শাহজালালের ‘লাকড়ি তোড়া’ উৎসবে ভক্তদের ঢল

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০১৯     আপডেট : ৮ মাস আগে  
  

আব্দুস সোবহান ইমন :  সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) স্মৃতি বিজড়িত লাকড়ি তোড়ার উৎসব গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছরের শাওয়াল মাসের ২৬ তারিখ এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বাদ যোহর শাহজালাল(র.) দরগাহ্ শরীফ থেকে ভক্তবৃন্দ সমবেত হয়ে লাক্কাতুরা চা বাগান এলাকা থেকে লাকড়ি সংগ্রহ করে হজরত শাহজালাল (র.) দরগাহ্ প্রাঙ্গনে নিয়ে আসে। লাকড়ি তোড়ার মধ্য দিয়ে হজরত শাহজালাল (র.) উরুস তথা ওফাত দিবস এর প্রস্ততি শুরু হয়।

এ উপলক্ষে সকাল থেকে ‘লালে লাল- শাহজালাল’ ‘শাহজালাল বাবা কি- জয়’ ‘৩৬০ আউলিয়া কি- জয়’ ওলি আউলিয়া কি- জয়’-এ রকম নানা স্লোগানে লাল গামছা বা চাদর গায়ে হাজার হাজার ভক্তরা মিছিলে নামেন সিলেটের সড়কে।

হযরত শাহজালালের (রহ.) দরগাহ থেকে শুরু করে নগরীর চৌকিদেখি হয়ে সোজা লাক্কাতোড়া চা-বাগান মিছিল নিয়ে লাকড়ি সংগ্রহের উদেশ্যে যান।

এর আগে সকালে হযরত শাহজালাল (র.)  হাজার হাজার বক্তরা বিভিন্ন জায়গা থেকে দরগাহ  শরীফে এসে অংশ নেয় । বাদ যোহরের পর শাহজালাল (র.) বক্তরা একসাথে সমবেত হয়ে লাকড়ি সংগ্রহে নগরীর লাক্কাতুড়া চা বাগানের উদেশ্যে যান।  লাক্কাতুড়া গিয়ে সেখানে মিলাদ ও শিরনি বিতরণ করা হয়। মিলাদ শেষে ফেরার পথে হাজার ও বক্তদের সংগ্রহের লাকড়ি হাতে মিছিলে যুক্ত হয় লাল গালিচার  গাছের সবুজ লতাপাতা। হযরত শাহজালালের (রহ.) দরগাহ প্রঙ্গনে এসে দরগাহ্ শরীফের পুকুরে পানিতে বিজিয়ে পার্শবর্তী মাটি দিয়ে রাখেন। সংগ্রহের এ লাকড়ি গুলো পরবর্তিতে ওরসের শিরনিতে কাঠ হিসেবে ব্যবহত করা হবে। আর এ উৎসবকে সাধরণত লাকড়িতোরা উৎসব বলা হয় থাকে।

আরও পড়ুন



আজকের সমাজ

কে. জে. লিপি আগে ছিলো...

প্রিয় এক স্বজনের নাম হারান

তাবেদার রসুল বকুল: সে আমাদের...

নগরীর কুয়ারপারে সংঘর্ষ,গুলিবিনিময়,দোকান ভাংচুর

নগরীর কুয়ারপার এলাকায় সিনিয়র জুনিয়র...

বন্দর ফাঁড়ির সামনে আরিফের অবস্থান, অতঃপর…

গভীর রাতে আরিফের পোস্টার লাগানোর...