সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে খন্দকার মুক্তাদির গণসংযোগ-পথসভা

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮     আপডেট : ১ বছর আগে  
  

সিলেট সদর উপজেলা গত প্রায় এক যুগ ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত। সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের আমলে সিলেট সদর উপজেলায় যে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জোরালো কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, বিগত সরকারের আমলে তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। শুধুমাত্র রাস্তা মেরামতের মত ছোট খাট কাজ করে গত ১০ বছর পার করেছে সরকার। সিলেট জেলা প্রাণকেন্দ্র হলেও সিলেট সদর উপজেলার উন্নয়নে বড় কোন প্রকল্প গত ১০ বছরে গ্রহণ করা হয়নি। ইনশাআল্লাহ, আগামীতে বিএনপি তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সরকার গঠিত হলে সিলেট সদর উপজেলার উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
সিলেট-১ (সিলেট সদর ও মহানগর) আসনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সিলেট সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নের শিবের বাজারে ও খাদিমনগর ইউনিয়নের সাহেবের বাজারে পৃথক পৃথক পথসভায় এসব কথা বলেন। কয়েক হাজার জনতার উপস্থিতিতে পৃথক এই জনসভা দুটিতে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বৃহত্তর সদর উপজেলায় আমার জন্ম। আমার পিতাও এই জনপদের মানুষের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছিলেন। এই উপজেলার প্রতিটি গ্রামে আমার যাতায়াতের সুযোগ হয়েছে। শিশুকাল থেকেই এই এলাকার মানুষকে আমি নিজের আপনজন হিসেবে জেনেছি। এই এলাকার মাটি ও মানুষের উন্নয়ন হচ্ছে আমার প্রথম ও প্রধান অধিকার।
এর আগে সকাল থেকে সিলেট নগরী ও সদর উপজেলার সর্বত্র ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটান সিলেট-১ আসনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পনের পর তার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বক্তব্য রাখেন।
হাটখোলা ইউনিয়নের শিবের বাজারে আয়োজিত আয়োজিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন হাটখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রবীণ বিএনপি নেতা আজির উদ্দিন।
বিএনপি নেতা রফিুকল ইসলাম ও সিলেট ল’কলেজ ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ আলীর পরিচালনায় এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম, জেলা বিএনপির সহ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শাকিল মোর্শেদ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ জমির উদ্দিন, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ইসলাম উদ্দিন, উপজেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন, মহানগর ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলম সৌরভ, ছাত্রদল নেতা মুক্তার আহমদ, আবুল কালাম,
এর আগে সাহেবের বাজারে অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন খাদিমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস মেম্বার। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি নজরুল ইসলামের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জাহেদ আহমদ, মামুন আল রফিক, জুনেদ আহমদ, সাইদুর রহমান, এডভোকেট খোরশেদ আলম, এডভোকেট গোলাম রসুল সুমেল, এডভোকেট নুরুল আমিন, মজিবুর রহমান, রইছ আলী, ফয়জুর রহমান প্রমুখ।

জরুী সংবাদ সম্মেলন ঃ বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ (সিটি কর্পোরেশন-সদর উপজেলা) আসনে বিএনপি ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকার দলীয় লোকজন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আমার নির্বাচনী কাজে নিয়মিত বাধা প্রদান করে যাচ্ছে। নেতা কর্মীদের নির্বিচারে গ্রেফতার করা হচ্ছে। বাসা বাড়ীতে তল্লাশির নামে নেতা-কর্মী ও তাদের স্বজনদের হয়রানী নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সকলের প্রত্যাশা। কিন্তু, নির্বাচনের প্রচারণায় যেভাবে বাধা দেয়া হচ্ছে, তাতে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ সৃষ্টি তো দূরের কথা, নির্বাচনের স্বাভাবিক পরিবেশও সমুন্নত থাকছেনা। আর প্রশাসন যেভাবে একপেশে আচরণ করছে, তাতে মনে হচ্ছে ভোটের আগেই একজন বিশেষ প্রার্থীকে বিজয়ী করার সরকারী এজেন্ডা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
রোববার দুপুরে নগরীর ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ ধানের শীষের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আখতার হোসেনের দ্রুত বদলীর দাবী জানান ।
তিনি বলেন,গত ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখ প্রতীক বরাদ্দের পর পরই আমি ও আমার দল ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা শুরু করি। কিন্তু ওই দিন থেকেই সিলেটের প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে আমার নির্বাচনী কর্মকান্ডে বাধা প্রদান শুরু করে। ইতোমধ্যে, সিলেট-১ আসনে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ আম্বরখানায় এই নুরে আলা কমিউনিটি সেন্টারে আমাদের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। মালিক পক্ষের সাথে আলাপ আলোচনা সাপেক্ষে ভাড়া নিয়ে আমরা এই কমিউনিটি সেন্টার ব্যবহার করছি। অথচ, শুধুমাত্র আমাদের কাছে ভাড়া দেয়ার কারণে এই সেন্টার কর্তৃপক্ষকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে নানাভাবে হয়রানী করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে সিলেট মহানগরী ও সিলেট সদর উপজেলায় আমাদের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দের বাড়ীতে দফায় দফায় তল্লাশি করা হচ্ছে। আমাদের নেতা কর্মীরা গ্রেফতার এড়াতে অন্যত্র রাত্রি যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। নেতা কর্মীদের বাড়ীতে না পেয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমাদের নেতা-কর্মীর স্বজনদের সাথে চরম অসৌজন্য মূলক আচরণ করছে। অনেকের বসত ঘরের আসবাবপত্র তছনছ করা হচ্ছে। আমাদের নেতা কর্মীদেরকে সিলেট ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দেয়া হচ্ছে। ৩০ তারিখের পর সিলেট আসার জন্য নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন কতটুকু অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হবে- তা নিয়ে জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য যে, গত এক সপ্তাহে আমাদের অনেক নেতা কর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের কারো কারো বিরুদ্ধে পুরনো রাজনৈতিক মামলা থাকলেও তারা এসব মামলায় জামিনে রয়েছেন। কারো কারো বিরুদ্ধে নতুন করে গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন- সিলেট মহানগর ছাত্রদলের ২৬নং ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম আহবায়ক ফাহিম বক্স শিপু, সিলেট সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক দুলাল আহমদ, সিলেট জেলা ছাত্রদল সদস্য সাইদুর রহমান শিপন, নুরুল ইসলাম সোহাগ, সিলেট সদর উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল খালিক, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল, কান্দি গাঁও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আলী হোসেন খান সহ আরো অনেকে। এদের মধ্যে ছাত্রদল নেতা ফাহিম বক্স শিপু আমার পক্ষে ফেসবুকে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর কারণে তাকে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে গত ১২ ডিসেম্বর এক দিনের রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুল ইসলামকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাইদুলের নেতৃত্বে মারধর করে পুলিশের কাছে হস্থান্তর করা হয়েছে। পুলিশ তাকে গায়েবী একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান পাপলুর বাসায় গভীর রাতে অভিযান ও তল্লাশির নামে তার বাসার আসবাবপত্র ও মালামাল তছনছ করে দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। পাপলুকে না পেয়ে বাসায় অবস্থানরত পরিবারের লোকজনদেরকে হেনস্থা করে আইন শৃংখলা বাহিনীর লোকজন। এছাড়াও গায়েবী মামলার শিকার হয়ে অসংখ্য নেতাকর্মী নির্বাচনী কাজে অংশ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
এছাড়াও খাদিমপাড়া ইফপির গায়েবী মামলায় বর্তমান দুইজন ইউপি সদস্য সহ ১০জনকে আসামী করা হয়েছে। গত তিন মাস পুর্বে গার্ডেন টাওয়ারে ধানি জমিনে গরুর ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে গার্ডেন টাওয়ারের নৈশ প্রহরীর ছেলে মুমিনের সাথে কথা কাটাকাটির জের ধরে পরগণা বাজারে ছাত্রলীগ নেতা জুনেদের চাচাত ভাই সুনাফরের সাথে ইমরান ও মুমিনের মারামারি হয়। কিন্তু মুল ঘটনাকে আড়াল করে খাদিমপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আজাদুর রহমান আজাদ ও সহ-সভাপতি বর্তমান ইউপি সদস্য জাকেল আহমদ সহ ১০জনকে আসামী করা হয়। এর মধ্যে ইউপি সদস্য জাকেল আহমদকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, সরকারী দলের প্রার্থী ও তার সমর্থকরা প্রতিনিয়ত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘণ করে চলেছেন। তারা রঙ্গিন ব্যানার লাগিয়েছেন। দেয়ালে পোস্টার লাগিয়েছেন। কিন্তু, এ বিষযে স্থানীয় প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। অথচ, বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় সরকারী দলের প্রার্থীর সমর্থক ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। কোন কোন স্থানে প্রচারের মাইক নিয়ে এলাকায় প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছেনা। ধানের শীষ প্রতীকের পোস্টার লাগাতে বাধা দেয়া হচ্ছে, এমনকি লাগানো পোস্টার ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। গত ১৪ ডিসেম্বর শুক্রবার রাতে টিলাগড়, বালুচর, শিবগঞ্জ, কুদরত উল্লাহ পয়েন্ট ও সুরমা পয়েন্ট এলাকায় লাগানো পোস্টার ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা ছিঁঁড়ে ফেলে। জালালাবাদ থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিন জুয়েলের নেতৃত্বে একদল যুবক ইনাতাবাদে ধানের শীষের পোস্টার লাগাতে বাধা দেয় এবং পূর্বে লাগানো কিছু পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর শনিবার বালুচরে ধানের শীষের পোস্টার ছিঁড়ে অগ্নিসংযোগ করে উল্লাস প্রকাশ করেছে ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। ওইদিনই দুপুর আড়াইটায় মেজরটিলা বাজারে ছাত্রলীগ নেতা আনসার আহমদের নেতৃত্বে একদল যুবক ধানের শীষের প্রচারণায় নিয়োজিত মাইকিংয়ে ব্যবহৃত অটোরিকশা আটকে দিয়ে মাইকের তাঁর ছিঁড়ে নিয়ে যায় এবং মাইকিংয়ে নিয়োজিত আমাদের কর্মীদের পুণরায় মাইক নিয়ে এলাকায় গেলে হত্যা করার হুমকী দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জেলা বিএনপি সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, মহানগর বিএনপি সভাপতি নাসিম হোসাইন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থি ছিলেন- জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বয়াক এডভোকেট নুরুল হক, মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক, জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল গাফফার, ঐক্যফ্রন্ট নেতা এডভোকেট আনসার খান, পেশাজীবি নেতা বদরুদ্দোজা বদর, মহানগর সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির শাহীন, এডভোকেট ফয়জুর রহমান জাহেদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরাম সিলেটের সভাপতি এডভোকেট এটিএম ফয়েজ, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা সহ-সভাপতি শাহাজামাল নুরুল হুদা, মহানগর সহ-সভাপতি এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, আব্দুর রহিম, সিনিয়র আইনজীবি এডভোকেট আক্তার হোসেন খান, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, মহানগর দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো প্রমুখ। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি, ২৩ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সিলেটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন