রোটারি কী ও কেন?

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২০     আপডেট : ৩ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এম আতাউর রহমান পীর :

রোটারি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। বন্ধুত্বের মাধ্যমে নিজেদের পেশা উন্নয়ন ও পরিচিতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার আমেরিকার শিকাগো নগরীতে এর জন্ম। এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন একজন আইনজীবী। তার নাম পল পার্সি হ্যারিস। হ্যারিসের জন্ম ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দের ১৯শে এপ্রিল। ১৮৯১ খ্রিস্টাব্দে তিনি আইন ডিগ্রি লাভ করেন এবং জীবিকার তাড়নায় ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে তিনি শিকাগো নগরীতে আইন পেশা শুরু করেন। তিনি ছিলেন একজন বন্ধুবৎসল ও সমাজ হিতৈষী ব্যক্তি। তাই তার বন্ধুর সংখ্যা দিনদিন বাড়তে লাগলো। শিকাগো শহরে দুতিন বছরের মধ্যেই তিনি নামকরা আইনজীবিদের একজন হয়ে ওঠেন। পেশার কারণে বন্ধুদের সঙ্গেও সংস্রব কমতে থাকে। ইতিমধ্যে ১৯০০ খ্রিস্টাব্দের কোন একদিনে শহরতলীর তার একবন্ধু তাকে নিমন্ত্রণ করেন নিজ বাড়িতে। বন্ধুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে তিনি লক্ষ্য করেন তার বন্ধু আসেপাশের প্রায় সবাইকে চেনেন এবং তাদের সাথে এতই আন্তরিক যে সবাইকে নাম বলে সম্বোধন করছেন। এ ঘটনা পলকে মুগ্ধ করে। তিনি ভাবতে থাকেন বিভিন্ন পেশা থেকে একজন করে লোক নিয়ে যদি একটি সংগঠন করা যায় তাহলে মন্দ হয় না! সেই ভাবনা থেকেই ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে তারা চার বন্ধু আহ্বান করেন এক সভার। সেই সভাতে সিদ্ধান্ত হয় ক্লাব গঠনের। তারা পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকের অফিসে rotationally বসে সভা করতেন। তাই পরবর্তীতে ক্লাবের নাম রাখা হয় Rotary (রোটারি) ক্লাব।
১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় ক্লাব গড়ে ওঠে সানফ্রান্সিককোতে। ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম নেয় আরও ৩টি ক্লাব। এগুলো যথাক্রমে অকল্যান্ড, ওয়শিংটন ও লস এন্জেলস। ১৯১০ খ্রিস্টাব্দের ১৫-১৭ আগস্ট সেই. সময়ের ১৬টি ক্লাবকে নিয়ে শিকাগো নগরীতে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম কনভেনশন এবং সিদ্ধান্ত হয় সবগুলো ক্লাবের সমন্বয়ে গঠিত হবে “ন্যাশনাল এসোসিয়েশন অভ্ রোটারি ক্লাব”। এবং এর প্রেসিডেন্ট করা হয় পল পার্সি হ্যারিসকে। উল্লেখ্য যে পল কিন্তু রোটারি ক্লাব অভ শিকাগোর প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন না। তিনি ছিলেন তৃতীয় প্রেসিডেন্ট।
১৩ই এপ্রিল ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে কানাডার উইনিপেগ রোটারি ক্লাব ৩৫তম ক্লাব হিসেবে জন্ম লাভ করে এবং রোটারিও লাভ করে আন্তর্জাতিকতা। সংগঠনের নাম করা হয়
“ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন অভ রোটারি ক্লাব”। পরবর্তী এর নাম হয় ” রোটারি ইন্টারন্যাশনাল”। এশিয়া মহাদেশে প্রথম রোটারি ক্লাব গঠিত হয় ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে ম্যানিলাতে।
রোটারি যদিও বন্ধুত্বের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছিল তবুও তারা অচিরেই বুঝতে পেরেছিলেন শুধু বন্ধুত্বের জন্য কোন ক্লাব চলতে পারে না। ক্লাবকে স্থায়িত্ব দিতে হলে মানুষের কল্যাণকামিতার কথা অবশ্যই চিন্তা করতে হবে। সেই চিন্তা থেকেই ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে শিকাগো নগরীর এক বিপনীতে শিকাগো রোটারি ক্লাবের সদস্যরা স্থাপন করে দেন একটি পাবলিক টয়লেট। অফিসিয়ালি এটাই রোটারির প্রথম সার্ভিস প্রজেক্ট। তবে কয়েকজন প্রাক্তণ রোটারিয়ানের লেখনিতে পাওয়া যাও এর পূর্বে তারা একজন ডাক্তারকে একটি ঘোড়া কিনে দিয়ে ছিলেন। এ ডাক্তার ছিলেন জনগণের সেবক। প্রায় বিনা অর্থে নিজ ঘোড়ায় চড়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা দিতেন। ডাক্তারের ঘোড়াটি অসুস্থ হয়ে একদিন মারা যায়। তিনি অর্থের অভাবে ঘোড়া কিনতে পারছিলেন না। এমতাবস্থায় রোটারিয়ানরা এগিয়ে এসে তাকে একটি ঘোড়া কিনে দিয়ে ছিলেন।
রোটারির একটি সংজ্ঞা রয়েছে। এটি ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে রোটারি আন্তর্জাতিকের বোর্ড অভ্ ডাইরেক্টর কর্তৃক গৃহীত। যার বাংলা অর্থ হচ্ছে: রোটারি বিশ্বের ব্যবসা ও পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের একটি সংগঠন যা মানবতামূলক পরিসেবা প্রদান করে, সকল প্রকার বৃত্তির ক্ষেত্রে উচ্চ নৈতিক মানসম্পন্ন হতে উৎসাহ দেয় এবং পৃথিবীতে সমঝোতা ও শান্তি স্থাপনে সহায়তা করে। তবে সহজভাবে বলতে গেলে বলতে হয়- রোটারি এমন একটি সংগঠন যেখানে চিত্তের অধিকারী বিত্তবান মানুষেরা একত্রিত হয়ে সমাজ উন্নয়নে চিন্তাভাবনা করেন এবং সমাজ উন্নয়নে কাজ করেন। সমাজের প্রতিটি মানুষই হৃদয়ে বন্ধুত্ব বৃদ্ধি ও অন্যকে সেবা দেওয়ার মানসিকতা লালন করেন। হৃদয়ে লালিত এ অভিপ্রায়কে বাস্তবরূপ দিতে মানুষ রোটারিতে যোগ দেন।
সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে নিজ কর্মের মাধ্যমে সেবাদান করে নিজ জীবনকে পূর্ণতায় ভরে তুলতে একজন রোটারিয়ান আগ্রহী থাকেন।
অনেকে প্রশ্ন করেন আপনি কেন রোটারিতে যোগ দিয়েছেন আর আমি কেন যোগ দেব? প্রশ্নের জবাব যেমন কঠিন তেমন সহজ। যারা রোটারি ক্লাবে যোগ দিয়েছেন তাদেরকে প্রশ্ন করে একশয়েরও বেশি উত্তর পাওয়া গেছে। তবে অধিকাংশ মানুষই বলেছেন বন্ধুত্ব বৃদ্ধি, সমাজ সেবা, নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন এবং পরিচিতির পরিধি বৃদ্ধির কথা।
আমি যদি আমার কথাই চিন্তা করি, দেখতে পাই আমার পরিচিতি আজ দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও। আমার মত অনেক রোটারিয়ান আছেন যারা প্রায় প্রতি বছর আন্তর্জাতিক রোটারি কনভেনশনে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় যোগ দেন। তাদের বন্ধু আমার থেকে অনেক অনেক বেশি। এসব বন্ধুদের হৃদ্যতা সবাইকে মুগ্ধ করে। এ বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে আমরা মানুষের কল্যাণও করতে পারি। উদাহরণ স্বরূপ আমাদের জালালাবাদ রোটারি ক্লাবের কথা বলা যায়। বন্ধুত্বের কারণে আমরা শিলং রামকৃষ্ঞ মিশন হাসপাতালে, শিলচর রোটারি হাসপাতালে সহযোগিতা করেছি। একই ভাবে তারাও সিলেটের “লায়ন্স শিশু হাসপাতালে” অক্সিজেন সরবরাহে সহযোগিতা করেছেন। রোটারির কারণে বিদেশে আমার এমন বন্ধু তৈরি হয়েছে যে, সেই দেশে গিয়ে আমি হোটেলে থাকতে পারি না। তাদের বাসায় (যদিও তাদের কিছুটা হলেও কষ্ট হয়) থাকতে হয়। রোটারির কারণে আজ আমার বিশ্ব ব্যাপী বন্ধু। এই বন্ধুত্বের কারণে ১২ই জুলাই ২০১৯ খৃ. আমাদের ডিস্ট্রিক্ট অভিষেকে তাইওয়ান থেকে ছুটে আসেন মিসেস জিল, মিসেস চু, মেক্সিকো থেকে লুজ, ভারত থেকে তৈমুর রাজা চৌধুরী, কাঞ্চন চৌধুরী ও তার স্ত্রী। এটা কি বিরাট পাওনা নয়? আপনি যদি কখনও বিদেশে গিয়ে কোন বিপদে পড়েন তাহলে কোন না কোন রোটারিয়ানকে খুঁজবেন। অবশ্যই সহযোগিতা পাবেন। অনেকে পেয়েছেন, তাদের কাছ থেকে এসব গল্প শুনলে মুগ্ধ হতে হয়!
১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে রোটারি ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আর্চ ক্লাম্প। সে বছর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয় আমেরিকার আটলান্টাতে। সে কনভেনশন শেষে দেখা গেল ২৬.৫০ ডলার উদ্বৃত্ত রয়েছে। তিনি প্রস্তাব করলেন উক্ত ডলার দিয়ে একটি এনডাওমেন্ট ফান্ড (সাধারণত এ ফান্ডর মূল অর্থ ব্যয় করা হয় না, শুধু লভ্যাংশ ব্যয় করা হয়) চালু করতে। তার প্রস্তাব গৃহিত হয়। খোলা হয় “দ্য রোটারি ফাউন্ডশন” নামে একাউন্ট। এ ফান্ড থেকে এখন নিয়মিত খরচ হচ্ছে। শুধু মাত্র পোলিও নির্মূলেই বিগত ৩৫ বছরে খরচ করা হয়েছে ১.৮ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার। বাংলাদেশে পোলিও নির্মূলে ব্যয় হয়েছে ১২৬ কোটি টাকা। এছাড়া শুধু ২০১৮-২০১৯ রোটা বর্ষে বিশ্বজোড়ে দ্য রোটারি Basic education and literacy তে ব্যয় করেছে ১,২৪,৮৯,৯৫২ আমেরিকান ডলার, Disease prevention and treatment-এ ব্যয় করেছে ৪,০৩,১০,১১৪ আমেরিকান ডলার, Community economic development- এ ব্যয় করেছে ১,১৭,২৮,২৩১ আমেরিকান ডলার, Maternal and child health- এ ব্যয় করেছে ৮৯,৮০,৫০৪ আমেরিকান ডলার, Peace building and conflict prevention- এ ব্যয় করেছে ৩৪,৪৪,২২২ আমেরিকান ডলার এবং Water, sanitation, and hygiene -এ ব্যয় করেছে ২,০৮,১০,৫৭৬ আমেরিকান ডলার। অর্থাৎ সর্বমোট ৯,৭৭,৬৩,৫৯৯ আমেরিকান ডলার। প্রতি বছরই প্রায় সমপরিমাণ অর্থ ব্যয়িত হচ্ছে মানব কল্যাণে।
জানলে আনন্দিত হবেন, রোটারি বাংলাদেশে ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা প্রেস ক্লাবের সামনে একটি যাত্রী ছাউনি তৈরি করে ছিল। আজ সরকার ও অনেক বেসরকারি সংস্থাও যাত্রীদের সুবিধার্থে ছাউনী করে দিচ্ছেন। রোটারি এভাবেই অনেক প্রকল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা। যেমন স্বপ্নদ্রষ্টা কুমিল্লায় মাছ চাষের, ময়মনসিংহে গবাদিপশু পালনের, কিশোরগঞ্জে সমন্বিত শিক্ষা প্রকল্পের, ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিতাস ক্লাব কর্তৃক সীতানগর গ্রামকে স্বাবলম্বীকরণের। জালালাবাদ রোটারি ক্লাব কর্তৃক ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে শুরু হওয়া পঙ্গু পুনর্বাসন হাসপাতাল আজ সকলের কাছে উদাহরণ। মাত্র ৩৮ জন সদস্য কর্তৃক শুরু হওয়া প্রকল্পে দেশ- বিদেশের রোটারিয়ান ও প্রবাসীদের কল্যাণে এটা আজ বিরাট অবয়বে দাঁড়িয়ে আছে সিলেটের মানিকপীর রোডে। এখানে যে শুধু থেরাপি দেওয়া হয় তা নয়, এখানে কৃত্রিম হাত-পা ও সংযোজন করা হয় স্বল্পমূল্য।
