সৎ জীবনযাপন ও মানুষের কল্যানে কাজ করার প্রেরণা পেয়েছি বাবার কাছ থেকে

,
প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০২০     আপডেট : ১ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাবেদ আহমদ : ২ জুলাই ২০২০ আমার বাবার ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। বাবা মরহুম ফৈয়াজ উদ্দিন চৌধুরী ১৯৯১ সালের ২ জুলাই রাত ১০টায় সিলেট এম,এ,জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাত্র ৫৫ বছর বয়সে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। বাবা ছিলেন আমাদের দাদা মরহুম আব্দুল খালিক চৌধুরীর ৮ ছেলে মেয়ের মধ্যে তৃতীয় মতান্তরে চতুর্থ সন্তান ।
দাদারা ছিলেন দু ভাই এক বোন। দাদার বড় ভাই আব্দুল করিম চৌধুরীর অকাল মৃত্যুতে তিনি ভাইয়ের অল্পবয়সে বিধবা স্ত্রী মমজিদা খানম চৌধুরীকে বিয়ে করে ভাতিজা গৌছ উদ্দিন চৌধুরীকে পুত্রের মর্যাদায় লালন পালন করেন। বাবা চাচা ও ফুফুদের কাছে শুনেছি দাদী ছিলেন অতীব রূপসী ও গুনবতী। চাল চলন ও ব্যবহারে আভিজাত্যের সুস্পষ্ট ছাপ ছিল। দাদা ছিলেন সে যুগের মধ্যম শিক্ষিত, জায়গা জমির হিসেব নিকেশে পারদর্শী। কর্মরত ছিলেন গোলাপগঞ্জের আমুড়ার বিখ্যাত জমিদার বাড়ির প্রধান নায়েব (প্রশাসনিক প্রধান)। শুনেছি প্রায় ৮ মাইল দূরে বাড়িতে আসতেন হাতির উপর চড়ে জমিদারী সুবিধায়। দাদা ও দাদীর সন্তান সন্ততিরা হলেন গৌছ উদ্দিন চৌধুরী (মুশি মিয়া), কমরুন্নেছা চৌধুরী (করফুল), লেখক অধ্যাপক মোঃ বদরুজ্জামান চৌধুরী এডভোকেট ডাবল এম,এ,(বদই মিয়া), ফৈয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (ফজই মিয়া), আলহাজ্জ্ব জহীর উদ্দিন চৌধুরী (জরা মিয়া), শাহাব উদ্দিন চৌধুরী (লেচু মিয়া), কবি বেগম শামসুন্নাহার(নেওয়া), এ,কে,এম, শামসুদ্দিন চৌধুরী (মলাই মিয়া)। আমার বাবা ফৈয়াজ উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা আলহাজ্জ্ব তাহেরা চৌধুরী (তয়জুন) এর সন্তানরা হলেন মোঃ সুহেদ আহমদ, জাবেদ আহমদ, মোহাম্মদ উবেদ আহমদ চৌধুরী, মোঃ জুবেদ আহমদ।
দাদার বড় ছেলে গৌছ উদ্দিন চৌধুরী ও আমার বাবা ফৈয়াজ উদ্দিন চৌধুরী ছাড়া অন্য ৪ ছেলে লেখাপড়া করে সরকারি চাকুরি করেন। আমার বাবার মন টিকে না লেখাপড়ার ধরাবাঁধা নিয়মে। তাঁকে নিয়ে ছিল তাঁর মায়ের যতসব চিন্তা। কিশোর বয়সে তিনি মনপ্রাণ উজাড় করে বেপরোয়া হয়ে ধর্মীয় কাজ শুরু করেন। তারজন্য তাহাজ্জুদ – ফজরের সময়ে বাড়ির সবার ঘুম হারাম হয়ে গেলো। সবার ঘরে জোরে আওয়াজ দিয়ে “ঘুম হতে নামাজ উত্তম” মোয়াজ্জিনের আহবানের প্রতিধ্বনি দিতেন। নামাজ পড়ার জন্য ডাকতেন। “অতীষ্ঠ” হয়ে বাড়ির সকলে বিচারপ্রার্থী হলে দাদা বাবাকে নিয়ে রাণাপিং মাদ্রাসার সম্ভবত তহীপুরে এক বিখ্যাত কামেল মাওলানার কাছে নিয়ে যান। মাওলানা তখন দাদাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন আপনারা ভূল করতেছেন তাঁকে নিবৃত করে, সে সঠিক পথেই আছে। একটু ধৈর্য্য ধরতে পারলে ভবিষ্যতে ভাল ফল পেতেন। দাদার অনুরোধে মাওলানা সাহেব তদবির করে বাবার মোহ কিছুটা পরিবর্তন করতে সক্ষম হলেও আক্ষেপ করে বলেছিলেন আপনারা একটু সহ্য করতে না পারায় বিরাট অর্জন হারালেন। পরবর্তীতে বাবা বাড়ির লোকজনদের অতিষ্ট না করলেও দুনিয়াদারির প্রতি তাঁর বিন্দুমাত্র মোহ ছিল না। দাদা, চাচারা বাড়ির বড় বড় গাছ বিক্রি করে অর্থ দিয়ে অনেক ব্যবসা দিলেও এসবে তাঁর মন বসেনি কখনো। নামাজের সময় মালমাল রেখে মসজিদে চলে যেতেন, প্রায়ই খোয়া যেতো মালামাল। একসময় সব ব্যবসা বন্ধ করে বছরের বেশিরভাগ সময় তাবলীগ জামাতে দ্বীন প্রচারের কাজেই দেশের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়াতেন। বাবা জীবনে কখনও ছবি তোলেন নি, টেলিভিশন দেখা প্রবল অপছন্দ করতেন, সম্ভব ক্ষেত্রে প্রতিহত করতেন। তিনি জীবিত অবস্থায় বাড়িতে টেলিভিশন আনার সাহস করি নি আমরা। শিক্ষাজীবনে পরীক্ষার আগের দিন আমরা আম্বরখানা কলোনি হতে দলবেঁধে লেচুবাগানের প্রখ্যাত পীরে কামেল মাওলানা আজিজুর রহমানের ( কালা মৌলানা হুজুরের) কাছে তাবিজ ও কলম পড়িয়ে আনতে যেতাম। তখন বাবার পরিচিত হুজুর আমার পীঠে সজোরে থাপ্পড় দিয়ে “পীরের পোয়া” বলে আমাকে সম্বোধন করতেন।
আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন বাবা তাবলীগ জামাতে বিভিন্ন মসজিদে জোর করে নিয়ে যেতেন। বড় হওয়ার পরও তাবলীগে সময় দেয়ার জন্য, সপ্তাহের বৃহস্পতিবার মারকাজে যাওয়ার জন্য বলতেন, তবে লেখাপড়া বিবেচনায় জোর জবরদস্তি করতেন না। নিজে দারিদ্র্যতার সাথে লড়াই করেও তারচেয়ে নিঃস্ব তাবলীগের সাথীদের তিনি নিয়মিত সহায়তা করতেন। নিজের বাড়ির বাঁশ গাছ দিয়ে বা অন্যের কাছ থেকে চেয়েও তাঁদের সহায়তা করতেন।
আমার মা সবসময় বাবাকে সমর্থন দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন। সংসারের হাল ধরেছিলেন আমার মা। বাড়িতে থাকা ছোট দু ভাই উবেদ ও জুবেদকে পড়াশোনা করিয়েছেন৷ আমরা বড় দু ভাই ছোট থেকেই সিলেট ও ফেঞ্চুগঞ্জে চাচা ও ফুফুর বাসায় থেকে পড়াশোনা করছিলাম। মা বাড়িতে গরু ছাগল হাস মুরগী লালন পালন করে বাড়তি আয়ের সংস্থান করতেন। চাচারা, আত্মীয়স্বজনরা সহায়তা করতেন। গ্রামের মসজিদে তাবলীগ জামাত এলে মা অভাবের মধ্যেও হাসিমুখে ডাল ভাত রান্নাকরে মসজিদে খাওয়া দিতেন বা রান্না করে সহযোগিতা করতেন।দারিদ্র্যের সাথে দীর্ঘ সংগ্রাম করে ১৯৮৮ সালের অক্টোবর মাসে আমি প্রথমে আমাদের আম্বরখানা কলোনি সংলগ্ন কোনাপাড়ার বড় ভাই মোঃ আব্দুল মালিকের সহায়তায় জনতা ইন্সুরেন্সে টাইপিস্ট এর চাকুরী পাই। সংসারে নিয়মিত যোগানের খাত আসায় কিছুটা স্বস্তি এলো। ১৯৮৯ সালে বড়ভাইও সরকারি চাকুরি পেলেন।
এবার মা উদ্যোগ নিলেন আমাদের বাঁশের বেড়া ও টিনের চালার ঘর পরিবর্তন করে পাকা ঘর তৈরির। তাঁর নিজস্ব উদ্ভাবনীর কম খরচে টিনের চালের পাকা ঘর বানানোর কাজ শুরু হলো। বাবার সাথে আমরা ভাইয়েরাও স্বেচ্ছাশ্রম, আর্থিক সহায়তা দিলাম। এসময় অনেক কিছু অলৌকিক ঘটনা ঘটলো। মাটি খুঁড়তে গিয়ে প্রচুর পাথর বের হলো, যা দিয়ে খুঁটি ঢালাইয়ে অনেক সহায়তা হলো। পুকুরে ফেলা গাছের টুকরো তুলতে গিয়েও ঘটলো আরেক কান্ড। পুকুরে নামা শ্রমিক ডুব দিয়ে জানালো গাছের খাড়ি পাওয়া গেছে তবে তা খুব বড়। আমার মা বললেন এটা আমাদের না। বাড়ির লোকজন বিশেষ করে যাদের ফেলা গাছ (সালেহ আহমদ চৌধুরী, চাচাতে ভাই) তারাই বললেন এটা আমাদের না, হলেও তা আপনারা তুলে কাজে লাগান। অনেক পরিশ্রমের পর গাছের বিশাল খাড়ি তোলা হলে সবাই চিনতে পারেন এবং পূর্বের কথামতো গাছটি আমাদের দিয়ে দেন। এভাবে নানাবিধ সহায়তায় ১৯৯০ সালে পাকা ঘর নির্মাণ শেষ হয়। এ ঘর নির্মাণে বাবার অবদান কোন অংশে কম ছিল না। নিজের কায়িকশ্রমের পাশাপাশি তাঁর তাবলীগের ধনী বন্ধুদের আর্থিক সহায়তা ছিল।
নতুন পাকা ঘরের মোহ বাবাকে বাড়িতে, দূনিয়াদারীতে আটকে রাখতে পারেনি। স্বাভাবিক নিয়মে দ্বীনের দাওয়াতি কাজের সফরে বের হয়ে পড়েন। আমি স্বাস্থ্য বিভাগ ও কৃষি ব্যাংকের সরকারি কাজ হতে ইস্তফা দিয়ে বেসরকারি জনতা ইন্সুরেন্সে চলে আসলেও বাবা কিছু বলেন নি।
বাবা যখন শোনলেন আমি বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকুরির আবেদন করেছি তখন আমাকে তাঁর এক তাবলীগ জামাতের বন্ধুর কাছে দেখা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়ে গেলেন। আমার চাকুরির জন্য তাঁর সহায়তা ও দোয়া চাইলেন। আমি তখনও বুঝতাম এ দেখায় কোন লাভ হবে না। আমার পরীক্ষা ভাল হয় নি। তবুও তাঁকে খুশি করতে যাওয়া।
১৯৯১ সালে জুন মাসে বাবা বাড়ি ফিরলেন শরীরে কঠিন অসুখ নিয়ে। বেশ কয়েকদিন ধরে টয়লেট হচ্ছিল না। এমবিবিএস পাশ গ্রামের বড়ভাই ডাঃ মুজিব দেখে ঔষধ দিলেন, কিন্তু কোন কাজে আসছিল না। অবস্থার ক্রমেই অবনতি হচ্ছিল। তখন বৃষ্টি মওসুম ও সড়ক পানিতে টইটুম্বুর ছিল। একপর্যায়ে প্রশ্রাবও বন্ধ হয়ে যায়। জুন মাসের শেষদিকে আমরা গাড়ীভাড়া করে বাবাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে নিয়ে আসা হলে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি দেয়া হলো। বাবার সাথে হাসপাতালে সার্বক্ষনিক থাকতো ছোটভাই জুবেদ ও চাচাতো ভাই সুহেল। পরীক্ষায় হেপাটাইটিস বি ধরা পড়লো। হাসপাতালে আসার দুদিন পরই জ্ঞান হারালেন, শেষতক ২ জুলাই ১৯৯১ রাত ১০ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।
আমি তখন কাজী ইলিয়াস এলাকায় মেসে থাকি, এলএলবি পরীক্ষার্থী। ২ টি বিষয় পরীক্ষা শেষে ৩ জুলাই ছিল ৩য় বিষয়ের পরীক্ষা। সন্ধ্যার পর ভাগ্না ও সহপাঠী হাসান মোছাদ্দিক সুহেলকে নিয়ে এম,সি কলেজ ক্যাম্পাস ঘুরে মেসে ফিরতেই সংবাদ জেনে দ্রুত ছুটলাম হাসপাতালে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাত ১২টার দিকে মরদেহ নিয়ে আসলাম শেখঘাট সরকারি কলোনিতে চাচা জহীর উদ্দিন চৌধুরীর বাসায়। শহরের আত্মীয় স্বজন দেখতে আসলেন। শোনা গেল বাবার ইচ্ছা তাঁর দাফন যেন হয় তাবলীগ জামাতের মারকাজ খোজারখলা মসজিদ সংলগ্ন গোরস্তানে। আমিও চাচাতো ভাই খালেদুজ্জামান সুরমা নদী পাড়ি দিয়ে গিয়ে ফজর নামাজ পড়লাম সে মসজিদে। দিনটা মঙ্গলবার থাকায় মসজিদে ছিলেন শুধু স্থানীয় মুসল্লী, তাবলীগের কোন দায়িত্বশীল ছিলেন না। আমরা নামাজ শেষে দোয়া করার কথা বলে চলে আসলাম। পারিবারিক সিদ্ধান্ত মতে পরদিন ৩ জুলাই বাদ জোহর শেরপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হলো।
৭ জুলাই ১৯৯১ জিন্দবাজার লতিফ সেন্টারে জনতা ইন্সুরেন্সে বসা অবস্থায় বিকেলে আম্বরখানা কলোনির আশরাফ হোসেন জামান ভাই বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগপত্র নিয়ে হাজির। আমার চোখে জল চলে আসলো। আমি একাধিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করলেও বাবার এসবের প্রতি কোন আকর্ষণ ছিল না। বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকুরি প্রাপ্তির জন্য তাঁর ছিল বিশেষ নজর। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে কাজ করা তাঁর তাবলীগের বন্ধুদের দেখেই মনে মনে চাইতেন আমার যেন এ প্রতিষ্ঠানে চাকুরি হয়। মৃত্যুর ৫ দিনের মাথায় আচমকা এ চাকুরি পেয়ে বুঝলাম, নিশ্চিত হলাম মহান আল্লাহপাক আমার বাবার চাওয়ার জন্যই সততার সাথে জীবনধারণের জন্য আমাকে এ চাকুরি দিয়েছেন। যোগদানের পর বাবার তাবলীগের সাথী আব্দুছ ছালাম চৌধুরী, প্রকৌশলী ফখরুল ইসলাম, এ,টি,এম হাবিবুল্লাহ, মর্দে মোজাহীদ মোঃ এমাদ খাঁনসহ অনেকেই আমাকে বিশেষ নজরে দেখতেন। বাবার অনেক কথা আমাকে বলতেন। আমি যদিও এ পথে সময় দিতে পারিনি, তারপরও আমার আমীর এমাদ খানের নেতৃত্বে একাধিকবার টঙ্গীর ইজতেমায় গমণ করেছি। অনেক খেদমত ও ভালমন্দ খাইয়েছেন এমাদ খান। আল্লাহপাক তাঁকে জান্নাতের মেহমান করবেন আশা রাখি।
বাবার মতো জীবনধারণ করতে না পারলেও চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি সুন্দর জীবন পরিচালনায়। সৎ জীবন যাপনের পাশাপাশি অন্যের উপকার না করতে পারলেও যাতে ক্ষতি না করি সে চেষ্টা করি। মানুষের বিপদে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে পাশে থাকতে চাই। জীবনে অনেক সময় অস্বাভাবিক সফলতা ও সমৃদ্ধি পেয়েছি সব বাবার দোয়ায়। মাকে নিয়ে হজ্বব্রত করেছি। মা মারা যান ২০০৯ সালের ৯ মে। বাবার জন্য হজ্ব করার পরিকল্পনা করেছি। সবাইকে হতবাক করে ছোটভাই (ভাইদের মধ্যে ৩য়) উবেদ চৌধুরী পৃথিবীর মায়া ছেড়ে আসল চিরস্থায়ী ঠিকানায় প্রস্তানে প্রথম হয়ে চলে যায় ৭ জুন ২০২০ সকাল সাড়ে ৭টায়।
আজকের দিনে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি আজীবন দারিদ্র্যের সাথে লড়াইয়ের মধ্যেও ঈমানী দাওয়াতের কাজ করে সন্তুষ্টচিত্তে বিদায় নেয়া আমার বাবাকে। দোয়া করি মহান মাবুদের দরবারে তাঁর প্রিয় বান্দা (বাবা) কে ও তাঁর স্বজনদের যেন জান্নাতবাসী করেন। আপনারাও সবাই দোয়া করবেন


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো

         দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৮৮...

বিমানে আবুধাবি ও দুবাইগামী যাত্রীদের ‘করোনামুক্ত’ সনদ লাগবে

2        2Sharesসিলেট এক্সপ্রেস বাংলাদেশ থেকে ভুয়া...

বাংলাদেশ ইউনানী মেডিকেল এসোসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠান

         বাংলাদেশ ইউনানী মেডিকেল এসোসিয়েশন সিলেট...

সিলেট অঞ্চলের মানুষের আথিতেয়তা আর ঐক্য বিশ্বব্যাপি লক্ষণীয়

         লুৎফুর রহমান ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ...