সিলেটে ট্রাভেলস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ৭ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলা

,
প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২১     আপডেট : ৮ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার এক ট্রাভেলস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চেক ডিজঅনার মামলা করা হয়েছে। সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্প্রতি এ মামলা (নং-৩০৩) করেন নগরীর তপোবন আবাসিক এলাকার ইব্রাহিম আলীর ছেলে আজমল আলী। অভিযুক্ত ট্রাভেলস ব্যবসায়ী ইয়াহইয়া বেগ মনোয়ার নগরীর পশ্চিম পাঠানটুল পল্লবী আবাসিক এলাকার ১ নং রোডের ৩ নম্বর বাসার মৃত শরিফ বেগের ছেলে। তিনি মদিনা মার্কেটের গেøাবাল স্টাডি কাউন্সেলিং বিডি নামের ট্রাভেলসের মালিক ও সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল ইউপি চেয়ারম্যান শিবলী বেগের ভাই। মামলার আগে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার নিস্পপত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও পাত্তা দেননি মনোয়ার বেগ। তার বিরুদ্ধে একাধিক ব্যাক্তির কাছ থেকে একইভাবে টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
বাদি ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব পরিচয়ের সুত্রধরে মনোয়ার ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ব্যবসার কথা বলে ৭ লাখ টাকা ঋণ নেন আজমল আলী কাছ থেকে। আজমল আলী ওই টাকা তার ভাই সমর রেজা সমরের কাছ থেকে এনে দেন। এনিয়ে তাদের মধ্যে একটি চুক্তিও হয়। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী টাকা ফেরত দেননি মনোয়ার বেগ। বার বার তাগদা দেওয়ার পর টাকার বিপরীতে ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ডাচ বাংলা ব্যাংকের একটি চেক প্রদান করেন তিনি। কিন্তু তার ব্যাংক একাউন্টে কোনো টাকা ছিল না। এ অবস্থায় গত ৮ ফেব্রæয়ারি আবার চেকটি জমা দিয়ে ডিজঅনার করান আজমল আলী। মামলা করার আগে গত ১০ ফেব্রæয়ারি তাকে উকিল নোটিশ প্রদান করে ৩০ দিনের মধ্যে টাকা প্রদানের কথা জানান আজমলের আইনজীবী। কিন্তু তাতেও সারা দেননি মনোয়ার। ফলে ১ এপ্রিল আদালতে এনআই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে বাদির আইনজীবী মো. তানভীর তাহা জানান, লকডাউনের কারণে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পরবর্তী আদেশ এখনো জানা যায়নি। কার্যক্রম শুরু হলে আদালত বিবাদির বিরুদ্ধে সমন জারি করবেন। টাকা আত্মসাত প্রসঙ্গে জানতে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেন নি মনোয়ার বেগ। এ বিষয়ে আজমল আলীর ছোট ভাই আলী রাহাত রাজা জানান, টাকা নিয়ে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। বার বার তারিখ দিয়েও টাকা প্রদান করা হয়নি। তার ভাই চেয়ারম্যানও সময় নিয়েছেন। কিন্তু সমাধান করে দিতে পারেন নি। আরও অনেকে মনোয়ারের কাছে টাকা পাবে বলে দাবি করেন রাজা।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন