১২ মাসে কাজ হয়েছে ৩০ শতাংশ এরইমধ্যে ধ্বসে পড়েছে নির্মিত গাইডওয়াল

প্রকাশিত : ২২ জুলাই, ২০২০     আপডেট : ২ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আবুল হোসেন সবুজ,মাধবপুর(হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা :হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সদরের সাথে দক্ষিণাঞ্চলের চার ইউনিয়নবাসী যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা মাধবপুর- হরষপুর সড়ক। এ সড়ক দিয়ে দক্ষিণের আদাঐর, বহরা, চৌমুহনী ও ধর্মঘর এই চার ইউনিয়নের প্রায় দুই লক্ষাধিক লোক যাতায়ত করে থাকে। মাধবপুরের দক্ষিন অঞ্চলের ৪ ইউনিয়নের জনগনের দুঃখ মাধবপুর-হরষপুর সড়ক। দক্ষিনাঞ্চলের জনগনের দুঃখ কবে গোছবে তা কেউ জানেনা। প্রায় ১ যুগের ভাঙ্গা সড়ক মেরামতের জন্য ২০১৮-’১৯ অর্থ বছরে দরপত্র আহ্বান করলে এইচ ই-এম এইচ(জেভি) নামক ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সংস্কার কাজ করার জন্য মনোনীত হয়। মাধবপুর থেকে হরষপুর মোট 22 কিলোমিটার সড়কের মধ্যে চৌমুহনী বাজার পর্যন্ত ১২ কি.মি সড়ক সংস্কার করতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী বিভাগের সাথে গত বছরের ৩রা জুন চুক্তি স্বাক্ষরীত হয় ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুয়ায়ী ২০২০সালের ৯ নভেম্বর কাজটি সম্পূর্ণ শেষ করার কথা রয়েছে। গত ১২ মাসে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওই সড়কের মাত্র ৩০ভাগ কাজ শেষ করে ১৪ কোটি ৬৫লাখ, ৯৫হাজার ২০১ টাকা প্রাক্কলিত মূল্যে মধ্যে ইতিমধ্যেই ২কোটি ৪০লক্ষ টাকা বিল উত্তোলন করে নিয়ে গেছে বলে এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে। উপজেলার দক্ষিনাংশের ৪টি ইউনিয়নে সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারী মহাবিদ্যালয়সহ সর্বাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ওই অঞ্চলে উৎপাদিত নানা জাতের বিপুল পরিমান সবজি দেশের বিভিন্ন এলাকাতে এসরক দিয়ে রপ্তানি হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতসহ উপজেলা সদরের সাথে যাতায়াতের একমাত্র সড়ক হওয়ায় এর গুরুত্ব অপরীসীম। দীর্ঘদিনের ভাঙ্গা পিচ-ঢালা সড়কটি পরিনত হয়েছে কাচা রাস্তাতে। এভাঙ্গা সড়কে যাতায়াতে জনগনকে পোহাতে হচ্ছে চড়ম দুর্ভোগ। সড়ক ভাঙ্গা থাকার সুযোগে যানবাহনের চালকরা যাত্রী ও পন্য পরিবহনে আদায় করে নিচ্ছে দ্বিগুন, তিনগুন ভাড়া। অভিযোগ আছে কচ্ছপ গতিতে চলমান সড়ক নির্মান কাজের বিরুদ্ধে। পানির মধ্যে ঢালাই, সিসি ঢালাই ব্যতিত গাইডওয়াল তৈরীসহ নানা অনিয়মের ভিতর মানহীন নির্মান কাজ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মনতলা বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল। তিনি বলেন উপজেলা সদরের সাথে একমাত্র সড়কটি আমাদের দীর্ঘদিনের দূর্ভোগ। এ নিয়ে ক্ষোভের অন্তনেই স্থানীয় জনগনসহ সড়কে যাতায়াতকারী যানবাহন চালকদের। ভাঙ্গা সড়কে প্রতিদিনই বিকল হচ্ছে একাধিক যানবাহন। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণে ইতিমধ্যে ভেঙ্গে গেছে নির্মিত গাইডওয়াল। কিন্তু কাজের মান সঠিক রাখার দাবী করে এ পর্যন্ত ৩০ভাগ কাজ শেষ হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন এইচ ই-এম এইচ(জেভি) ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের স্বত্বাধিকারী জুয়েল আহমেদ। তিনি বলেন বাকী ৭০ভাগ কাজ চুক্তি মেয়াদ ৪মাসের ভিতর সম্পন্ন করা সম্ভব হবেনা। এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জুলফিকার হক চৌধুরী জানান, ধীরগতিতে কাজ পরিচলানাকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্টানগুলোকে তাগিদপত্র দেওয়া হয়েছে। চুক্তির সময়সীমার ভিতরে কাজ সম্পন্ন করতে না পারলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মতামত নিয়ে সেই সকল প্রতিষ্টানের সাথে চুক্তি বাতিল করার পক্রিয়া শুরু করা হবে। আবুল হোসেন সবুজ মাধবপুর হবিগঞ্জ সংবাদদাতা
01717 78 2612


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন এটিএমএ হাসান জেবুল

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল...

হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতির সাথে নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের মতবিনিময়

         নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের...

সিলেটে নেপালি প্রিমিয়ার লিগের ফাইনাল সম্পন্ন

         সিলেটে বসবাসরত নেপালিদের উদ্যোগে নেপালি...

সিলেটে শিয়াবাদ প্রতিরোধ দিবস পালন

251        251Sharesইসলাম ধংসাত্মক বিপর্যয় ইরানে বাতিল...