মেয়রের নির্দেশে পশুর হাটে ফেলা হচ্ছে আবর্জনা

,
প্রকাশিত : ০৫ আগস্ট, ২০১৯     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক :  হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ পৌরসভার দেড় কোটি টাকায় ইজারাকৃত পশুর হাটে ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। পৌরসভার সালামতপুর হাসিল ঘরের সামনে ওই পশুর হাট। কোরবানির পশুর হাট জমে ওঠার ঠিক আগে আগে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে ওই এলাকায়। এতে হাটে ক্রেতা সমাগম নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন ইজারাদার। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বলছেন, মেয়রের নির্দেশে তারা সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন।

জানা গেছে, নবীগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন বাসা, দোকান ও রেস্টুরেন্টের ময়লা-আবর্জনা পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা একত্রিত করে। গত বৃহস্পতিবার এসব ময়লা-আবর্জনা ওই পশুর হাটে ফেলা হয়। তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এসব ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়নি।

পশুর হাট ইজারাদার জহিরুল ইসলাম সোহেল বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষকে অবগত করলেও কোনো কাজ হয়নি। তিনি জানান, ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে হাটে ক্রেতাদের সমাগম নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

পশুর হাটে ময়লা ফেলার কাজে ছিলেন পরিচ্ছন্নতাকর্মী মিঠু। তিনি বলেন, ‘মেয়র স্যার আমাদেরকে পশুর হাটে ময়লা ফেলতে বলেছেন।’

ইজারাদারের অভিযোগ, এবার কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর হাটটি ইজারা নিতে চেয়েছিলেন মেয়রের অনুসারীরা। কিন্তু ইজারা নিতে না পারায় এখন হাটে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।

ইজারাদার জহিরুল ইসলাম সোহেল বলেন, ‘২০১৬ সালেও যখন আমি ইজারাদার ছিলাম তখনও মেয়র ছাবির চৌধুরী পৌরসভার সকল কুকুর নিধন করে পৌর পশুর হাটে মাটির নিচে পুতে রাখেন। ওই সময় বৃষ্টির পানিতে মাটি সরে গিয়ে সেই সময় মৃত কুকুরের দুর্গন্ধ পুরো হাটে ছড়িয়ে পড়েছিল।’

এ ব্যাপারে কথা বলতে নবীগঞ্জ পৌরসভায় গিয়ে মেয়র ছাবির চৌধুরীকে পাওয়া যায়নি।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

ইউএনও ওয়াহিদাকে এখনই অস্ত্রোপচার বা বিদেশে নেওয়া সম্ভব নয়’

        সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: দুর্বৃত্তদের হামলায়...

সিপার এয়ার সার্ভিসের দিনব্যাপী হজ্ব প্রশিক্ষণ

        সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেট কুরআন...

খন্দকার মুক্তাদির‘র বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ইফতার

        বিএনপির চেয়ারপারসন উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল...