সুনামগঞ্জে ছাত্রীদের অশ্লীল ভিডিও দেখানোর অভিযোগে শিক্ষক

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০     আপডেট : ৪ মাস আগে  
  

সুনামগঞ্জে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের পর্ন ছবি দেখানো ও যৌন হেনস্থার অভিযোগে গিয়াস উদ্দিন নামের এক প্রধান শিক্ষককে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলাবর সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজবাড়ি এলাকা থেকে ঐ প্রধান শিক্ষককে থানায় নিয়ে আসে সদর থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে নারী শিশু ট্রাইব্যুনাল আদালতে হাজির করলে জেল হাজতে পাঠায় আদালত। গিয়াস উদ্দিন শহরের বিলপাড় এলাকার বাসিন্ধা। তিনি মাইজবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, মাইবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির চার ছাত্রীকে কিছু দিন ধরে নানা অজুহাতে বিদ্যালয়ের ছাদে নিয়ে যেতেন প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন। সেখানে তাদের মোবাইলে পর্ন ছবি দেখাতেন তিনি। পর্ণ ছবি না দেখালে পরীক্ষায় ফেল ও নানা ভয়ভীতি দেখাতেন এই শিক্ষক। মঙ্গলবারও চার ছাত্রীর মধ্যে দুই ছাত্রীকে ছাদে নিয়ে পর্ন দেখানোর চেষ্ঠা করেন। অন্য দুই ছাত্রী বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের জানান। ঘটনাটি জানাজানি হয়ে গেলে স্থানীয় লোকজন বিদ্যালয় ঘেরাও করে শিক্ষককে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে তাদের হেফাজতে নিয়ে আসে। ছাত্রীদের অভিভাবকরা জানান, বেশ কিছু দিন ধরেই শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন নানা অজুহাতে ছাত্রীদের ছাদে নিয়ে ছাত্রীদের খারাপ ছবি দেখাতো। হাত ধরে টানাটানি করতো। ছবি না দেখলে নানা ভাবে হয়রানি করতো। মঙ্গলবার একই কাজ করলে এলাকাবাসী নিয়ে আমরা বিদ্যালয় ঘেরাও করি। এই বখাটে শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ করি। সদর থানার ওসি সহিদুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়ে গিয়াস উদ্দিন নামে এক শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। বুধবার এই শিক্ষককে আদালতে হাজির করলে তাকে জেল হাজতে পাঠান বিজ্ঞ বিচারক।

আরও পড়ুন