সিলেট চেম্বারে আমদানি সাব কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

,
প্রকাশিত : ১৬ জানুয়ারি, ২০২১     আপডেট : ২ মাস আগে
  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    4
    Shares

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র আমদানী সাব কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৬ জানুয়ারী শনিবার সকাল ১১:০০ ঘটিকায় চেম্বার কনফারেন্স হলে এতে সভাপতিত্ব করেন আমদানী সাব কমিটির আহবায়ক জনাব পিন্টু চক্রবর্তী। তিনি বলেন, সিলেট চেম্বার ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন দাবী-দাওয়া আদায়ে সচেষ্ট রয়েছে। বর্তমানে আমদানী-রপ্তানীকারকরা বিভিন্ন শুল্কস্টেশন দিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এসমস্যাসমূহ আজকের সভার মাধ্যমে তুলে ধরার আহবান জানান এবং দাবী-দাওয়াগুলো প্রস্তাব আকারে চেম্বারে লিখিতভাবে পেশ করা আহবান জানান।

সিলেট চেম্বারের সভাপতি ও সাব কমিটির পদাধিকার বলে সদস্য জনাব আবু তাহের মোঃ শোয়েব বলেন, সিলেটের ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ আমদানী-রপ্তানী ব্যবসার সাথে জড়িত। সিলেটের বিভিন্ন শুল্ক স্টেশন দিয়ে পণ্য আমদানী হয়ে সারাদেশে সরবরাহ হয়ে থাকে। তাই সিলেটের আমদানী-রপ্তানীকারকদের সুবিধা-অসুবিধা দেখা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি বলেন, আমরা ইতোপূর্বেও আমদানী-রপ্তানীকারকদের বিভিন্ন সমস্যা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করেছি, তাই এসব সমস্যাও নিশ্চয়ই সুরাহা হবে। এছাড়াও ব্যবসায়ীদের যেকোন দাবী-দাওয়া আদায়ে সিলেট চেম্বারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বস্থ করেন।

সভায় সাবকমিটির সদস্যবৃন্দ সিলেটের ভোলাগঞ্জ, জকিগঞ্জ, সুতারকান্দি ও তামাবিল স্থলবন্দরের আমদানী-রপ্তানীকারকগণ তাদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার কথা চেম্বার নেতৃবৃন্দের কাছে তুলে ধরেন। তারা বলেন, সিলেটের প্রায় সবকটি স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতে থেকে কয়লা, পাথর ও চুনাপাথর আমদানী হয়ে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় কেবলমাত্র তামাবিল ব্যতীত অন্য কোন শুল্ক স্টেশনে কাস্টম্স কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ভবন ও গুদাম নেই, নেই ওজন পরিমাপক যন্ত্র। আমদানীকারকদের সুযোগ-সুবিধাও অত্যন্ত সীমিত। তারা তামাবিলসহ সকল শুল্ক ও স্থলবন্দরের দিয়ে আমদানী করার লক্ষ্যে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবী জানান। এছাড়াও আমদানীকারকগণ ভোলাগঞ্জ ইমিগ্রেশনের ব্যবস্থা, সুতারকান্দি পোর্ট থেকে এক কিলোমিটার বর্ধিত করা, গাড়ির চাকার সংখ্যার উপর ভিত্তি করে ওজন নির্ধারণ না করে প্রকৃত ওজন পরিমাপ করে আমদানী শুল্ক আরোপ করা, তামাবিল স্থলবন্দরের ডাম্পিং স্পেসের ভাড়া হ্রাস করা সহ বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সিলেট চেম্বারের সিনিয়র সহ সভাপতি ও সাব কমিটির পদাধিকার বলে সদস্য জনাব চন্দন সাহা, যুগ্ম আহবায়ক জনাব মুজিবুর রহমান মিন্টু, সদস্য জনাব বশির আহমদ, জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন, হাজী মোঃ আব্দুছ শুকুর তাপাদার, জনাব মোঃ জালাল উদ্দিন, জনাব মোঃ আবুল কালাম, জনাব জুবের আহমদ, জনাব মোঃ সরওয়ার হোসেন সেদু, জনাব তপন চক্রবর্তী, জনাব বাপ্পী দাস, জনাব আখতার হোসেন খান, জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান, শ্রী প্রদীপ কুমার রায়, শ্রী বিজিত চন্দ্র দাস, জনাব হারুন উর রশিদ, জনাব রূপক দাশ, জনাব সঞ্জয় কুমার দেব, জনাব মুহিউল ইসলাম চৌধুরী মুহিত প্রমুখ।


  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    4
    Shares

আরও পড়ুন