User Login | | নীতিমালা | 27 Sep 2017 : Sylhet, Bangladesh :
    সংবাদ : একদিকে সেলফি উঠছে, অন্যদিকে সহপাঠী ডুবছে  সংবাদ : রাখাইনে বাবা-মা প্রাণভয়ে সিলেটে আল-আমিন  সংবাদ : ওরা ৭১ কে মুখে নয়, অন্তরে লালন করে  সংবাদ : মানুষের বেঁচে থাকা ও পরিবেশ রক্ষার একমাত্র অবলম্বন বৃক্ষ: রাহাত আনোয়ার
  সংবাদ : মানবিকতাকে ধারণ করে
সমাজের মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
---মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী  সংবাদ : মাদ্রাসা ভাঙ্গলেন মেয়র আরিফ  সংবাদ : কাউন্সিলর উজ্জ্বলের দূর্গাপূজার শুভেচ্ছা  সংবাদ : দিরাইয়ে দেড় লাখ টাকার গাঁজাসহ আটক ১
  সংবাদ : আজ থেকে শুরু হচ্ছে দুর্গাপূজা   সংবাদ : 
মুক্তিযুদ্ধের চর্চা ও দেশপ্রেমের ধারক বাহক 
সৃষ্টির পাঠশালা হচ্ছে হৃদয়ে ’৭১  সংবাদ : মানুষের বেঁচে থাকা ও পরিবেশ
রক্ষার একমাত্র অবলম্বন বৃক্ষ  সংবাদ : বিএনপি নেতা এডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন'র পিতা ইন্তেকাল  সংবাদ : ‘রসগোল্লার’ আরেক শিকার গণি মিয়া
  সংবাদ : মুক্তিযোদ্ধার শয্যাপাশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান 
কমান্ড সিলেট মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ  সংবাদ :  মহিউদ্দিন শিরু’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
sylhetexpress.com এর picture scroll bar এর code. এই কোড যেকোন website এ use করা যাবে।
| সিলেট | মৌলভীবাজার | হবিগঞ্জ | সুনামগঞ্জ | বিশ্ব | লেখালেখি | নারী অঙ্গন | ছবি গ্যালারী | রঙের বাড়ই ব্লগ |

মাজেদা বেগম মাজু
লেখক:- মাজেদা বেগম মাজু

Web Address : www.sylhetexpress.com/lekhalekhiNew.php?writerID=39
মাজেদা বেগম মাজু এর লিখা
.: 20 January 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :.

স্মৃতিতে অম্লান মহানায়িকা সুচিত্রা সেন


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু:
১৭ জানুয়ারি ২০১৪, দিনটি ছিল শুক্রবার। কনকনে হিমেল হাওয়ার পরশের চেয়েও হিমশিতল করা দুঃসংবাদটি হঠাৎ করে যেন ইথারে ভেসে এলো। বাংলা চলচ্চিত্রের তথা ভারতীয় চলচ্চিত্রের মহানায়িকা সুচিত্রা সেন তাঁর ভক্ত অনুরাগীদের শোক সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে এদিন সকাল ৮ টা ২৫ মিনিটে এই ধরাধাম ত্যাগ করে চিরদিনের জন্য পরলোকে পারি জমিয়েছেন। প্রচার মাধ্যমে এই শোকসংবাদ পরবেশনের মধ্যদিয়ে চ্যানেলে চ্যানেলে শুরু হয়ে গের তাঁর অভিনীত ছবি, গান ও তাঁকে নিয়ে নানান অনুষ্ঠান। ক্ষণিকের মধ্যেই দিনটি সুচিত্রায় সুচিত্রায় হয়ে গেল সুচিত্রাময়। এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলে মৃত্যু অবধারিত। মহানায়িকার ক্ষেত্রেও এই নিয়মের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। যদিও অতি স্বাভাবিকভাবেই তিনি ইহলোক ত্যাগ করেছেন তারপরও তাঁর এই চলে যাওয়া ভক্তকুলের জন্য মেনে নেয়া যেন ছিল অতীব কষ্টের একটি ব্যাপার। প্রায় ৩৫ বছর নিভৃতচারিণী থাকার পর তাঁর এই অন্তিম যাত্রা তাঁর ভক্তদের জন্য ছিল একটি স্বপ্নের অপমৃত্যু। কারণ নায়িকা থেকে মহনায়িকা হয়ে ওঠা সুচিত্রা সেন যে ছিলেন তাঁর কোটি কোটি ভক্তহৃদয়ের চিরকালের মানসী স্বপ্নে দেখা এক রাজকন্যা। তাঁর এই অনন্তযাত্রার মধ্যদিয়ে অস্তমিত হলো বাংলা চলচ্চিত্রের হাজার বছরের লালিত একটি অতিপ্রিয় নাম, একটি প্রতিষ্ঠান, সেইসাথে একজন কিংবদন্তির। তারপর, ক্রমে ক্রমে ঘূর্ণায়মাণ পৃথিবীর কালচক্রে সেকেন্ড, মিনিট, ঘণ্টা, সপ্তাহ, দিন ও মাসের হিসাব অতিক্রান্ত হয়ে মহানায়িকার মহাপ্রস্থানের একটি বছর পূর্ণ হয়ে গেলেও তাঁর আবেদন ঠিক সেই আগের মতোই রয়ে গেছে। বিন্দুমাত্র ম্লান হয়নি কোথাও। দীর্ঘকাল অন্তরালের জীবন বেছে নিলেও ভক্তকুলের হৃদয় থেকে তিনি কখনো অন্তরাল হন ন। আমৃত্যু তিনি ছিলেন অগণিত ভক্তহৃদয়ের ক্যানভাসে অঙ্কিত মূর্তমান এক প্রতিচ্ছবি। সুচিত্রা সেন-একটি নাম, একটি ইতিহাস, একটি বিস্ময়। যুগ যুগ ধরে য়াঁকে নতুন করে আর পরিচয় করিয়ে দিতে হয় না কারো কাছে। বক্ত হৃদয়ে শক্ত আসন করে নেয়ার মতো কী এমন গুণাবলী ছিল তাঁর? এই প্রশ্নের উত্তরে পাশাপাশি প্রশ্ন এসে দাঁড়ায় আকর্ষণ করার মতো কী ছল না তাঁর। সুনিপুণ অভিনয়, হৃদয় তোলপাড় করা চোখের চাহনি, কথা বলার ভঙ্গি, ভুবন মোহিনী হাসি, ময়ূরকণ্ঠির মতো থুতনি উঁচিয়ে গ্রীবা বাঁকা করে তাকানো, অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, সবকিছুর সংমিশ্রণ ঘটিয়ে তবেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন একজন অতুলনীয় সুচিত্রা সেন, যার আর কোনো তুলনা নেই। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের পাবনা শহরে সুচিত্রা সেন জন্মগ্রহণ করেন। পাবনা মিউনিসিপ্যালিটির স্যানিটারি ইন্সপেক্টর করুণাময় দাশগুপ্ত ও মা ইন্দিরা দাশগুপ্তের সাত সন্তানের মধ্যে তৃতীয় রমা দাশগুপ্ত। অনিন্দ্য সুন্দরী ও ফর্সা অবয়বের অধিকারী রমা কে তাঁর বাবা ডাকতেন কৃষ্ণা বলে। ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও ঐতিহ্যবাহী দীননাথ সেন পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের সদস্য দিবানাথ সেনের সঙ্গে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর তিনি স্বামীর পদব গ্রহণ করে হয়ে যান রমা সেন। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে তিনি সুচিত্রা সেন নামে আবির্ভূত হন। ১৯৫৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সুকুমার দাশগুপ্ত পরিচালিত বাংলা ছায়াছবি ‘সাত নম্বর কয়েদি’ ছবির মাধ্যমে তিনি প্রথম সুচিত্রা সেন নামে আত্মপ্রকাশ করেন। পরিচালকের সহকারী নীতিশ রায় রমার নূতন নামকরণ করেন সুচিত্রা সেন। ‘শেষ কোথায়’ দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু হলেও মাঝপথে থেমে যাওয়ার কারণে ছবিটি আর আলোর মুখ দেখেনি কোনো দিন। তাঁর অভিনীত সর্বপ্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা ছায়াছবি ‘সাত নম্বর কয়েদি’। আর সর্বশেষ ছবি ১৯৭৮ সালে মঙ্গল চক্রবর্তী পরিচালিত ‘প্রণয় পাশা’। ২৫ বছরের (১৯৫৩)থেকে ১৯৭৮) অভিনয় জীবনে তাঁর অভিনীত বাংলা ও হিন্দি ছবির সংখ্যা প্রায় ৬০টি। এর মধ্যে হিন্দি ছবির সংখ্যা ৭টি। ছবিগুলো হলো ‘দেবদাস’, ‘দেখনে মে ভোলা হ্যায়,’ ‘বোম্বাই কা বাবু,’ ‘মুসাফির,’ ‘চম্পাকলি,’ ‘আঁধি’ ও ‘মমতা’। ১৯৩১ সালে অমরেন্দ্রনাথ চৌধুরী পরিচালিত ‘জামাই ষষ্টি’ দিয়ে প্রথম সবাক বাংলা চলচ্চিত্র শুরু হলেও স্বাধীনতা উত্তর উপমহাদেশ তথা ভারত, পাকিস্তান ও পূর্ববাংলায় পঞ্চাশের দশকটিই ছিল মূলত প্রস্তুতির সময়। বাঙালির সৃষ্টিশীলতর সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটেছিল ষাটের দশকে। সাহিত্য ও শিল্পকলা, সংগীত, চলচ্চিত্রসহ জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে ষাটের দশকটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ পঞ্চাশ ও ষাটের দশক এই দুই দশক মিলিয়ে ছিল বাঙালির সৃজনশীলতার বছর। আর এই দুই দশকেরই পর্দা লোকের স্বপ্নের রাণী হয়ে উঠেছিলেন সুচিত্রা সেন। দেশভাগ পরবর্তী উদ্বাস্তু সময়ে জর্জরিত হতাশাগ্রস্ত বাঙালির জীবনে একটু যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার স্থান খুঁজে পেয়েছিল সেলুলয়েডের ফিতায়। উত্তম-সুচত্রা জুটির চলচ্চিত্রে বাঙালি খুঁজে পেয়েছিল তার চিরচেনা জীবনের স্বাদ। ১৯৫৩ সালে নির্মল দাসের চলচ্চিত্র ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবির মাধ্যমে বাঙালির হৃদয়ে পাকাপাকিভাবে স্থান করে নেন সুচিত্রা সেন। এই ছবিতেই প্রথম জুটি বাঁধেন উত্তম-সুচিত্রা। বাকিটা ইতিহাস। স্বর্ণাক্ষরে যা লেখা রয়েছে বাঙালির মনের মণিকোঠায়। বাঙালির ক্ষয়িষ্ণু জীবনে যেন এক টুকরো জীয়নকাঠি হয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন এই রোমান্টিক জুটি। চিরদিনের চির রোমাণ্টিক এই জুটির ন্যায় আর কোনো জুটি চলচ্চিত্রে এমনভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারেন নি। প্রথম হিট ছবি ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ দিয়ে শুরু করে তারপর একে একে ‘অগ্নিপরীক্ষা’ (১৯৫৪), ‘শাপমোচন’ (১৯৫৫), ‘সবার উপরে ’(১৯৫৫), ‘সাগরিকা’ (১৯৫৬), ‘হারানো সুর’(১৯৫৭),‘পথে হলো দেরি’(১৯৫৭), ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’ (১৯৫৮), ‘সূর্যতোরণ’ (১৯৫৮), ‘ইন্দ্রানী’ (১৯৫৮), ‘বিপাশা’ (১৯৬২), ‘সপ্তপদী’ (১৯৬১) সহ আরো বহু ছবি উপহার দেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ এই রোমাণ্ঠিক জুটি। সুচিত্রা সেনের মায়াময় চাহনি, মিষ্টি হাসি, আবেগতাড়িত কান্না, গোমড়ামুখো অভিমান, অপার সৌন্দর্য্য ও অভিনয় প্রতিভায় মগ্ন হয়েছিলেন আবালবৃদ্ধ বনিতা, যে মগ্ন তা আজ অব্দি অটুট হয়ে আছে ভক্তহৃদয়ে। তবে জুটিপ্রথা ছাড়াও যে তিনি দর্শকদের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয় ছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া যায় অন্যান্য নায়কের সাথে তাঁর অভিনীত অপরাপর ছবিগুলো থেকে। অশোক কুমার, দিলীপকুমার, সঞ্জীবকুমার, দেবআনন্দ, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, বসন্ত চ্যাটার্জীর সাথে জুটি বেঁধে ‘হসপিটাল’ (১৯৬৫), ‘দেবদাস’ (১৯৫৪), ‘মুসাফির’ (১৯৫৭), ‘আঁধি’ (১৯৭৫), ‘বোম্বাই কা বাবু’, ‘সাত পাকে বাঁধা’ ‘উত্তর ফাল্গুনি (১৯৬৩), ‘মমতা’ ইত্যাদির মতো বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় নৈপূণ্য একথই আরেকবার প্রমাণ করে যে উত্তম কুমার ছাড়াও তিনি কখনো কোনো চলচ্চিত্রে নিষ্প্রভ ছিলেন না। মধ্যপঞ্চাশ থেকে মধ্যসত্তর দশককে যেমন বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণকাল বলে ধরে নেয়া হয় তেমনি সেই সময়কালকে বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগ বলেও গণ্য করা হয়। কারণ বাংলা সংগীতের কালজয়ী গানগুলো তৈরি হয় তখনকার সেই স্বর্ণালীযুগে। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, বিমল ঘোষদের মতো গীতিকার, সন্ধ্যামুখোপাধ্যায়, গীতাদত্ত, আরতি মুখোপাধ্যায়, লতামঙ্গেশকর, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, শ্যামলমিত্রের মতো কণ্ঠশিল্পী এবং সুচিত্রা সন ও উত্তমকুমারের মতো অভিনেতা অভিনেত্রী যেন মুক্তোর হারের মতো একই সূত্রে গাঁথা কয়েকটি নাম যাঁরা স্ব স্ব ক্ষেত্রে তাঁদের আপন মহিমায় ছিলেন ভাস্বর। ‘সপ্তপদী’ ছবিতে উত্তমের মোটর সাইকেলের পেছনে বসে গ্রামের পথে যাচ্ছেন সুচিত্রা। আকাশে পাখি উড়ছে। গ্রামের আঁকাবাঁকা রাস্তায় উত্তমের ঘাড়ের কাছে সুচিত্রার হাস্যোজ্জ্বল মুখ। তখনকার দিনে যা ছিল বিরল একটি রোমান্টিক দৃশ্য। হেমন্তের কণ্ঠে উত্তম গাইছেন ‘এই পথ যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলো তো।’ ‘তুমি বলো,’ ‘না-না তুমি বলো’ করে করে কারো আর বলা ই হয়নি। এ যেন প্রেমের পথে সত্যি সত্যি অনিঃশেষ এক যাত্রা যা আর কোনো দিন শেষ হওয়ার নয়। এরকম রয়েছে আরও কত রোমান্টিক দৃশ্যের সাথে হৃদয় তোলপাড় করা গান। ‘হারানো সুর’ ছবিতে ‘তুমি যে আমার,’ ‘হসপিটাল’ ছবিতে নৌকায় করে অশোক কুমারের সাথে ‘এই সুন্দর স্বর্ণালি সন্ধ্যায়’ ইন্দ্রানী ছবিতে ‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই’ ইত্যাদির মতো আরও অসংখ্য গান রয়েছে যেগুলো সেই আগের তোই আবেদন সৃষ্টি করে, অনুরণন তোলে দর্শক হৃদয়ে। গ্ল্যামার, রোমাণ্ঠিক ইমেজ, হেয়ার স্টাইল, পোশাক পরিচ্ছদ, চিরন্তন বাঙালিয়ানা, সাদামাটা জীবনযাপন সর্বোপরি তাঁর রূপালি ¯িœগ্ধতায় বাঙালি নারীদের কাছে ফ্যাশন আইকনে পরিণত হওয়া সুচিত্রা সেন অভিনয় জীবনে আন্তর্জাতিক পুরস্কারসহ অর্জন করেছেন অসংখ্য পুরস্কার, ১৯৭২ সালে পান পদ্মশ্রী পুরস্কার। জনসমক্ষে আসতে না চেয়ে ২০০৫ সালে প্রত্যাখ্যান করেন দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সর্বোচ্চ সম্মান ‘বঙ্গবিভূষণ’ লাভ করেন ২০১২ সালে। প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী হিসেবে ১৯৬৩ সালে ‘সাতপাকে বাঁধা’ ছবির জন্য মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন। প্রথম হিন্দি ছবি ‘দেবদাস’ ছবির জন্য ১৯৫৫ সালে লাভ করেন শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার। শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর আদলে চিত্রায়িত চলচ্চিত্র ‘আঁধি’তে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কারে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তাছাড়া পশ্চিমবঙ্গে অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। চারদেয়ালের ঘেরাটোপের আবদ্ধ জীবন থেকে যখন নারীদের বের হওয়া প্রায় দুঃসাধ্য একটি ব্যাপার ছিল ঠিক তখন সুচিত্রা সেন চলচ্চিত্রে পদার্পণ করে দাপটের সাথে নিজের অস্তিত্ব ঘোষণার মাধ্যমে সমগ্র নারী জাতির উত্তরণের পথকে আরও সুগম করে তোলেন। নারীর ক্ষমতায়ন বলতে যা বুঝায় অর্থাৎ ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যক্তি অধিকার এবং সামাজিক সার্বজনীনতা সংরক্ষণ করে আত্মশক্তিতে বলীয়ান হয়ে নারীর স্বাধীন ও সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের যে ক্ষমতা সেটা পরিপূর্ণতা লাভ করেছিল সুচিত্রা সেনের মাধ্যমে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ছিল অসাধারণ। তাঁর ক্ষেত্রে সৌন্দর্য্যরে সাথে বুদ্ধিমত্তা যেন একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছিল। হলিউডের প্রবাদ প্রতীম অভিনেত্রী গ্রেটাগার্বোর মতো খ্যাতি ও জনপ্রিয়তার মধ্যগগনে থাকা অবস্থায় ১৯৭৮ সালে ‘প্রণয় পাশা’ ছবিতে অভিনয়ের পর সুচিত্রা সেন অভিনয় জগৎ ও জনজীবন থেকে নিজেকে গুটিয়ে অন্তরালে নিজের স্বেচ্ছা নির্বাসিত জীবনকে বেছে নেন। প্রায় ৩৫ বছরের এই স্বেচ্ছা নির্বাসন নিয়ে অনেকে অনেক বিরূপ মন্তব্য করে থাকলেও তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে ছিলেন অটল। অসুখী দাম্পত্যজীবন, স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ও ১৯৬৯ সালে অসময়ে স্বামীর অকালমৃত্যু, আধ্যাত্মিকতার দিকে ঝোঁক, উত্তম কুমারের মৃত্যু ইত্যাদি নানা বিষয়কে তাঁর স্বেচ্ছা নির্বাসনের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে দায়ী করা হলেও আসল কারণ কিন্তু চিরকাল রহস্যাবৃত্ই রয়ে গেছে। দর্শকরা যে সুচিত্রা সেনের সাথে পরিচিত তখন তাঁর বয়স ৪৫ থেকে ৪৬। সুচিত্রা ভক্তদের মানসপটে তাঁর যে চিত্র ভেসে ওঠে সেটা রূপালি পর্দায় দাপিয়ে বেড়ানো অনন্ত যৌবনা সুচিত্রা সেনের প্রতিকৃতি। আর এই চিরযৌবনা হয়েই তিনি আজীবন বেঁচে থাকবেন দর্শক হৃদয়ে। নির্বাসিত জীবনে বার্ধক্যে উপনীত সুচিত্রা সেনের সাথে তাঁর একান্ত আপনজন ছাড়া আর কারো পরিচিতি নেই। এটাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আত্মতৃপ্তি। অভিনয়ের সাথে স্মৃতিতে ভাস্বর হয়ে থাকার অভিনব এই কৌশল অবলম্বন করে দর্শক হৃদয়ে স্থায়ীভাবে পাকাপোক্ত আসন গড়ে নিতে সক্ষম হয়েছিলেন যিনি, তিনি আর কেউ নন একমাত্র সুচিত্রা সেন। বিস্মৃতির অতলান্তে নশ্বর এই পৃথিবীর অনেক কিছু হারিয়ে গেলেও সুচিত্রা সেন অমর হয়েই থাকবেন চিরদিন। বাংলা, বাঙালি ও বাংলাভাষা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন বাঙালির হৃদয়ে চির অম্লান হয়ে বেঁচে থাকবেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই একচ্ছত্র অধিষ্ঠাত্রী মুকুটহীন স¤্রাজ্ঞী কিংবদন্তি মহানায়িকা সবার প্রিয় সুচিত্রা সেন।


.: 14 June 2017 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (764 বার পঠিত)
মনোরমার চিঠি


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: চিঠি লেখার অভ্যেস সেই কবে থেকে যে নাই হয়েছে ঠিকমতো মনে করতে পারে না মনোরমা। অথচ একসময় এই চিঠি লেখার মধ্যে কি যে আনন্দ ছিল ভাবতে গেলে এখনো রোমাঞ্চিত হয়ে ওঠে ও। এখন এই প্রযুক্তি নির্ভর দুনিয়ায় চিঠির কি আর কোন মূল্য আছে ভেবে লু হাওয়ার মতো ঠেলে একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আ ...Details...


.: 17 January 2017 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1232 বার পঠিত)
আকাশ,নদী ও পানকৌড়ির গল্প


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: কয়েকদিন থেকে আকাশের সাথে দেখা নেই তাই নদীর মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে আছে। মন খারাপ করা বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে ও। কালো কালো মেঘমালা আড়াল করে রেখে আছে আকাশটাকে। পাখিদের কলকাকলি নেই,শিশুদের কলগুঞ্জন নেই,কর্মঠ মানুষের প্রাণচাঞ্চল্য নেই,চন্দ্র,সূর্য,গ্রহ,নক্ষত্র কোনকি ...Details...


.: 24 April 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (3982 বার পঠিত)
গ্রীষ্মের তিনটি বাহারি ফুল


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: এক অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ । এখানে বারোমাসে বিরাজ করে ছয়টি ঋতু । দুই মাস অন্তর অন্তর ঋতু পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে প্রকৃতিতে ঘটতে থাকে পট পরিবর্তনের লীলাখেলা । একেক ঋতু প্রকৃতিতে নিয়ে আসে একেক রকমের বারতা। ঘটতে থাকে রূপ বদলের পালা । আর ...Details...


.: 16 July 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (2614 বার পঠিত)
চাঁনরাত


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: চারিদিকে হৈ হুল্লোড়, সবাই আনন্দে মাতোয়ারা কারণ আজ ঈদের দিন। ছোট-বড়, ধনি-গরীব সবার ঘরে ঘরে আজ উৎসবের আমেজ। যে যার সাধ্যিমত ব্যস্ত শুধু বকু ছাড়া। স্বীয় নিরানন্দ জীবনে আজ মাসহ সন্তানরাও যুক্ত। নীরবে অশ্রুপাত করা ছাড়া আর কী-ইবা করার আছে। গরীবের আবার ঈদ! রমজান মাসের এত খ ...Details...


.: 22 February 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (4289 বার পঠিত)
‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হলো যেভাবে


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: আমরা জানি ভাষা মানে ভাব প্রকাশের উক্তি বা সংকেত। প্রখ্যাত ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভাষার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘মানবজাতি যে ধ্বনি বা ধ্বনি সকল দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম ভাষা।’ আর জন্মের পর শিশু মায়ের কাছে বা কোলে, বাড়িতে বা পারিপার্শ্বিক পরিবেশে যে ...Details...


.: 11 October 2014 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (2193 বার পঠিত)
অয়ন সোনার মন ভালো নেই


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: আজ চার পাঁচদিন হয় অয়ন অসুস্থ। ওকে নিয়ে আব্বু-আম্মুর দুশ্চিন্তার শেষ নেই। তবে ডাক্তার বলেছেন তেমন কিছু না। ওষুধ খেলে সেরে যাবে। কিšু— ওর অবস্থার অবনতি ছাড়া উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ। এখন একেবারে শয্যাশায়ী। চোখমুখ কেমন যেন বসে গেছে। মুখ দিয়ে কোনো কথা ...Details...




মাজেদা বেগম মাজু এর সর্বাধিক পঠিত লিখা

.: : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (7407 বার পঠিত)
স্মৃতিতে অম্লান মহানায়িকা সুচিত্রা সেন


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: ১৭ জানুয়ারি ২০১৪, দিনটি ছিল শুক্রবার। কনকনে হিমেল হাওয়ার পরশের চেয়েও হিমশিতল করা দুঃসংবাদটি হঠাৎ করে যেন ইথারে ভেসে এলো। বাংলা চলচ্চিত্রের তথা ভারতীয় চলচ্চিত্রের মহানায়িকা সুচিত্রা সেন তাঁর ভক্ত অনুরাগীদের শোক সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে এদিন সকাল ৮ টা ২৫ মিনিটে এই ধরাধ ...Details...


.: 20 January 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (4289 বার পঠিত)
‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হলো যেভাবে


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: আমরা জানি ভাষা মানে ভাব প্রকাশের উক্তি বা সংকেত। প্রখ্যাত ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভাষার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘মানবজাতি যে ধ্বনি বা ধ্বনি সকল দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম ভাষা।’ আর জন্মের পর শিশু মায়ের কাছে বা কোলে, বাড়িতে বা পারিপার্শ্বিক পরিবেশে যে ...Details...


.: 22 February 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (3982 বার পঠিত)
গ্রীষ্মের তিনটি বাহারি ফুল


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: এক অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ । এখানে বারোমাসে বিরাজ করে ছয়টি ঋতু । দুই মাস অন্তর অন্তর ঋতু পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে প্রকৃতিতে ঘটতে থাকে পট পরিবর্তনের লীলাখেলা । একেক ঋতু প্রকৃতিতে নিয়ে আসে একেক রকমের বারতা। ঘটতে থাকে রূপ বদলের পালা । আর ...Details...


.: 24 April 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (2614 বার পঠিত)
চাঁনরাত


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: চারিদিকে হৈ হুল্লোড়, সবাই আনন্দে মাতোয়ারা কারণ আজ ঈদের দিন। ছোট-বড়, ধনি-গরীব সবার ঘরে ঘরে আজ উৎসবের আমেজ। যে যার সাধ্যিমত ব্যস্ত শুধু বকু ছাড়া। স্বীয় নিরানন্দ জীবনে আজ মাসহ সন্তানরাও যুক্ত। নীরবে অশ্রুপাত করা ছাড়া আর কী-ইবা করার আছে। গরীবের আবার ঈদ! রমজান মাসের এত খ ...Details...


.: 16 July 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (2193 বার পঠিত)
অয়ন সোনার মন ভালো নেই


SylhetExpress.com

মাজেদা বেগম মাজু: আজ চার পাঁচদিন হয় অয়ন অসুস্থ। ওকে নিয়ে আব্বু-আম্মুর দুশ্চিন্তার শেষ নেই। তবে ডাক্তার বলেছেন তেমন কিছু না। ওষুধ খেলে সেরে যাবে। কিšু— ওর অবস্থার অবনতি ছাড়া উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ। এখন একেবারে শয্যাশায়ী। চোখমুখ কেমন যেন বসে গেছে। মুখ দিয়ে কোনো কথা ...Details...


পাঠকের মতামত

Other Pages :

 
 অন্য পত্রিকার সংবাদ
 অভিজ্ঞতা
 আইন-অপরাধ
 আত্মজীবনি
 আলোকিত মুখ
 ইসলাম ও জীবন
 ঈদ কেনাকাটা
 উপন্যাস
 এক্সপ্রেস লাইফ স্টাইল
 কবিতা
 খেলাধুলা
 গল্প
 ছড়া
 দিবস
 দূর্ঘটনা
 নির্বাচন
 প্রকৃতি পরিবেশ
 প্রবাস
 প্রশাসন
 বিবিধ
 বিশ্ববিদ্যালয়
 ব্যক্তিত্ব
 ব্যবসা-বাণিজ্য
 মনের জানালা
 মিডিয়া ওয়াচ
 মুক্তিযুদ্ধ
 যে কথা হয়নি বলা
 রাজনীতি
 শিক্ষা
 সমসাময়ীক বিষয়
 সমসাময়ীক লেখা
 সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
 সাইক্লিং
 সাক্ষাৎকার
 সাফল্য
 সার্ভিস ক্লাব
 সাহিত্য-সংস্কৃতি
 সিটি কর্পোরেশন
 স্বাস্থ্য
 স্মৃতি
 হ য ব র ল
 হরতাল-অবরোধ

লেখালেখি
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অবঃ)
আব্দুল হামিদ মানিক
শফিকুল ইসলাম
প্রা. মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট
ইকবাল বাহার সুহেল
হারান কান্তি সেন
সেলিম আউয়াল
বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল
এ.এইচ.এস ইমরানুল ইসলাম
জসীম আল ফাহিম
সৌমেন রায় নীল
সাকিব আহমদ মিঠু
রাহিকুল ইসলাম চৌধুরী
সালাহ্‌ আদ-দীন
ছাদিকুর রহমান
সাঈদ নোমান
জালাল আহমেদ জয়
পহিল হাওড়ী (মোঃ আবু হেনা পহিল)
শাহ মিজান
তাবেদার রসুল বকুল
কাউসার চৌধুরী
নারী অঙ্গন
নূরুন্নেছা চৌধুরী রুনী
ইছমত হানিফা চৌধুরী
আমেনা আফতাব
মাহবুবা সামসুদ
সুফিয়া জমির ডেইজী
নীলিমা আক্তার
মাছুমা আক্তার চৌধুরী রেহানা
সালমা বখ্ত্ চৌধুরী
রিমা বেগম পপি
রওশন আরা চৌধুরী
অয়েকপম অঞ্জু
আমিনা শহীদ চৌধুরী মান্না
জান্নাতুল শুভ্রা মনি
মাসুদা সিদ্দিকা রুহী
আলেয়া রহমান
মাজেদা বেগম মাজু
নাঈমা চৌধুরী
শামসাদ হুসাম
তাসলিমা খানম বীথি
রায়হানা বারী রেখা

সাহিত্য-সংস্কৃতি পাতার আলোচিত লিখা
.: 4 weeks ago : :.
কুরবানী : মালিকের জন্য সর্বস্ব ত্যাগের শিক্ষা দেয় (501 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

শাহ নজরুল ইসলাম: কুরবানির ইতিহাস কুরবানির বিধান হযরত আদম আ.এর চলে আসছে। সকল উম্মতের ইবাদতে এ কুরবানির আবশ্যিক বিধান ছিল। মহান আলøাহ বলেন, ‘আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য কুরবানির এক রীতিপদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছি, যেন তারা ওই সব পশুর ওপর আলøাহর নাম নিতে পারে, যেসব আলøাহ তাদের দান করেছেন Details...


.: 2 weeks ago : :.
দেশের প্রথম তেলক্ষেত্র সিলেটে (471 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: জটিল ভূতাত্ত্বিক পরিবেশের ভেতর দিয়ে উদ্ভব হওয়ায় সিলেট অঞ্চল বিভিন্ন খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। এরমধ্যে উলেøখযোগ্য হচ্ছে খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, পিট, চুনাপাথর, কাঁচবালি, বেলেপাথর, নুড়ি ্এবং বড়ো পাথর ইত্যাদি। এই প্রাকৃতিক সম্পদ বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে Details...


.: 2 weeks ago : :.
শরতে হলো দেখা (407 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

কামরান চৌধুরী:
সাদা সাদা মেঘগুলো নীল আকাশে চলছে ভেসে অজানায়
প্রজাপতি যুগলের মন ছুঁয়ে ছুটছি তোমার ঠিকানায়।
এই শরতেই তার সাথে হয়েছে মিতালী, কাশ বনে একা;
নীল শাড়ি পড়ে, পরিপাটি বেশে এসেছিল, নিবিড় সে দেখা।
চোখদুটি মুগ্ধ, বাকরুদ্ধ, পরখ করি নির্মল হাসি, চুল,
গুইচিচাঁপা খোপাতে Details...


.: 4 weeks ago : :.
চাপাবাজ (366 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

ইমরান ইমন: কয়েকদিন আগে ওসমানী মেডিকেলে গিয়েছিলাম ছোটবোন দেখতে। চারতলার ছয় নাম্বার ওয়ার্ডে। আমার সাথে ছিলো এক বন্ধু। দুজনই রোগীকে দেখতে গিয়েছিলাম। নিচতলায় সিঁড়িপথে ওপরে উঠবো তখন গার্ড বলল যাওয়া যাবেনা। আমাদের বুঝতে বাকি রইলো না যে, গার্ডকে কিছু দিতে হবে। নূন্যতম বিশত্রিশ টাকা। Details...


.: 2 weeks ago : :.
শব্দ চয়নে পটু সত্যচয়ন (328 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

মোহাম্মদ আব্দুল হক:
আমার বন্ধু বই পড়ে
কবিতা ভালোবাসে
ভালোবাসে প্রিয়তমা স্ত্রী
পরিবার ভালোবাসে
জন্মভূমি যেন তার স্পন্দিত হৃদয়।
ঠিক জায়গায়
বাচনভঙ্গিমায়
সঠিক শব্দচয়নে পটু
বন্ধু আমার সত্যচয়ন।
সে চাকরি করে
ভালো বেতনের চাকরি
বড় অফিসে চেয়ার টেবিল টেলিফোন
মোবা Details...


.: 4 weeks ago : :.
নোমান মাহফুজের গুচ্ছ "আরাকান ছড়া" (297 বার পঠিত)

নোমান মাহফুজ:
(১)
রুখো!
রাখাইনে হত্যাযজ্ঞ
চলছেই দেখো,
মুসলিম শত মারে
রুখো সবে রুখো।
জাতিসংঘ চুপ কেন
জবাবটা চাই,
সুচি কেন বেপরোয়া
শান্তি কেন নাই।
আর কতো মুসলিম
মরে হবে লাশ,
বাড়িঘর ছেড়ে সবে
করছে হাসফাস।
মুসলিম নামধারী
শাসকেরা শুনো,
মুখ এঁটো বসা নয়
পদক্ Details...


.: 1 week ago : :.
আরাকান (288 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

ইসতাইন আহমেদ:
হবে না হত্যা আর কোনো মুসলিম
হাতে হাত ধর হে মুজাহিদ রক্ষা করি দ্বীন
মোরা গর্বিত মুসলিম।
আর যেন কোনো শিশু না মরুক
আর যেন কোনো পিতা না জ্বলুক
আর যেন কোনো মা না বলুক
আমি নির্যাতিত মুসলিম
আমি নির্যাতিত মুসলিম
আমি নির্যাতিত মুসলিম।
বাধ ভাঙা স্রোতের মত নির্ Details...


.: 2 weeks ago : :.
নির্লজ্জ মানবতা (281 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

মজিবুল হক হিরণ:
ধিকধিক শত ধিক নির্লজ্জ যে জন
সাম্প্রদায়িক চেতনায় কে করে আলাদা
হিন্দু-বৌদ্ধ, মুসলিম-খৃষ্টান,
ধর্ম-বর্ণ হোক আলাদা তবুতো সবাই মানুষ হিংসা-বিদ্বেষ ক্ষমতার লোভ সবাইকে করছে বেহুশ।
আজ কোথায় "হিউম্যান রাইট ওয়াচ"
কোথায় হাড়াল জাতিসংঘ
তাদের চোখে কি পরেনা বা Details...


.: 2 weeks ago : :.
বৃষ্টিবিলাস (250 বার পঠিত)

বলরাম নাইডু:
চৌরাস্তার মোরে দাঁড়ানো ট্রাফিক পুলিশ
থমথমে ভিজে যাওয়া- দিনে
বৃষ্টির প্রতিচ্ছবি
রাতে ল্যাম্পপোস্টকে সাক্ষি রেখে
ব্যস্ত নগরীকে শান্ত করার ভীষণ প্রচেষ্টা...
সেই শান্ত, শীতল
বৃষ্টিতে আমি হেটে যাচ্ছি।
বৃষ্টি পড়ছে, পড়ে যাচ্ছে।
Details...


.: 3 weeks ago : :.
কী বার্তা দিলেন মোদি? (241 বার পঠিত)

লুৎফুর রহমান তোফায়েল: ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী এমন সময় মিয়ানমার সফর করেছেন, যখন রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ সহিংসতা চলছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও মৌলবাদী বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের বসতবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে, লুটতরাজ চালাচ্ছে। পথে-প্রান্তরে, নদীতে পাওয়া যাচ্ছে রোহিঙ্গাদে Details...



www.SylhetExpress.com - First Online NEWS Paper in Sylhet, Bangladesh.

Editor: Abdul Baten Foisal Cell : 01711-334641 e-mail : news@SylhetExpress.com
Editorial Manager : Abdul Muhit Didar Cell : 01730-122051 e-mail : syfdianews@gmail.com
Photographer : Abdul Mumin Imran Cell : 01733083999 e-mail : news@sylhetexpress.com
Reporter : Mahmud Parvez Staff Reporter : Taslima Khanom Bithee

Designed and Developed by : A.S.H. Imranul Islam. e-mail : imranul.zyl@gmail.com

Best View on Internet Explore, Mozilla Firefox, Google Chrome
This site is owned by Sylhet Sifdia www.sylhetexpress.com
copyright © 2006-2013 SylhetExpress.com, All Rights Reserved