সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ফেঞ্চুগঞ্জে মিথ্যা মামলায় একটি পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

,
প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০     আপডেট : ৫ মাস আগে
  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার দনারাম গ্রামের একটি পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন দনারাম গ্রামের আব্দুল বাছিত (নাছিক মিয়া)।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুল বাছিত বলেন, আমার বাবা ছিলেন ফেঞ্চুগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কাসিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষক। এছাড়া শিক্ষার উন্নয়নে আমাদের পরিবারের প্রতিটি মানুষ নিবেদিত প্রাণ। কখনোই মামলা-হামলায় জড়িত থাকা দুরের কথা, এলাকার কারো সঙ্গে বিরোধে জড়ায়নি। কিন্তু আজ একটি চিহ্নিত অপরাধী গোষ্ঠীর সাজানো চক্রান্তে পড়ে বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েছি।
তিনি বলেন, আমাদের গ্রামে আব্দুল মান্নানের ছেলে শাহীন ও পরিবারের লোকজন ‘অস্থায়ীভাবে’ বসবাস করছে। ১৯৯৪ সালে শাহীনের চাচা আব্দুল জব্বার নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে শাহীনের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। আমাদের পরিবারের ২২ জন ব্যক্তি এ ঘটনায় মামলার আসামি হয়ে কারা বরণ করেন। কিন্তু নিখোজের প্রায় ৩ বছর পর নারায়নগঞ্জ থেকে জব্বারকে উদ্ধার করা হয়। ওই সময় জব্বারকে তারা লুকিয়ে আমাদের উপর মামলা দায়ের করে। এরপর থেকেই তারা আমাদের স্বাভাবিক জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে।
আব্দুল বাছিত অভিযোগ করেন সম্প্রতি তাদের ক্রয়কৃত ভূমি নিজেদের দাবি করে আবারও মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে শাহীনের পরিবার। ওই ভূমিতে আমরা দীর্ঘ দিন ধরে চাষাবাদ করছি। কিন্তু গত দুই বছর আগে হঠাৎ করে শাহীন ও তার লোকজন এই ভুমি তাদের দাবি করে আমাদের বাধা দেয়। এরপর শাহীন ও তার পিতা বাদি হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে সত্ব মামলা দায়ের করে। কিন্তু জমি সংক্রান্ত বিরোধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মিথ্যা ঘটনায় ইতিমধ্যে গত ৯ আগষ্ট রিপা বেগম নামের এক মহিলাকে দিয়ে আমাদের অংশের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করে। পরে গত ৭ নভেম্বর রাবিয়া বেগম নামের আরো এক মহিলা আরো একটি মামলা করেছে।
তিনি বলেন, মামলা করেই শেষ নয়, আমাদের বাড়ির গোয়ালঘরে ও খড়ের ঘরে তারা আগুন দিয়েছে। এ ঘটনায় চান মিয়া, শুকুর মিয়া, আহসান মিয়া, টুটুল মিয়া, জমসেদ খান, আপনসহ কয়েকজন আসামি করে আদালতে মামলা করেছে আমার ভাতিজা কলা মিয়া। আমাদের উপর এলোপাতারি হামলার ঘটনায় আমি নিজে বাদি হয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় শাহীন মিয়াসহ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। এর আগে তাদের ষড়যন্ত্র, হামলা ও মামলা থেকে রক্ষা পেতে আমরা থানায় জিডি করেছি।
আব্দুল বাছিত বলেন, নানা অপপ্রচার চালানোর পর শাহীন গত বছরের ১০ ই আগষ্ট প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি মিথ্যা ও সাজানো অভিযোগ দায়ের করেছে। বর্তমানে এই অভিযোগটি পুলিশ তদন্ত করছে। আমি সিলেটের পুলিশ সুপার ও ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অনুরোধ করবো- সুষ্ঠু তদন্ত করে যে দোষি হবে তার বিচার হোক। সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল বাছিত দনারামসহ আশপাশের এলাকায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তারে কার ভুমিকা রয়েছে সেটি খুজে বের করার আহবান জানান।
আব্দুল বাছিত এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, সিলেটের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেন।


  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

আরও পড়ুন

শ্রীহট্ট প্রকাশ’র ৩য় প্রদর্শনীতে উন্মোচিত হল ‘সিন্ধু সভ্যতা’

4        4Sharesএশিয়ার অন্যতম দীঘতর্ম নদী সিন্ধুতীরে...

সালুটিকরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় আটক ১০, একনলা বন্দুক উদ্ধার

         সিলেটের গোয়াইনঘাটের সালুটিকর বাজার জামে...