শুদ্ধ স্বরে জাতীয় সংগীত চর্চা প্রসঙ্গে একটি প্রস্তাব

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০১৯     আপডেট : ১ বছর আগে  
  

 মো: আব্দুল মালিক

গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সকাল ৮ টায় সারাদেশব্যাপী একযোগে শুদ্ধস্বরে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। বিদেশে বসবাসরত অনেক বাঙ্গালি ও এসময় এর সাথে কন্ঠ মিলান। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর হলেও এটি একটি ভাল উদ্যোগ। এ জন্য সরকারকে সাধুবাদ জানাই। বহু ত্যাগ, তিতিক্ষা, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত, দু’লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমাদের এই জাতীয় সংগীত। আমরা যদি আমাদের দেশকে ভালবাসি, জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানাই তাহলে শহীদের আত্মা শান্তি পাবে। তাই প্রত্যেক দেশপ্রেমিক নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে শুদ্ধ স্বরে, সঠিক নিয়মে জাতীয় সংগীত গাওয়া। জাতীয় সংগীত শুধু শুদ্ধ স্বরে গাইলেই হবে না এর জন্য দাঁড়ানোর ও একটা নিয়ম আছে। আর নিয়মটি হচ্ছে দুই হাত মুষ্ঠিবদ্ধ ভাবে শরীরের সাথে লেগে থাকবে। এ সময় চোখ খোলা, বুক টান,সামনে দৃষ্টি থাকবে। কোন অবস্থায়ই জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় গা চুলকানি, নড়াচড়া ও কথা বলা যাবে না। এমন কি অনুষ্ঠানস্থলের বাইরেও যনি জাতীয় সংগীত শুনতে পাচ্ছেন তিনিও হাঁটা-চলা বন্ধ করে জাতীয় সংগীত শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেখানে যে অবস্থায় আছেন সেখানে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবেন। দুঃখজনক হলেও সত্য-অনেক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে যেখানে সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকেন সেখানেও সঠিক নিয়মে দাঁড়ানো হয় না। তাই শুদ্ধ স্বরে জাতীয় সংগীত গাওয়ার সাথে সাথে সঠিক নিয়মে দাঁড়ানোর চর্চা করাও জরুরী। আর এই চর্চা শুরু করতে হবে জাতীয় সংসদ থেকে। কারণ জাতীয় সংসদই এই আইন পাশ করেছে। তারপর ক্যাডার সার্ভিসে। জাতীয় সংসদ ও ক্যাডার সার্ভিস মূলত দেশ পরিচালনা করে থাকেন। এ দুই জায়গা সঠিক হয়ে গেলে সারা দেশ সঠিক হয়ে যাবে বলে বিজ্ঞজনেরা মনে করেন।

 

আরও পড়ুন



মির্জা ফখরুল আরিফের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম...

নগরীতে লরির চাপায় মোটরসাইকেল এক আরোহী নিহত

নগরীতে লরি ট্রাকের চাপায় এক...

সংসদ জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা পালন করছে

কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের ১০২৭...