সুনামগঞ্জের ১০টি উপজেলায় প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ১৪৬ জন প্রার্থী

,
প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের ১০টি উপজেলায় প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ১৪৬ জন প্রার্থী। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৩১ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৭৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪১ জন।
গতকাল বুধবার রিটার্নিং অফিসার তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেন।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা : এ উপজেলায় ১৪ প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. খায়রুল হুদা পেয়েছেন নৌকা প্রতীক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোবারক হোসেন পেয়েছেন আনারস প্রতীক, মনীষ কান্তি দে মিন্টু পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীক ও রসিদ বখত পেয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জাকির হোসেন শাহীন পেয়েছেন চশমা প্রতীক, মো. আবুল হোসেন পেয়েছেন তালা প্রতীক, মো. বাবুল মিয়া পেয়েছেন টিউবওয়েল প্রতীক, মো. সাইফুল ইসলাম মুবিন পেয়েছেন মাইক প্রতীক ও শহীদুল্লাহ পেয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতীক। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী নিগার সুলতানা কেয়া পেয়েছেন বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক, ছাদিয়া বখত পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক, ফেরদৌসী সিদ্দিকা পেয়েছেন পদ্ম ফুল প্রতীক, মিনারা বেগম পেয়েছেন কলস প্রতীক ও সানজিদা নাসরিন দিনা পেয়েছেন হাঁস প্রতীক।
দিরাই উপজেলা : এ উপজেলায় প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ১২ প্রার্থী। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ রায় পেয়েছেন নৌকা প্রতীক। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আলতাব উদ্দিন পেয়েছেন আনারস প্রতীক, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মো. মঞ্জুর আলম পেয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রঞ্জন রায় পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীক। এ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে আরিফুজ্জামান চৌধুরী পেয়েছেন মাইক, মো. জুবের আলম পেয়েছেন বৈদ্যুতিক বাল্ব, মো. জায়ফর মিয়া পেয়েছেন টিয়া পাখি, মো. মোহন চৌধুরী পেয়েছেন চশমা, রুহুল আমিন পেয়েছেন তালা ও সর্দার কামাল হোসেন পেয়েছেন টিউবওয়েল। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছবি চৌধুরী পেয়েছেন হাঁস ও রিপা সিনহা পেয়েছেন ফুটবল।
দোয়ারাবাজার উপজেলা : এ উপজেলায় প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ২২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহিম পেয়েছেন নৌকা প্রতীক। জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. রেনু মিয়া পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান আল তানভীর আশরাফী চৌধুরী পেয়েছেন কাপ-পিরিচ প্রতীক, ফরিদ আহমদ তারেক পেয়েছেন আনারস প্রতীক, মো. হারুন অর রশিদ পেয়েছেন মোটর সাইকেল প্রতীক। ভাইস চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী গুরুদাস দে পেয়েছেন তালা প্রতীক, জালাল উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ঘুড়ি প্রতীক, নূরু হোসেন মো. আব্দুল্লাহ পেয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতীক, মো. আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন বই প্রতীক, মো. আব্দুল করিম পেয়েছেন পালকি প্রতীক, মো. জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন টিউবওয়েল প্রতীক, মো. জিয়াউর রহমান পেয়েছেন গ্যাস সিলিন্ডার প্রতীক, মো. নূর আলী ইমরান পেয়েছেন বৈদ্যুতিক বাল্ব প্রতীক, মো. ফয়জুল হক পেয়েছেন টাইপ রাইটার প্রতীক, মো. মারফত আলী পেয়েছেন আইসক্রিম প্রতীক, মো. রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন চশমা প্রতীক, মো. হারুন মিয়া পেয়েছেন মাইক প্রতীক ও সিরাজুর রহমান পেয়েছেন টিয়া পাখি। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছালেহা বেগম পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক, ঝরনা রানী দাশ পেয়েছেন প্রজাপ্রতি প্রতীক, সখিনা বেগম পেয়েছেন পদ্মফুল প্রতীক ও সৈয়দা পারভিন সুলতানা পেয়েছেন কলস প্রতীক।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা : এ উপজেলায় প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ১৩ প্রার্থী। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল কালাম পেয়েছেন নৌকা প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক আহমদ পেয়েছেন আনারস প্রতীক। ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী জমির হোসেন জামিল পেয়েছেন টিউবওয়েল প্রতীক, নূর হোসেন পেয়েছেন মাইক প্রতীক, মো. আতাউর রহমান পেয়েছেন তালা প্রতীক, মো. কামাল পারভেজ সাজন পেয়েছেন টিয়া পাখি প্রতীক, মোশারফ হোসেন জাকির পেয়েছেন চশমা প্রতীক, মো. শহীদুল ইসলাম পেয়েছেন বৈদ্যুতিক বাল্ব প্রতীক ও সিতাংশু শেখর ধর পেয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতীক। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুলন রানী তালুকদার পেয়েছেন পদ্মফুল প্রতীক, রফিকা মহির পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক, রুবিনা বেগম পেয়েছেন কলস প্রতীক ও হেলিনা আক্তার পেয়েছেন বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক।
ছাতক উপজেলা : এ উপজেলায় প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ১৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান পেয়েছেন নৌকা প্রতীক ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল পেয়েছেন কাপ-পিরিচ প্রতীক। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আতাউল হক পেয়েছেন বই প্রতীক, আবু সাদাত মোহাম্মদ লাহিন মিয়া পেয়েছেন টিউবওয়েল প্রতীক, বাবুল রায় পেয়েছেন মাইক প্রতীক, মো. আব্দুল গফ্ফার পেয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতীক, মো. ইজাজুল হক রনি পেয়েছেন তালা প্রতীক, মাছুম আহমদ পেয়েছেন চশমা প্রতীক, মো. শাহীন চৌধুরী পেয়েছেন টিয়া পাখি প্রতীক ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. শামীম আহমদ পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নাছিমা আক্তার চামেলী পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক, লিপি বেগম পেয়েছেন কলস প্রতীক, শিখা রানী দে পদ্ম ফুল প্রতীক।
তাহিরপুর উপজেলা : এ উপজেলায় ১৩ জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ প্রার্থী। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল পেয়েছেন নৌকা প্রতীক ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আনিসুল হক পেয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আব্দুল বারেক পেয়েছেন টিউবওয়েল প্রতীক, আলমগীর খোকন পেয়েছেন চশমা প্রতীক, ফেরদৌস আলম আখঞ্জী পেয়েছেন মাইক প্রতীক, মিলন তালুকদার পেয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতীক, রহমত আলী পেয়েছেন তালা প্রতীক ও রিয়াজ উদ্দিন পেয়েছেন টিয়া পাখি প্রতীক। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে খালেদা বেগম পেয়েছেন প্রজাপতি প্রতীক, বিউটি রানী সরকার পেয়েছেন কলস প্রতীক, হেনা আক্তার পেয়েছেন পদ্মফুল প্রতীক, রেখা আক্তার পেয়েছেন সেলাই মেশিন প্রতীক ও সেলিনা বিগম পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা : এ উপজেলায় ১৩ জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার পেয়েছেন নৌকা প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ পেয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক ও মো. সফর উদ্দিন পেয়েছেন আনারস প্রতীক। ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু সাহাব মোহাম্মদ সাইফুল আলম পেয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতীক, মো. আব্দুল মান্নান পেয়েছেন টিউবওয়েল প্রতীক, মো. তাজ্জত খাঁন পেয়েছেন মাইক প্রতীক, মো. সুলেমান তালুকদার পেয়েছেন বই প্রতীক, শাহ দেলোয়ার হোসেন পেয়েছেন তালা প্রতীক, সেলিম আহমদ পেয়েছেন টিয়া পাখি ও ইসলামী ঐক্যজোট প্রার্থী এ এইচ এম হাসান বশির পেয়েছেন মিনার প্রতীক। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাহফুজা আক্তার রীনা পেয়েছেন কলস প্রতীক, আয়েশা আক্তার পেয়েছেন প্রজাপতি প্রতীক ও মদিনা আক্তার পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক।
শাল্লা উপজেলা : এ উপজেলায় ১৫ জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারমান পদে ৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পেয়েছেন নৌকা প্রতীক ও তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অবনী মোহন দাস পেয়েছেন আনারস প্রতীক। ভাইস চেয়ারম্যান পদে অরিন্দম চৌধুরী পেয়েছেন টিয়া পাখি প্রতীক, দিপু রঞ্জন দাশ পেয়েছেন টিউবওয়েল প্রতীক, পঙ্কজ কুমার চৌধুরী পেয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতীক, ফনী ভূষণ সরকার পেয়েছেন বই প্রতীক, মো. আব্দুল মজিদ পেয়েছেন চশমা প্রতীক, মো. সাইফুর রহমান পেয়েছেন তালা প্রতীক ও জাতীয় পার্টি মনোনীন প্রার্থী কালীপদ রায় পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে অমিতা রানী দাশ পেয়েছেন প্রজাপতি প্রতীক, অলি বেগম পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক, আজিজুন নেছা পেয়েছেন সেলাই মেশিন প্রতীক, নেহার বেগম পেয়েছেন হাঁস প্রতীক, ব্রেইনী তালুকদার পেয়েছেন পদ্মফুল প্রতীক ও রেজিয়া বেগম পেয়েছেন কলস প্রতীক।
জামালগঞ্জ উপজেলা : এ উপজেলায় ২০ জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. ইউসুফ আল আজাদ পেয়েছেন নৌকা প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম শামীম পেয়েছেন মোটর সাইকেল প্রতীক ও রশীদ আহমদ পেয়েছেন আনারস প্রতীক। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আকবর হোসেন পেয়েছেন মাইক প্রতীক, আব্দুল কুদ্দুছ পেয়েছেন গ্যাস সিলিন্ডার প্রতীক, গোলাম জিনারী আফিন্দী পেয়েছেন তালা প্রতীক, জুবায়ের আবেদীন পেয়েছেন টিউবওয়েল প্রতীক, মো. আব্দুল আউয়াল পেয়েছেন বই প্রতীক, মো. আব্দুল আহাদ পেয়েছেন চশমা প্রতীক, মো. আসাদুল আলম সিদ্দিকী পেয়েছেন পালকি প্রতীক, মো. জসীম উদ্দিন পেয়েছেন টিয়া পাখি প্রতীক, মো. সিদ্দিকুর রহমান পেয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতীক ও শাহাব উদ্দিন পেয়েছেন বৈদ্যুতিক বাল্ব প্রতীক। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে চৌধুরী শারমিন রহমান পেয়েছেন প্রজাপতি প্রতীক, বীনা রানী তালুকদার পেয়েছেন পদ্মফুল প্রতীক, সুহেলা আক্তার পেয়েছেন হাঁস প্রতীক, রাবেয়া সিদ্দিকা পেয়েছেন সেলাই মেশিন প্রতীক, রুনা লায়লা পেয়েছেন বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক, শারমিন সুলতানা পেয়েছেন কলস প্রতীক ও হাফিজা আক্তার পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক।
ধর্মপাশা উপজেলা : এ উপজেলায় প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ১১ প্রার্থী । এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শামীম আহমদ মুরাদ পেয়েছেন নৌকা প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোজাম্মেল হোসেন রুকন পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীক, মো. ফখরুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন আনারস প্রতীক ও শামীম আহমদ পেয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক। ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এইচ এম ওয়াসিম পেয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতীক, ফারুক আহমদ পেয়েছেন চশমা প্রতীক, বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন টিউবওয়েল প্রতীক, মো. আব্দুল হাই তালুকদার পেয়েছেন মাইক প্রতীক ও মো. কামাল পেয়েছেন তালা প্রতীক। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইয়াছমিন পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক ও শান্তা চৌধুরী পেয়েছেন কলস প্রতীক।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন