User Login | | নীতিমালা | 27 Jun 2017 : Sylhet, Bangladesh :
    সংবাদ : কানাডার শহরে শহরে বিপুল আনন্দ উৎসাহে ঈদুল ফিতর উদযাপিত  সংবাদ : কানাডার শহরে শহরে বিপুল আনন্দ উৎসাহে ঈদুল ফিতর উদযাপিত  সংবাদ : কানাডার শহরে শহরে বিপুল আনন্দ উৎসাহে ঈদুল ফিতর উদযাপিত  সংবাদ : ফটো সাংবাদিক এইচ এম শহীদুল ইসলামের  মেয়ে  সিমু  সংবাদ : বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা  মধ্য দিয়ে সিলেটে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর  সংবাদ : ফটো সাংবাদিক এইচ এম শহীদুল এর মেয়ের 
ইন্তেকাল রাত ২টায় জানাযা  সংবাদ : ইসকন সিলেটের রথযাত্রা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যন্য ঐতিহ্য  সংবাদ : দেখা গেছে শাওয়ালের চাঁদ, সোমবার ঈদ

  সংবাদ : 
কমলগঞ্জে রথযাত্রা উৎসবের শুরু  সংবাদ : ফিনল্যান্ডে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ পালিত   সংবাদ : নগরবাসীর
প্রতি সিসিক মেয়রের শুভেচ্ছা  সংবাদ :  
সিলেট জেলা বিএনপির ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা  সংবাদ : সিলেটবাসীকে ড.মোমেনের ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা  সংবাদ : একটি ছেলে ও ঈদ  সংবাদ : 
সিলেটে ঈদ জামাত কোথায় কখন
  সংবাদ : 
সিলেটে ঈদ জামাত ২৫৪টি স্থানে
  সংবাদ :  সিলেটে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৯টায়
  সংবাদ : ঈদের গান 
  সংবাদ : সিলেটস্থ ফেঞ্চুগঞ্জ ছাত্রকল্যাণ পরিষদের কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা  সংবাদ : খাঁরপাড়া সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কমিটির ঈদ সামগ্রী বিতরণ
sylhetexpress.com এর picture scroll bar এর code. এই কোড যেকোন website এ use করা যাবে।
| সিলেট | মৌলভীবাজার | হবিগঞ্জ | সুনামগঞ্জ | বিশ্ব | লেখালেখি | নারী অঙ্গন | ছবি গ্যালারী | রঙের বাড়ই ব্লগ |

সেলিম আউয়াল
Phone/ Mobile No.: 01715114546
E-mail : selimawal@gmail.com
সেলিম আউয়াল’র সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: সেলিম আউয়াল লেখক সংগঠক সাংবাদিক। জন্ম ১৯৬৪-এর ১০ জানুয়ারী সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম গৌরিপুর ইউনিয়নের খূজগীপুর মোল্লাবাড়ি গ্রামে। পিতা মরহুম আবদুল ওয়াহিদ মাতা মিরযা সমর উন নিসা। সিলেট শহরেই শৈশব কৈশোর যৌবনের দিনগুলো এবং ঐতিহ্যবাহী মদন মোহন কলেজ থেকে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে গ্রাজুয়েশন লাভ। কলেজে ছিল বিপুল ছাত্রপ্রিয়তা, নির্বাচিত হন কলেজ ছাত্র সংসদে সাহিত্য সম্পাদক পদে। তারপর আইন পেশায় যোগ দেয়ার স্বপ্নিল ইচ্ছে থেকে সিলেট আইন কলেজে অধ্যয়ন শুরু। কিন্তু আইন অধ্যয়নের সফল সমাপ্তি হয়নি। দেশের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় দেওয়ান ফরিদ গাজীকে সভাপতি ও রাগিব হোসেন চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত কার্যকরি কমিটি গঠণ করা হয়। সেই কমিটিতে সেলিম আউয়াল সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। কমিটির মেয়াদ ছিল জুলাই ১৯৯৬-জুন ১৯৯৮। তিনি জুলাই ৯৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত ১৮ বছর ৬ মাস সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদক, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক, দেশের প্রাচীনতম সাহিত্য সাময়িকী আল ইসলাহ’র সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শিশু কিশোর যুব কল্যাণ সংগঠণ সাইক্লোন গ্রুপ, এটি সমাজসেবা অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত সংগঠণ। তিনি বাংলা একাডেমীর সদস্য, সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতালের জীবন সদস্য, প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানের জীবন সদস্য, অপরাধ সংশোধন ও পুর্নবাসন সংস্থা সিলেট-এর জীবন সদস্য। ২০০২ সালে সিলেটের ভাষা সৈনিকদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সম্ভবত ২০০২ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারী তাদেরকে ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রি মাঠে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছিল। সেলিম আউয়াল ছিলেন ‘ভাষাসৈনিক সম্বর্ধনা পরিষদ সিলেট’-এর অন্যতম সদস্য। বিভিন্ন সময় নানা পেশার সাথে সম্পৃক্ত হলেও সাংবাদিকতাই মুল পেশা। সেই কৈশোরে ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে “সাপ্তাহিক কিশোর বাংলা’র রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতার সূচনা। তারপর সিলেট প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন হবিগঞ্জের দৃষ্টিপাত পত্রিকায়। দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকায়ও স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। সাপ্তাহিক সিলেটের সকাল’র নির্বাহী সম্পাদক, পরবর্তীতে ফেব্রুয়ারী ২০০১ থেকে দৈনিক সিলেটের ডাক এর প্রথম সাহিত্য সম্পাদক, পরবর্তীতে বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ফেব্রুয়ারী ২০০২ থেকে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসস /এর সিলেট প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করেন। সিলেটের প্রথম অনলাইন দৈনিক সিলেট সিফডিয়া ডটকম’র (পরবর্তী নামকরণ সিলেট এক্সপ্রেস ডটকম) যাত্রা তার হাত দিয়ে। তিনি স্থানীয় সরকার সাংবাদিক ফোরাম সিলেট জেলা শাখার সভাপতি। মাস লাইন মিডিয়া সেন্টার এমএমসি তাকে ফেলোশীপ প্রদান করে। ছড়া দিয়ে লেখালেখির জগতে পা রাখলেও এখন মূলত কথাসাহিত্যে পদচারনা। শিল্পতরু প্রকাশনী থেকে বেরিয়েছে গল্পগ্রন্থ ‘আমি এবং সে’। সাপ্তাহিক রোববার ঈদ সংখ্যা ২০০১-এ প্রকাশিত উপন্যাস ‘কুকুরের লাশ’ ঢাকার মৌলি প্রকাশনী বের করেছে ‘যুবতীর লাশ’ শিরোনামে। এই উপন্যাসটির দ্বিতীয় সংস্করণ কেমুসাস বইমেলা মার্চ ২০১২-এ বের করে সিলেটের পানশী। ‘সিলেট বিষয়ক লেখাজোখা’ তার তৃতীয় গ্রন্থ। তার চতুর্থ গ্রন্থ শেকড় সন্ধানী ধ্যানী গবেষক সৈয়দ মোস্তফা কামাল, ৫ম গ্রন্থ মরা গাঙে জল, ৬ষ্ট গ্রন্থ সাংবাদিক সংগঠক মো.বশিরুদ্দিন। গল্পকার সাংবাদিক সংগঠক সেলিম আউয়ালকে তার চল্লিশ বছর পূর্তিতে ২০০৪ সালের ১৬ এপ্রিল সিলেটের লেখক সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক শহীদ সোলেমান হলে সংবর্ধনা ও সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। লেখক পরিবার সিলেট’র ব্যানারে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে লেখক-সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ-ব্যবসায়ী, সরকারী বেসরকারি ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-ছাত্র-সুধীজনের বিশাল সুহৃদ সমাবেশে পরিণত হয়। একইভাবে ২০১২ সালে নগরীর অভিজাত হোটেল হলিসাইডে তার ৫০ বছর পূর্তিতে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। চার ভাই দু‘বোনের মধ্যে সেলিম আউয়াল সবার বড়। সহধর্মিনী আফিয়া সুলতানা। কন্যা নাদিরা নূসরাত মাসিয়াত এবং পূত্র জুন্নুরাইন কদর তাজিম।

Web Address : www.sylhetexpress.com/lekhalekhiNew.php?writerID=3
সেলিম আউয়াল এর লিখা
.: 15 June 2017 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :.

যুদ্ধের সমাধিতে আজাদির যোদ্ধা নেই


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: পুলিশের কনস্টেবল পারলেন না। ভাবলাম সাব-ইন্সপেক্টর পারবেন, তিনিও বলতে পারলেন না চিটাগাং ওয়ার সেমিট্রির লকেসনটা। আন্দরকিল্লা শাহি জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেছি। গেটে অনেক পুলিশ দাঁড়িয়ে মুসলিøদের নিরাপত্তার জন্যে অথবা মিছিল বের হলে ঠেঙ্গাবার জন্যে। সাব ইন্সপেক্টরের সাথে যখন কথা বলছিলাম, কৌতুহলী হয়ে তাদের চেয়ে উচু আরেকজন পুলিশ কর্মকর্তা এগিয়ে এলেন। কিন্তু তিনিও বলতে পারলেন না চিটাগাং ওয়ার সেমিট্রিটা কোথায়।
আমাদের মধ্যে একমাত্র রাশেদই ওয়ার সেমিট্রি দেখেছে, কিন্তু ও জায়গাটির নাম বলতে পারছে না। রিকশা ড্রাইভার, অটো রিকশা ড্রাইভার কেউই ওয়ার সেমিট্রি চিনতে পারছে না দেখে আমরা পুলিশের হাওলা হয়েছিলাম। কিন্তু তারাও যখন পারলেন না, তখন সদ্য কৈশোর পেরুনো একদঙ্গল তরুণকে পেয়ে তাদের সরণাপন্ন হই। তারাই লকেশনটা বলে দেয়।
একটি সিএনজি অটো রিকসা চাপি। সিলেটে একটি অটো রিকসার সামনে ড্রাইভারসহ তিনজন আর পেছনে তিনজন বসে। চট্টগ্রামে ড্রাইভাররা সামনে একজন বসায় আর পেছনে পাঁচজন বসলেও আপত্তি নেই। আমরা পেছনে চারজন আর সামনের সিটে ড্রাইভারসহ দুজন বসি।
গাড়ী থেকে নেমে সত্তর টাকা গুণলেও আমরা সন্তুষ্ট। সিলেটে হলে আন্দরকিলøা জামে মসজিদ থেকে ওয়ার সেমিট্রি পর্যন্ত কম করে হলেও দেড়শ টাকা গুণতে হতো।
চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া এলাকায় ১৯ নম্বর বাদশা মিয়া চৌধুরী সড়কের বাম পাশে চট্টগ্রাম ওয়ার সেমিট্রি। উচুনীচু টিলা নিয়ে এলাকা। একটি উচু টিলার ঠিক নীচেই ওয়ার সেমিট্রি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ৭৩১জন সৈনিকের সমাধিস্থল। এরমধ্যে ১৭টি সমাধি অজানা ব্যক্তির। চট্টগ্রাম ওয়ার সেমিট্রি নামে পরিচিত হলেও সমাধিÿেত্রের অফিসিয়াল নাম কমনওয়েলথ ওয়ার সেমিট্রি। একসময় এখানে ধানের ÿেত ছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) সময় এখানে সেনাবাহিনীর এবং ১৫২ নম্বর ব্রিটিশ জেনারেল হাসপাতালের সুবিধে থাকায় চট্টগ্রামে মিত্র বাহিনীর এই পথিকৃৎ ক্যাম্পটি স্থাপন করা হয়। হাসপাতালটি ১৯৪৪ থেকে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর পর্যন্ত চালু ছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গভীর জলের পোতাশ্রয় চট্টগ্রাম এলাকা ছিলো আরাকান সামরিক তৎপরতার অন্যতম ঘাটি। মূলত: এই হাসপাতালটিতে যারা মৃত্যুবরণ করতো তাদেরকে সমাহিত করার জন্যেই এই সমাধিস্থলের সৃষ্টি হয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে প্রাথমিকভাবে এখানে সেনাবাহিনীর তত্ত¡াবধানে প্রায় চারশো মৃতদেহ সমাহিত করা হয়। যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এ সমাধিসৌধ প্রতিষ্ঠা করে। যুদ্ধশেষে লুসাই, ঢাকা, খুলনা, যশোর, কক্সবাজার, ধোয়া পালং, দোহাজারি, রাঙ্গামাটি, পটিয়া ও অন্যান্য অস্থায়ী সমাধি থেকে সৈন্যদের মৃতদেহ এখানে এনে সমাধিস্থ করা হয়। উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী এখানে যুক্তরাজ্যের ৩৭৮ জন, কানাডার ২৫ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৯ জন, নিউজিল্যান্ডের ২ জন, মায়ানমারের ২ জন, নেদারল্যান্ডের একজন, জাপানের ১৯ জন, অবিভক্ত ভারতের ২১৪ জন, পূর্ব আফ্রিকার ১১ জন, পশ্চিম আফ্রিকার ৯০ জন, অন্যান্য চারজন। এদের মধ্যে পেশা অনুসারে সৈনিক ৫২৪ জন, বৈমানিক ১৯৪ জন, নাবিক ১৩ জন। উইকিপিডিয়ার তথ্যে কিছু গরমিল পরিলÿিত হয়। প্রথমে বলা হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ৭৩১ জনের সমাধিস্থল, এরমধ্যে ১৭টি সমাধি অজানা ব্যক্তির। কিন্তু উইকিপিডিয়ায় দেশের পরিচয় হিসেবে কবরের সংখ্যা ৭৫৫টি। আবার পেশা হিসেবে কবরের সংখ্যা ৭৩১টি। যা হোক, আপাতত: কবরের সংখ্যায় খানিকটা গড়মিল হলে সাধারণ পাঠকের কিছু যায় আসে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইন্দো-বার্মা রণাঙ্গণে আজাদ হিন্দ ফৌজের আক্রমনে মিত্র বাহিনীর যে সব সৈন্য নিহত হন তাদের বেশীর ভাগকেই এ দেশে সমাহিত করা হয়। ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানী প্রতিবেশী পোল্যান্ড আক্রমন করলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বেধে যায়। জার্মানীর পÿে ছিলো ইতালী, যুগোশøাভিয়া, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া ও জাপান (অÿশক্তি)। অন্যদিকে পোল্যান্ড, ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, রাশিয়া, আমেরিকা প্রভৃতি দেশ নিয়ে গড়ে উঠে মিত্রবাহিনী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন তীব্রতর হয়। তখন ব্রিটিশরা ভারত শাসন করতো। নেতাজী সুভাষ বসু সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার উদ্দেশ্যে জার্মানীতে যান, ইচ্ছে হিটলারের সাহায্য নেবেন। কারন ভারতের সেই সময়ের শাসক ব্রিটেন। তাদের ঘোর শত্রæ ছিলো জার্মানী। কিন্তু হিটলার নেতাজীকে সাহায্য করলেন না। ব্যর্থ নেতাজী চলে যান জাপানে। সেখানে তখন অবস্থান করছিলেন রাস বিহারী। তিনি ছিলেন ভারতের স্বাধীনতাকামী সংগঠণ অনুশীলন সমিতির নেতা। তারা স্বাধীনতা অর্জনের জন্যে সশস্ত্র সংগ্রামে বিশ্বাস করতেন। রাস বিহারী ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে ভারত ছেড়ে জাপানে চলে যান। দি¦তীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যুদ্ধবন্দী ভারতীয়দেরকে নিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠণ করেন। সুভাষ বসু জাপান পৌছে রাসবিহারী বসুর কাছ থেকে আজাদ হিন্দ ফৌজের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। জাপান এবং প্রবাসী ভারতীয়দের সহযোগিতায় পুণর্গঠন করেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র, প্রয়োজনীয় প্রশিÿণ ও অর্থের অভাব থাকলেও সুভাষ বসুর অসাধারণ নেতৃত্বের ফলে খুব কম সময়ের মধ্যেই প্রায় ষাট হাজার সৈন্যের একটি সুশৃংখল দেশপ্রেমিক সৈনিকদল গড়ে উঠে।
১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে সুভাষ বসু আজাদ হিন্দ বাহিনীকে নিয়ে কোহিমায় পৌছেন। ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রæয়ারি রেঙ্গুন থেকে যাত্রা করে ১৪ এপ্রিল ভারতের মাটি ময়রং-এ ভারতের ত্রিবর্ণের জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়। আজাদ হিন্দ ফৌজের সৈন্যরা ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের গোড়ার দিকে সর্বপ্রথম মায়ানমার হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলো আক্রমণ করে ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের ব্যতিব্য¯Í করে তোলে। সুভাষ বসুর সরাসরি নেতৃত্বে আজাদ হিন্দ ফৌজ ভারতের আরাকান, ইমফল, ময়রং, বিষেণপুর প্রভৃতি স্থান দখল করে নেয়। ব্রিটেনের নেতৃত্বে মিত্রবাহিনী দখলকৃত জায়গা পুনরুদ্ধারের জন্যে বিমান দিয়ে পাল্টা আক্রমণ করে। ফলে আজাদ হিন্দ ফৌজ ছত্রভঙ্গ হয়ে রেঙ্গুনে এসে পুনর্গঠিত হওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু আমেরিকা কর্তৃক জাপানে পারমানবিক বোমা নিÿেপ এবং এ কারনে জাপানের আত্মসমর্পণ ও নেতাজীর রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়ায় আজাদ হিন্দ ফৌজ দূর্বল হয়ে পড়ে। ভারতের বিভিন্ন স্থানে কয়েক মাস স্থায়ী যুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের ২৭ হাজার সৈন্যের মৃত্যু হয়। মিত্র বাহিনীরও প্রায় সাড়ে চার হাজার সৈন্যের মৃত্যু হয়েছিলো। মিত্রবাহিনীর নিহত সেই সৈন্যদের লাশ নিজেদের দেশে পাঠানো হয়। যাদের লাশ পাঠানো সম্ভব হয়নি, তাদেরকে চট্টগ্রাম ও কুমিলøায় সমাহিত করা হয়। পরে এ দুটো স্থানে কমনওয়েলথ গ্রেভস কমিশন আকর্ষণীয় ওয়ার সেমিট্রি গড়ে তুলে।
চট্টগ্রাম ওয়ার সেমিট্রির সামনের দিকটি লোহার উচু বেস্টনী দিয়ে ঘেরা। বাকী তিন দিকে ছোট্ট টিলা। অনেকটা শুকিয়ে যাওয়া পুকুরের মধ্যখানের মতো অংশে কবরগুলো ও কবরের ফলক। প্রায় চার একর জমির উপর নির্মিত ওয়ার সেমিট্রির সামনের অংশ নানা গাছগাছালিতে পূর্ণ। চারপাশ মিলিয়ে মনোরম একটি পার্কের মতো। আমরা যখন ওয়ার সেমিট্রিতে পৌছি, তখনো দুপুর গড়ায়নি। বিকেল না আসলেও তরুণতরুণীদের ভিড়। সেমিট্রিতে প্রবেশের জন্যে রয়েছে আলাদা একটি গেইট। গেইট থেকে শুরু করে পুরো গোরস্থানটি রঙ্গন ফুলের গাছ ছাটাই করে তৈরী সবুজ হেজে ঘেরা। এর ঠিক মাঝখানে শ্বেত পাথরে নির্মিত ক্রশাকৃতির স্মৃতি¯Íম্ভ। মূল গেইট থেকে স্মৃতি¯স্তম্ভে যেতে একটি প্রশস্থ রাস্তা। রাস্তার দুপাশে সবুজ ঘাসের মধ্যে সার বাধা দু তিন ফুট উচ্চতার স্মৃতি ফলক। প্রতিটি স্মৃতি ফলকের পিতলের প্লেটে মৃত সৈন্যের নাম, বয়স, জাতীয়তা ও র‌্যাংক খুদাই করে লেখা। এখানে হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান বিভিন্ন ধর্মের মানুষের কবর। পুরো সেমিট্রিতে এমন একটি পরিবেশ তৈরী করা হয়েছে, মনে হচ্ছে যুদ্ধের ময়দানে প্রাণ হারানো সৈনিকেরা এখানে প্রশান্তির ঘুম ঘুমোচ্ছে। আবার একটু অন্যভাবে ভাবলে এখানে ঘুমিয়ে থাকা সৈন্যটি যুদ্ধের ময়দানে বা হাসপাতালের বেডে শুয়ে শুয়ে কতো কথা ভেবেছিলো। সৈন্যটি হয়তো তার বাগদত্তা প্রিয়তমার কথা ভাবছিলো, অথবা প্রথম সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায় ছিলো, হয়তো বড়ো সাধ ছিলো মায়ের কোলে ফিরে যাবার। সেই সৈনিকের মা হয়তো জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত অপেÿায় ছিলেন তার সন্তান ফিরে আসবে। কিন্তু মা, স্ত্রী, সন্তান-স্বজনের সব স্বপ্ন ধুলোয় মিশিয়ে দেয় ছুটে আসা একটি বুলেট, বিমান থেকে ছুড়ে ফেলা বোমার স্পিøন্টার।
চট্টগ্রাম ওয়ার সেমিট্রিতে দাঁড়িয়ে মনে পড়লো আজাদ হিন্দ ফৌজের দেশপ্রেমিক সৈন্যদের কথা। তাদেরও তো কবর হতে পারতো এই সমাধিক্ষেত্রে। তারা তো এই দেশের জন্যে অখন্ড ভারতের স্বাধীনতার জন্যে লড়েছিলো। পরাজয় অথবা নিজের জীবনের কথা না ভেবেই একটি সুসজ্জিত বাহিনীর বিরুদ্ধে তারা দাঁড়িয়েছিলো। তাদের শক্তি ছিলো শুধু দেশপ্রেম। আজাদ হিন্দ ফৌজের অন্যতম নেতা কর্ণেল শাহ নেওয়াজ খান বলেছিলেন, জাপানের সাথে শর্ত দেয়া হয়েছিলো যে, ভারতে পদার্পণ করলে ভারতের মাটিতে আজাদ হিন্দ ফৌজের পতাকাই উড়বে, জাপানের পতাকা নয়। সুভাষ বসুর সুস্পষ্ট নির্দেশ ছিলো, সাহায্যকারী জাপানী বাহিনী ব্রিটিশের মতো আচরণ করলে তাদের বিরুদ্ধে বন্দুকের নল ঘুরিয়ে ধরতে হবে। কাজেই আজাদ হিন্দ ফৌজের সৈন্যদের স্বপ্নও তো মহৎ ছিলো, দেশকে মুক্ত করবে। এজন্যেই তো আমাদের স্বাধীনতার জন্যে অকাতরে দিয়েছিলো জীবন। কোথায় কোন বনবাদাড়ে পড়েছিলো সেই ফৌজদের মৃতদেহ। এতো মনোরম সেমিট্রি নয়, অন্তত একটি ফলক নির্মাণ করে তাদের দেশপ্রেমের প্রতি জানানো যায় শ্রদ্ধা।
আরেকটি ফলক কি এই সমাধিÿেত্রে থাকতে পারে না, যাতে লেখা থাকবেÑসঙ্গীন নামাও, মিথ্যে অজুহাতে মানুষকে হত্যা বন্ধ করো। পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ মানুষের প্রাণ, এসো সেই প্রাণ রÿায় হাত ধরি।

ভ্রমণ সূত্র: বিশিষ্ট সাহিত্যিক সংগঠক কবি রাগিব হোসেন চৌধুরীর একমাত্র পুত্র লবিদ হোসেন চৌধুরীর বিয়ের বরযাত্রী হয়ে আমরা চট্টগ্রাম গিয়েছিলাম। ২৪-২৫জুন ২০১৬, চট্টগ্রামে কাটে আমাদের দিন। এরই ফাকে আমরা আন্দরকিলøা শাহী জামে মসজিদ, কমনওয়েলথ ওয়ার সেমিট্রি, বায়েজিদ বো¯বোস্তামীর কবরে গিয়েছিলাম। বরযাত্রী ছিলাম অনেক, পরিব্রাজক ছিলাম আমরা পাঁচজন আমি, সাঈদ নোমান (সিনিয়র সাংবাদিক ও সাহিত্যকর্মী), এডভোকেট মোশাররফ রাশেদ (তরুণ আইনজীবী), মাহমুদ পারভেজ (ছড়াকার ও আলোকচিত্র শিল্পী) ও মো. সাজ্জাদুর রহমান রানু (ব্যবসায়ী)। আজাদ হিন্দ সম্পর্কিত তথ্য নির্মল সেন লিখিত ‘আজি হতে অর্ধশত বছর আগে’ (শাহাদত চৌধুরী সম্পাদিত সাপ্তাহিক বিচিত্রা, ঈদ সংখ্যা ৩১ জানুয়ারি ১৯৯৭-এ প্রকাশিত) থেকে প্রাপ্ত।
রচনা:০২-০৮-২০১৬


SylhetExpress.com SylhetExpress.com

.: 22 June 2017 : ব্যক্তিত্ব :. (675 বার পঠিত)
আশিক ভাইয়ের বিয়ের বরযাত্রী হয়েছিলাম আমরা


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল:: মনে হচ্ছে এই সেদিন আমরা বরযাত্রী হয়ে আশিক ভাইয়ের শ্বশুর বাড়িতে গেলাম, সেই মাধবপুর। আশিক ভাই বরের সাজে বসেছেন। কোথাও খানিকটা অনিয়ম দেখলেই রাগ করেন। চেহারাটা রাগী রাগী হয়ে যায়। তখন তার ছোট বোনেরা তাকে মিনতি করছিলেন, ভাই তুমি রাগ করো না, তোমার চেহারাটা খারাপ হয়ে যায়। সেই আ ...Details...


.: 16 February 2017 : ব্যক্তিত্ব :. (1333 বার পঠিত)
আবু সায়ীদ মাহমুদ: একজন অসাধারণ মানুষ


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল : সভাটি ছিলো ব্যবসায়ীদের নিয়ে। আম্বরখানায় হোটেল পলাশে ট্রান্সকম গ্রæপ ছিলো সভাটির আয়োজক। ট্রান্সকমের কি একটি অফারে যারা বেশী পণ্য বিক্রি করেছিলো, তাদেরকে পুরস্কার দেবার জন্যেই ছিলো আয়োজনটি। ট্রান্সকম গ্রæপের পত্রিকা ডেইলী স্টার। ইকবাল ভাই (ইকবাল সিদ্দিকী) পত্রিকার ...Details...


.: 26 January 2017 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1390 বার পঠিত)
সিলেটের নিম্নাঞ্চল ছিলো সাগরের অংশ


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল; সিলেটের পলল সমভূমিতে অনেকগুলো জলাভ’মির সৃষ্টি হয়েছে এবং এর মধ্যে কিছু স্থানীয়ভাবে হাওর নামে পরিচিত। এগুলো ছিলো বছরব্যাপী স্থায়ী পিরিচাকৃতি জলাশয়। এ জেলার নিম্নাঞ্চল ও সমতলভ‚মি একসময় সাগরের অংশ ছিলো। জেলার অনেক হাওর, বিল এবং নৌঘাটির অস্তিত্ব এ সাক্ষ্য বহন করে। হাওর ...Details...


.: 8 January 2017 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (4884 বার পঠিত)
সুরমায় কিনব্রীজ বানাতে ব্যয় ৫৬ লাখ টাকা


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: ভারতের লুসাই পাহাড় (নাগা) থেকে বরাক নদী মণিপুর-কাছাড় দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সিলেট সীমান্ত থেকে সুরমা এবং কুশিয়ারা নামে পরিচিত হয়ে ভৈরবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে। সুরমা নদীর উপর প্রথম ব্রীজটি নির্মিত হয় ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে। এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিলো ১৯৩৩ খ্র ...Details...


.: 24 November 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (2040 বার পঠিত)
বতুতা সুরমা নদী ধরেই সোনার গাঁ গিয়েছিলেন


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: সিলেটের প্রধান নদী সুরমা ও কুশিয়ারা জন্ম নিয়েছে একটি নদী ভাগ থেকে। নদীটির নাম বরাক। তীর্থ চিন্তামণিতে বরবক্রের (বরাক) কথা আছে। অমর কোষ অভিধানে বর্ণিত ‘শরাবতী’-কে কেউ কেউ ‘সুরমা’ মনে করেন। এসব নদীর পানি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে পবিত্র। মরক্কোর অধিবাসী শেখ আবু আব্দুল্ ...Details...


.: 3 November 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1138 বার পঠিত)
রাজা অমর স্বর্গের আশায় নদীর সংগমস্থলে স্বেচ্ছায় মৃত্যু বরণ করেন


সেলিম আউয়াল : বিভিন্ন হিন্দু শাস্ত্রে সিলেটের নদনদীর নাম পাওয়া যায়। রাজমালা হচ্ছে ত্রিপুরা রাজবংশের পদ্য উপাখ্যান। এতে সিলেটের মধ্যযুগের ইতিহাসের অনেক তথ্য পাওয়া যায়। ত্রিপুরারাজ ধর্মমাণিক্য প্রাচীন বাংলায় ত্রিপুরা রাজ পরিবারের একটি ইতিহাস প্রণয়নের উদ্যোগ নেন। ত্রিপুরার ছং ...Details...


.: 22 October 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1738 বার পঠিত)
সিলেট জেলা থেকে বিভাগীয় শহর


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল; পাকিস্তান সৃষ্টির পর সিলেট সেই সময়ের পূর্ব পাকিস্তানের একটি জেলায় পরিণত হয়। সিলেটকে চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ১ আগস্টের পূর্ব পর্যন্ত সিলেট চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এরপর থেকে সিলেট একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে কার্যক্রম শ ...Details...


.: 9 October 2016 : সমসাময়ীক লেখা :. (2228 বার পঠিত)
আমরা তো জেগে আছি


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল:
খাদিজা, বোনটি আমার
প্রিয় তোমার ক্যাম্পাসে প্রজাপতি আনন্দে
তুমি আবার হাসবে, উড়বে গাইবে,
ফাসির কাষ্ঠে ঝুলবে কসাই বদরুল।
অভিশাপ নয়, এ আমার অঙ্গীকার, হৃদয়ে পোষ মানা বিশ্বাস।
পুরনো সব নির্মমতা লেজ গুটিয়ে পালিয়েছিলো
সরোবর পারের নির্জনে
বিভৎস সেই কসাইয়ের বিরা ...Details...


.: 8 October 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1476 বার পঠিত)
চে : ঊনচল্লিশেই এতো!


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: লাল তারকার ফৌজি ক্যাপ পরা চে-কে চিনি অনেকদিন থেকে। কিন্তু তিনি যে মাত্তর সোয়া ঊনচল্লিশটি বছর বেঁচেছিলেন সেটা ভাবতেই পারিনি। সেদিন পড়লাম চে-র লেখালেখি নিয়ে নয় খন্ডের রচনাবলি বের হয়েছে। তখুনি তার বয়েসটা হিসেব করে অবাক হই। তার ছিল অ্যাজমা। তারপরও মাওর ঊনচল্লিশ বছরের মধ ...Details...


Next Page»: সেলিম আউয়াল এর আরো লিখা »

সেলিম আউয়াল এর সর্বাধিক পঠিত লিখা

.: : মুক্তিযুদ্ধ :. (7945 বার পঠিত)
বাংলা ভাষার আরেকটি লিপির নাম সিলেটী নাগরী লিপি


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: পৃথিবীতে অনেক ভাষা প্রচলিত আছে যাদের নিজস্ব বর্ণমালা নেই। কিন্তু বাংলা ভাষায় বাংলা লিপির পাশাপাশি আরেকটি লিপি রয়েছে, সেটি হচ্ছে সিলেটী নাগরী লিপি। অনেকে মনে করতে পারেন হয়তো কিছু পÐিত একটি লিপি উদ্ভাবন করেছিলেন, তারপর লিপিটি প্রয়োগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। ব্যাপা ...Details...


.: 30 April 2015 : ব্যক্তিত্ব :. (7396 বার পঠিত)
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক জননেতা ফরিদ গাজী (১৯২৪-২০১০)


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল:সিলেটের রাজনীতিতে এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব দেওয়ান ফরিদ গাজী। তার পরিচিতি, কর্মক্ষেত্র শুধুমাত্র সিলেটের সীমিত পরিসরেই সীমাবদ্ধ ছিলো না, তিনি ছিলেন একজন জাতীয় নেতা। জাতীয় সংসদে একাধিকবার নির্বাচিত সদস্য, একবার প্রতিমন্ত্রী আরেকবার মন্ত্রী, মৃত্যুর দিনটি পর্যন্ত বা ...Details...


.: 7 December 2015 : মুক্তিযুদ্ধ :. (7247 বার পঠিত)
বিরোধিতা সত্বেও পার্লামেন্টে সিলেটের সোনামিয়ার বাংলায় বক্তৃতা


সেলিম আউয়াল: আন্দোলন সংগ্রামের ঐতিহ্যে বলীয়ান সিলেটের মানুষের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট অন্যায়ের প্রতিবাদ করে সত্যের পক্ষে অবস্থান নেয়া। এজন্যে দেখা যায় বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নিয়ে যখন দেশের মানুষ আন্দোলন সংগ্রামের কথা ভাবতেই পারছেন না, তখন সিলেটের মানুষ অবস্থান নিয় ...Details...


.: 21 May 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (4884 বার পঠিত)
সুরমায় কিনব্রীজ বানাতে ব্যয় ৫৬ লাখ টাকা


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: ভারতের লুসাই পাহাড় (নাগা) থেকে বরাক নদী মণিপুর-কাছাড় দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সিলেট সীমান্ত থেকে সুরমা এবং কুশিয়ারা নামে পরিচিত হয়ে ভৈরবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে। সুরমা নদীর উপর প্রথম ব্রীজটি নির্মিত হয় ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে। এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিলো ১৯৩৩ খ্র ...Details...


.: 8 January 2017 : মুক্তিযুদ্ধ :. (4791 বার পঠিত)
সুরমা নদীর তীরে আমার ঠিকানারে...


SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: ১ সুরমা নদীর তীরে আমার ঠিকানারে... সুরমা নদীর তীরে আমার ঠিকানারে বাবা শাহজালালের দেশ সিলেট ভূমিরে.. একটি প্রাচীন জনপদের নাম সিলেট। ঐতিহ্য সমৃদ্ধিতে গরীয়ান একটি জনপদ। যীশু খৃষ্টের জন্মের পাঁচশ বছর আগে লেখা একটি ইতিহাস গ্রন্থেও সিলেটের কথা রয়েছে। সিলেটকে বলা হয়েছে সম ...Details...


পাঠকের মতামত

Other Pages :

 
 অন্য পত্রিকার সংবাদ
 অভিজ্ঞতা
 আইন-অপরাধ
 আত্মজীবনি
 আলোকিত মুখ
 ইসলাম ও জীবন
 ঈদ কেনাকাটা
 উপন্যাস
 এক্সপ্রেস লাইফ স্টাইল
 কবিতা
 খেলাধুলা
 গল্প
 ছড়া
 দিবস
 দূর্ঘটনা
 নির্বাচন
 প্রকৃতি পরিবেশ
 প্রবাস
 প্রশাসন
 বিবিধ
 বিশ্ববিদ্যালয়
 ব্যক্তিত্ব
 ব্যবসা-বাণিজ্য
 মনের জানালা
 মিডিয়া ওয়াচ
 মুক্তিযুদ্ধ
 যে কথা হয়নি বলা
 রাজনীতি
 শিক্ষা
 সমসাময়ীক বিষয়
 সমসাময়ীক লেখা
 সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
 সাইক্লিং
 সাক্ষাৎকার
 সাফল্য
 সার্ভিস ক্লাব
 সাহিত্য-সংস্কৃতি
 সিটি কর্পোরেশন
 স্বাস্থ্য
 স্মৃতি
 হ য ব র ল
 হরতাল-অবরোধ

লেখালেখি
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অবঃ)
আব্দুল হামিদ মানিক
শফিকুল ইসলাম
প্রা. মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট
ইকবাল বাহার সুহেল
হারান কান্তি সেন
সেলিম আউয়াল
বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল
এ.এইচ.এস ইমরানুল ইসলাম
জসীম আল ফাহিম
সৌমেন রায় নীল
সাকিব আহমদ মিঠু
রাহিকুল ইসলাম চৌধুরী
সালাহ্‌ আদ-দীন
ছাদিকুর রহমান
সাঈদ নোমান
জালাল আহমেদ জয়
আজিম হিয়া
মিহির রঞ্জন তালুকদার
পহিল হাওড়ী (মোঃ আবু হেনা পহিল)
শাহ মিজান
নারী অঙ্গন
নূরুন্নেছা চৌধুরী রুনী
মাহবুবা সামসুদ
আমেনা আফতাব
ইছমত হানিফা চৌধুরী
মাছুমা আক্তার চৌধুরী রেহানা
নীলিমা আক্তার
সুফিয়া জমির ডেইজী
আমিনা শহীদ চৌধুরী মান্না
রওশন আরা চৌধুরী
রিমা বেগম পপি
সালমা বখ্ত্ চৌধুরী
জান্নাতুল শুভ্রা মনি
মাসুদা সিদ্দিকা রুহী
আলেয়া রহমান
মাজেদা বেগম মাজু
নাঈমা চৌধুরী
অয়েকপম অঞ্জু
শামসাদ হুসাম
নাদিরা নুসরাত মাশিয়াত
তাসলিমা খানম বীথি

সাহিত্য-সংস্কৃতি পাতার আলোচিত লিখা
.: 4 weeks ago : :.
প্রসঙ্গঃ সিলেটী ভাষা ও নাগরী সাহিত্য (1812 বার পঠিত)

সৃজন পাল: পূণ্যভূমি সিলেট সৌন্দর্যের এক অপূর্ব উদাহরণ।বাংলার ভূখন্ডে এই অঞ্চল ভিন্ন নামে পরিচিত। কারো কাছে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ আর কারো কাছে দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ। এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থানও মনোরম-উত্তরে মেঘালয় রাজ্য, দক্ষিণে ত্রিপুরা, পূর্বে আসাম আর পশ্চিমে নেত্রকোণা ও কিশোরগ Details...


.: 3 weeks ago : :.
শিক্ষকের মর্যাদা ও দৈনিক শিক্ষা সম্পাদকের সাহসী উচ্চারণ (1196 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী: শিক্ষক মানব সভ্যতার কেবল অগ্রনায়ক নন, মহানায়কও বটে। জাতি গঠনের সত্যিকারের কারিগর। পৃথিবীর অনেক দেশে শিক্ষকই প্রথম ভিআইপি। কোন কোন দেশের আদালতে পর্যন্ত শিক্ষকের জন্য আলাদা আসন চিহ্নিত থাকে। আর আমাদের দেশে? এখানে কেবল বক্তৃতা, ভাষণ আর কথনে শিক্ষকের যত সম্মান! Details...


.: 3 weeks ago : :.
আমার একটি স্বপ্নের শ্রেণিকক্ষ (834 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী:এক সময় স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় অনেকটা নগন্য ছিল । আজকাল এর বিপরীত অবস্থা । স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের যেমন উপচে পড়া ভীড় , তেমনি কোন কোন সময় শ্রেণিকক্ষে এতটুকু বসার জায়গা বাকি থাকেনা । প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার্থী Details...


.: 7 days ago : :.
ঈদ নিয়ে একটু কথা (782 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী:এক সময় বেসরকারি শিক্ষকদের কোন ঈদ বোনাস ছিল না । সে এক অন্য রকম ভালই ছিল । দোকানী জানতো , পাড়া-পড়শী জানতো , পরিবার-পরিজন ও ছেলেমেয়ে সকলে জানতো বেসরকারি শিক্ষকের কোন বোনাস নেই । শিক্ষকের নিজের ও আলাদা একটা কষ্টের তৃপ্তি ছিল । সে রকম একটা সংকীর্ণ ঈদ বাজেটও ছিল । দিন ব Details...


.: 5 days ago : :.
আশিক ভাইয়ের বিয়ের বরযাত্রী হয়েছিলাম আমরা (675 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল:: মনে হচ্ছে এই সেদিন আমরা বরযাত্রী হয়ে আশিক ভাইয়ের শ্বশুর বাড়িতে গেলাম, সেই মাধবপুর। আশিক ভাই বরের সাজে বসেছেন। কোথাও খানিকটা অনিয়ম দেখলেই রাগ করেন। চেহারাটা রাগী রাগী হয়ে যায়। তখন তার ছোট বোনেরা তাকে মিনতি করছিলেন, ভাই তুমি রাগ করো না, তোমার চেহারাটা খারাপ হয়ে যায়। সেই আ Details...


.: 4 weeks ago : :.
মাহে রমজান -১ খোশ আমদেদ মাহে রমযান (573 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

শাহ নজরুল ইসলাম: ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের জন্য রোযার বিধান দেওয়া হলো, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীদের দেওয়া হয়েছিল। যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ (কুরআন মাজীদ, সূরা বাকারা ২/১৮৩) আজ পহেলা রমযান, ১৪৩৮ হিজরি, রবিবার। আজ থেকে ১৪৩৪ হিজরি বছর আগে দ্বিতীয় হিজরিতে উম্মতে মুহাম্মাদির Details...


.: 3 weeks ago : :.
স্বাধীনতা পেয়েছি- মুক্তি আজো অধরা (537 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী:আমাদের জাতির জনকের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা , বুদ্ধিমত্তা ও দূরদর্শিতা সমসাময়িক বিশ্ব নেতাদের ছাড়িয়ে গিয়েছিল । তিনি স্বমহিমায় রাজনীতির উজ্জ্বল এক মহা জ্যোতিষ্ক । রাজনীতির মহাকবি । A great poet of politics . রাজনীতির বিশ্ব কবি বলা যায় তাকে । ‘এবারের সংগ্রাম- স্বাধীনতার সংগ্রাম, এব Details...


.: 3 weeks ago : :.
আবাবিল পাখি হয়ে দিয়ে যাই চুম (529 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

হারান কান্তি সেন: এটি গল্পকার সেলিম আউয়ালের ৮ম গ্রন্হ।লেখক মাতা ও স্ত্রী-কে নিয়ে ২০১১ খ্রি: পবিত্র মক্কা-মদিনা সফরের টুকরো স্মৃতি নিয়েই এই ভ্রমণ কাহিনী লিখেছেন। বইয়ের নামকরণেই যেন লেখকের সব আবেগ উছ্লে উঠেছে।পবিত্র কাবা ঘরে নিজে তো চুমু দিয়ে এসেছেন তারপরও যেন স্বাদ মিটেনী তাঁর।তা Details...


.: 2 weeks ago : :.
যুদ্ধের সমাধিতে আজাদির যোদ্ধা নেই (522 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

সেলিম আউয়াল: পুলিশের কনস্টেবল পারলেন না। ভাবলাম সাব-ইন্সপেক্টর পারবেন, তিনিও বলতে পারলেন না চিটাগাং ওয়ার সেমিট্রির লকেসনটা। আন্দরকিল্লা শাহি জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেছি। গেটে অনেক পুলিশ দাঁড়িয়ে মুসলিøদের নিরাপত্তার জন্যে অথবা মিছিল বের হলে ঠেঙ্গাবার জন্যে। সাব ইন্সপেক্ Details...


.: 1 week ago : :.
'মরা গাঙের জল' সাধারণ মানুষের জীবন্ত কথা (473 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

তারেক মুনাওয়ার: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন- "ছোট প্রাণ ছোট ব্যথা, ছোট দুঃখ ছোট কথা নিতান্ত সহজ সরল, সহস্র বিস্মৃতিরাশি প্রত্যহ যেতেছে ভাসি তারি দু-চারটি অশ্রু জল। নাহি বর্ণনার ছটা ঘটনার ঘনঘটা, নাহি তত্ত্ব নাহি উপদেশ। অন্তরে অতৃপ্তি রবে সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হয়ে হইল না শেষ। জগতে Details...



www.SylhetExpress.com - First Online NEWS Paper in Sylhet, Bangladesh.

Editor: Abdul Baten Foisal Cell : 01711-334641 e-mail : news@SylhetExpress.com
Editorial Manager : Abdul Muhit Didar Cell : 01730-122051 e-mail : syfdianews@gmail.com
Photographer : Abdul Mumin Imran Cell : 01733083999 e-mail : news@sylhetexpress.com
Reporter : Mahmud Parvez Staff Reporter : Taslima Khanom Bithee

Designed and Developed by : A.S.H. Imranul Islam. e-mail : imranul.zyl@gmail.com

Best View on Internet Explore, Mozilla Firefox, Google Chrome
This site is owned by Sylhet Sifdia www.sylhetexpress.com
copyright © 2006-2013 SylhetExpress.com, All Rights Reserved