User Login | | নীতিমালা | 19 Jan 2018 : Sylhet, Bangladesh :
    সংবাদ : মঙ্গলচণ্ডী নিশিকান্ত মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৩০ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান  সংবাদ : মঙ্গলচণ্ডী নিশিকান্ত মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৩০ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান  সংবাদ : মিডল্যাণ্ড ব্যাংক লিমিটেড সিলেট শাখার উদ্বোধন  সংবাদ : 
শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে
মানুষের সেবার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে   সংবাদ : কেমুসাসের আজ ৯৮২ তম সাহিত্য আসর   সংবাদ : লিডিং ইউনিভার্সিটিতে ‘লাইভ মাস্টার ক্লাস সেশন’ -এ টমি মিয়া  সংবাদ : ৪ নং পশ্চিম গৌরিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত  সংবাদ : এন জি এফ এফ স্কুলের স্বর্ণালী পাতায় পড়বে কি কালো দাগ?  সংবাদ : এন জি এফ এফ স্কুলের স্বর্ণালী পাতায় পড়বে কি কালো দাগ?  সংবাদ : ফখরুল ইসলাম ছিলেন একজন
প্রতিশ্রুতিশীল আলোকচিত্রশিল্পী  সংবাদ : সাংবাদিক গল্পকার সেলিম আউয়ালের ৫৫তম জন্মদিন পালন  সংবাদ : সাংবাদিক গল্পকার সেলিম আউয়ালের ৫৫তম জন্মদিন পালন  সংবাদ : সিকৃবির ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের 
ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন
  সংবাদ : চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় 
সিলেটের সারাহ্ নাদিম আহমেদ প্রথম  সংবাদ :  কারাগারে হাজতির মৃত্যু
  সংবাদ : সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন  সংবাদ : কবি’র চোখে একফোটা জল  সংবাদ : পলিয়ার ওয়াহিদের ‘সময়গুলো ঘুমন্ত সিংহের’  সংবাদ : সিলেট নগরীতে গ্যাস সংকট: চরম জনদূর্ভোগ  সংবাদ : সিলেট নগরীতে গ্যাস সংকট: চরম জনদূর্ভোগ
sylhetexpress.com এর picture scroll bar এর code. এই কোড যেকোন website এ use করা যাবে।
| সিলেট | মৌলভীবাজার | হবিগঞ্জ | সুনামগঞ্জ | বিশ্ব | লেখালেখি | নারী অঙ্গন | ছবি গ্যালারী | রঙের বাড়ই ব্লগ |

আমিনুল ইসলাম সফর
Phone/ Mobile No.: 01722-107976
E-mail : tajpur.cic@gmail.com
লেখক -- আমিনুল ইসলাম সফর
01722-107976 Contact Details Kazi Mansion (1st floor), Kodomtola, Tajpur, Osmaninagar, Sylhet-3123, Bangladesh Mobile: +88 01726 562121 Fax : +88 08242 56004 Email tajpur.cic@gmail.com web: www.mannait.com Visit us: www.facebook.com/pages/Manna-It-Institute

Web Address : www.mannait.com
আমিনুল ইসলাম সফর এর লিখা
.: 7 February 2015 : শিক্ষা :.

