লন্ডনে যাপিত জীবন – ১৯ পারভেজ আহমদ সেবাকর্মে লড়াকু সৈনিক

প্রকাশিত : ২০ জুন, ২০২০     আপডেট : ৩ মাস আগে
  • 41
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    41
    Shares

সাঈদ চৌধুরী :

লন্ডন বারা অব ব্র্যান্ট কাউন্সিলের জনপ্রিয় কাউন্সিলার ও সাবেক মেয়র পারভেজ আহমদ অত্যন্ত রুচিশীল জীবন যাপনে অভ্যস্ত একজন দূরদর্শী রাজনীতিক। স্বল্পভাষী ও বহুমুখী সেবামূলক কর্মকান্ডের লড়াকু সৈনিক।

বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন (বিসিএ) ইউকের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল পারভেজ আহমদ বিলেতে বাংলাদেশী সমাজ বিকাশের এক বলিষ্ঠ কর্মবীর‬। বিসিএ’র প্রথম যুগের সংগ্রামী সংগঠকদের অন্যতম একজন। ছিলেন বিসিএ ম্যানেজমেন্ট কমিটি মেম্বার, ডেপুটি সেক্রেটারি ও সেক্রেটারি জেনারেল। প্রায় দুই যুগের অধিক একটানা লড়েছেন বিলেতে বাংলাদেশী রোস্তোরা মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিসিএ’র জন্য। ১৯৮৮ সালে গ্রেট কমিউনিটি লিডার এম এ রহিম তাকে বিসিএ’র সাথে যুক্ত করেছিলেন।

আমি বিলেত আসার পর ২০০০ সালের ২৫ মার্চ শনিবার বিকেলে জনপ্রিয় কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন (বিসিএ) ইউকের প্রেডিডেন্ট মিয়া মনিরুল আলমের সাথে মতবিনিময় কালে পারভেজ আহমদও ছিলেন। তখনই তার সাথে আমার পরিচয় হয়। বিসিএ’র প্রচার সংক্রান্ত বিষয়ে তারা আমার সাথে বিশদ আলোচনা করেন। আমি তাদের বক্তব্যের আলোকে একটা সুন্দর প্রতিবেদন তৈরী করে সাপ্তাহিক নতুন দিন ও দৈনিক ইনকিলাবে প্রেরণ করি। আমি তখন নতুন দিনের এসিস্ট্যান্ট এডিটর এবং ইনকিলাবের লন্ডন প্রতিনিধি।

এরপর পারভেজ আহমদের সাথে রাজনৈতিক কর্মকান্ড এবং বিসিএ সহ কমিউনিটির বিভিন্ন ইস্যুতে বার বার সাক্ষাৎ হয়েছে। ২০০১ সালে যখন ইউরো বাংলা নামে বাইলিঙ্গুয়াল (বাংলা-ইংলিশ) সাপ্তাহিক কাগজ করি তখন তিনি আরো ঘনিষ্ট হন। ২০০২ সালে যখন সংবাদ সংস্থা মিডিয়া মহল প্রতিষ্ঠা করি তখন আমাকে উৎসাহিত করেছেন। ২০০৩ সালে আমার সম্পাদনায় মিডিয়া মহল থেকে প্রকাশিত হয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তত্ব ও তথ্য সমৃদ্ধ বৃটেনে বাংলাদেশী ব্যবসা বিষয়ক গাইড ’ইউকে বাংলা ডাইরেক্টরি’। এসময় বিসিএ’র নেতা হিসেবে বাংলাদেশী রেষ্টুরেন্ট সমূহের নাম ঠিকানার ব্যাপারে তিনি বেশ সহায়তা করেছেন।

২০০৮ সালে বৃটেনের সকল এশিয়ান রেষ্টুরেন্ট নিয়ে আমার সম্পাদিত ইউকে এশিয়ান রেষ্টুরেন্ট ডাইরেক্টরিতেও তার সহায়ক ভূমিকা ছিল। তখন এশিয়ান ১৮ হাজার রেষ্টুরেন্টের ঠিকানা সহ তালিকা প্রকাশ করি। এর মধ্যে সাড়ে নয় হাজার অর্থাৎ অর্ধেকের বেশী বাংলাদেশী মালিকানা প্রমান করেছি। বৃটিশ লাইব্রেরী এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি সহ বৃটেনের মূল ধারায় ডকুমেন্ট হিসেবে এখন তা প্রযোজ্য। এই ডাইরেক্টরি সমূহ ব্যবসা-বাণিজ্য ছাড়াও আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে এক অপরিহার্য অনুসঙ্গ।

২০১০ সালে আমার সবচেয়ে ফ্লাগশিপ প্রকাশনা ইসলাসিক সম্মেলন সংস্থার (ওআইসি) ৫৭টি দেশের তত্ত্ব ও তথ্য সমৃদ্ধ মুসলিম ইন্ডেক্স সম্পাদনা কালেও তিনি সামগ্রীক সহায়তা করেছেন। এছাড়া এক্সেলসিয়র সিলেট হোটেল এন্ড রিসোর্ট প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বৃটিশ এমপি অ্যান ম্যানকে নেয়ার ব্যাপারে তিনি সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছেন। সামাজিক কল্যাণ কর্মে তার সাথে সম্পর্কের ধারাবাহিকতা এখন আরো দৃঢ়তর হয়েছে।

লন্ডন বারা অব ব্র্যান্ট কাউন্সিলে মেয়র মনোনীত হবার আগে পারভেজ আহমদ যখন ডেপুটি মেয়র হন, তখনই এটা বেশ আলোচনায় আসে। এক শতাংশের কম বাংলাদেশী অধ্যুষিত বারায় প্রথম বারের মতো একজন বাঙ্গালি লীডিং পজিশনে আসা সহজ ছিলনা। বিলেতের অন্যতম ল্যান্ডমার্ক ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম ও ওয়েম্বলি এরিনার জন্য বিখ্যাত ব্র্যান্ট কাউান্সিলের সর্বমোট জনসংখ্যা ৩৩০,৭৯৫ জন। এরমধ্যে ৩৮ শতাংশ বৃটিশ ও অন্যান্য হোয়াইট, ১৫.৪ শতাংশ আফ্রিকান ও ক্যারাবিয়ান, ১৮.৬ শতাংশ ইন্ডিয়ান, ৪.৬ শতাংশ পাকিস্তানী, ৩.৭ শতাংশ আরব, ১ শতাংশ চায়নিজ, আর মাত্র ০.৬ শতাংশ বাংলাদেশী। বাকী অন্যান্য এশিয়া ও আফ্রিকান দেশ সমূহের অধিবাসী।

উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল লন্ডন বারা অব ব্র্যান্ট। ১৯৬৫ সালে ওয়েম্বলি মিউনিসিপালিটি এবং মিডিলসেক্সের উইল্সডেন মিউনিসিপালিটি থেকে ব্র্যান্ট বারা গঠিত হয়েছিল। এটি আউটার লন্ডনের অংশ। উত্তর-পশ্চিমে হ্যারো, পূর্বে ক্যামডেন, দক্ষিণ-পূর্বে ওয়েস্টমিনস্টার সিটি ও কেন্সিংটন রয়্যাল এবং চেলসিয়া, হামারস্মিথ ও ফুলহাম এবং দক্ষিণে এলিং। এই বারার মধ্য দিয়ে ব্র্যান্ট নদী প্রবাহিত হয়েছে বলেই নাম ব্র্যান্ট রাখা হয়েছে।

লেবার দলীয় কাউন্সিল পারভেজ আহমদকে ২০১৫-১৬ সালের জন্য ডেপুটি মেয়র ঘোষনা করে। স্বাভাবিক নিয়মে ১৬-১৭ সালের জন্য কাউন্সিলের মেয়র হওয়া তার নিশ্চিত হয়ে যায়। দুই সন্তানের জনক এবং কমিউমিউনিটির পরিচিত মুখ পারভেজ আহমদ তখন প্রায় ৩ দশকের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেবার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। শ্বেতাঙ্গ এবং আফ্রিকান ও এশিয়ান সকল মহলের কাছে নিজের গ্রহণ যোগ্যতা প্রমাণ করে তিনি তাদের সমর্থন লাভে সক্ষম হন।

ব্র্যান্ট কাউন্সিলে ২০০২ সালে চান্দ্রা কবির প্রথম বাঙালি কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ২০০৬ সালে হয়েছেন পারভেজ আহমদের স্ত্রী লিনা আহমদ। ২০১৪ সালে কাউন্সিলর হলেন পারভেজ আহমদ। স্বামী-স্ত্রী দু’জনের রাজনৈতিক ও সেবামূলক পারফর্ম্যান্স বিচার বিবেচনা করেই এই পদে লেবার দল তাকে মনোনীত করেছে। দলের ৫৬ জন কাউন্সিলর গোপন ব্যালটে ৪ জন প্রার্থির মধ্যে পারভেজ আহমদকে নির্বাচিত করেন। লেবারগ্রুপ নির্বাচিত করলেও পরে ফুল কাউন্সিল মিটিংয়ে ডেপুটি মেয়র হিসেবে তাকে অনুমোদন দেয়া হয়। পারভেজ আহমদ যথাযথ নিয়ম ও সম্মানের সাথে এ দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৬ সালের ১৮ মে পারভেজ আহমদ সিরিমনিয়্যাল মেয়র হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। এসময় তিনি কাউনিসলের সামগ্রীক কার্যক্রমে গতি সঞ্চার করেন। তিনি সর্বোচ্চ ৭৯৭টি সিরিমনিয়্যাল ইভেন্টে অংশ নেন। এর আগে যারা ছিলেন তারা ৫শ’র মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

পারভেজ আহমদ সুনিপুন ভাবে সিভিক দায়িত্ব পালনের জন্য ২০১৭ সালের ২৬ এপ্রিল ক্যানারি ওয়ার্ফ গ্রুপ কর্তৃক স্বীকৃতি ও সম্মাননা লাভ করেন। ২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর তারিখে এসএমই৪ লেবার এওয়ার্ড এবং লেবার বেস্ট কাউন্সিলার অব দ্যা ইয়ার এওয়ার্ড লাভ করেন। রাজনীতি ও সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর বৃটিশ বাংলাদেশী হু ইজ হু এওয়ার্ড এবং ২০০৬ সালে চ্যানেল এস কমিউনিটি এচিভমেন্ট এওয়ার্ড লাভ করেন তিনি।

সেবাকর্মেও পারভেজ আহমদ রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। ২০১৬-১৭ সালে তিনি ৫০ হাজার পাউন্ড সংগ্রহ করে তিনটি চ্যারিটি প্রকল্পে প্রদান করেছেন। এরমধ্যে একটি স্থানীয় তরুণদের নিয়ে স্কুল শিক্ষার্থিদের মানসিক স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক বিশেষ প্রকল্প পরিচালনা করে। অন্যটি ডিমেনসিয়া ফ্রি ব্র্যান্ট ঘোষনার অংশ হিসেবে অ্যাশফোর্ড প্লেস কর্তৃক পরিচালিত, যারা বয়সী মানুষের সাথে কাজ করে। তৃতীয়টি স্থানীয় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের খাদ্যের অভাব দূর করতে খাদ্য ব্যাঙ্ক হিসাবে কাজ করে। এছাড়া নর্থ ওয়েস্ট লন্ডনের সুফ্রা প্রকল্পকে বিশেষ সহযোগিতা করেছেন তিনি। তার সহায়তায় সুফ্রা ফুড ব্যাংকের জন্য প্রায় ৬০ হাজার পাউন্ড সংগ্রহ হয়েছে।

পারভেজ আহমদ এসআরবি কিলবন রিজেনারেশন বোর্ড মেম্বার ছিলেন। এটি কিলবন হাই রোড, সাউথ কিলবন রেসিডেন্সিয়াল এরিয়া সহ প্রায় ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের উন্নয়ন সাধন করেছে। গোটা এলাকার চেহারা বদলে গেছে। পারভেজ আহমদ স্থানীয় ও জাতীয় আরো অনেক সংস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট। এর মধ্যে রয়েছে ট্রাইসাইকেল থ্রিয়েটার ও সিনেমা, ব্র্যান্ট সেইফার নেইবারহুড টিম, ব্র্যান্ট মাইনরিটি এথনিক ফোরাম, গ্রেটার সিলেট কাউন্সিল, নর্থ ওয়েস্ট লন্ডন মুসলিম ফোরাম, কিলবান পার্টনারশীপ, সিঙ্গল রিজেনারেশন বোর্ড, ফ্রেন্ড অব বাংলাদেশ ইউকে, ওয়েস্ট হাম্সটেড বেঙ্গলি এসোসিয়েশন, ৪০৩ হারো রোড লিমিটেড, বাংলাদশে সেন্টার (নটিংহিল, লন্ডন), সিলেট সদর এডুকেশন ট্রাস্ট, ক্যামব্রিজ মস্ক ট্রাস্ট, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব ইত্যাদি।

পারভেজ আহমদ এপেক্স ইন্টার ন্যাশনাল এবং রেড ক্রিসেন্টের সাথেও জড়িত। তিনি ন্যাশনাল হার্ড ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, বিয়ানী বাজার কেন্সার হাসপাতাল, রেড ক্রিসেন্ট বাংলাদেশ, ইকরা একাডেমী সিলেট, বালাগঞ্জ কলেজ ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন ঢাকার লাইফ মেম্বার। পারিবারিক ভাবেও সেবাকর্মে তিনি সক্রিয় রয়েছেন। তার প্রতিষ্ঠিত ‘পারভেজ আহমদ ফ্যামেলি এডুকেশন ট্রাস্ট’ মহিলা শিক্ষায় উৎসাহ প্রদান করে থাকে।

পারভেজ আহমদ প্রায় ৩০ বছর ধরে লেবার পার্টির একটিভ মেম্বার। গত ৩ বছর ধরে ব্র্যান্ট কাউন্সিলের লাইসেনিং কমিটির চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে প্রায় ১০ বছর স্থানীয় লেবার পার্টির চেয়ার ছিলেন। জেনারেল কাউন্সিলের সদস্য হিসেবেও জাতীয় নীতি নির্ধারণী সভায় দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নিউ জেনারেশন ২০০০ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দলের সাথে এবং কাউন্সিল, জিএলএ ও পার্লামেন্ট নির্বাচনে সংযুক্ত করার ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি এই প্রকল্পের চেয়ারম্যান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহেনার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক এমপি নির্বাচনে জয় লাভের ক্ষেত্রে পারভেজ আহমদ মূখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তার ব্র্র্যান্ট কাউন্সিলের ৩টি এবং কেমডেন কাউন্সিলের ৭টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হ্যাম্পস্টেড এন্ড কিলবার্ন আসনে টিউলিপ সিদ্দিক এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। বৃটেনের রাজনৈতিক ডামাডোলে চার বছরের মধ্যে তিনবার পার্লামেন্ট ইলেকশন হয়েছে। প্রতিবারই টিউলিপ বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন এবং পারভেজ আহমদ প্রচার কাজে সক্রিয় ভাবে জড়িত ছিলেন।

২০১৬ সাল থেকে পারভেজ আহমদের উদ্যোগে ব্র্যান্ট কাউন্সিলে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বিজয় দিবস উদযাপন কর্মসূচি চালু হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এটি একটি আনন্দ ও গৌরবের ব্যাপার।

পারভেজ আহমদ ২০০৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত নর্থ ওয়েস্ট লন্ডন চেম্বার অব কমার্সের ডাইরেক্টর চিলেন। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন কর্তৃক ইয়ং বালাদেশী এচিভমেন্ট সেলিভ্রেশন অনুষ্ঠান ’এডুকেশন এওয়ার্ড সিরেমনি’তে সার্বিক সহায়তা করেছেন।

পারভেজ আহমদ মেয়র হিসেবে ২০১৭ সালের জানুয়ারী মাসে বাংলাদেশ সফর করেন। ৭ জানুয়ারী দেশে পৌছেই তিনি গনভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেন। এসময় আরো ছিলেন শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহেনার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক এমপি, প্রধানমন্ত্রির প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ড. কামাল আবুল নাসের, পিএমও সেক্রেটারি সুরাইয়া বেগম ও প্রেস সেক্রেটারি এহসানুল করিম। শেখ হাসিনা বাংলাদেশী অরিজিন হিসেবে লন্ডনের ব্র্যান্ট কাউন্সিলে মেয়র মনোনীত হওয়ায় পারভেজ আহমদকে ধন্যবাদ জানান। একই সাথে প্রধানমন্ত্রী দুইজন ছায়া মন্ত্রীসহ তিন বাংলাদেশী অরিজিন বৃটিশ পার্লামেন্ট মেম্বার হওয়ায় আনন্দ অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি টিউলিপ সিদ্দিক, রুশনারা আলী ও রূপা হককে বাংলাদেশের গর্ব বলে উল্লেখ করেন।

মেয়র পারভেজ আহমদ ১৬ জানুয়ারি রবিবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সঙ্গে বঙ্গভবনে দেখা করেন। সাক্ষাতকালে মেয়র তার কাউন্সিলের কর্মকান্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন জানান, বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোর সাংগঠনিক অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, জনবল কম থাকায় বাংলাদেশী অভিবাসিদের প্রত্যাশিত সেবা দেয়া এসব মিশনের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি মিশনগুলোতে আইন কর্মকর্তা নিয়োগের পরামর্শ দেন। এছাড়া বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি তুলে ধরতে মিশনগুলোতে তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগেরও পরামর্শ দেন তিনি। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ লন্ডন বারা অব ব্র্যান্টের মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় পারভেজ আহমেদকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশী অভিবাসিরা দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরতে শুভেচ্ছা দূত হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদের সাথে মেয়র পারভেজ আহমদ ৮ জানুয়ারী এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রির দফতরে অনুষ্ঠিত আলোচনায় আবুল হাসান মাহমুদ ব্র্যান্ট কাউন্সিলে মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় পারভেজ আহমদকে অভিনন্দন জানান। তিনি ২০০১ সালে লন্ডনে বাংলাদেশের হাই কমিশনার থাকাবস্থায় প্রবাসিদের সাথে তার হার্দিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে অনেক স্মৃতিচারণ করেন। তিনি প্রবাসিদের স্বার্থে সব কিছু করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানান।

১১ জানুয়ারি স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সাথে তার কার্যালয়ে মেয়র পারভেজ আহমদ সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তারা লন্ডনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের অবস্থা, বাংলাদেশের উৎপাদিত সর্বোৎকৃষ্ট সামগ্রীগুলো ‘বাংলাদেশ ব্রান্ড’ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন ফোরামে তুলে ধরা, বিদেশে সরকারি কর্মক্ষেত্র ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের অবস্থান আরো সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা করেন। স্পিকার বাংলাদেশী হিসেবে লন্ডনের ব্র্যান্ট কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা ইতোমধ্যে সে সব দেশের সরকারি কর্মক্ষেত্র ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছে। ভবিষ্যতে এই অংশগ্রহণ আরো বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মেয়র পারভেজ আহমদ বলেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী জনগনের সেদেশের সরকারী কর্মক্ষেত্র ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ বাড়ছে। তিনি বিদেশে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বাংলাদেশের বিষয়গুলো সেদেশে আরো জোরালোভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

১১ জানুয়ারি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সাথে মেয়র পারভেজ আহমদের মতবিনিময় কালে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসিরা বাংলাদেশের সম্পদ, তথ্য মন্ত্রণালয় তাদের পাশে রয়েছে। সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মেয়র পারভেজ আহমদের সাথে বৈঠককালে তিনি আরো বলেন, যুক্তরাজ্যের রন্ধন ও খাদ্য পরিবেশন শিল্পে দক্ষ বাংলাদেশিদের নিয়োগ সহ শ্রমবাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে যা যা করা প্রয়োজন, সরকার তাতে সক্রিয় রয়েছে। বাংলাদেশে প্রবাসিদের পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা বিধান এবং বিনিয়োগকে উৎসাহ ও সুরক্ষা দিতেও সরকার বদ্ধপরিকর। এসময় তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মরতুজা আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

৮ জানুয়ারী মেয়র পারভেজ আহমদ ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন। এছাড়াও তিনি আইন মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, বৃটিশ হাই কমিশন, পুলিশের আইজি, হিউম্যান রাইটস কমিশন, এফবিসিসিআই, ডিসিসিআই, ক্রিকেট বোর্ড, জালালাবাদ এসোসিয়েশন ঢাকা, সিলেট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, সিলেট সিটি মেয়র, জেলা প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার, ফুটবল ফেডারেশন, রোটারি ক্লাব, লায়ন্স ক্লাব সহ বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাখে মতবিনিময় করেন।

১২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র উদ্যোগে মেয়র পারভেজ আহমদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চেম্বার সভাপতি সালাহ্ উদ্দিন আলী আহমদ। সভায় মেয়র পারভেজ আহমদ বলেন, লন্ডনে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। এজন্য তাদেরকে সহযোগিতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, প্রবাসিদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কিনা তা খুঁজে বের করে দ্রুত সমাধানের পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধির ব্যাপারে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহবান জানান।

সিলেট চেম্বারের সভাপতি সালাহ্ উদ্দিন আলী আহমদ বলেন, প্রবাসী অধ্যূষিত সিলেট অঞ্চল বিনিয়োগের জন্য আদর্শ স্থান। বর্তমান সরকার প্রবাসী বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিলেটে একটি ইলেক্ট্রনিক্স সিটি ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ শুরু করেছে। যা সিলেটে প্রবাসিদের বিনিয়োগের ক্ষেত্র এবং হাজার হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। তিনি সিলেটের আইটি ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগের জন্য প্রবাসী বিনিয়োগকারিদের আহবান জানান। এ ব্যাপারে তিনি সিলেট চেম্বারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সভায় অন্যাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর এনআরবি’র চেয়ারম্যান এম এস সেকিল চৌধুরী ও এক্সেলসিয়র সিলেটের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সাঈদ চৌধুরী। চেম্বারের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মাসুদ আহমদ চৌধুরী, খন্দকার সিপার আহমদ, মোঃ লায়েছ উদ্দিন, পিন্টু চক্রবর্তী ও আব্দুর রহমান। সভায় মেয়র পারভেজ আহমদকে সিলেট চেম্বারের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এসময় উল্লেখযোগ্য আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ এমদাদ হোসেন, মোঃ বশিরুল হক, বিজিত চৌধুরী, মোঃ সাদেক, আব্দুল কাইয়ুম, মোঃ আজিজুর রহমান সুন্দর, আসাদুজ্জামান, শেখর দে প্রমুখ।

সিলেট সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের সাথেও মেয়র পারভেজ আহমদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৬ জানুয়ারি সোমবার দুপুরে সিলেট সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী এনামুল হাবীব। সভায় বক্তারা বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশের মাটিতে অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে একের পর এক সাফল্য অর্জণের মাধ্যমে জন্মভূমিকে গর্বিত করছেন। এরকম সফল প্রবাসী বাংলাদেশিদের একজন হলেন মেয়র পারভেজ আহমদ। তাদের অনুসরণ করে আগামী প্রজন্ম আরও সাফল্য বয়ে নিয়ে আসবে- এমনটাই আশা করছে এদেশের মানুষ।

মতবিনিময়ে অংশ গ্রহন করেন সিটি কর্পোরেশনের ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রকিবুল ইসলাম ঝলক, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর দিনার খান হাসু, ২০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌফিক বকস, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর শাহানারা বেগম এবং সেন্টার ফর এনআরবি’র চেয়ারম্যান এম এস সেকিল চৌধুরী। অনুষ্ঠানে মেয়র পারভেজ আহমদ বাংলাদেশ সফরের উদ্দেশ্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তিনি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাথে তার শহরের সেতুবন্ধন গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন। পরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মেয়র পারভেজ আহমদকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে মেয়র পারভেজ আহমদের সম্মানে ১৩ জানুয়ারি জেলা স্টেডিয়াম ভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ক্রীড়া সংস্থার প্রাক্তন সহ-সভাপতি বিমলেন্দু দে নান্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও সংবর্ধিত ব্যক্তিত্ব হিসাবে বক্তব্য রাখেন মেয়র পারভেজ আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম।

