সাহিত্য সংসদ সমৃদ্ধ ও আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে প্রফেসর ড. শিবলী

প্রকাশিত : ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০     আপডেট : ৭ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লেখক-পাঠক-প্রকাশকদের মিলনমেলা দেশের প্রাচীন সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ কর্তৃক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত ত্রয়োদশ কেমুসাস বইমেলা গতকাল শনিবার শেষ হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিবেদিত ১৪ দিনব্যাপী বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আতফুল হাই শিবলী বলেন, মুসলিম সাহিত্য সংসদ দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান, সংসদ একুশের চেতনাকে ধারন করে আছে। সংসদের রয়েছে একটি ঐতিহাসিক সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, গবেষকদের জন্যে রয়েছে এখানে তাদের প্রয়োজনীয় উপাদান। এইভাবে সাহিত্য সংসদ সমৃদ্ধ ও আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।

শনিবার সন্ধ্যায় কেমুসাস’র শহিদ সোলেমান হলে সংসদের বইমেলা কমিটির আহবায়ক ও সংসদের সহ-সভাপতি লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ কেমুসাস বইমেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কেমুসাস’র সাবেক সভাপতি প্রফেসর মো. আবদুল আজিজ বক্তব্য রাখেন। বইমেলা কমিটির সদস্য সচিব নাজমুল হক নাজুর পরিচালনায় আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর নন্দলাল শর্মা, সংসদের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, সহসভাপতি মুহাম্মদ বশিরুদ্দিন, সহসভাপতি সেলিম আউয়াল। এসময় কার্যকরী কমিটির সাবেক সভাপতি হারুনুজ্জামান চৌধুরী, সহসাধারণ সম্পাদক সাবিনা আনোয়ার, সদস্য এডভোকেট আবদুস সাদেক লিপন, সৈয়দ মোহাম্মদ তাহের, সাহেদ হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. আতফুল হাই শিবলী আরো বলেন, বইমেলা আনন্দের উৎসব, বইকেনার মেলা। এখানে লেখক-পাঠক-প্রকাশকদের একটি চমৎকার সম্মিলন ঘটে, এজন্যে বইমেলার রয়েছে আলাদা একটি আকর্ষণ।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে প্রফেসর মো. আবদুল আজিজ বলেন, ফেব্রুয়ারি মাস ভাষার মাস। গোটা পৃথিবীতে ৬ হাজারের মতো ভাষা প্রচলিত আছে, এরমধ্যে ১০টি ভাষায় অধিকসংখ্যক মানুষ কথা বলেন এবং বাংলা ভাষার অবস্থান চতূর্থ। একসময় ধারনা ছিলো ইন্টারনেটের প্রচলনের ফলে মানুষ বই থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। এ ধারনা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আজো জ্ঞান চর্চার প্রধান মাধ্যম বই। বইয়ের প্রয়োজনীয়তা আজো ফুরিয়ে যায়নি।
সমাপনী অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে চিত্রাংকন, আবৃত্তি, ক্বিরাত, হাতের লেখা, নির্ধারিত বক্তৃতা, সংগীত, ক্যালিওগ্রাফি প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ত্রয়োদশ কেমুসাস বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে পাপড়ি, সাহিত্য রস প্রকাশনী, ভাষা ৫২, আত্তাকওয়া ইসলামিক সেন্টার, পা-ুলিপি প্রকাশন, বন্ধন পাবলিকেশন, মালঞ্চ বুক সেন্টার, আদর্শ, কালান্তর প্রকাশনী, অন্যমাত্র বুক শপ, কবি আফজাল চৌধুরী ফাউন্ডেশন, জসিম বুক হাউস, মারুফ লাইব্রেরি, শাকিল বুক সেন্টার, সিলেট বুক সেন্টার, আবিদা লাইব্রেরি, সিলেট লেখিকা সংঘ, বাসিয়া প্রকাশনী, চিলেকোঠা প্রকাশন, ঘাস প্রকাশন, শৈলী, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ। বইমেলা উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ভাষাসৈনিক প্রফেসর মো. আবদুল আজিজ ও ভাষাসৈনিক অধ্যক্ষ মাসউদ খানকে সংবর্ধনা প্রদান হয়। মেলার অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল বিভিন্ন লেখকের গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন, আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্বরচিত কবিতাপাঠের আসর।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

হোমল্যান্ড লাইফ ইনস্যুরেন্স সিলেট জোনের চেক বিতরণ

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: হোমল্যান্ড লাইফ...

সিলেট চেম্বারে সদস্যদের জন্য ভ্যাট, ট্যাক্স হেল্প ডেস্ক এর উদ্বোধন

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: চেম্বার কার্যালয়ে দি...