-চাচা, আমার পেটের ভেতর আলসার হয়ে গেছে। আপনার একটু পরামর্শ দরকার, কি করবো। বিকেলেই আমার স্ত্রীকে নিয়ে আবদুর রাহমানের চৌকিদেখির বাসায় চলে যাই। আমি ভাবতে পারিনি ও এতো তাড়াতাড়ি এতো দূর্বল হয়ে পড়বে। বললো, নর্থ ইস্ট মেডিকেলে ডা. মধুসূদ ...Details...


সেই তাকে প্রথম কাঁদতে দেখলাম (1539 বার পঠিত)


সেলিম আউয়াল: আবদুর রাহমানের মুখে তখন অক্সিজেনের মাস্ক লাগানো। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আইসিইউ-এর একটি বেডে শুয়ে। নর্থ ইস্ট হাসপাতালের কেবিন থেকে আইসিইউতে নেবার খবর শোনার দশ পনেরো মিনিটের মধ্যেই আমি আর অনুজ ফয়সল হাসপাতালে এসেছি। ভেবেছিলাম আবদুর রাহমান বোধ হয় সেন্স হারিয়ে ফেলেছে। কিন্ ...Details...


সব সাধ পূরণ হয়না (1049 বার পঠিত)


সেলিম আউয়াল: আবদুর রাহমান মারা যাবার কয়েকদিন আগে, ঈদের দু’দিন না তিনদিন পর আমি আর আমার স্ত্রী তাকে দেখতে গিয়েছি ওসমানি হাসপাতালে। আবদুর রাহমান খুব শুকিয়ে গেছে। তারপরও সেদিন অন্য এক আবদুর রাহমান দেখলাম। প্রচুর কথা বললো। বললো ওর পেটে জমে উঠা পানি বের করার পর খুব ভালো লাগছে। খাবার রুচ ...Details...


একদিন সে পাখি হয়ে গেলো (881 বার পঠিত)


সেলিম আউয়াল: আবদুর রাহমানের সাথে আমার কোন ছবি নেই। চাচা-ভাতিজা সম্পর্কের কারনে একটু দূরত্ব। অসুস্থ হবার পর কোনদিন বলিনি, চলো আবদুর রাহমান আমরা একটি ফটো তুলি। কারন সে ভাববে এ ফটো তোলার অর্থ তাকে বিদেয় জানানো। কিন্তু আমরা তো তাকে এতো তাড়াতাড়ি বিদেয় জানাতে চাই না। আর সেওতো আমাকে প্রতি ...Details...


সিলেটের চা বাগান (766 বার পঠিত)


সেলিম আউয়াল: সিলেটের পাহাড়গুলো সেই অতীতে চিরসবুজ ক্রান্তীয় বন দ্বারা ঢাকা ছিলো। টিলাগুলোতে ব্যাপকভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চা বাগান তৈরী করা হয়েছে। সিলেট বিভাগে দেশের অধিকাংশ চা বাগান এ বাগানসমুহ থেকে উৎপদিত চা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সিলেট গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা ...Details...


স্মৃতির মণিকোঠায় আলহাজ্ব জমির উদ্দিন (687 বার পঠিত)


আব্দুল মালিক: আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করে ঘোষণা করেছিলেন, ‘তোমরা সৃষ্টির সেরা আশরাফুল মাখলুকাত’ এবং ফেরেশতাদের বলেছিলেন, ‘তোমরা সৃষ্টির সেরাদের সম্মান করো। কারণ তোমাদের থেকে তারা আমার কাছে বেশী মর্যাদাবান।’ সৃষ্টির পরেই আদম সন্তানের এমন স্বীকৃতি আল্লাহর দয়া এবং করুণারই ফল। আল্লাহ ...Details...


অবুঝ ভালবাসা (607 বার পঠিত)


মজিবুল হক হিরণ:
ও মেয়ে তোমার নাম কি বলতো শুনি
নাম! সে না হয় না শুনলে এখনি,
মেয়ে তুমি কি আমায় ভালবাস?
সে কি মুখে বলতে হয়
সারা জিবন কি পাশে রবে?
তাতো নিশ্চয়,
আচ্ছা যদি কভু হাড়িয়ে যাই নীল
আকাশের মাঝে
তখনো যে রইবো আমি রামধনু সাজে।
ঠিক আছে আমি য ...Details...


কুঁড়িতেই সব স্বপ্ন যাদের (550 বার পঠিত)


লুৎফুর রহমান তোফায়েল: দুই হাতের কর্মতৎপরতা দৃষ্টি কাড়ে যে কারও। ছন্দের তালে যেন নাচছে তাদের দুই হাত। সমান তালে চলছে হাত দু’টি। মুঠো ভরে এলে পেছনে ঝুলানো ঝুলিতে পুরে নিচ্ছেন সবটুকু। চা শ্রমিকদের এমন শৈল্পিক চা পাতা সংগ্রহের দৃশ্য অনেকেই প্রত্যক্ষ করে থাকবেন বাগানে গেলে। চা পাতাক ...Details...


বন্ধুত্বের ভাব (548 বার পঠিত)


মিজানুর রহমান মিজান:
দেখায় বন্ধুত্বের ভাব
মিটায় শত্রুর অভাব
ও তার দ্বৈত স্বভাব।
মিটা মিটা বলে কথা
হল শত্রুর আগমণ হেথা
ক্ষণিক পরে হুল ফুটাব।
মানুষ হয়ে মানুষ চেনা
দায়ভার অনেক হয় যে দেনা
ভালমন্দের ঘ্রাণ ছড়াব।
সরল মনে রাখছ পূর্ণ বিশ্বাস
বোকা বানায় ধোকা দিয় ...Details...


পরশমনি (534 বার পঠিত)


মিজানুর রহমান মিজান:
শ্রেষ্ট সুর আযানের ধ্বনি
সর্বোত্তম কুরানের বাণী
জীবন যাত্রায় সোনার খনি।
মানবিক, নৈতিক অর্জনে গুণাবলী
আদর্শ মানব গেছেন পথ চলি
সুশৃংখলতায় ভাল ফল জানি।
ইসলাম পরম শান্তির ধর্ম

আছে জীবনের নিগুড় মর্ম
যদি মান্যে চলতে জানি।
হিংসা, বিদ্বেষ ...Details...


লেখালেখি
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অবঃ)
আব্দুল হামিদ মানিক
শফিকুল ইসলাম
প্রা. মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট
ইকবাল বাহার সুহেল
হারান কান্তি সেন
সেলিম আউয়াল
বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল
এ.এইচ.এস ইমরানুল ইসলাম
জসীম আল ফাহিম
সৌমেন রায় নীল
সাকিব আহমদ মিঠু
রাহিকুল ইসলাম চৌধুরী
সালাহ্‌ আদ-দীন
ছাদিকুর রহমান
সাঈদ নোমান
জালাল আহমেদ জয়
আজিম হিয়া
মিহির রঞ্জন তালুকদার
পহিল হাওড়ী (মোঃ আবু হেনা পহিল)
শাহ মিজান
নারী অঙ্গন
নূরুন্নেছা চৌধুরী রুনী
মাহবুবা সামসুদ
আমেনা আফতাব
ইছমত হানিফা চৌধুরী
মাছুমা আক্তার চৌধুরী রেহানা
নীলিমা আক্তার
সুফিয়া জমির ডেইজী
আমিনা শহীদ চৌধুরী মান্না
রওশন আরা চৌধুরী
রিমা বেগম পপি
সালমা বখ্ত্ চৌধুরী
জান্নাতুল শুভ্রা মনি
মাসুদা সিদ্দিকা রুহী
আলেয়া রহমান
মাজেদা বেগম মাজু
নাঈমা চৌধুরী
অয়েকপম অঞ্জু
শামসাদ হুসাম
নাদিরা নুসরাত মাশিয়াত
তাসলিমা খানম বীথি

সাহিত্য-সংস্কৃতি পাতার আলোচিত লিখা
.: 4 weeks ago : :.
ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার কথা সে জানতো (3053 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: একদিন দুপুরে হঠাৎ ফোন করলো আবদুর রাহমান-চাচা, আমার পেটের ভেতর আলসার হয়ে গেছে। আপনার একটু পরামর্শ দরকার, কি করবো। বিকেলেই আমার স্ত্রীকে নিয়ে আবদুর রাহমানের চৌকিদেখির বাসায় চলে যাই। আমি ভাবতে পারিনি ও এতো তাড়াতাড়ি এতো দূর্বল হয়ে পড়বে। বললো, নর্থ ইস্ট মেডিকেলে ডা. মধুসূদ Details...


.: 4 weeks ago : :.
সেই তাকে প্রথম কাঁদতে দেখলাম (1539 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: আবদুর রাহমানের মুখে তখন অক্সিজেনের মাস্ক লাগানো। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আইসিইউ-এর একটি বেডে শুয়ে। নর্থ ইস্ট হাসপাতালের কেবিন থেকে আইসিইউতে নেবার খবর শোনার দশ পনেরো মিনিটের মধ্যেই আমি আর অনুজ ফয়সল হাসপাতালে এসেছি। ভেবেছিলাম আবদুর রাহমান বোধ হয় সেন্স হারিয়ে ফেলেছে। কিন্ Details...


.: 1 week ago : নারী অঙ্গন :.
অভিমানী গল্পকার (1352 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

তাসলিমা খানম বীথি: ১. চকচকে ঝকঝকে হাসির অন্তরালে অভিমানী একটি মুখ লুকিয়ে থাকে তার হৃদয়ে। যার প্রচন্ড অভিমান করার ক্ষমতা রয়েছে। তাকে বাইরে থেকে গুছালো মনে হলোও ভেতরে ভেতরে সে খুবই অগুছালো। কারন সে যখনই ঘর থেকে বের হয় তখন মানিব্যাগ না হয়, হাত ঘড়ি ঘরে রেখে দৌড় দেয়। তার মাথার চুল দেখলে ম Details...


.: 4 weeks ago : :.
সব সাধ পূরণ হয়না (1049 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: আবদুর রাহমান মারা যাবার কয়েকদিন আগে, ঈদের দু’দিন না তিনদিন পর আমি আর আমার স্ত্রী তাকে দেখতে গিয়েছি ওসমানি হাসপাতালে। আবদুর রাহমান খুব শুকিয়ে গেছে। তারপরও সেদিন অন্য এক আবদুর রাহমান দেখলাম। প্রচুর কথা বললো। বললো ওর পেটে জমে উঠা পানি বের করার পর খুব ভালো লাগছে। খাবার রুচ Details...


.: 4 weeks ago : :.
একদিন সে পাখি হয়ে গেলো (881 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: আবদুর রাহমানের সাথে আমার কোন ছবি নেই। চাচা-ভাতিজা সম্পর্কের কারনে একটু দূরত্ব। অসুস্থ হবার পর কোনদিন বলিনি, চলো আবদুর রাহমান আমরা একটি ফটো তুলি। কারন সে ভাববে এ ফটো তোলার অর্থ তাকে বিদেয় জানানো। কিন্তু আমরা তো তাকে এতো তাড়াতাড়ি বিদেয় জানাতে চাই না। আর সেওতো আমাকে প্রতি Details...


.: 4 weeks ago : :.
সিলেটের চা বাগান (766 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: সিলেটের পাহাড়গুলো সেই অতীতে চিরসবুজ ক্রান্তীয় বন দ্বারা ঢাকা ছিলো। টিলাগুলোতে ব্যাপকভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চা বাগান তৈরী করা হয়েছে। সিলেট বিভাগে দেশের অধিকাংশ চা বাগান এ বাগানসমুহ থেকে উৎপদিত চা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সিলেট গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা Details...


.: 2 weeks ago : :.
কুঁড়িতেই সব স্বপ্ন যাদের (550 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

লুৎফুর রহমান তোফায়েল: দুই হাতের কর্মতৎপরতা দৃষ্টি কাড়ে যে কারও। ছন্দের তালে যেন নাচছে তাদের দুই হাত। সমান তালে চলছে হাত দু’টি। মুঠো ভরে এলে পেছনে ঝুলানো ঝুলিতে পুরে নিচ্ছেন সবটুকু। চা শ্রমিকদের এমন শৈল্পিক চা পাতা সংগ্রহের দৃশ্য অনেকেই প্রত্যক্ষ করে থাকবেন বাগানে গেলে। চা পাতাক Details...


.: 4 weeks ago : :.
সামান্যের প্রকাশ (344 বার পঠিত)

মোঃ আব্দুল হক:
বন্ধু দাঁড়াও
মুখ তোলে দেখো
তোমার আলো খুব ক্ষীণ তাই
এখনি ক্ষুণ্ন হওয়ার
নাই কোনো অবকাশ।
তুমি জেনো,
আদিত্য হারায় অস্তপাটে
প্রগতির বিদ্যুৎ ঘটে বিভ্রাট।
তমিস্র রাত
স্বোৎসাহে ঝিঁঝিঁদের রাজ্যে
হয় জমজমাট কবিতা পাঠ।
কিচ্ছু দেখা যায়না, তখন
জোনাকির আ Details...


.: 4 weeks ago : :.
স্পর্শ (343 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

তাবেদার রসুল বকুল:
এতদিন পর কেন
মনে করলে আমায়
তা আজ বুঝতে পারিনি
যে ভালোবাসা তোমার
অনুভূতিকে স্পর্শ করতে পারেনি
তাকে আর ভালোবাসা বলে
ভালোবাসা শব্দটির অপমান করছ কেন বলো
যা বুঝতে পারনি
তা কোনওদিনও আর বোঝার চেষ্টা করো না
আমি আজও তোমাকে বুঝতে চাইনি
তুমি বুঝল Details...


.: 3 weeks ago : :.
সরলার আলিঙ্গন (332 বার পঠিত)

মোহাম্মদ আব্দুল হক: পথ হারালেও থাকে পথের বাঁকে অন্যপথ। ইচ্ছেহারা পথিকের রুদ্ধদ্বার বৈঠক। সহজ চলার পথ হয়েছে সদ্য প্রয়াত।কঠিনের জাল ছড়ানো সুনেত্রার চারিদিকে। সবাই কঠিনেরে ভালোবেসে হয়েছে মরুময়। রুক্ষ শুষ্ক এক গিরগিটি জীবন। চঞ্চলা তুমিও সবুজ পত্র পল্লব ছিড়ে শুষ্ক কাষ্ঠের আবর্ত Details...



www.SylhetExpress.com - First Online NEWS Paper in Sylhet, Bangladesh.

Editor: Abdul Baten Foisal Cell : 01711-334641 e-mail : news@SylhetExpress.com
Editorial Manager : Abdul Muhit Didar Cell : 01730-122051 e-mail : syfdianews@gmail.com
Photographer : Abdul Mumin Imran Cell : 01733083999 e-mail : news@sylhetexpress.com
Reporter : Mahmud Parvez Staff Reporter : Taslima Khanom Bithee

Designed and Developed by : A.S.H. Imranul Islam. e-mail : imranul.zyl@gmail.com

Best View on Internet Explore, Mozilla Firefox, Google Chrome
This site is owned by Sylhet Sifdia www.sylhetexpress.com
copyright © 2006-2013 SylhetExpress.com, All Rights Reserved