সভায় ব্র্যান্ট কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় পারভেজ আহমদকে অভিনন্দন জানিয়ে আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিসদের সদস্য বিজিত চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ মো. সিরাজ উদ্দিন, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নুরে আলম খোকন ও এনামুল হক মুক্তা, মোগলাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হীরন মিয়া, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হিজকিল গুলজার, ক্রীড়া সংগঠক এম এ মতিন, সিলেট জেলা ক্রীড়া অফিসার আল আমিন, ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগ কমিটির সম্পাদক এ ট .এম ইকরাম, সিলেট জেলা ব্যাডমিন্টন কমিটির সদস্য শিব্বির আহমদ, বিসিবির সিলেট জেলা কোচ মারুফ হাসান, ক্রিকেট কোচ রানা মিয়া, তানজিল শাহরিয়ার অলি, আলমাস আহমদ শুক্কুর, ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়বৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিলেট জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অফিস সেক্রেটারি বিপুল চন্দ্র তালুকদার।

১৪ জানুয়ারি সিলেট ষ্টেশস ক্লাবে মেয়র পারভেজ আহমদকে স্বাগত জানানো হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট এডভোকেট নুর উদ্দিন আহমদ, নির্বাহী সদস্য শাব্বিার আহমদ মুসান্না, শহিদুল ইসলাম, সেকিল চৌধুরী প্রমুখ।

১৭ জানুয়ারী মেয়র পারভেজ আহমদের সাথে মৌলভীবাজার চেম্বারের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। চেম্বার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র পারভেজ আহমদ বলেন, বৃটেন ব্যবসায়িক দিক দিয়ে বাংলাদেশের সাথে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ব্রেক্সিট পুরোপুরি সফল হলে বৃটেন হয়তো কমনওয়েলথ দেশগুলোকে অধিক গুরুত্ব দিবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশী স্কিল্ড ভিসা প্রাপ্তি সহজ হবে।

চেম্বার সভাপতি কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কানাডা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম মাহমুদ মিয়া, সেন্টার ফর এনআরবি’র চেয়ারম্যান এম এস সেকিল চৌধুরী, এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপক কবির আহমদ, রশিদ উদ্দিন আহমদ, এমদাদুল হক মিন্টু, শাহীন চৌধুরী, নজমুল হক, ফেরদৌস আহমদ দুলাল, শেখ রুমেল আহমদ, হাসান আহমদ জাবেদ, এডভোকেট তপন পাল তপু, সৈয়দা জেরিন আক্তার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মেয়র পারভেজ আহমদ ও গোলাম মাহমুদ মিয়াকে চেম্বারের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

পারভেজ আহমদ ২১ বছর বয়স থেকে ব্যবসায় জড়িত। টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাতে বিনিয়োগ করেছেন। এই খাতের বিকাশে পরিচালিত বিভিন্ন কর্মকান্ডে সক্রিয় রয়েছেন তিনি। এছাড়া রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায় তার সাফল্য ও বিসিএ নেতা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। কিলবন এলাকায় তার সম্রাট রেষ্টুরেন্টে অনেক নামি দামি ব্যক্তিবর্গ, এমপি ও মন্ত্রী এসেছেন। তৎকালিন ফরেন মিনিষ্টার ডেভিড মিলিবেন তার বাসায়ও গিয়েছেন। আজ থেকে ৩৪ বছর আগে তিনি লিনা আহমদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুই ছেলে। ১ম জন বায়োমেট্রিক রিসার্চ নিয়ে মাস্টার্স করে এখন সিভির সার্ভিসে যুক্ত রয়েছে। ২য় জন ল’ডিগী করে লোকাল গভর্নমেন্টে কর্মরত। খেলাধুলায় বেশ সক্রিয় পারভেজ আহমদ একজন ভাল টেনিস খেলোয়াড়।


  • 41
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    41
    Shares

আরও পড়ুন

সিলেটে ৩টি রোটারি ক্লাবের যৌথ চার্টার প্রেজেন্টেশন এবং অভিষেক

         রোটারী ডিষ্ট্রিক্ট গভর্নর রোটারিয়ান লে.কর্নেল...

কর্মচঞ্চল সিকৃবি

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: নতুন বছরের...

ফটো সাংবাদিক করিমের উপরসন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেটের স্থানীয়...