সিলেট সিটি নির্বাচনে ৫ মেয়র প্রার্থীসহ ৯৭ প্রার্থী জামানত হারালেন

প্রকাশিত : ০৩ আগস্ট, ২০১৮     আপডেট : ১ বছর আগে  
  

কাউসার চৌধুরী:- সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মহানগর জামায়াতের আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ ৫ মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। একইভাবে সংরক্ষিত ও সাধারণ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন ৯২ কাউন্সিলর প্রার্থী। কাস্ট হওয়া ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় ৯৭ প্রার্থী জামানত হারান। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার সাইদুর রহমান সিলেটের ডাককে এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী নির্বাচনে কাস্ট হওয়া (প্রদত্ত ভোট) মোট ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পেলে ঐ প্রার্থীর জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে বা জামানতের অর্থ হারাবেন। প্রদত্ত ভোটের হিসেব অনুযায়ী গত ৩০ জুলাই সোমবার অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৫ মেয়র প্রার্থী, সংরক্ষিত আসনের ৩৫ কাউন্সিলর ও সাধারণ আসনের ৫৭ জন কাউন্সিলর প্রার্থী জামানত হারান।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, নির্বাচনে মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৬ ভোট কাস্ট হয়। এ হিসেবে জামানত রক্ষা পেতে হলে মেয়র প্রার্থীদের অন্তত ২৪ হাজার ৮৩২ ভোটের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় নাগরিক ফোরামের মেয়র প্রার্থী এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের (টেবিল ঘড়ি প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ১০৯৫৪), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী প্রফেসর ডাঃ মোয়াজ্জেম হোসেন খান (হাতপাখা প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ২১৯৫), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের প্রার্থী মোঃ আবু জাফর (মই প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ৯০০), বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী ও পরবর্তীতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বদরুজ্জামান সেলিম (বাস প্রতীকে ৫৮২) ও স্বতন্ত্র এহছানুল হক তাহের হরিণ প্রতীকে ২৯২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। মেয়র প্রার্থীরা প্রত্যেকে মনোনয়নপত্রের সাথে জামানত হিসেবে ২০ হাজার টাকার ব্যাংক ড্রাফট বা নগদ জমা দেন। সিটি কর্পোরেশনের ১৩৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩২টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী ভোটের এই চিত্র পাওয়া গেছে। বাকি দু’কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ৭৮৭।
