User Login | | নীতিমালা | 22 Jan 2018 : Sylhet, Bangladesh :
    সংবাদ : লন্ডনে কাউন্সিলর প্রার্থী কবির হোসাইন  সংবাদ :  মুসল্লিদের জন্য প্রস্তুত মৌলভীবাজার ইজতেমা মাঠ  সংবাদ : সংসদীয় এলাকা সিলেট-২  পুনর্বহালের দাবিতে মোরারবাজারে সর্বদলীয় সভা  সংবাদ : বাহড়া-শাল্লা ও হবিবপুর ইউনিয়নে গ্রো ফাউন্ডেশন কর্তৃক কম্বল বিতরণ  সংবাদ : দক্ষিণ সুরমায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ইজতেমা ফেরত চার মুসল্লী নিহত  সংবাদ : সিলেট মহানগর শ্রমিকলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা  সংবাদ : সোবহানীঘাট থেকে তরুণ-তরুণীর লাশ উদ্ধার   সংবাদ :  ছাত্রদল নেতা কুহিনুরের বাসায় পুলিশী তলøাশী: সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নিন্দা  সংবাদ : ছাত্রদল নেতা কুহিনুরের বাসায় পুলিশী তলøাশী: বিএনপি নেতা মিফতাহ সিদ্দীকির নিন্দা  সংবাদ : বাক্বিউল গারক্বাদ বা জান্নাতুল বাক্বি  সংবাদ : সিলেট প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সাথে
মেয়রপ্রার্থী জুবায়ের এর শুভেচ্ছা বিনিময়  সংবাদ : 
কবি মোস্তফা নূরুজ্জামান বেঁচে থাকবেন তার সৃষ্টিশীলতার মাঝে  সংবাদ : সুশিক্ষার মাধ্যমেই সত্যিকার
মানুষ গঠন করা সম্ভব
--- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ কে এম ইকবাল আজিম  সংবাদ : খাঁরপাড়া সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা  সংবাদ : অর্থমন্ত্রীকে যুবলীগের বিভাগীয়
প্রতিনিধি সভার দাওয়া কার্ড প্রদান
sylhetexpress.com এর picture scroll bar এর code. এই কোড যেকোন website এ use করা যাবে।
| সিলেট | মৌলভীবাজার | হবিগঞ্জ | সুনামগঞ্জ | বিশ্ব | লেখালেখি | নারী অঙ্গন | ছবি গ্যালারী | রঙের বাড়ই ব্লগ |

নাজমুল ইসলাম মকবুল
Phone/ Mobile No.: ০১৭১৮৫০৮১২২
E-mail : nazmulsylhet@gmail.com
নাজমুল ইসলাম মকবুল
লেখকঃ সভাপতি, সিলেট লেখক ফোরাম। nazmulsylhet@gmail.com মোবাইল নং ০১৭১৮৫০৮১২২

Web Address : www.sylhetexpress.com/lekhalekhiNew.php?writerID=34
নাজমুল ইসলাম মকবুল এর লিখা
.: 13 November 2017 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :.

ঝপ ঝপাঝপ পলো বাওয়া শুধুই রবে স্মৃতি হয়ে


SylhetExpress.com

নাজমুল ইসলাম মকবুল:
তলাবিহীন কলসী বা মটকার আদলে বাশ ও বেতের সংমিশ্রণে ছোট ছোট ছিদ্র রেখে শৈল্পিক কারুকার্য্যের মাধ্যমে অত্যান্ত সুনিপুণভাবে মাছ ধরার যে যন্ত্রটি তৈরি করা হয় সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় তারই নাম ‘পলো’। সিলেটাঞ্চলে পলো দিয়ে মাছ ধরাকে বলা হয় পলো বাওয়া। সেকেলে যুগে কুটির শিল্পের মাধ্যমে তথা বাশ ও বেত দিয়ে বিভিন্ন গৃহস্থালী ও সৌখিন দ্রব্য প্রস্তুতের পাশাপাশি শুধুমাত্র পলো প্রস্তুত ও বিক্রয় করেও জীবিকা নির্বাহ করতেন অনেকেই। কর্মক্ষম নারী পুরুষ একাজ করলেও পরিবারের ছোট বড় প্রায় সকলেই একাজে সহযোগিতার পাশাপাশি প্রস্তুত প্রণালী শিখে ফেলতেন এবং উত্তরাধিকার সূত্রেই এসব কুটির শিল্পের শৈল্পিক কার্য্যে পারদর্শী হয়ে উঠতেন। পলোর সাথে বাশ-বেত দিয়ে পোনা মারার ‘ওছু’ পানি সেচের ‘সেওত’ ফাঁদে ফেলে মাছ ধরার হরগা, ডরি, ছাই, পুটিয়ারা, কুকা, ফুপি, ঠনা, ডাটিয়া, মাছ রাখার খলই, কাকরাইন, ধুছইন, গৃহস্থালী কাজের ডাম, ধাড়া, চাছ, উড়া, টুকরী, হের, পোরা, পেটু, ডালা, কুলা, চালনী, সেওত, উঘারের মতো অধিক পরিমান ধান রাখার জন্য টাইল, বাশের টাক, রাওয়াল, সেলফ, পানিচাং, বেতের চেয়ার, সোফা, ইজি চেয়ার, খাট-পালংক, টেবিল, টুল, বাক্স, ঝাপি, দোলনা সহ হরেক রকম সৌখিন জিনিস তৈরি করতেন এবং এখনও এর কিছু কিছু জিনিস নিতান্ত প্রয়োজনের তাগিদে তৈরি করা হয়।
সেকেলে যুগে প্রায় প্রত্যেক গৃহস্থের বাড়ীতেই দু-একটি পলো থাকতো। পলো দিয়ে মাছ ধরার কাজ ছাড়াও হাস মুরগী ধরে রাখার কাজেও ব্যবহার করা হতো। শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে পৌষ মাস থেকে শুরু করে চৈত্র মাস পর্যন্ত শুরু হয়ে যেত পলো দিয়ে মাছ ধরার মহড়া। সিলেট-সুনামগঞ্জ সহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাওর খাল বিল সহ উন্মুক্ত জলাশয়ে কয়েকদিন পূর্ব থেকেই দিন তারিখ ঠিক করে আশপাশের প্রত্যেক গ্রামের জনসাধারনকে দাওয়াত দেয়া হতো। নির্দিষ্ট দিনে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন গ্রাম থেকে সৌখিন মৎস শিকারীরা নির্দিষ্ট জায়গায় এসে জড়ো হতেন। জলাশয়ের এক প্রান্ত থেকে সকলে একই সাথে লাইন ধরে লুঙ্গী আটঘাট করে বেধে অথবা কাছা (পেছকুন্দা) মেরে এক সঙ্গে দল বেধে নান্দনিক ছন্দের তালে তালে ঝপ ঝপাঝপ শব্দে প্রতিযোগিতামূলকভাবে পলো দিয়ে মাছ ধরা শুরু করতেন এবং ক্রমান্বয়ে সারিবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতেন সামনের দিকে। কাধে ঝুলানো থাকতো মাছ সংরক্ষণের যন্ত্র যাকে সিলেটী ভাষায় বলা হয় ‘খলইদড়ি’। অনেকেরই মাথায় থাকতো গামছা বাঁধা। চলতো পলো দিয়ে পানিতে একের পর এক চাপ দেওয়া আর হৈ হুল্লুড় করে সামনের দিকে অঘোষিত ছন্দের তালে তালে ঝপ ঝপাঝপ শব্দে এগিয়ে যাওয়া। যেন এক নিজস্ব চিরচেনা গ্রামবাংলার অপরূপ সৌন্দর্যময় দৃশ্য। পলো নিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষের উপস্থিতি ও হৈ হুল্লুড়ের কারনে জলাশয়ের পানিতে তুমুল নড়াচড়া হতো এক ধরনের জলকম্পনের মতো। এতে মাছেরা দিশেহারা হয়ে আত্মরক্ষার্থে দিগি¦দিক ছুটাছুটি শুরু করে দেয়ায় ঝাকে ঝাকে মাছ ধরা পড়তো। কোন কোন সময় মাছ দিশেহারা হয়ে লাফ দিয়ে শুকনোতেও উঠে যেত। মহড়া চলাকালীন কারো পলোতে মাছ লাগলেই মাছ পলোর ভেতর নাড়া দিত। এতে বুঝা যেত শিকার এবার হাতের মুঠোয়। তখন পলোটিকে কাদা মাটির সাথে ভালোভাবে চাপ দিয়ে ধরে রাখা হতো যাতে নিচের কোন দিকে ফাঁক না থাকে। কারন ফাঁক থাকলে সেদিক দিয়ে শিকার হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। এরপর উপরের খোলা মুখ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে মনের আনন্দে ধরে আনা হতো বাঙালীদের সবচেয়ে প্রিয় আদর্শ খাদ্য মাছটিকে। মাছ বেশি বড় হলে সাথে সাথে জেলে পলোর উপর চড়ে বসে যেতেন এবং সহপাটির সহযোগীতা চাইতেন। সহপাটি তথা পাশের জেলে তড়িৎ গতিতে এসে ধরাধরি করে মাছটিকে বাগে এনে খলইদড়ি দিয়ে গেথে কাধে ঝুলিয়ে নিতেন। আগেকার জেলেদের সাথে আলাপ করে জানা যায় অধিক বড় সাধারণত বোয়াল মাছই ধরা পড়তো এবং কোন কোন মাছ সারা পলোর ভেতর জুড়ে বসত। এছাড়া রুই, কাতলা, মৃগেল, চিতল, আইড়, ঘাগট, কালিবাউস, ঘনিয়া, পুটা, শইল, গজার প্রভৃতি মাছও ধরা পড়তো। জলাশয়ের ওপাশে গিয়ে পলো বাওয়া শেষ হবার পর যারা মাছ পেতেন তারা খুশিতে বাগবাগ হয়ে বাড়ী ফিরতেন। কিন্তু যারা মাছ পেতেননা তারা গুমড়া মুখে পলো কাধে নিয়ে বাড়ী ফিরতেন। দৃশ্যটা অনেকটা হরিলুটের মতো। মাছ সহ বাড়ীতে গেলে বউ বাচ্ছা পরিবার পরিজন সহ সকলেই খুশি হতেন দারুন আর আচ্ছামতো ভাজি বা পাক করে খেতেন মজা করে। মাছ না পেলে বা কোন কারনে খেপ মিস করলে শুধু আফসোস করা ছাড়া গত্যান্তর থাকতোনা। মাছ ধরতে যাবার সময় অনেকেই বিভিন্ন প্রচলিত পদ্ধতিতে ঠিক (আওনা) চাইতেন মাছ পাওয়া যাবে কি না।
বর্তমানে অনেক হাওর খাল বিল ও উন্মুক্ত জলাশয় ভরাট কিংবা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিভিন্ন নদী নালা হাওর খাল বিল ভরাট করে গড়ে উঠেছে আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট। কোথাও কোথাও কিছুটা জলাশয় থাকলেও আগের মতো মাছ পাওয়া যায়না এবং আগের অনেক প্রজাতির মাছ বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায়। আমার ছোটবেলার দেখা অনেকগুলি উল্লেখযোগ্য নদী নালা খাল বিল ও দীঘি যাতে ঘটা করে পলো বাওয়া হতো এখন আর সেসবের অস্তিত্ব নেই। বর্তমানে যেটুকু অবশিষ্ট আছে এর বেশির ভাগ জলাশয় লাটিয়াল বাহিনী পেশি শক্তির বলে দখল করে নিয়েছে অথবা ব্যক্তিগতভাবে কলে কৌশলে বৈধ বা অবৈধভাবে কব্জা করে কাউকে সেখানে নামতে দিচ্ছেনা। এছাড়া সরকারী নিষেধাজ্ঞা সত্তে¡ও ব্যাপকভাবে কারেন্ট জালের অবাধ ব্যবহারের ফলে দেশের উন্মুক্ত জলাশয়ের মুল্যবান মৎস সম্পদ আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। পরিবেশ দুষনের ফলে মাছের ব্যাপক মড়ক এবং রোগ ব্যধিও মৎস সম্পদ ধ্বংসের অন্যতম একটি কারণ। আন্তর্জাতিক রীতি নীতি উপেক্ষা করে ভারত তার উজানের বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিতভাবে বাধ নির্মাণ করে শুকনো মৌসুমে পানি প্রবাহ বন্ধ করার ফলে এদেশের অনেকগুলি নদী নালা খাল বিল শুকিয়ে যায় এবং অনেক নদ নদী আজ বিলুপ্ত হয়ে সেসব এলাকা মরুভূমিতে পরিনত হয়েছে ও হচ্ছে। সেসাথে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে আমাদের অতি মুল্যবান মৎস সম্পদ। উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের অস্তিত্ব আগের মতো খুজে পাওয়া স্বপ্নই বলতে হবে। তাই বাধ্য হয়ে অনেকেই ব্যক্তিগত বা যৌথ উদ্যোগে মৎস চাষে এগিয়ে এসেছেন। কিন্তু উন্মুক্ত জলাশয়ের মাছের স্বাদ ফার্মের মাছে পাওয়া যায়না। কথায় বলে ‘‘মাছে ভাতে বাঙালী’’। বাঙালীরা কয়েকদিন মাছ না খেলে মন আকুবাকু করে। কারণ এতে বাঙালীদের একটা নাড়ীর টান রয়েছে। বর্তমানে মাছ কিনতে বাজারে গেলে মাছের দাম শুনে আৎকে উঠতে হয়। উন্মুক্ত জলাশয়ের সুস্বাদু মাছতো পাওয়াই যায়না বরং ফার্মের মাছই একমাত্র ভরসা। এমন এক দিন আসবে হয়তো উন্মুক্ত জলাশয়ে পলো দিয়ে মাছ ধরা শুধু স্মৃতি হয়েই রবে অথবা আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম হয়তো চিনবেইনা পলো দিয়ে কিভাবে মাছ ধরতে হয় \
লেখকঃ সভাপতি, সিলেট লেখক ফোরাম।
ঊসধরষ: হধুসঁষংুষযবঃ@মসধরষ.পড়স
মোবাইল নং ০১৭১৮৫০৮১২২

ঝপ ঝপাঝপ পলো বাওয়া শুধুই রবে স্মৃতি হয়ে
নাজমুল ইসলাম মকবুল
তলাবিহীন কলসী বা মটকার আদলে বাশ ও বেতের সংমিশ্রণে ছোট ছোট ছিদ্র রেখে শৈল্পিক কারুকার্য্যের মাধ্যমে অত্যান্ত সুনিপুণভাবে মাছ ধরার যে যন্ত্রটি তৈরি করা হয় সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় তারই নাম ‘পলো’। সিলেটাঞ্চলে পলো দিয়ে মাছ ধরাকে বলা হয় পলো বাওয়া। সেকেলে যুগে কুটির শিল্পের মাধ্যমে তথা বাশ ও বেত দিয়ে বিভিন্ন গৃহস্থালী ও সৌখিন দ্রব্য প্রস্তুতের পাশাপাশি শুধুমাত্র পলো প্রস্তুত ও বিক্রয় করেও জীবিকা নির্বাহ করতেন অনেকেই। কর্মক্ষম নারী পুরুষ একাজ করলেও পরিবারের ছোট বড় প্রায় সকলেই একাজে সহযোগিতার পাশাপাশি প্রস্তুত প্রণালী শিখে ফেলতেন এবং উত্তরাধিকার সূত্রেই এসব কুটির শিল্পের শৈল্পিক কার্য্যে পারদর্শী হয়ে উঠতেন। পলোর সাথে বাশ-বেত দিয়ে পোনা মারার ‘ওছু’ পানি সেচের ‘সেওত’ ফাঁদে ফেলে মাছ ধরার হরগা, ডরি, ছাই, পুটিয়ারা, কুকা, ফুপি, ঠনা, ডাটিয়া, মাছ রাখার খলই, কাকরাইন, ধুছইন, গৃহস্থালী কাজের ডাম, ধাড়া, চাছ, উড়া, টুকরী, হের, পোরা, পেটু, ডালা, কুলা, চালনী, সেওত, উঘারের মতো অধিক পরিমান ধান রাখার জন্য টাইল, বাশের টাক, রাওয়াল, সেলফ, পানিচাং, বেতের চেয়ার, সোফা, ইজি চেয়ার, খাট-পালংক, টেবিল, টুল, বাক্স, ঝাপি, দোলনা সহ হরেক রকম সৌখিন জিনিস তৈরি করতেন এবং এখনও এর কিছু কিছু জিনিস নিতান্ত প্রয়োজনের তাগিদে তৈরি করা হয়।
সেকেলে যুগে প্রায় প্রত্যেক গৃহস্থের বাড়ীতেই দু-একটি পলো থাকতো। পলো দিয়ে মাছ ধরার কাজ ছাড়াও হাস মুরগী ধরে রাখার কাজেও ব্যবহার করা হতো। শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে পৌষ মাস থেকে শুরু করে চৈত্র মাস পর্যন্ত শুরু হয়ে যেত পলো দিয়ে মাছ ধরার মহড়া। সিলেট-সুনামগঞ্জ সহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাওর খাল বিল সহ উন্মুক্ত জলাশয়ে কয়েকদিন পূর্ব থেকেই দিন তারিখ ঠিক করে আশপাশের প্রত্যেক গ্রামের জনসাধারনকে দাওয়াত দেয়া হতো। নির্দিষ্ট দিনে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন গ্রাম থেকে সৌখিন মৎস শিকারীরা নির্দিষ্ট জায়গায় এসে জড়ো হতেন। জলাশয়ের এক প্রান্ত থেকে সকলে একই সাথে লাইন ধরে লুঙ্গী আটঘাট করে বেধে অথবা কাছা (পেছকুন্দা) মেরে এক সঙ্গে দল বেধে নান্দনিক ছন্দের তালে তালে ঝপ ঝপাঝপ শব্দে প্রতিযোগিতামূলকভাবে পলো দিয়ে মাছ ধরা শুরু করতেন এবং ক্রমান্বয়ে সারিবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতেন সামনের দিকে। কাধে ঝুলানো থাকতো মাছ সংরক্ষণের যন্ত্র যাকে সিলেটী ভাষায় বলা হয় ‘খলইদড়ি’। অনেকেরই মাথায় থাকতো গামছা বাঁধা। চলতো পলো দিয়ে পানিতে একের পর এক চাপ দেওয়া আর হৈ হুল্লুড় করে সামনের দিকে অঘোষিত ছন্দের তালে তালে ঝপ ঝপাঝপ শব্দে এগিয়ে যাওয়া। যেন এক নিজস্ব চিরচেনা গ্রামবাংলার অপরূপ সৌন্দর্যময় দৃশ্য। পলো নিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষের উপস্থিতি ও হৈ হুল্লুড়ের কারনে জলাশয়ের পানিতে তুমুল নড়াচড়া হতো এক ধরনের জলকম্পনের মতো। এতে মাছেরা দিশেহারা হয়ে আত্মরক্ষার্থে দিগি¦দিক ছুটাছুটি শুরু করে দেয়ায় ঝাকে ঝাকে মাছ ধরা পড়তো। কোন কোন সময় মাছ দিশেহারা হয়ে লাফ দিয়ে শুকনোতেও উঠে যেত। মহড়া চলাকালীন কারো পলোতে মাছ লাগলেই মাছ পলোর ভেতর নাড়া দিত। এতে বুঝা যেত শিকার এবার হাতের মুঠোয়। তখন পলোটিকে কাদা মাটির সাথে ভালোভাবে চাপ দিয়ে ধরে রাখা হতো যাতে নিচের কোন দিকে ফাঁক না থাকে। কারন ফাঁক থাকলে সেদিক দিয়ে শিকার হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। এরপর উপরের খোলা মুখ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে মনের আনন্দে ধরে আনা হতো বাঙালীদের সবচেয়ে প্রিয় আদর্শ খাদ্য মাছটিকে। মাছ বেশি বড় হলে সাথে সাথে জেলে পলোর উপর চড়ে বসে যেতেন এবং সহপাটির সহযোগীতা চাইতেন। সহপাটি তথা পাশের জেলে তড়িৎ গতিতে এসে ধরাধরি করে মাছটিকে বাগে এনে খলইদড়ি দিয়ে গেথে কাধে ঝুলিয়ে নিতেন। আগেকার জেলেদের সাথে আলাপ করে জানা যায় অধিক বড় সাধারণত বোয়াল মাছই ধরা পড়তো এবং কোন কোন মাছ সারা পলোর ভেতর জুড়ে বসত। এছাড়া রুই, কাতলা, মৃগেল, চিতল, আইড়, ঘাগট, কালিবাউস, ঘনিয়া, পুটা, শইল, গজার প্রভৃতি মাছও ধরা পড়তো। জলাশয়ের ওপাশে গিয়ে পলো বাওয়া শেষ হবার পর যারা মাছ পেতেন তারা খুশিতে বাগবাগ হয়ে বাড়ী ফিরতেন। কিন্তু যারা মাছ পেতেননা তারা গুমড়া মুখে পলো কাধে নিয়ে বাড়ী ফিরতেন। দৃশ্যটা অনেকটা হরিলুটের মতো। মাছ সহ বাড়ীতে গেলে বউ বাচ্ছা পরিবার পরিজন সহ সকলেই খুশি হতেন দারুন আর আচ্ছামতো ভাজি বা পাক করে খেতেন মজা করে। মাছ না পেলে বা কোন কারনে খেপ মিস করলে শুধু আফসোস করা ছাড়া গত্যান্তর থাকতোনা। মাছ ধরতে যাবার সময় অনেকেই বিভিন্ন প্রচলিত পদ্ধতিতে ঠিক (আওনা) চাইতেন মাছ পাওয়া যাবে কি না।
বর্তমানে অনেক হাওর খাল বিল ও উন্মুক্ত জলাশয় ভরাট কিংবা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিভিন্ন নদী নালা হাওর খাল বিল ভরাট করে গড়ে উঠেছে আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট। কোথাও কোথাও কিছুটা জলাশয় থাকলেও আগের মতো মাছ পাওয়া যায়না এবং আগের অনেক প্রজাতির মাছ বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায়। আমার ছোটবেলার দেখা অনেকগুলি উল্লেখযোগ্য নদী নালা খাল বিল ও দীঘি যাতে ঘটা করে পলো বাওয়া হতো এখন আর সেসবের অস্তিত্ব নেই। বর্তমানে যেটুকু অবশিষ্ট আছে এর বেশির ভাগ জলাশয় লাটিয়াল বাহিনী পেশি শক্তির বলে দখল করে নিয়েছে অথবা ব্যক্তিগতভাবে কলে কৌশলে বৈধ বা অবৈধভাবে কব্জা করে কাউকে সেখানে নামতে দিচ্ছেনা। এছাড়া সরকারী নিষেধাজ্ঞা সত্তে¡ও ব্যাপকভাবে কারেন্ট জালের অবাধ ব্যবহারের ফলে দেশের উন্মুক্ত জলাশয়ের মুল্যবান মৎস সম্পদ আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। পরিবেশ দুষনের ফলে মাছের ব্যাপক মড়ক এবং রোগ ব্যধিও মৎস সম্পদ ধ্বংসের অন্যতম একটি কারণ। আন্তর্জাতিক রীতি নীতি উপেক্ষা করে ভারত তার উজানের বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিতভাবে বাধ নির্মাণ করে শুকনো মৌসুমে পানি প্রবাহ বন্ধ করার ফলে এদেশের অনেকগুলি নদী নালা খাল বিল শুকিয়ে যায় এবং অনেক নদ নদী আজ বিলুপ্ত হয়ে সেসব এলাকা মরুভূমিতে পরিনত হয়েছে ও হচ্ছে। সেসাথে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে আমাদের অতি মুল্যবান মৎস সম্পদ। উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের অস্তিত্ব আগের মতো খুজে পাওয়া স্বপ্নই বলতে হবে। তাই বাধ্য হয়ে অনেকেই ব্যক্তিগত বা যৌথ উদ্যোগে মৎস চাষে এগিয়ে এসেছেন। কিন্তু উন্মুক্ত জলাশয়ের মাছের স্বাদ ফার্মের মাছে পাওয়া যায়না। কথায় বলে ‘‘মাছে ভাতে বাঙালী’’। বাঙালীরা কয়েকদিন মাছ না খেলে মন আকুবাকু করে। কারণ এতে বাঙালীদের একটা নাড়ীর টান রয়েছে। বর্তমানে মাছ কিনতে বাজারে গেলে মাছের দাম শুনে আৎকে উঠতে হয়। উন্মুক্ত জলাশয়ের সুস্বাদু মাছতো পাওয়াই যায়না বরং ফার্মের মাছই একমাত্র ভরসা। এমন এক দিন আসবে হয়তো উন্মুক্ত জলাশয়ে পলো দিয়ে মাছ ধরা শুধু স্মৃতি হয়েই রবে অথবা আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম হয়তো চিনবেইনা পলো দিয়ে কিভাবে মাছ ধরতে হয় \
লেখকঃ সভাপতি, সিলেট লেখক ফোরাম।
ঊসধরষ: হধুসঁষংুষযবঃ@মসধরষ.পড়স
মোবাইল নং ০১৭১৮৫০৮১২২


.: 18 January 2017 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1277 বার পঠিত)
শিত আইছে


SylhetExpress.com

নাজমুল ইসলাম মকবুল:
শিত আইছে গাইলে ছিয়ায় জলদি কুটো গুড়ি
হান্দেশ পিঠা খাইতা হখলে খাইতা পুয়া পুড়ি।।
খুরছইন দিয়া নাইকল কুরছি ভাপা পিঠা পব বানাও
বেলি দিয়া লুয়াড়ির মাঝে গুলা ছাড়ি তেল টানাও
ফুলি ফুলি হান্দেশ উঠবো কইছইন পাকনা বুড়ি।।
মজা লাগে নুনগরা আর নুনরডোবা ছইপিঠা
ঘাইয়া ...Details...


.: 1 September 2016 : ব্যক্তিত্ব :. (1716 বার পঠিত)
নূরুল হক


SylhetExpress.com

নাজমুল ইসলাম মকবুল:
নূরুল হক জ্বালিয়ে গেছেন আলোর শিখা
হাতে লিখে বের করেছেন আল ইসলাহ পত্রিকা।।
মুসলিম সাহিত্য সংসদে গেলে
নূরুল হকের স্মৃতি মিলে
বিশাল অবদান রয়েছে স্বর্নাক্ষরে তাই লিখা।।
ভাষার জন্যও লড়ে গেছেন
গ্রন্থাগার গড়ে গেছেন
বিশ্বনাথের দশঘরে যার জন্ম সনদ ...Details...


.: 31 August 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1382 বার পঠিত)
মনের পশু কুরবানী দাও


নাজমুল ইসলাম মকবুল:
মনের পশু কুরবানী দাও দিলকে করো পরিস্কার
আল্লাহপাকের রহমেরই খুলবে দ্বার।।
প্রিয় পশু হতে হবে
যাহার কথা মনে রবে
খালিছ নিয়তে কুরবানী দাও পরকালে পেতে পার।।
দোয়া করো দুহাত তুলে
প্রভুর কাছে প্রাণটি খুলে
তাহার নামে কুরবান যেন হতে পারি প্রতিবার।।
.......... ...Details...


.: 23 August 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (4561 বার পঠিত)
পান্দান সাজাইয়া রাখছি


SylhetExpress.com

নাজমুল ইসলাম মকবুল:
(ছিলটর আঞ্চলিক গান)
পান্দান সাজাইয়া রাখছি খাইতায়নি
পান খাইবারলাগি নাইয়র আমরা বাড়ি আইতায়নি।।
অতো সুন্দর পান্দান আছে, আছে গুয়ার বাটা
ছুনরলাখান ধলা গুয়া আছে জিরা কাটা
জর্দা কিমাম খয়ের মতি মাটুগুয়াদি খাইতায়নি।।
গুয়ামুরি কালিজিরা ঢুলাবাখর ভাজা
...Details...


.: 8 August 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1517 বার পঠিত)
কবি ও ছড়াকার ধ্রুব গৌতমকে নিয়ে নাজমুল ইসলাম মকবুল’র কবিতা


SylhetExpress.com

ধ্রু= ধ্রুবতারা হয়ে জ্বালো, আরো জ্বালো, ঝলমলে আলো
ব= বক্ষে রেখো হিম্মত, লেখনিতেই দুর হোক সকল কালো
গৌ= গৌরব তুমি এই সিলেটের, ছন্দের জমিদারী জানো ভালো
ত= তশতরি সাঁজাও শুধু কলমের জাদুতে, সদা যেন করে টলোমলো
ম= ময়ূর পঙ্খীর নায়ে তোমাকেই শোভা পায়, তাই খোলো আঁখি খোলো।।
...Details...


.: 4 August 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1255 বার পঠিত)
ভানুমতির খেল


নাজমুল ইসলাম মকবুল;
তপ্ত কড়া রোদরে ও ভাই
পড়ছে দারুন গরম
বিদ্যুতের ওই ভেলকীবাজি
বেড়ে গেছে চরম।
আর কতো কাল দেখাইবি
ভানুমতির খেল
জনগনের কাছ থেকেতো
নিচ্ছো ঠিকই তেল!
ভাল্লাগেনা লোডশেডিংয়ের
আচমকা এই জ্বালা
দেয়া নেয়ার চাইতে মারো
এক্কেবারে তালা।।
...Details...


.: 23 June 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1800 বার পঠিত)
ঈদের গান (সিলেটের আঞ্চলিক)


SylhetExpress.com

নাজমুল ইসলাম মকবুল:
ঈদ আইছে গাইল ছিয়াদি জলদি কুটো গুড়ি
হান্দেশ পিঠা খাইতা হখলে খাইতা পুয়া পুড়ি।।
খুরছইনদিয়া নাইকল কুরছি শাওই আর পব বানাও
বেলি দিয়া লুয়াড়ির মাঝে গুলা ছাড়ি তেল টানাও
ফুলি ফুলি হান্দেশ উঠবো কইছইন কুটনি বুড়ি।।
মজা লাগে নুনগরা আর নুনরডোবা ছইপিঠা
খুলাদিয়া ...Details...


.: 8 June 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (808 বার পঠিত)
পুঁথি রস এবং কষ


নাজমুল ইসলাম মকবুল:
(প্রথম পর্ব)
বিসমিল্লাহ বলিয়া পুঁথি শুরু করিলাম
সকলেরই দোয়া নিয়া কলম ধরিলাম।
প্রথমে লইলাম আমি আল্লাহ পাকের নাম
বানাইলা যতন করি জাহানও তামাম।
মালিক আল্লাহর নাম যেন সদা সর্বদায়
ইয়াদ থাকে ক্বলবেতে লেখায় ও পড়ায়।
ইমান ও ইসলামের উপর ছাবিত কদম থাকি
...Details...


.: 11 May 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (895 বার পঠিত)
(ছিলটর আঞ্চলিক গান) বিয়ালে খাইমু


নাজমুল ইসলাম মকবুল:
বিয়ালে খাইমু ছানাছুর আর ঝালমুরি
উরিবিছি ভাজা খাইমু ডাখাইয়া কুরকুরি।।
হাওয়ার মিঠাই নিমকি খাজা
জিলাপী আর তিলু গজা
শনপাপড়ি আর পুচকা খাইয়া খাইমু মজার ডাইলপুরি।।
বাদামভাজা মজায় খাইমু
ঘিছমছম আর কুবাই পাইমু
মটরভাজা কুছো লইয়া ডাখাইমু ভাই উরউরি। ...Details...


Next Page»: নাজমুল ইসলাম মকবুল এর আরো লিখা »

নাজমুল ইসলাম মকবুল এর সর্বাধিক পঠিত লিখা

.: : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (4574 বার পঠিত)
পালকী চড়ে


SylhetExpress.com

নাজমুল ইসলাম মকবুল:
পালকী চড়ে শ্বশুর বাড়ী নয়া নউশা যাইতো
মাইয়ারা সব খুশি হয়ে বিয়ার গীত গাইতো।।
শ্বশুর বাড়ী মধুর হাড়ি চলতো খাওয়ার ধুম
ধাধা পই আর কিচ্ছা হতো রাত হতোনা ঘুম
বইরাতিরা ফুর্তি করে পায়ে হেটে যাইতো।।
কলাগাছের গেট সাঁজাতো রঙিন কাগজ দিয়া
বর মহাশয় মুচকি হাসতো মুখে ...Details...


.: 28 June 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (4567 বার পঠিত)
নাগা মরিছ


SylhetExpress.com

নাজমুল ইসলাম মকবুল:
নাগা মরিছ কতো মজা
ঝাল লাগে ভাই খাইতে
তারার বুলে জান বারইযায়
নাগা মরিছ পাইতে।।
নাগা মরিছ খাইলে বুলে
মুখর মজা বাড়ে
দেখলে বুলে তারার বেশি
জিফরার পানি পড়ে।
তাইনরে কইদেইন নাগা আনিয়ো
বাড়িত আইতে।।
কালা নাগাত ঘরান বেশি
ঝালও লাগে বেশ
জিফরাত থু ...Details...


.: 7 September 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (4561 বার পঠিত)
পান্দান সাজাইয়া রাখছি


SylhetExpress.com

নাজমুল ইসলাম মকবুল:
(ছিলটর আঞ্চলিক গান)
পান্দান সাজাইয়া রাখছি খাইতায়নি
পান খাইবারলাগি নাইয়র আমরা বাড়ি আইতায়নি।।
অতো সুন্দর পান্দান আছে, আছে গুয়ার বাটা
ছুনরলাখান ধলা গুয়া আছে জিরা কাটা
জর্দা কিমাম খয়ের মতি মাটুগুয়াদি খাইতায়নি।।
গুয়ামুরি কালিজিরা ঢুলাবাখর ভাজা
...Details...


.: 23 August 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (4318 বার পঠিত)
কিতা খবর ভালানি


SylhetExpress.com

নাজমুল ইসলাম মকবুল- কিতা খবর ভালানি ভাই বাড়ীর হখল ভালানি
ছিলট লইয়া দেশ বিদেশো আমরা করি ফুটানি
ভাই আমরা করি ফুটানি।
ছিলট আমার শাহজালাল আর শাহপরানর মাটি
ওলি আবদাল গউছ কুতুব আর জ্ঞানি গুণির ঘাটি
ছিলটর গ্যাস অনেক জেলায় মিটায় তাদের
জালানি।
শিতালংশাহ দুরবীনশাহ আর হাসন রাধা ...Details...


.: 7 January 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (2168 বার পঠিত)
(সিলেটের আঞ্চলিক গান) বিয়া করিয়া


নাজমুল ইসলাম মকবুল:
বিয়া করিয়া বউরে লইয়া পাখাইমু
কুটুমবাড়ী গিয়া মজার কুরমা পুলাব ছা খাইমু।।
কুটুমিতাত গেলে জানি
মিঠা দিবা মুখো আনি
মিঠা কথা মাতবার লাগি মুখরমাঝে রাখাইমু।।
হউর বাড়ী দাওত দিবা
দাওত দিয়া হখলে নিবা
গোয়াল মাছর পেটি দিবা বিরইন ভাতদি মাখাইমু।।
হাল ...Details...


পাঠকের মতামত
আজিজুল হক মানিক ভাই
পাঠকের মতামতঃ (1)

19 March 2015 তারিখে azizulhaquemanik লিখেছেনঃ কবিতা সত্যিই পছন্দের

Other Pages :

 
 অন্য পত্রিকার সংবাদ
 অভিজ্ঞতা
 আইন-অপরাধ
 আত্মজীবনি
 আলোকিত মুখ
 ইসলাম ও জীবন
 ঈদ কেনাকাটা
 উপন্যাস
 এক্সপ্রেস লাইফ স্টাইল
 কবিতা
 খেলাধুলা
 গল্প
 ছড়া
 দিবস
 দূর্ঘটনা
 নির্বাচন
 প্রকৃতি পরিবেশ
 প্রবাস
 প্রশাসন
 বিবিধ
 বিশ্ববিদ্যালয়
 ব্যক্তিত্ব
 ব্যবসা-বাণিজ্য
 মনের জানালা
 মিডিয়া ওয়াচ
 মুক্তিযুদ্ধ
 যে কথা হয়নি বলা
 রাজনীতি
 শিক্ষা
 সমসাময়ীক বিষয়
 সমসাময়ীক লেখা
 সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
 সাইক্লিং
 সাক্ষাৎকার
 সাফল্য
 সার্ভিস ক্লাব
 সাহিত্য-সংস্কৃতি
 সিটি কর্পোরেশন
 স্বাস্থ্য
 স্মৃতি
 হ য ব র ল
 হরতাল-অবরোধ

লেখালেখি
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অবঃ)
আব্দুল হামিদ মানিক
শফিকুল ইসলাম
প্রা. মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট
ইকবাল বাহার সুহেল
হারান কান্তি সেন
সেলিম আউয়াল
বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল
এ.এইচ.এস ইমরানুল ইসলাম
জসীম আল ফাহিম
সৌমেন রায় নীল
সাকিব আহমদ মিঠু
রাহিকুল ইসলাম চৌধুরী
সালাহ্‌ আদ-দীন
ছাদিকুর রহমান
সাঈদ নোমান
জালাল আহমেদ জয়
পহিল হাওড়ী (মোঃ আবু হেনা পহিল)
শাহ মিজান
তাবেদার রসুল বকুল
কাউসার চৌধুরী
নারী অঙ্গন
নূরুন্নেছা চৌধুরী রুনী
ইছমত হানিফা চৌধুরী
আমেনা আফতাব
মাহবুবা সামসুদ
সুফিয়া জমির ডেইজী
নীলিমা আক্তার
মাছুমা আক্তার চৌধুরী রেহানা
সালমা বখ্ত্ চৌধুরী
রিমা বেগম পপি
রওশন আরা চৌধুরী
অয়েকপম অঞ্জু
আমিনা শহীদ চৌধুরী মান্না
জান্নাতুল শুভ্রা মনি
মাসুদা সিদ্দিকা রুহী
আলেয়া রহমান
মাজেদা বেগম মাজু
নাঈমা চৌধুরী
শামসাদ হুসাম
তাসলিমা খানম বীথি
রায়হানা বারী রেখা

সাহিত্য-সংস্কৃতি পাতার আলোচিত লিখা
.: 4 weeks ago : :.
মমতাময়ী বীথির জন্য অনেক শুভ কামনা (4770 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

এম এ আসাদ চৌধুরী: সিলেট শহরের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে বীথি। তার পুরো নাম তাসলিমা খানম বীথি। বাবা-মা আর বোন নিয়ে তাদের পরিবার। তিন বোনের মধ্যে সে মেঝো। তার কোনো ভাই নেই। পড়ালেখা শেষ করে সিলেটে প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টালের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছে। সিলেট এক্সপ্রেসের কাজে Details...


.: 3 weeks ago : :.
৭১ এ কানাইঘাট (2312 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

আবু বকর সিদ্দিক: বাংলাদেশের উত্তর -পূর্ব সীমান্তের একটি সমৃদ্ধ জনপথ হচ্ছে কানাইঘাট। সিলেট শহর থেকে অদূরে প্রকৃতির লীলাভূমি সমৃদ্ধ ইতিহাস সমৃদ্ধ একটি জায়গা হলো কানাইঘাট।কানাইঘাট এর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাংলাদেশের অন্যান্য যেকোন অঞ্চলের চেয়ে কম নয়।এখানে মানুষ রক্ত দিয়েছে।অনে Details...


.: 4 weeks ago : :.
রাজনীতির আয়নায় উজ্জ্বল ফেঞ্চুগঞ্জের রাজনীতিবিদ মরহুম তজমুল অালী চেয়ারম্যান (1095 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

মো. আব্দুল বাছিত: পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন স্থানে সময়ের প্রেক্ষাপটে কিছু মহত এবং আত্মত্যাগী মানুষের আবির্ভাব ঘটে। যারা কোনো সময়ই নিজের কথা ভাবেন না, ভাবেন সমাজ ও দেশের কথা, মানুষের কল্যাণের চিন্তাই যাদের ধ্যান এবং জ্ঞান হয়ে যায়। সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কিছু করতে পারলে যাদের অন্ Details...


.: 4 weeks ago : নারী অঙ্গন :.
হেমন্তের একটি চমৎকার সন্ধ্যা (795 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

তাসলিমা খানম বীথি: সিলেটের শীতলপাটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি শিল্প। এ শিল্প আজ বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্ব ঐতিহ্যে রূপ নিয়েছে। বাংলার আবহমান সংস্কৃতি ফুটে ওঠে শীতলপাটির গায়ে, অজানা শিল্পীদের মনোজ্ঞ নকশায়। গ্রামের সাধারণ মানুষের হাতে শীতলপাটির গায়ে আঁকা হয় বাংলার প্রকৃত Details...


.: 3 weeks ago : নারী অঙ্গন :.
ডিবির প্রেমে বিবি (788 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

ইছমত হানিফা চৌধুরী: হাওরের দেশ সিলেট। যেমন পাহাড়, টিলার সমারোহ, তেমনি হাজারও ছোট বড় হাওর, যা বর্ষায় কিংবা আষাঢ়ে মেঘের গর্জনে কাছে ডাকে, তেমনি এই হাওর শীতের কুয়াশার সাথে মায়াবি ঘ্রাণ ছড়ায়। সেই ঘ্রাণে ভেসে আসে শাপলা শালুকের মায়া, আবার সেই ঘ্রাণে ভেসে বেড়ায় নিঝুম দ্বীপের ছায়া, মানুষ প্র Details...


.: 2 weeks ago : :.
আমার দেখা ৫৫ বছর বয়সের টগবগে এক যুবক শ্রদ্ধেয় সেলিম আউয়াল (729 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

মাহমুদুল হাসান :পৃথিবীতে মানুষ জন্মগ্রহণের পর বিদাতার ইশারায়, শিশু থেকে কিশোর, কিশোর থেকে যুবক, যুবক থেকে বৃদ্ধ হয়। আশা আর ভরসার ভেলা ভেসে-চলা মানুষ কেউ হয় বয়সের ভারে বৃদ্ধ কেউ আবার অনেক বয়স হলেও মনোবলের যোগদানে টগবগে যুবকে পরিণত থাকেন। আমার চোখে দেখা তেমনি একজন টগবগে ৫৫ বছর বয়সের অ Details...


.: 2 weeks ago : :.
গল্পকারের পঞ্চান্ন ও সেলিম আউয়াল ভাই (523 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

জহীর মুহাম্মদ: বলছিলাম শক্তিমান সাংবাদিক ও জনপ্রিয় গল্পকার সেলিম আউয়ালের কথা। সব বিশেষণ ছাপিয়ে যিনি স্বমহিমায় ভাস্বর। যারাই সান্নিধ্য পেয়েছেন তাদের কাছে খুব বেশী প্রিয় একটি নাম সেলিম আউয়াল। সবার হৃদয়ে সমভাবে বসত করে নেয়া সেলিম আউয়ালকে মিডিয়া ও সাহিত্যের সাথে জড়িত কারো কাছে নতু Details...


.: 4 weeks ago : :.
জ্বলছে আরাকান, পুড়ছে মানব!প্রশ্নবিদ্ধ মানবতা! (516 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

আবু বকর সিদ্দিক:মনে করুন আপনি প্রতিদিনের মত আজকের দিনেও সব কাজকর্ম শেষ করে বাসার সবার সাথে রাত্রে খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। মধ্যরাত হঠাৎ শুনতে পেলেন চিৎকার উত্তেজনা দূর থেকে ভেসে আসছে মানুষের কান্না।কখনো বা কানে আসছে বোমার শব্দ আবার কখনো দেখতে পাচ্ছেন দূরে কোথায় ও আগুনের লিলিহান শি Details...


.: 4 weeks ago : :.
উপহার (374 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

ছালিক আমীন:
(তাসলিমা খানম বীথি আপুর জন্মদিনে নিবেদিত)
একটা "সভ্য পৃথিবী" তোমার জন্যে। তুমি সেই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ হয়ে- সুবাস ছড়াও আকাশে-বাতাসে। জনমের পর থেকে- যেই ভাবে ছড়িয়ে যাচ্ছিল- তোমার পূর্বপুরুষ।
. জানি তোমরা অবলা নারী।
পুরুষ- তোদের "নীরব মাটির" সাথে উপমা দেয়। কিন্ত তুমি এই Details...


.: 2 weeks ago : :.
জন্মভূমি ত্যাগিলো মোরে (351 বার পঠিত)

বদরুজ্জামান জামান:
জন্মভূমি ত্যাগিলো মোরে , জানিনা কোন দোষে।
যাযাবর ভবঘূরে আর উদ্বাস্তু জীবণ সুখে
অর্জন বিসর্জনে চলে গেল একযুগ।
দগ্ধচিত্ত যন্ত্রণার আলিঙ্গনে স্বপ্ন দেখি তৃপ্তসুখে-
আমি তো এখনো জ্যান্ত।
সহোদর স্বজন ত্যাগিলো মোরে, বিত্ত ভৈবব চিত্তসুখ স্বপ্নে।
তাকা Details...



www.SylhetExpress.com - First Online NEWS Paper in Sylhet, Bangladesh.

Editor: Abdul Baten Foisal Cell : 01711-334641 e-mail : news@SylhetExpress.com
Editorial Manager : Abdul Muhit Didar Cell : 01730-122051 e-mail : syfdianews@gmail.com
Photographer : Abdul Mumin Imran Cell : 01733083999 e-mail : news@sylhetexpress.com
Reporter : Mahmud Parvez Staff Reporter : Taslima Khanom Bithee

Designed and Developed by : A.S.H. Imranul Islam. e-mail : imranul.zyl@gmail.com

Best View on Internet Explore, Mozilla Firefox, Google Chrome
This site is owned by Sylhet Sifdia www.sylhetexpress.com
copyright © 2006-2013 SylhetExpress.com, All Rights Reserved