প্রতিযোগিতা নয়, চাই আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষা



আমিনুল ইসলাম সফর:অর্থ-বিত্তের দাপট, সামরিক শাসন সবকিছু অতিক্রম করে বর্তমান বিশ্বে ক্রমেই উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে জ্ঞানের শক্তি, বিদ্যার্জনের শক্তি। বিদ্যার্জনের সঙ্গে যে সম্পর্কটা অত্যন্ত গভীর, সে সম্পর্কটা হচ্ছে মননের সম্পর্ক, ব্যক্তির ভেতরগত কাঠামোর পরিপুষ্টির সম্পর্ক। এটাকে অবহেলা করে যদি শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে ব্যক্তির- অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সত্যিকার অর্থে সুনাগরিক গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়ে।
তাই জ্ঞানার্জন তথা শিক্ষালাভের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী মানুষ হিসাবে কতটা পরিবর্র্তিত হল, কতটা সুনাগরিক হিসাবে গড়ে উঠল, বিচিত্র সৌন্দর্যবোধ ও মানবতাবোধে কতটা উদ্বুদ্ধ হল, তার অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা জীবন ও জগতের প্রতি মমত্ববোধ ও ভালবাসা সৃষ্টি হল কিনা- সে বিষয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রাথমিক স্তর থেকেই সুস্পষ্ট মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। আর এসব গুণাবলী অর্জনের জন্য প্রয়োজন আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষার্থীর শিক্ষার্জন নিশ্চিত করা, তাকে মানসিকভাবে চাপমুক্ত রেখে স্বাধীনভাবে তার চিন্তাশক্তি পুরোপুরি বিকশিত হবার সুযোগ করে দেওয়া। দার্শনিক প্লেটোর মতে, জবরদস্তিমূলক শিক্ষা মনের কোন উন্নতি বিধান করতে পারে না। তিনি বরং শিক্ষা বলতে বাহ্যিক জ্ঞানের সমৃদ্ধিকে না বুঝিয়ে সেই পারিপার্শ্বিকতাকে বুঝিয়েছেন, যা দেহ ও মনকে উন্নত করে।
মূলত : যে শিক্ষার সঙ্গে আনন্দের কোন সম্পর্ক নেই, যে শিক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৌতূহল ও আকর্ষণ সৃষ্টি করতে পারে না, যার সঙ্গে ধ্যান ও মননের যোগসূত্র নেই, সে শিক্ষার মাধ্যমে মহৎ কিছু অর্জন করা সম্ভব নয়। কষ্টসাধ্য পাঠের চাপ ও পরীক্ষার দু.শ্চিন্তায় যে শিক্ষা বিপর্যস্ত, সে শিক্ষার মাধ্যমে কল্যাণ অর্জিত হতে পারে না। সুতরাং শিক্ষাকে হৃদয় বৃত্তির উন্মোচন ও বহুতর সম্ভাবনার আধার করে তুলতে হবে।
বুঝতে হবে কচি শিক্ষার্থীদেরও সুন্দর একটি মন আছে। তাদের মনেও আছে বিচিত্র অনেক ভাবনার কথা। আনন্দের কথা, বেদনার কথা। অবাক করা ফ্যান্টাসীর কথা। হাসি-কান্নার কথা। যতভাব মানব মনে চকিতে খেলা করে, তার প্রায় সবকটি জুড়ে আছে অবুঝ শিক্ষার্থীর সবুজ হৃদয়। অথচ আমাদের এই অবুঝ শিক্ষার্থী বাচ্চাদের এখন শ্বাস ফেলার সুযোগ নেই। মনের আকাশে ইচ্ছেমত ঘুরে বেড়াবার দু’দণ্ড অবকাশ নেই। আছে পড়াশুনার চাপ আর চাপ। সে চাপে কচি শিক্ষার্থীটি নুয়ে পড়ছে সামনের দিকে। পিঠে তার বইয়ের স্তুপ। ‘এ প্লাস’ যে পেতেই হবে তাঁকে। নইলে মা বাবা তথা অভিভাবকরা সমাজে মুখ দেখাবেন কি করে? পড়ে থাকুক তার শৈশব, কৈশোরের আননন্দ, পড়ে থাকুক খেলাধুলার রঙিন ভুবন, মুখ গুঁজে তাকে বসে থাকতেই হবে পড়ার টেবিলে। এ প্রসঙ্গে উপেন্দ্রচন্দ্র মল্লিক বলেছেন, ‘দশ বছরের মিন্টুরানীর একুশখানা বই/ হাসি খেলা গান বাজনার সময় তাহার কই?’ সত্যিই তো এ সময় তার একেবারেই নেই। রুটিন করা জীবন-যাপনে আজিকার ছেলেমেয়েগুলো তাই কেমন জানি রোবট হয়ে যাচ্ছে। তারা শিখছে না, বিদ্যা গিলছে।
ক্লাস ওয়ানের ভর্তি পরীক্ষা থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রতিটি ধাপে তাকে বাবা মায়ের সামাজিক মর্যাদা বা সম্মান বাঁচাতে গিয়ে অতি সাফল্য লাভের প্রচেষ্টায় চরম প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীকে নিয়ে মা-বাবার এই বাড়াবাড়ি প্রসঙ্গে জয় গোস্বামী ব্যঙ্গ করে তাঁর একটি ছড়ায় লিখেছেন- ‘‘চায় না মা আর কিছুই/ নম্বর চায়- আনবি তুই/ নাম হবে তোর খুব বড়/ নামের পাশে নম্বরও।’’
এই নম্বর তুলতে গিয়ে কি সকাল, কি সন্ধ্যা, কি ছুটির তালিকার সে দিনটি- সর্বক্ষণই তাকে পড়াশুনায় ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে চরম প্রতিযোগী সেজে। এই প্রতিযোগীতার অসম্ভব রকমের মনস্তাত্তি¡ক চাপ আর অভিভাবকের কড়া নজরদারির দুঃশাসন শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশকে বাঁধাগ্রস্থ করছে মারাত্মকভাবে। যা কখনোই ব্যক্তি ও সমাজের জন্য ফলদায়ক হতে পারে না।
এক সময় আমেরিকার শিক্ষা ব্যবস্থাতেও এরকম প্রতিযোগিতা আর মুখস্থ বিদ্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। শিক্ষাবিদ জন ডিউই তাঁর- ‘চৎড়লবপঃ সবঃযড়ফ’ প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে আমেরিকাকে রক্ষা করেছিলেন। তাঁর শিক্ষা দর্শনের মূল স্লোগান ছিল- ‘‘প্রতিযোগিতা নয়- সহযোগিতা, একা নয়- অনেকে, অন্যকে অতিক্রম করা নয়- প্রতিনিয়ত নিজেকে অতিক্রম করা।’’
আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরাও জ্ঞানের রাজ্যে প্রতিনিয়ত নিজেদেরকে অতিক্রম করে যাবে- স্বেচ্ছায়, স্বাচ্ছন্দে, অনেকের সাথে মিলেমিশে সহযোগিতাপূর্ণ আনন্দময় পরিবেশে। সে ছুটির দিনকে যথার্থ ছুটির দিন হিসাবেই কাটাবে। রুটিনের শেকল যেন তার শৈশবকে দুমড়ে মুচড়ে একাকার করে না দেয়, রোবট না বানায়। সে মনের আনন্দে গান করবে, ছবি আঁকবে, কবিতা লিখবে। সবুজের সান্নিধ্যে বুক ভরে নি.শ্বাস নেবে। কানপেতে শুনবে পাখিদের বিচিত্র কলধ্বনি। দিগন্তে নুয়েপড়া নীল আকাশ উপভোগ করবে সে। দুর্বাঘাসের নীল-সাদা ফুলের মুগ্ধতায় ভরে নেবে কোমল হৃদয়। খোলামাঠে ঘুড়ি উড়ানোর দু’দণ্ড অবসরও পাবে। রাতের আকাশের চাঁদের জ্যোৎস্নাও গায়ে মাখবে। উপভোগ করবে দূর আকাশের তাঁরার মিটিমিটি। এসবের আনন্দ নিয়েই সে বসবে পড়ার টেবিলে। মুখস্থ করে প্রথম না হয়ে পড়ার মধ্য দিয়ে সে চারপাশের জগতকে উপলব্ধি করবে। তাকে জানতে ও বুঝতে শিখবে। আর এই শেখার মধ্য দিয়ে সে কলের পুতুল না হয়ে সত্যিকার মানুষ হয়ে উঠবে, তার ভেতরগত কাঠামোর পরিপুষ্টি সাধিত হবে।
জাতীয় জীবনে এই যে প্রতিনিয়ত এত সব অন্যায়-অবিচার, দুর্নীতি, নিষ্ঠুরতা আর অসততার খবর পাওয়া যায়, মূলত: শিক্ষার মাধ্যমে ব্যক্তির ভেতরগত কাঠামোর পরিপুষ্টি সাধিত না হওয়ার এটা একটা বড় ধরনের প্রতিক্রিয়াও বটে। এর প্রতিকার হিসাবে প্রয়োজন ব্যক্তি মনের বিশালতা ও মহানুভবতা। মানসিক বিশালতা ও মহানুভবতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্য। তাই আমরা যদি আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে পড়াশুনার এই মহাযজ্ঞের ফাঁকে বছরে অন্তত: দু’একবার আশপাশের কোথাও কোন দর্শনীয় প্রাকৃতিক শোভামণ্ডিত পরিবেশে তথা পাহাড়, নদী, ঝর্ণা, সবুজ অরণ্যের সান্নিধ্যে বেড়িয়ে নিয়ে আসি, তাহলে তারা যেমন পড়াশুনার জমে থাকা ক্লান্তি কিছুটা হলেও ঝেড়ে ফেলে মানসিক স্বস্তি অনুভব করবে, তেমনি ধীরে ধীরে মনের বিশালতা ও মহানুভবতা অর্জন করতে পারবে। যা তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
কচি শিক্ষার্থীদেরকে এ ধরনের চিত্ত বিনোদনের সুযোগ বা আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া বড়দের যেমন কর্তব্য, তেমনি তাদেরও অধিকার। তাই আসুন, তাদেরকে শুধু বইয়ের চাপায় পিষ্ঠ হতে না দিয়ে ছেলেবেলার আনন্দ উপভোগের সুযোগ দিয়ে সুন্দর, সরস ও মহৎ জীবন গঠনের সহায়তা করি। নতুবা এই কচি শিক্ষার্থীরাই একদিন দাবি করে বসবে- ‘‘তোমাদের সেই ছেলেবেলা, যার গল্প করেছো কত/ সেই ছেলেবেলা ফিরিয়ে দাও না, একটি দিনের মত।’’

লেখক: শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, সিলেট বিভাগ-২০১৩]


মানুষকে মানুষ ভাবা আমাদের অহংকার
আমিনুল ইসলাম সফর

পৃথিবীতে মানুষ হচ্ছে আশরাফুর মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা। মানুষকে আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রতিনিধি করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তাকে দান করেছেন সর্বোত্তম আকৃতি, বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান। আর এ জ্ঞানের কারণেই মানুষ সৃষ্টির সেরা। আল্লাহর কাছে সকল মানুষ-ই সমান। এই পৃথিবীর আলো, বাতাস, পানি ও আল্লাহ্র অন্যান্য নিয়ামত সবার জন্য সমান উন্মুক্ত। তাঁর কাছে ইতর-ভদ্র, জ্ঞানী-মূর্খ, উঁচু-নিচু, সাদা-কালো কোন পার্থক্য নেই। আল্লাহর সুমহান দৃষ্টিতে সবার একই পরিচয়-‘‘ওরা মানুষ, ওরা একই আদমের সন্তান।’’ ‘মানুষ’ হিসেবে মানুষের মর্যাদা সবার উপরে। তাই বলা হয়, ‘‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই।’’
কিন্তু প্রশ্ন হল, এই মানুষই যখন আরেক মানুষকে হীন ভাবে, তুচ্ছজ্ঞান করে, কৃত্রিম ফাঁরাক সৃষ্টি করে ঘৃণায় নাক ছিঁটকায়, তখন পক্ষান্তরে গোটা মানব সমাজকেই অবমাননা করা হয়। এক আদমের সন্তান হওয়া সত্তে¡ও কালের বিবর্তনে মানুষ যেসব কৃত্রিম ভেদাভেদ বিভাজন সৃষ্টি করে নিয়েছে, তাতে গোটা মানব পরিবেশ বিভিন্ন অন্তর্দ্ব›েদ্ব, কলহে, আত্ম-অহংকারে বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। বিভাজনগত অহংকারের মধ্যে রয়েছে বংশ গৌরবের অহংকার, অর্থ-বিত্তের অহংকার, পাণ্ডিত্যের অহংকার, পদমর্যাদার অহংকার ইত্যাদি।
তবে এসব অহংকারের মধ্যে বাঙালি সমাজে বংশ গৌরবের অহংকারই প্রকট। নামের আগে-পিছে কিছু উপাধি ধারণ করে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ গ্রাম-বাংলার সাধারণ শ্রেণিপেশার মানুষকে হীন ভাবেন, তুচ্ছ নগণ্য ভাবেন, ‘ছোটলোক’ বলে গালি দেন। সাধারণ মানুষের সাথে মিশতে, ক্ষেত্রবিশেষ কথা বলতেও তাদের আত্মমর্যাদায় বাঁধে। তাদের আত্ম-অহংকারের পরিমণ্ডলেই তারা আবদ্ধ থাকতে পছন্দ করেন। ‘‘পাছে জাত যায়’’ ভেবে এসব বিরল প্রজাতির আদম সন্তানেরা তাদের তথাকথিত বংশধারার উৎপত্তির ইতিহাস ও এর মূল ভাবার্থ না জেনেই এদেশের কামার, কুমার, জেলে, চাষী, মুটে-মজুর তথা সাধারণ জনগোষ্ঠীকে অবহেলা ও ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন। যা সম্পূর্ণ অবান্তর, অযৌক্তিক এবং নিতান্ত আত্ম-অহংকার ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ সমাজ বিশ্লেষকদের মতে ভারতীয় উপমহাদেশে বিভিন্ন উপনিবেশিক শক্তির মনোরঞ্জনের কুফল হচ্ছে এসব বংশগত উপাধিসমূহ। যে উপাধিসমূহ ধারণ করে তারা এখন সাধারণ জনগণকে হীন দৃষ্টিতে দেখেন।
অথচ আমাদের কাছে এসব সাধারণ জনগণই মহান মানুষ। যারা কোন উপনিবেশিক শক্তির কাছে মাথা নুয়ায়নি। তাদের মনোরঞ্জন বা ফরমায়েশে ব্যস্ত থাকেনি। বরং ‘উপনিবেশ খেদাও’ আন্দোলনে অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব দিয়ে এ উপমহাদেশ থেকে উপনিবেশবাদের পতন ঘটাতে জোরালো ভূমিকা পালন করেছিল।
তাই আমাদের কাছে শ্রমিকের ঘামের গন্ধ আতর- লোবানের মত পবিত্র, কৃষকের গা-জড়ানো কাদামাটির ঘ্রাণ হাসনা- হেনার খোশবুর মতই উপভোগ্য, আর জেলেদের গতরে লেপ্টে থাকা মাছের টাটকা গন্ধ সুগন্ধি পারফিউমের মতই মনোমুগ্ধকর। যা মোটেও ছুঁড়ে ফেলার বিষয় নয়। কারণ এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিলে নিজেকেই ছুঁড়ে ফেলা হয়। কেননা এই শ্রমিকেরাই তাদের শ্রমের বিনিময়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আমাকে দেয় উৎপাদন, কাদামাটি গায়ে মেয়ে কৃষকেরা দেয় ফসল, জেলেরা দেয় মাছে-ভাতে খাঁটি বাঙালি হয়ে থাকার পরিতৃপ্তি। এমনি করে এদেশের প্রতিটি নাপিত-ধোপা, কামার-কুমার, তাঁতী-মেথর সবাই আমাদের কাছে সুমহান ব্যক্তিত্ব, মহামানুষ। তাদের সুনিপুণ কর্মকাণ্ড, দৈনন্দিন কার্যক্রম আমাদেরকে দেয় মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার পরিপাটিতা; সুন্দর, সুশীল, সুসভ্য মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠার অনুপ্রেরণা বা সক্ষমতা। তাই আমরা তাদের সংস্পর্শে নাক ছিঁটকাইনা, ভ্রƒ-কুঁচকাইনা, থু-থু ছিঁটাইনা, ঘৃণার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিয়ে বিষাক্ত করিনা পরিবেশ। বরং তাদের সংস্পর্শে আমরা শ্রদ্ধায় অবনত হই, ভালবাসা ও নম্রতায় কাতর হই, অপরিসীম দরদে গোপন অশ্র“জলে সিক্ত হয় আমাদের হৃদয়-গহীন। তাদেরকে বরং যথাযথ মর্যাদা দিতে না পারা, সমাজে হীন করে রাখার দায়বদ্ধতা নিজের মধ্যে কষ্টবোধ বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ। নিজেকে তখন তাদের সম্মুখে কী ছোটই মনে হয়। কারণ তারাই যে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান।
এই যে অবারিত, অসংখ্য সাধারণ মানুষ- যাদের কোন তথাকথিত উচ্চ বংশ নাই, কুল নাই, নাই কোন অর্থ-বিত্তের বিশাল ভাণ্ডার, জীবনে নাই আভিজাত্যের ছোঁয়া-তাদেরকে যারা ছোট ভাবেন, হীন ভাবেন, ভাবেন অমানুষ আর অস্পৃশ; আমরা বরং এই ভাবনাওয়ালা উচ্চ বংশীয়দের গর্ব ভরে ‘ছোটলোক’ ভাবি। ভাবি ন্যায়সংগতভাবে, যৌক্তিকভাবেই।
ধরুন, আপনি নিজেকে সমাজে বড় ভাবেন। ভাবেন আপনি সর্বত্র, সর্বাবস্থায়, সবার কাছ থেকে সম্মান ও মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য। তথাকথিত উচ্চ বংশ মর্যাদা আপনাকে হয়তো আত্ম-অহংকারে অন্ধ করে রেখেছে। যে অন্ধত্ব আপনাকে অন্যের চাইতে বড় ভাবতে অনুপ্রেরণা দেয়। আর আপনিও ভাবেন অনায়াসে। ভেবে ভেবে কী ফারাক, কী দূরত্বই না সৃষ্টি করে ফেলেছেন আপনার প্রতিবেশী ও সমাজের সাধারণ মানুষগুলোর সঙ্গে। ওদেরকে অস্পৃশ্য, অসামাজিক, আনকালচারড্ ভাবতে ভাবতে নিজেই হয়ে পড়েছেন অস্পৃশ্য, অসামাজিক, আনকালচারড্, ক্ষুদ্র, হীন আর নগণ্য। সবার সাথে মিশতে না পারার প্রবণতা বা মানসিকতা আপনাকে সবার কাছ থেকে ঠেলে দিয়েছে যোজন-যোজন দূরত্বে।
মূলত: সমাজে কাউকে সম্মান বা মর্যাদা পাওয়ার জন্য তাকে অবশ্যই কতকগুলো ভালো গুণের অধিকারী হতে হবে। তার মাঝে এমন কিছু ভালো বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে, যে বৈশিষ্ট্যের কারণে তিনি যৌক্তিকভাবেই সম্মান ও শ্রদ্ধা পাওয়ার দাবী করতে পারেন। যেমন ধরুন, আপনি কোন তথাকথিত ভাল বংশের সন্তান। আর শুধুমাত্র এ কারণেই আপনি অন্যের চাইতে নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবেন এবং সমাজে যাদের নামের আগে পিছে কোন বংশগত উপাধি নাই, তাদের তুচ্ছজ্ঞান করেন। এক্ষেত্রে আপনার উচিত অন্যকে তুচ্ছজ্ঞান করার পূর্বে নিজের তথাকথিত বংশ পরিচয়, বংশের উৎপত্তির ইতিহাস, বিকাশ এবং এই বংশের গুণাবলী বা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ভালোভাবে জানা এবং কোন্ কোন্ ভালগুণাবলী বা বৈশিষ্ট্যের কারণে আপনি অন্যের চেয়ে শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার সে গুণের তালিকা নিজের কাছে লিপিবদ্ধ করে রাখা, বংশধরদের কাছে সে তালিকা রেখে যাওয়া এবং জনসম্মুখে তা প্রকাশ করা। যদি আপনি তা পারেন এবং আপনার বর্ণিত গুণাবলী জ্ঞানী-গুণী, বুদ্ধিজীবী, গবেষক ও সুশীল সমাজ কর্তৃক তা গ্রহণযোগ্য ও যৌক্তিক বলে বিবেচিত হয়, তবেই আমরা ধরে নেব আপনি সত্যিকার অর্থে সমাজে অন্যের চেয়ে শ্রেষ্ঠ এবং মর্যাদা পাওয়ার অধিকারী পূজনীয় ব্যক্তি।
পৃথিবীতে প্রত্যেক ব্যক্তি বা বস্তুর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে। যা দিয়ে তার পরিচয় নির্ণীত হয়। যেমন: মৎস্য শ্রেণিভুক্ত প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে-তাদের পানিতে সাঁতার কাটার জন্য পাখনা থাকে, তারা ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়, তাদের দেহে আঁইশ থাকে ইত্যাদি। আর এই বৈশিষ্ট্যের কারণে তারা মাছ।
তদ্রুপ, মসজিদের ইমাম সাহেবেরও কিছু ভালো বৈশিষ্ট্য আছে। যার দরুণ তিনি ইমাম। যেমন, তিনি পাঁচ ওয়াক্ত মসজিদে নামাযে নেতৃত্ব দেন। সকালে মক্তবে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ধর্মীয় শিক্ষা দেন। শুক্রবারে ওয়াজের মাধ্যমে সবাইকে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার নসিহত করেন, খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল ইত্যাদি ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি আমাদের পক্ষ থেকে পরিচালনা করেন। নিজে যথাসাধ্য উত্তম আখলাক বজায় রেখে সুন্দর জীবন-যাপন পরিচালনার চেষ্টা করেন। আর এসব ভাল গুণাবলীর কারণে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে সবার সম্মান ও শ্রদ্ধা পেয়ে থাকেন।
এবার আপনি যদি আপনার নাম সর্বস্ব বংশের কারণে মর্যাদা পাওয়ার দাবী করেন, তাহলে আপনাকেও এভাবে আপনার বংশের ভালোগুণগুলোর তালিকা প্রকাশ করতে হবে। ভালো গুণের সমাবেশ দেখতে পারলেই আমরা অবনত মস্তকে আপনাকে পূজনীয় মানব। যে গুণের কারণে আপনি আপনার স্বতন্ত্র পরিচয়ে, স্বতন্ত্র সত্তায় উদ্ভাসিত হবেন, পরিচিত হবেন। আপনি হবেন চৌধুরী, সৈয়দ, খান, কাজী, মোঘল, পাঠান। আর যদি তা না পারেন, তাহলে যে আপনি বড়ই ভুঁয়া, বড়ই হীন। অধম। আর আপনি যদি অধম হন, তাহলে সাধারণেরা উত্তম হইবে না কেন? ভালো গুণ না থাকলে এ যে মিছে গৌরব, মিছে অহংকার। একটা উপাধি নিয়ে নিজেকে বড় ভাবা, এতো ‘‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’’ প্রবাদ বাক্যেরই সমান। কথায় আছে, জন্ম হোক যথা তথা, কর্ম হোক ভাল। একথা সর্বজন স্বীকৃত যে, ভালো গুণের কারণেই মানুষ সমাজে সম্মান, শ্রদ্ধা ও স্বীকৃতি পায়। এভাবে সমাজে সে কর্মগুণে বড় বলে বিবেচিত হয়, সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে উঠে। তখন তথাকথিত উচ্চবংশের মানুষেরাও এসব অসাধারণ হয়ে ওঠা মানুষদের অনুগত হয়ে তাদেরই নেতৃত্বে চলতে বাধ্য হয়। যার উদাহরণ সমাজের সর্বত্র। তাই এখন যুগ এসেছে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের। সব মানুষকে ‘মানুষ’ হিসেবে দেখার। হোক সে মুচি কিংবা মেথর। পরিশেষে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ‘মেথর’ কবিতা দিয়েই শেষ করছি-
‘‘কে বলে তোমারে, বন্ধু, অস্পৃশ্য, অশুচি?
শুচিতা ফিরিছে সদা তোমারি পিছনে;
তুমি আছ, গৃহবাসে তাই আছে রুচি
নহিলে মানুষ বুঝি ফিরে যেত বনে।
শিশু জ্ঞানে সেবা তুমি করিতেছ সবে,
ঘুচাইছ রাত্রিদিন সর্ব ক্লেদ-গ্লানি!
ঘৃণার নাহিক কিছু স্নেহের মানবে;
হে বন্ধু! তুমিই একা জেনেছ সে বাণী!
নির্বিচারে আবর্জনা বহ অহর্নিশ,
নির্বিকার সদা শুচি তুমি গঙ্গাজল
নীলকণ্ঠ করেছেন পৃথ্বীরে নির্বিষ
আর তুমি? তুমি তারে করেছ নির্মল।
এসো বন্ধু, এসো বীর, শক্তি দাও চিতে,
কল্যাণের কর্ম করি লাঞ্ছনা সহিতে।’’
লেখক: শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, সিলেট বিভাগ-২০১৩]





.: 13 September 2017 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (419 বার পঠিত)
প্রার্থনা (সূরা ফালাকের ভাবানুবাদ)


আমিনুল ইসলাম সফর:
পরম দয়ালু তুমি আল্লাহ দয়াময়
আমি শুধু চাই গো প্রভু তোমারই আশ্রয়।
দাও গো আমায় আশ্রয়টুকু পাপী আমি তবু সৃষ্টিকুলের স্রষ্টা তুমি, তুমি উষার প্রভু।
তাই তো কেবল তোমার কাছেই দু'হাত তুলে চাই
সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে দাও গো আমায় ঠঁাই।
আঁধার নিশি গভীর হলে অনিষ্ট যা ...Details...


.: 22 August 2017 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (835 বার পঠিত)
কুরবানি


SylhetExpress.com

আমিনুল ইসলাম সফর:
বনের পশু জবাই করে
মিছে করো খুশি,
মনের পশু রাখছো মনে
সযতনে পুষি।
বনের পশু কুরবানিতে
কয়টা নেকী পাও,
যদিও বা লক্ষ টাকায়
সে কুরবানি দাও।
বনের পশু ত্যাজ্য করে
মুছতে হলে পাপ,
মনের পশু জবাই করে
দিলটা করো সাফ।
মনের পশু বিসর্জনেই
কুরবানি হয় খাঁ ...Details...


.: 5 January 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1132 বার পঠিত)
শিশু মেলা ভারত সফর


আমিনুল ইসলাম সফর:
কোথায় টিভি আল জাজিরা
কোথায় বাসস এনা,
ইন্ডিয়াতে সরকারি ট্যুর
এ খবরটা দে না।
নগদ নগদ ডলার দিয়ে
হলো অনেক কেনা,
খেলনা পেয়ে খুশি হলো
হাসনা এবং হেনা।
শ্বেত পাথরে দাঁড়িয়ে আছে
কত মোগল সেনা,
দেখে এলাম নীল সাগরে
ঢেউয়ের সাদা ফেনা।
শিশু মেলা
নেই সে অব ...Details...


.: 10 December 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (6568 বার পঠিত)
শিশু মেলা/ সাহিত্য আঁড়ি


SylhetExpress.com

আমিনুল ইসলাম সফর:
তুমি যা খুশি তাই বলো
যেমন ইচ্ছে তেমন তেমন চলো,
আমার কিছু যায় আসেনা তাতে
আজকে আমার আঁড়ি তোমার সাথে।
আজকে আমার মনের ঘরে পুুতুল পুতুল খেলা
আমার সারা বাগান জুড়ে প্রজাপ্রতির মেলা,
অনেক কথা জমা আমার ঘাসফড়িংয়ের সাথে
পড়বেনা তাই কথার অন্ন আজকে তোমার পাতে।।
...Details...




আমিনুল ইসলাম সফর এর সর্বাধিক পঠিত লিখা

.: : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (6568 বার পঠিত)
শিশু মেলা/ সাহিত্য আঁড়ি


SylhetExpress.com

আমিনুল ইসলাম সফর:
তুমি যা খুশি তাই বলো
যেমন ইচ্ছে তেমন তেমন চলো,
আমার কিছু যায় আসেনা তাতে
আজকে আমার আঁড়ি তোমার সাথে।
আজকে আমার মনের ঘরে পুুতুল পুতুল খেলা
আমার সারা বাগান জুড়ে প্রজাপ্রতির মেলা,
অনেক কথা জমা আমার ঘাসফড়িংয়ের সাথে
পড়বেনা তাই কথার অন্ন আজকে তোমার পাতে।।
...Details...


.: 10 December 2015 : শিক্ষা :. (2281 বার পঠিত)
প্রতিযোগিতা নয়, চাই আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষা


আমিনুল ইসলাম সফর:অর্থ-বিত্তের দাপট, সামরিক শাসন সবকিছু অতিক্রম করে বর্তমান বিশ্বে ক্রমেই উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে জ্ঞানের শক্তি, বিদ্যার্জনের শক্তি। বিদ্যার্জনের সঙ্গে যে সম্পর্কটা অত্যন্ত গভীর, সে সম্পর্কটা হচ্ছে মননের সম্পর্ক, ব্যক্তির ভেতরগত কাঠামোর পরিপুষ্টির সম্পর্ক। এটাকে অবহ ...Details...


.: 7 February 2015 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (1132 বার পঠিত)
শিশু মেলা ভারত সফর


আমিনুল ইসলাম সফর:
কোথায় টিভি আল জাজিরা
কোথায় বাসস এনা,
ইন্ডিয়াতে সরকারি ট্যুর
এ খবরটা দে না।
নগদ নগদ ডলার দিয়ে
হলো অনেক কেনা,
খেলনা পেয়ে খুশি হলো
হাসনা এবং হেনা।
শ্বেত পাথরে দাঁড়িয়ে আছে
কত মোগল সেনা,
দেখে এলাম নীল সাগরে
ঢেউয়ের সাদা ফেনা।
শিশু মেলা
নেই সে অব ...Details...


.: 5 January 2016 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (835 বার পঠিত)
কুরবানি


SylhetExpress.com

আমিনুল ইসলাম সফর:
বনের পশু জবাই করে
মিছে করো খুশি,
মনের পশু রাখছো মনে
সযতনে পুষি।
বনের পশু কুরবানিতে
কয়টা নেকী পাও,
যদিও বা লক্ষ টাকায়
সে কুরবানি দাও।
বনের পশু ত্যাজ্য করে
মুছতে হলে পাপ,
মনের পশু জবাই করে
দিলটা করো সাফ।
মনের পশু বিসর্জনেই
কুরবানি হয় খাঁ ...Details...


.: 22 August 2017 : সাহিত্য-সংস্কৃতি :. (419 বার পঠিত)
প্রার্থনা (সূরা ফালাকের ভাবানুবাদ)


আমিনুল ইসলাম সফর:
পরম দয়ালু তুমি আল্লাহ দয়াময়
আমি শুধু চাই গো প্রভু তোমারই আশ্রয়।
দাও গো আমায় আশ্রয়টুকু পাপী আমি তবু সৃষ্টিকুলের স্রষ্টা তুমি, তুমি উষার প্রভু।
তাই তো কেবল তোমার কাছেই দু'হাত তুলে চাই
সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে দাও গো আমায় ঠঁাই।
আঁধার নিশি গভীর হলে অনিষ্ট যা ...Details...


পাঠকের মতামত

Other Pages :

 
 অন্য পত্রিকার সংবাদ
 অভিজ্ঞতা
 আইন-অপরাধ
 আত্মজীবনি
 আলোকিত মুখ
 ইসলাম ও জীবন
 ঈদ কেনাকাটা
 উপন্যাস
 এক্সপ্রেস লাইফ স্টাইল
 কবিতা
 খেলাধুলা
 গল্প
 ছড়া
 দিবস
 দূর্ঘটনা
 নির্বাচন
 প্রকৃতি পরিবেশ
 প্রবাস
 প্রশাসন
 বিবিধ
 বিশ্ববিদ্যালয়
 ব্যক্তিত্ব
 ব্যবসা-বাণিজ্য
 মনের জানালা
 মিডিয়া ওয়াচ
 মুক্তিযুদ্ধ
 যে কথা হয়নি বলা
 রাজনীতি
 শিক্ষা
 সমসাময়ীক বিষয়
 সমসাময়ীক লেখা
 সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
 সাইক্লিং
 সাক্ষাৎকার
 সাফল্য
 সার্ভিস ক্লাব
 সাহিত্য-সংস্কৃতি
 সিটি কর্পোরেশন
 স্বাস্থ্য
 স্মৃতি
 হ য ব র ল
 হরতাল-অবরোধ

লেখালেখি
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অবঃ)
আব্দুল হামিদ মানিক
শফিকুল ইসলাম
প্রা. মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট
ইকবাল বাহার সুহেল
হারান কান্তি সেন
সেলিম আউয়াল
বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল
এ.এইচ.এস ইমরানুল ইসলাম
জসীম আল ফাহিম
সৌমেন রায় নীল
সাকিব আহমদ মিঠু
রাহিকুল ইসলাম চৌধুরী
সালাহ্‌ আদ-দীন
ছাদিকুর রহমান
সাঈদ নোমান
জালাল আহমেদ জয়
পহিল হাওড়ী (মোঃ আবু হেনা পহিল)
শাহ মিজান
তাবেদার রসুল বকুল
কাউসার চৌধুরী
নারী অঙ্গন
নূরুন্নেছা চৌধুরী রুনী
ইছমত হানিফা চৌধুরী
আমেনা আফতাব
মাহবুবা সামসুদ
সুফিয়া জমির ডেইজী
নীলিমা আক্তার
মাছুমা আক্তার চৌধুরী রেহানা
সালমা বখ্ত্ চৌধুরী
রিমা বেগম পপি
রওশন আরা চৌধুরী
অয়েকপম অঞ্জু
আমিনা শহীদ চৌধুরী মান্না
জান্নাতুল শুভ্রা মনি
মাসুদা সিদ্দিকা রুহী
আলেয়া রহমান
মাজেদা বেগম মাজু
নাঈমা চৌধুরী
শামসাদ হুসাম
তাসলিমা খানম বীথি
রায়হানা বারী রেখা

সাহিত্য-সংস্কৃতি পাতার আলোচিত লিখা
.: 3 weeks ago : :.
মমতাময়ী বীথির জন্য অনেক শুভ কামনা (4714 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

এম এ আসাদ চৌধুরী: সিলেট শহরের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে বীথি। তার পুরো নাম তাসলিমা খানম বীথি। বাবা-মা আর বোন নিয়ে তাদের পরিবার। তিন বোনের মধ্যে সে মেঝো। তার কোনো ভাই নেই। পড়ালেখা শেষ করে সিলেটে প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টালের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছে। সিলেট এক্সপ্রেসের কাজে Details...


.: 4 weeks ago : নারী অঙ্গন :.
যাকে ফুফু বলে ডেকে তৃপ্তি পাই (3224 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

তাসলিমা খানম বীথি: ১. সেই শৈশবেই ফুফুকে হারিয়েছি। তবে এখনো কিছুটা স্মৃতি মনে আছে। ছোটবেলা যখন আব্বা আম্মার সাথে ফুফুর বাড়ি যেতাম। তখন কী যে ব্যস্ত হতেন ফুফু, আমাদের জন্য। কী খাওয়াবেন না খাওয়াবেন। বিকেল হলে আমাদের দুই বোনকে নিয়ে ফুফু গ্রামের ছোট্ট মেঠো পথে দিয়ে হেঁটে নিজের হাতে করা Details...


.: 3 weeks ago : :.
৭১ এ কানাইঘাট (2268 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

আবু বকর সিদ্দিক: বাংলাদেশের উত্তর -পূর্ব সীমান্তের একটি সমৃদ্ধ জনপথ হচ্ছে কানাইঘাট। সিলেট শহর থেকে অদূরে প্রকৃতির লীলাভূমি সমৃদ্ধ ইতিহাস সমৃদ্ধ একটি জায়গা হলো কানাইঘাট।কানাইঘাট এর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাংলাদেশের অন্যান্য যেকোন অঞ্চলের চেয়ে কম নয়।এখানে মানুষ রক্ত দিয়েছে।অনে Details...


.: 3 weeks ago : :.
রাজনীতির আয়নায় উজ্জ্বল ফেঞ্চুগঞ্জের রাজনীতিবিদ মরহুম তজমুল অালী চেয়ারম্যান (1056 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

মো. আব্দুল বাছিত: পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন স্থানে সময়ের প্রেক্ষাপটে কিছু মহত এবং আত্মত্যাগী মানুষের আবির্ভাব ঘটে। যারা কোনো সময়ই নিজের কথা ভাবেন না, ভাবেন সমাজ ও দেশের কথা, মানুষের কল্যাণের চিন্তাই যাদের ধ্যান এবং জ্ঞান হয়ে যায়। সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কিছু করতে পারলে যাদের অন্ Details...


.: 3 weeks ago : নারী অঙ্গন :.
হেমন্তের একটি চমৎকার সন্ধ্যা (745 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

তাসলিমা খানম বীথি: সিলেটের শীতলপাটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি শিল্প। এ শিল্প আজ বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্ব ঐতিহ্যে রূপ নিয়েছে। বাংলার আবহমান সংস্কৃতি ফুটে ওঠে শীতলপাটির গায়ে, অজানা শিল্পীদের মনোজ্ঞ নকশায়। গ্রামের সাধারণ মানুষের হাতে শীতলপাটির গায়ে আঁকা হয় বাংলার প্রকৃত Details...


.: 2 weeks ago : নারী অঙ্গন :.
ডিবির প্রেমে বিবি (719 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

ইছমত হানিফা চৌধুরী: হাওরের দেশ সিলেট। যেমন পাহাড়, টিলার সমারোহ, তেমনি হাজারও ছোট বড় হাওর, যা বর্ষায় কিংবা আষাঢ়ে মেঘের গর্জনে কাছে ডাকে, তেমনি এই হাওর শীতের কুয়াশার সাথে মায়াবি ঘ্রাণ ছড়ায়। সেই ঘ্রাণে ভেসে আসে শাপলা শালুকের মায়া, আবার সেই ঘ্রাণে ভেসে বেড়ায় নিঝুম দ্বীপের ছায়া, মানুষ প্র Details...


.: 1 week ago : :.
আমার দেখা ৫৫ বছর বয়সের টগবগে এক যুবক শ্রদ্ধেয় সেলিম আউয়াল (681 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

মাহমুদুল হাসান :পৃথিবীতে মানুষ জন্মগ্রহণের পর বিদাতার ইশারায়, শিশু থেকে কিশোর, কিশোর থেকে যুবক, যুবক থেকে বৃদ্ধ হয়। আশা আর ভরসার ভেলা ভেসে-চলা মানুষ কেউ হয় বয়সের ভারে বৃদ্ধ কেউ আবার অনেক বয়স হলেও মনোবলের যোগদানে টগবগে যুবকে পরিণত থাকেন। আমার চোখে দেখা তেমনি একজন টগবগে ৫৫ বছর বয়সের অ Details...


.: 3 weeks ago : :.
জ্বলছে আরাকান, পুড়ছে মানব!প্রশ্নবিদ্ধ মানবতা! (495 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

আবু বকর সিদ্দিক:মনে করুন আপনি প্রতিদিনের মত আজকের দিনেও সব কাজকর্ম শেষ করে বাসার সবার সাথে রাত্রে খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। মধ্যরাত হঠাৎ শুনতে পেলেন চিৎকার উত্তেজনা দূর থেকে ভেসে আসছে মানুষের কান্না।কখনো বা কানে আসছে বোমার শব্দ আবার কখনো দেখতে পাচ্ছেন দূরে কোথায় ও আগুনের লিলিহান শি Details...


.: 1 week ago : :.
গল্পকারের পঞ্চান্ন ও সেলিম আউয়াল ভাই (481 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

জহীর মুহাম্মদ: বলছিলাম শক্তিমান সাংবাদিক ও জনপ্রিয় গল্পকার সেলিম আউয়ালের কথা। সব বিশেষণ ছাপিয়ে যিনি স্বমহিমায় ভাস্বর। যারাই সান্নিধ্য পেয়েছেন তাদের কাছে খুব বেশী প্রিয় একটি নাম সেলিম আউয়াল। সবার হৃদয়ে সমভাবে বসত করে নেয়া সেলিম আউয়ালকে মিডিয়া ও সাহিত্যের সাথে জড়িত কারো কাছে নতু Details...


.: 3 weeks ago : :.
উপহার (350 বার পঠিত)
SylhetExpress.com

ছালিক আমীন:
(তাসলিমা খানম বীথি আপুর জন্মদিনে নিবেদিত)
একটা "সভ্য পৃথিবী" তোমার জন্যে। তুমি সেই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ হয়ে- সুবাস ছড়াও আকাশে-বাতাসে। জনমের পর থেকে- যেই ভাবে ছড়িয়ে যাচ্ছিল- তোমার পূর্বপুরুষ।
. জানি তোমরা অবলা নারী।
পুরুষ- তোদের "নীরব মাটির" সাথে উপমা দেয়। কিন্ত তুমি এই Details...



www.SylhetExpress.com - First Online NEWS Paper in Sylhet, Bangladesh.

Editor: Abdul Baten Foisal Cell : 01711-334641 e-mail : news@SylhetExpress.com
Editorial Manager : Abdul Muhit Didar Cell : 01730-122051 e-mail : syfdianews@gmail.com
Photographer : Abdul Mumin Imran Cell : 01733083999 e-mail : news@sylhetexpress.com
Reporter : Mahmud Parvez Staff Reporter : Taslima Khanom Bithee

Designed and Developed by : A.S.H. Imranul Islam. e-mail : imranul.zyl@gmail.com

Best View on Internet Explore, Mozilla Firefox, Google Chrome
This site is owned by Sylhet Sifdia www.sylhetexpress.com
copyright © 2006-2013 SylhetExpress.com, All Rights Reserved