এদিকে সংরক্ষিত ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের দু’টি ভোটকেন্দ্রের পুনরায় ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১১ আগস্ট। এজন্যে এই ২ ওয়ার্ডের ১৩ প্রার্থী বাদে অন্য ৭ ওয়ার্ডের ৪৯ প্রার্থীর মধ্যে ৩৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডে মোট ১৫ হাজার ২২৭ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ১৯০৩ ভোট। কিন্তু সমপরিমাণ ভোট না পাওয়ায় আছিয়া বেগম (প্রাপ্ত ভোট ১৪৪৫), দিলরুবা ইসলাম (প্রাপ্ত ভোট ১৬৩৯), মুক্তা চৌধুরী (প্রাপ্ত ভোট ৯৯৭), রত্মা বেগম (প্রাপ্ত ভোট ৩১২) ও সন্ধ্যা লক্ষ্মী দে (প্রাপ্ত ভোট ১৩১৬) জামানত হারান। সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ২১ হাজার ২২৩। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৬৫২ ভোট। এ পরিমাণের ভোট না পাওয়ায় আকতারুন নেছা বেগম (প্রাপ্ত ভোট ১৩৬১), আমিনা কায়সার (প্রাপ্ত ভোট ২০৩৮), রুনা বেগম (প্রাপ্ত ভোট ২৫৪১) ও রেহানা ফারুক শিরিন (প্রাপ্ত ভোট ১৭৬৪) জামানত হারিয়েছেন। সংরক্ষিত ৩নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ৩০ হাজার ৫৯২। প্রয়োজন ছিল ৩৮২৪ ভোট। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় আলিমুন (প্রাপ্ত ভোট ১১৫০), ফেরদৌস আরা (প্রাপ্ত ভোট ৯৯২), মিসেস রেবেকা জাহান (প্রাপ্ত ভোট ১২৪৮), মোছাঃ মিতা বেগম (প্রাপ্ত ভোট ৩৩৯৩), মোছাঃ রেশমা বেগম (প্রাপ্ত ভোট ১৮৭৬) জামানত হারান। সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ২৫ হাজার ৩৭২। জামানত রক্ষায় দরকার ছিল ৩১৭১ ভোটের। একমাত্র সালমা বেগম ২০১২ ভোট পেয়ে জামানত হারান। সংরক্ষিত ৫নং ওয়ার্ডে ১৯ হাজার ৩৯৫ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় ২৪২৪ ভোটের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সমপরিমাণের ভোট না পাওয়ায় ডাঃ খোরশেদা আক্তার বিউটি (প্রাপ্ত ভোট ৯৯০), পারুল মজুমদার (প্রাপ্ত ভোট ৯১০) ও মোছাঃ খালেদা বেগম হেনা (প্রাপ্ত ভোট ১২৩৩) জামানত হারান। সংরক্ষিত ৬নং ওয়ার্ডে ২২ হাজার ১৯ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় ২৭৫২ ভোটের প্রয়োজন ছিল। প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় ইন্দ্রানী সেন (প্রাপ্ত ভোট ২২৮০), ফাতেমা জামান (প্রাপ্ত ভোট ১৪৮৯), রেহেনা ইয়াছমিন (প্রাপ্ত ভোট ৬৭১), রোকসানা আক্তার জলি (প্রাপ্ত ভোট ২৫৬২) ও সিমলী বেগম ৬৫৫ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। সংরক্ষিত ৭নং ওয়ার্ডে নাজনীন আক্তার কনা ও নার্গিস সুলতানার সমান সমান ভোট হওয়ায় কেবলমাত্র এ দুজনের মধ্যেই আগামী ১১ আগস্ট পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত সোমবার মোট ২৩ হাজার ১৫৫ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৮৯৪ ভোট। কিন্তু এ পরিমাণের ভোট না পাওয়ায় মোছাঃ নাসরীন ইসলাম (প্রাপ্ত ভোট ৯৬৯), মাহমুদা নাজিম রুবি (প্রাপ্ত ভোট ১৮২৭), মুক্তা বেগম (প্রাপ্ত ভোট ১৫৬৭), শামীমা স্বাধীন (প্রাপ্ত ভোট ২০৬০), শিবানী দেব রায় (প্রাপ্ত ভোট ৮৯৫), স্বপ্না বেগম (প্রাপ্ত ভোট ১০১৩) ও ক্ষমা রানী দে (প্রাপ্ত ভোট ১৪২৭) জামানাত হারান।
সাধারণ ২৭ ওয়ার্ডের মধ্যে ২৪ ও ২৭নং ওয়ার্ডের দু’টি কেন্দ্রে পুনরায় ১১ আগস্ট ভোট গ্রহণ করা হবে। ২০নং ওয়ার্ড বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একজন নির্বাচিত হন। ৭ ও ১৭নং ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন দু’জন করে। পরাজিত প্রার্থী দু’ওয়ার্ডে জামানত হারাননি। বাকি ২০ ওয়ার্ডে ৫৭ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। ১নং ওয়ার্ডে ৫২২৯ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ৬৫৩ ভোট। এর মধ্যে ২৫৫ ভোট পেয়ে আনোয়ার হোসেন মানিক, ৮১ ভোট পেয়ে ইকবাল আহমদ রনি, ২৮৯ ভোট পেয়ে এজহারুল হক চৌধুরী মন্টু, ৩২০ ভোট পেয়ে মুফতি কমর উদ্দিন কামু, ২০৯ ভোট পেয়ে মুবিন আহমদ ও ৭৭ ভোট পেয়ে সলমান আহমদ চৌধুরীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ২নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ৩৯৪৭। এর মধ্যে ৪৯৩ ভোট পেলে জামানত রক্ষা হতো। কিন্তু ২৮৬ ভোট পাওয়ায় জমানত হারান রাসেল মামুন ইবনে রাজ্জাক।
৩নং ওয়ার্ডে ৬০৯৫ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় ৭৬১ ভোটের প্রয়োজন ছিল। এর মধ্যে ৬২৪ ভোট পেয়ে আব্দুল খালিক, ২৩১ ভোট পেয়ে ছালেহ আহমদ, ৩২ ভোট পেয়ে শামীম আহমদ চৌধুরী ও ৩৬৭ ভোট পেয়ে রাজীব কুমার দে জামানত হারান। ৪নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ৪৬৯৩। জামানতের জন্য ৫৮৬ ভোটের দরকার হলেও ১০৮ ভোট পেয়ে জাবের আহমদ চৌধুরী, ৬৭ ভোট পেয়ে মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, ৩৮৫ ভোট পেয়ে শেখ তোফায়েল আহমদ সেপুল ও ৪৯ ভোট পেয়ে সাকিল আহমদ জামানত হারিয়েছেন। ৫নং ওয়ার্ডে ৮৫৪৮ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় ১০৬৮ ভোটের মধ্যে ৮৮৭ ভোট পেয়ে রিমাদ আহমদ রুবেল, ৫১ ভোট পেয়ে নিলুফা সুলতানা চৌধুরী লিপি, ৪০৫ ভোট পেয়ে কাজী নজমুল আহমদ ও ৯০৫ ভোট পেয়ে আমিনুর রহমান পাপ্পু জামানত হারান। ৬নং ওয়ার্ডে কাস্ট হয় ৭৯৬৮ ভোট। ৯৯৬ ভোটের প্রয়োজন হলেও ১৫৯ ভোট পেয়ে শাহিন মিয়া ও ১৬৭ ভোট পেয়ে ইয়ার মোহাম্মদ এনামুল হক জামানত হারান। ৮নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ১১৪১২। জামানতের জন্যে ১৪২৬ ভোটের দরকার হলেও ৭৩২ ভোট পেয়ে শাহাদাত খান দবির, ১২৩৯ ভোট পেয়ে ফয়জুল হক, ৩১৬ ভোট পেয়ে বিদ্যুৎ দাস ও ৭৯৯ ভোট পেয়ে শাহেদ আহমদ জামানত হারিয়েছেন। ৯নং ওয়ার্ডে ৮৬৪৭ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় ১০৮০ ভোটের মধ্যে বিধান কপালী ২৩০ ভোট ও মোঃ হাফিজুর রহমান ১১৬ ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ১০নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ৮৭৪৯। জামানত রক্ষায় ১০৯৩ ভোটের প্রয়োজন ছিল। ৬৪৫ ভোট পেয়ে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম ও ১৯০ ভোট পেয়ে মোঃ মুজিবুর রহমানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ১১নং ওয়ার্ডে ৮৪৫৭ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় ১০৫৭ ভোটের প্রয়োজন হলেও ৩৮৩ ভোট পেয়ে মীর্জা এম.এস হোসেন ও ১৪৮ ভোট পেয়ে মোঃ কবির আহমদ জামানত হারান। ১২নং ওয়ার্ডে ৮১৬৬ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ১০২০ ভোট। ৪৮ ভোট পেয়ে আজহার উদ্দিন জাহাঙ্গীর, ৩৪০ ভোট পেয়ে রুবেল আহম ও ৯৬৫ ভোট পেয়ে সালাউদ্দিন মিয়া জামানত হারান। ১৩নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ৬৭১২। জামানত রক্ষায় ৮৩৯ ভোট প্রয়োজন থাকলেও ৭১৫ ভোট পেয়ে এবাদ খান দিনার ও ৫০৪ ভোট পেয়ে সুমন আহমদ জামানত হারিয়েছেন। ১৪নং ওয়ার্ডে ৬১৬৭ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় ৭৭০ ভোটের মধ্যে ১০৯ ভোট পেয়ে রণজিৎ চৌধুরী ও সাঈদী আহমদ ১৪৪ ভোট পেয়ে জামানত হারান। ১৫নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ৬৫১৬। ৮১৪ ভোট পেলে জামানত থাকলেও ৪৯৭ ভোট পেয়ে জামানত হারান আব্দুল গাফফার। ১৬নং ওয়ার্ডে ৬৪৫৪ ভোট কাস্ট হয়। জামানত বহালের জন্য প্রয়োজন ছিল ৮০৬ ভোট। ১৫২ ভোট পেয়ে কুমার গণেশ পাল, ১৩০ ভোট পেয়ে তমাল রহমান, ১৪৩ ভোট পেয়ে মির্জা বেলায়েত আহমদ (লিটন), ২৪৩ ভোট পেয়ে একরামুল আজিজ, ১৮৪ ভোট পেয়ে তামিম আহমদ খান ও ১৬৯ ভোট পেয়ে শাহজাহান আহমদ জামানত হারান। ১৮নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ৭০২৩। জামানত রক্ষায় ৮৭৭ ভোটের প্রয়োজন ছিল। ২৬৯ ভোট পেয়ে শামছুর রহমান কামাল ও ২৪২ ভোট পেয়ে সাজেদ আহমদ চৌধুরীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ১৯নং ওয়ার্ডে ৬৩২২ ভোট কাস্ট হয়। ৭৯০ ভোট পেলে জামানত রক্ষা পেতো। ২০৪ ভোট পেয়ে আফজালুর রহমান ও ৩৪৭ ভোট পেয়ে জমসেদ সিরাজের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ২১নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ৯০৮৭। ১১৩৫ ভোট পেলে জামানত রক্ষা পেতো। কিন্তু ৯৯৭ ভোট পাওয়ায় মুহিব উস সালাম রিজভী জামানত হারান। ২২নং ওয়ার্ডে ৫৬৯৪ ভোট কাস্ট হয়। জামানত রক্ষায় দরকার ছিল ৭১১ ভোট। ২১৪ ভোট পেয়ে মোহাম্মদ আবু জাফর, ৩৯২ ভোট পেয়ে মোহাম্মদ দিদার হোসেন ও ১৩০ ভোট পেয়ে ইব্রাহিম খান সাদেকের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ২৩নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ৪৭৫১। ৫৯৩ ভোট পেলে জামানত রক্ষা পেতো। ১৩৮ ভোট পেয়ে ছাব্বির আহমদ ও ৩১৬ ভোট পেয়ে মামুনুর রহমান মামুন জামানত হারান। ২৫নং ওয়ার্ডে প্রদত্ত ভোট ৮৬৬৯। ১০৮৩ ভোট পেলে জামানত ঠিক থাকলেও ৬৮ ভোট পাওয়ায় জামানত হারান মোঃ মোফজ্জল হোসেন। ২৬নং ওয়ার্ডে ৯৪৬১ ভোট কাস্ট হয়। ১১৮২ ভোট পেলে জামানত রক্ষা পেতো। কিন্তু ২১২ ভোট পেয়ে আব্দুল মন্নান, ১৭৫ ভোট পেয়ে মঈন উদ্দিন ও ২১৫ ভোট পেয়ে রেজাউল করিম জামানত হারিয়েছেন।

আরও পড়ুন



পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২১ নভেম্বর

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: আগামী ১২...

মজলিসের সিলেট মহানগর শাখা পুনর্গঠন

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: বাংলাদেশ খেলাফত...