সিলেটের সেই নার্স রুহুল আমিনের ছেলের পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২০     আপডেট : ১ মাস আগে

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া দেশের প্রথম পুরুষ নার্স সিলেটের রুহুল আমিনের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
রুহুল আমিন সিলেট শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের নার্সিং কর্মকর্তা ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশের পাশাপাশি এবার তাঁর একমাত্র ছেলের পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

জানাযায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যক্তিগত তহবিল থেকে রুহুল আমিনের ছেলের পড়ালেখার জন্য তাঁর স্ত্রীর নামে ২ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনে দেবেন। যেটি দিয়ে সিলেট জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া তাঁর ছেলে আলীফের দৈনন্দিন পড়ালেখার খরচ চলবে। সেই সাথে তার টিউশন ফি ও একাডেমিক সকল ব্যয় মওকুফের উদ্যোগ নিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিকে, নার্সিং কর্মকর্তা রুহুল আমিনের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. ইউনুছুর রহমান ও উপ পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়।

এছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখার সভাপতি শামীমা নাসরিন ও সাধারণ সম্পাদক ইসরাইল আলী সাদেক।

এক যুক্ত বিবৃতিতে শামীমা নাসরিন ও ইসরাইল আলী সাদেক বলেন, করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই সিলেটের নার্সদের জন্য নানা উদ্যোগ নিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি সার্বক্ষণিক নার্সদের খোঁজখবর নেয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা সামগ্রীও পাঠিয়েছেন। এতে সিলেটে করোনাক্রান্ত রোগীদের সেবা দেয়া নার্সরা উৎসাহ ও উদ্দীপনা পেয়েছেন। এছাড়া নার্সিং কর্মকর্তা রুহুল আমিন মারা যাওয়ার পরপরই তিনি তাঁর খোঁজখবর নিয়েছেন এবং এবার তিনি তাঁর ছেলের পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়েছেন। এতে আমার মনেকরি তিনি সবসময় আমাদের পাশে রয়েছেন। আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

উল্লেখ্য, নার্সিং অফিসার রুহুল আমিন গত ২২ মে করোনায় আক্রান্ত হন। গত শুক্রবার তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। ঐদিন রাতেই তিনি মৃত্যু বরণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায়। তিনি ১৯৯৪ সালে সিলেট নার্সিং কলেজ থেকে নার্সিং পাশ করেন এবং ১৯৯৮ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে নার্সিং অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আরও পড়ুন

ইস্পা হত্যার বিচারের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক : সুনামগঞ্জের...

বিএনপির স্মারকলিপি প্রদান আজ

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: বিএনপির কেন্দ্র...