২০৫০ সালের বিশ্ব

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে  
  

নাঈমা শওকত সেতু :  হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি অনেক ভাল আছেন। আর ভালো থাকবেনই তো। কারণ এই মূর্হূতে পড়ছেন আমার অর্থাৎ নাঈমা শওকত সেতুর গল্গ। বন্ধুরা, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানার কৌতুহল প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই বিরাজমান। আর প্রত্যেকটা মানুষই জানতে চায় আসলে তার ভবিষ্যৎ কেমন হবে। আজ থেকে ৩২ বছর পরে অর্থ্যাৎ ২০৫০ সালে কেমন দেখতে হবে আমাদের এ পৃথিবীর এই কৌতুহল আমাদের সবার মনেই প্রশ্ন করে থাকে। যদি আপনার মনেও এমন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে গল্পটি পড়বেন।
২০৫০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা কমপক্ষে ৯৬০ কোটি পার হয়ে যাবে। আর ২০৫০ সাল পর্যন্ত আমাদের বাংলাদেশের অনেক পরিবতন ঘটবে। সমুদ্রবিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী ২০৫০ সালে মধ্যে সমুদ্রের পানির উচ্চতা অনেক বেড়ে যাবে। যার কারণে পৃথিবীকে কমপক্ষে ২ বার বড় ধরণের বন্যার সম্মুখীন হতে হবে। এই পর্যন্ত আমরা সমুদ্রের পানির উচ্চতার কারণে পৃথিবী থেকে ৫টি বড় দ্বীপ হারিয়েছি। আর আগামী ৩২ বছরের মধ্যে প্রায় ২ লক্ষ দ্বীপ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
২০৫০ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষের চাকরি থাকবে না। কারণ তখন বেশির ভাগ কোম্পানিতে রোবট দ্বারা কাজ করানো হবে। ২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবীর জনসংখ্যা শুধুমাত্র শহর গুলোতেই ৭০ শতাংশ বেড়ে যাবে। ২০৫০ সালের মধ্যে ক্যান্সারের মতো দূরারোগ্য ব্যাধিগুলো অনেকাংশই কমে যাবে। আর এ ক্যান্সারের চিকিৎসাও আবিষ্কার হয়ে যাবে। আর ৮০ বছরের কম বয়সী মানুষ ক্যান্সারে আক্রন্ত হয়ে মরবে না। আর এ ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রোগ পৃথিবী থেকে নিঃশেষ করে দেয়া হবে।
২০৫০ সালের মধ্যে ‘মায়াপিয়া’ নামের একটি রোগ ক্রমশ বাড়তে থাকবে। এটি চোখের একটি রোগ। এ রোগের কারণে মানুষ দূরের জিনিস ঝাপসা দেখবে। খাওয়া-দাওয়া এবং মানুষের জীবন-যাপনের পরিবর্তনের জন্য এ রোগ দেখা দিবে।
এখন আমরা যে ধরনের টেকনোলজি ব্যবহার করছি, ২০৫০ সাল পর্যন্ত তার চেয়ে এডভান্স এবং শক্তিশালী গ্যাজেট ব্যবহার করব। মোবাইল থেকে শুরু করে যেকোনো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট সব খুব এডভান্স লেভেলের হবে। আর সেগুলোর মাধ্যমে আমরা ভার্চুয়াল রিয়ালিটি অনুভব করতে পারব। আমারা আমাদের ঘরে যে ধরনের গ্যাজেট ব্যবহার করি তার চেয়েও অডভান্স টেকনোলজি ব্যবহার করব।
৩২ বছর পরে অর্থাৎ ২০৫০ সালে প্লেন ভ্রমণ হবে আরও আরামদায়ক। তখন উড়োজাহাজ গুলো হবে আরও বড় এবং উন্নত প্রযুক্তির। বাইরের দৃশ্য আরও পরিষ্কার এবং বড় দেখা যাবে। তখন উড়োজাহাজ, প্লেন বা রকেট গুলো আরও দ্রুত গতিতে চলতে পারবে। যেটা খুব কম সময়ে নিজের ভ্রমণ শেষ করবে।
বন্ধুরা এই ছিল ২০৫০ সালের পৃথিবী। এই বিষয় সম্পর্কে আরও জানতে পারবেন এই গল্পের দ্বিতীয় অংশে। তত দিনের জন্য অপেক্ষায় থাকবেন। আর গল্পটি পছন্দ হলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন। আল্লাহ হাফেজ

আরও পড়ুন