শালবন বিহার

,
প্রকাশিত : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯     আপডেট : ৩ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মাহিম চৌধুরী

শাল হচ্ছে এক ধরনের দারুবৃক্ষের নাম ।শালকাঠের ঘন বন বা বাগানকে শালবন বলে । গৃষ্মমন্ডলীয় পাতাঝরা বনাঞ্চলই মূলতঃ শালবন । ভাওয়ালেের গড় বা মধুপুরের গড় প্রকৃৃতপক্ষে শালবন দ্বারাই পরিবেষ্টিত । কুমিল্লা জেলার এক ঐতিহাসিক শালবনের কোলে খননকাজের ফলে দেখা মেলে প্রাচীনকালের এক বৌদ্ধবিহারের । অার সেই থেকেই এর নাম হয়ে যায় শালবনবিহার ।

কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়ের সন্নিকটে ময়নামতি এলাকায় বাংলার প্রাচীন সভ্যতার এক অনন্য স্বাক্ষী হয়ে তার ধ্বংশাবশেষ নিয়ে দাঁড়িয়ে অাছে শালবন প্রত্নতাত্ত্বিক বৌদ্ধবিহার ।।
ধারণা করা হয় খৃষ্টীয় ৭ম শতাব্দী থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে এই বিহারটি নির্মাণ করা হয়েছিল ।
বিশাল দূর্গসম এই বিহারটি ক্রুশ অাকারে নির্মিত । যার অায়তন ১৬৭ মিটার । এতে রয়েছে ১৫৫ টি কক্ষ । বিহারটির প্রবেশস্থল মাত্র একটি । প্রবেশদ্বারের সম্মুখভাগ ২২.৬ মিটার চওড়া । দুর্গটির বাইরের দিকে দুপাশ দিয়ে রয়েছে দু’টি প্রলম্বিত কক্ষ যা দ্বাররক্ষকদের কক্ষ বলেই মনে হয় । বিহারের দেয়ালগুলি বিশাল ও পুরু । অনেকটা পাহাড়পুর বৌদ্ধববিহারের অাদলে নির্মিত এ বিহারটি যদি অাপনি সময় নিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখেন তাহলে অাজ থেকে প্রায় ১৩০০/৮১৮ বছর পূর্বের এ ধর্মীয় প্রতিষ্টানের বিত্ত অার জৌলুশের ধ্বংশাবশেষের গাঁয়ে অাটকে যাবে অাপনার চোখ !
উল্লেখ্য যে একসময় এই এলাকায় প্রচুর শালকাঠের ঘন বন ছিল ।। যায় কারণে এই বিহারটির নামকরণ করা হয় শালবন বিহার। । প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে অাবিস্কৃত এই বিহারটির অভ্যন্তর থেকে ০৮টি তাম্রলিপি, ৪০০ স্বর্গ ও রৌপ্যমূদ্রা,অসংখ্য পোড়ামাটির ফলক,শিলমোহর, মাটি ও ব্রোঞ্জমুর্তি পাওয়া গেছে ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

সিলেটসহ ৫৯ জেলায় ৪৫ হাজার নদী দখলদার চিহ্নিত

        জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ৫৯...

সিলেটের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উপচেপড়া ভিড়

        পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির কারণে...

বাংলাদেশ ব্যাংকে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

        ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে...

ভোটের ফলাফল দেখে আমি হতবাক

        সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেট-২ (ওসমানীনগর-বালাগঞ্জ)...