মৌলভীবাজারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১১৫ স্কুল

,
প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০১৮     আপডেট : ৪ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মৌলভীবাজারে সাম্প্রতিক বন্যায় ১৮১টি প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্‌রাসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ১১৫টি প্রাইমারি স্কুল মেরামতের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকার প্রয়োজন। জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ বন্যার ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়। সরকারি হিসাবে জেলার ছয় উপজেলা ও দুই পৌরসভায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকের সংখ্যা ৩ লাখ ৩ হাজার ৪৭৯ জন। ২৬টি বাঁধ ভেঙে সৃষ্ট ভয়াবহ এই বন্যায় জেলার ১৪৬০ হেক্টর আউশ ধান বিনষ্ট হয়েছে। মারা গেছেন ৮ জন।
৪ উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৮টি কমিউনিটি ক্লিনিক।
মৌলভীবাজার জেলায় সাম্প্রতিক (জুন মাসের) বন্যায় রাজনগেরর ৬ ইউপিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ২৯শে হাজার ৭৫৮ জন। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৩৩৩ মেট্রিক টন জিআর চাল ও ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এই উপজেলায় প্লাবিত ৯০৫ হেক্টর আউশ ধানের মধ্যে পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে ৪৫০ হেক্টর। কুলাউড়ার ৭ ইউপি’র ৯৪ গ্রাম প্লাবিত হয়ে ৪০ কিলোমিটার কাঁচা পাকা রাস্তা ও ৫৬০টির অধিক ঘরবাড়িসহ সহক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৬শ’ ৮ জন। বন্যার পানিতে ৬০০ হেক্টর আউশ ধান নষ্ট হয়ে বিপাকে পড়েছেন প্রায় ৫ হাজার কৃষক। কুলাউড়ার বন্যার্তদের মধ্যে ৩৭০ মেট্রিক টন জিআর চাল ও ৪ লাখ ৩৭ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। কমলগঞ্জে পৌরসভাসহ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯৬ জন। উপজেলায় নষ্ট হয়ে গেছে ২৫০ হেক্টর আউশ ধানের জমি। কমলগঞ্জের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৪৪৯ মেট্রিক টন জিআর চাল ও তিন লাখ ষাট হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গলের ৫ ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৮ জন। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ২৩ মেট্রিক টন চাল ও এক লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। মৌলভীবাজার পৌরসভা ও সদর উপজেলার ৮ ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৫১ হাজার ৩৫৩ জন। এছাড়াও নষ্ট হয়ে গেছে ১৬০ হেক্টর আউশ ধান। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১৪শ’ কৃষক। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ২৬৫ মেট্টিক টন চাল ও ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং পৌরসভার জন্য ৬৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। অপরদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ধলাই নদীর ৬১০ মিটার ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতে ৩৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকা ও মনু নদীর ১৬৯৫ মিটার ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতে ২২৭ লাখ ২৭ হাজার মূল্য নির্ধারকপূর্বক ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। ৪৫ শতাংশ সড়ক পানিতে নিমজ্জিত থাকায় সংস্কারের জন্য ১২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা জরুরি বরাদ্দ এবং এলজিইডি’র ১৩৫.৭৫ কিমি সড়ক জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার ও মেরামতের জন্য ৩৩ কোটি ৮৩ হাজার টাকার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

সূত্র মানবজমিন


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সিলেট জেলা যুবলীগের কর্মসুচী

2       মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও...

প্রখ্যাত মুহাদ্দিস জিল্লুর রহমান আর নেই

        সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেট সরকারি...

 লোদীকে নিয়ে কামরানের নির্বাচনী বৈঠক

        নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের...