সিলেটে করোনা ভাইরাস কিছু কথা

Alternative Text
,
প্রকাশিত : ০৬ জুন, ২০২০     আপডেট : ৮ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আব্দুস সামাদ তুহেল প্রিয় সিলেট বাসী , আপনারা জানেন যে আজ করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে আসার ৯০ তম দিন পূর্ণ হলো। ৯০ তম দিনে এসে পরিসংখ্যান বলছে। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন ৬০৩৯১ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ১২৮৩৪ জন। করোনা ভাইরাসে (COVID-19)মোট মৃত্যু বরণ করেণ ৮১১জন।৯০ তম দিনে করোনায় নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ২৮২৮ জন।করোনা ভাইরাসে(COVID-19) মৃত্যু বরণ করেছেন ৩০জন।যত দিন যাচ্ছে করোনা ভাইরাসে(COVID-19) সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল বেড়েই চলেছে। প্রিয় সিলেটের সচেতন নাগরিকবৃন্দ আপনারা জানেন যে গত রমজানেও আমাদের সিলেটে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার ছিল খুবই কম।আমরা সিলেট বাসিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখার জন্য সিলেটের বিভিন্ন মার্কেটের নেতৃবৃন্দ স্থানীয় সরকারের সহযোগিতায় বিভিন্ন সচেতনমূলক ও মহত্বী উদ্যোগ নিয়েছিলাম। আমরা ব্যবসায়িরা এটাই ভেবেছিলাম যে আগে মানুষের জীবন পরে ব্যবসায়।কিন্তুু খুব কষ্টের সাথে বলতে হচ্ছে কিছু মার্কেট ও কিছু অসাধু ব্যবসায়িদের কারণে আমরা সিলেট বাসিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারিনি।বিশেষ করে সিটি সুপার মার্কেট, হাসান মার্কেট, হকার মার্কেট এর ব্যবসায়িরা আমাদের সাথে কথা দিয়ে কথা রাখেনি।তাছারা জিন্দাবাজারের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী, ফেবিয়োলাস,সিগন্যাল,ইজি,মত ইত্যাদি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ও মার্কেট বন্ধ রাখার জন্য আমরা আপ্রান চেষ্টা করি। এ ব্যাপারে সিলেটের সাংবাদিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় অনেক লেখা লেখি হয়।সাংবাদিক ভাইদের সহযোগিতায় আমরা ২দিন মার্কেট বন্ধ রেখেছিলাম।কিন্তুু কোন এক অদৃশ্য কারণে আবার ঈদ পর্যন্ত মার্কেট খোলে দেয়া হয়।তাদের মার্কেট খোলে দেয়ার কারণে ঢাকা, নারায়নগঞ্জ,নরসিংদী, ময়মনসিংহ ইত্যাদি জেলায় কাপড় ব্যবসায়িরা অবাধে আশা যাওয়ার কারনেই আজ সিলেট করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে মূহুর্তের মধ্যে।আজ সিলেট বাসির প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে আতংকে ও উৎকন্ঠার মধ্যে দিয়ে।সকলের মধ্যে একটি ভয় এখন কাজ করছে কার কখন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ডলে পরবে এ ভয়ে আছে সিলেট বাসি। প্রিয় সিলেটের সচেতন নাগরিক দেখুন এক এক করে তিনটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল সিলেটের কিছু বেসরকারি হাসপাতালের দায়িত্বহীনতার কারণে।একজন মহিলা এক এক করে ৬টি হাসপাতালে ঘুরে। কিন্তুু কোন হাসপাতাল তাকে গ্রহন করেনি।শেষ পর্যন্ত মহিলা অ্যাম্বুলেন্সে ছটফট করতে করতে মৃত্যুর কোলে ডলে পরলেন।মৌলভীবাজার থেকে আসা এক রুগি একই অবস্থায় মারা যান।আজ বন্দর বাজারের এক ব্যবসায়ি “জনাব ইকবাল হোসেন খোকা ” ভাই ৪টি বেসরকারি হাসপাতালে ঘুরে। তাকেও কোন হাসপাতাল গ্রহন করেনি।শেষে তিনিও মৃত্যু বরণ করেন। কোন সাধারন জনগন গেলে তাদের ভর্তি নেয়া হয়না। সিলেট বাসি কি এত অবহেলিত। প্রশাসনের কি কোন দায়িত্ব নেই। প্রশাসন কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন।বেসরকারি হাসপাতাল গুলো সেবার নামে ব্যবসায় খুলে বসে আছে।আর কত প্রাণ গেলে তাদের সেবা নামে ব্যবসায় বন্ধ হবে।তাই আমরা সিলেট বাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও সম্মানিত মেয়র মহোদয় এবং প্রসাশনের কাছে জোর দাবি জানাই এই সব অমানবিক ও দায়িত্বহীন বেসরকারী হাসপাতালের বিরুদ্ধে দূত ব্যবস্তা গ্রহন করার জন্য।হয় বেসরকারি হাসপাতালে গুলো এই করোনা ভাইরাসের সংকটময় সময়ে সাধারণত জনগনকে সমান অধিকার দিয়ে সেবা দানের মাধ্যমে পাশে দাঁড়াবে। না হয় এসব সেবা দান কারী হাসপাতালের নামে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গুলোর লাইসেন্স বাতিল করার জোর দাবি জানাচ্ছে সিলেটের সচেতন নাগরিক। না হয় সিলেটের সচেতন নাগরিকবৃন্দ এই সব অনিয়মের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে কঠোর আবস্থান নেবে।

প্রচারেঃ

আব্দুস সামাদ তুহেল,সাংগঠনিক সম্পাদক,সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদ। ও সিলেটের সচেতন নাগরিকবৃন্দও


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

সিলেটে পাঁচ জনের কারাদণ্ড

         ট্রাক চালক এমদাদ হত্যা মামলায়...

পুনর্মিলনী পরস্পরিক ভালোবাসা বাড়িয়ে দেয়

         আব্দুস সোবহান ইমন : চট্রগ্রাম...