চাঁদপুর রোটারি ক্লাব, যশোর রোটারি ক্লাব, কুমিল্লা রোটারি ক্লাবসহ অনেক ক্লাবেরই স্থায়ী প্রকল্প রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হয়েছে রোটারিয়ানদের সহযোগিতায়। কথায় আছে দশের লাঠি একের বোঝা। আমি বা আপনি একা হয়তো কিছু করতে পারব কিন্তু অনেক কিছুই করতে পারব না। তবে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনেক বড় কাজ সহজেই করতে পারব। তাছাড়া এসব কাজের সহযোগী হিসেবে আছে আমাদের ফাউন্ডেশন–যাকে আমরা রোটারির অর্থনৈতিক ইঞ্জিন বলে থাকি। ফাউন্ডেশনের তহবিল সংগৃহীত হয় আমার আপনার দানের মাধ্যমে। এখানে রোটারিয়ান ছাড়া অন্যেরাও দান করতে পারেন– যেমন করছেন বিল গেইটস। তাকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই।
রোটারি বিশ্বে শান্তি স্থাপনে কাজ করছে। রোটারিয়ান হিসেবে আমি বিশ্বাস করি যেখানে মৌলিক চাহিদা অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বাসস্থানের অভাব থাকবে, যেখানে কুশিক্ষা থাকবে, যেখানে কুসংস্কার, যেখানে রোগ-শোক থাকবে সেখানে শান্তি থাকতে পারে না। তাইতো রোটারিয়ানরা ব্যক্তিগতভাবে, ক্লাবের মাধ্যমে এবং রোটারি ফাউন্ডেশনের গ্রান্টের মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধানে নিরন্তর কাজ করছে। শান্তি স্থাপনে বিশ্বের সর্বজনীন ও প্রধান সংস্থা হচ্ছে জাতিসংঘ। এই জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা লগ্নে বিভিন্ন দেশের ৪৯ জন রোটারিয়ান এর সনদ তৈরিতে কাজ করেছিলেন। এটাও আমাদের গর্বের বিষয়। তাইতো আমাদের আন্তর্জতিক প্রেসিডেন্ট এবছর জাতিসংঘের সাথে আমাদের সম্পৃক্ততার ৭৫ বছর পূর্তি উৎসব করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ লেখার পেছনে আমার উদ্দেশ্য ছিল কেন আপনি বা আমি রোটারিতে যোগ দেব তা বুঝানো। কিন্তু কেন আপনি যোগ দেবেন তা কিন্তু আমি একবারও বলিনি। বরং বলেছি রোটারি ক্লাব বা রোটারিয়ানরা কি কাজ করছেন। হতে পারে আপনিও এমন ভাল কাজে আগ্রহী। যদি তা-ই হয়, অন্য সংগঠনে যোগ দেওয়ার আগে আপনিও রোটারিতে যোগ দেওয়ার কথা ভাবতে পারেন।
সেই প্রত্যাশায় রইলাম।

লেখকঃ রোটারি আন্তর্জাতিক জেলা ৩২৮২-এর ২০১৯-২০২০ রোটার্ষের গভর্নর


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

নারী উদ্যোক্তারা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেট অনলাইন...

শাহজালাল সরকারী কলেজের নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ ও পরিচিতি সভা অনুষ্টিত

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: হবিগঞ্জের মাধবপুর...

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছে বাণিজ্য মেলা: নাদেল

         বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেশ গুরুত্বপূর্ণ...

নিজেকে পাল্টান, দেশ পাল্টাবে

           এফ এইচ ফারহান: শিশু...