সিলেটের কামালের লাশ দেশে আনতে প্রধানমন্ত্রীসহ দুই মন্ত্রীর সহযোগীতা চায় পরিবার

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০     আপডেট : ৭ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সৌদি আরবের জিজান প্রদেশের শামতা সরকারি হাসপাতালে টাকা ও আইনি জটিলতায় পড়ে আছে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৬নং ফতেপুর ইউনিয়নের এক প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃতদেহ। তাহার মৃত্যুর খবরে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবারের আর্থিক সঙ্কটের কারণে লাশটি বাংলাদেশে আনা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। নিহত প্রবাসী কামাল উদ্দীনের অসহায় পরিবার মৃতদেহটি দেশে ফেরত আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এমপি ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপির সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার।

নিহত কামাল উদ্দীনের স্ত্রী লাকী আক্তার জানান, আমার স্বামীর মৃত দেহটি আনতে প্রচুর টাকা খরচ করতে হয় যা আমার অসহায় পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। পাশাপাশি আইনি জটিলতাও রয়েছে। স্বামীর মৃত দেহটি বাংলাদেশে ফেরত আনতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরো জানান, আমি আর কিছু চাইনা শুধু আমার স্বামীর লাশটি দেশে আনতে চাই। আমি সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ আশা করছি।

সৌদি আরবের জিজান প্রদেশের শামতা এলাকায় কামাল উদ্দিন (৪৫) নামে এক প্রবাসী যুবক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে।শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারী ) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সৌদি আরবে শামতা সরকারি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কামালকে মৃত ঘোষণা করেন। তাহার মৃতদেহটি বর্তমানে শামাতা সরকারি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। কামাল উদ্দিনের বাড়ী সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৬নং ফতেপুর ইউনিয়নের দেওয়ানের গাওঁ গ্রামের বেলাল মুন্সির ছোট ভাই প্রবাসী কামাল উদ্দিন।ব্যক্তিগত জীবনে তার ১ স্ত্রী ও ১ কন্যা ২ ছেলে সন্তান রয়েছে।

পরিবারের সূত্র থেকে জানা যায়, একমাস পর প্রবাসী কামাল উদ্দিন দেশে আশার কথা ছিলো। কিন্তু শনিবার হঠাৎ বুকে ব্যাথা উঠলে স্থানীয় প্রবাসীরা তাকে শামতা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাৎক্ষণিক ভাবে কামালকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। কামাল উদ্দিন প্রায় ১৯ বছর ধরে সৌদি আরবের জিজান প্রদেশের শামতা এলাকায় একটি কোম্পানিতে ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রবাসী কামালের লাশ বর্তমানে সৌদি আরবের জিজান প্রদেশের শামতা সরকারি হাসপাতালে রয়েছে।এ খবর কামালের গ্রামের বাড়িতে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় কান্নার রোল। এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে শোকের মাতম।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন