মা ও দুই মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা

প্রকাশিত : ০১ আগস্ট, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে  
  

সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: নগরীর দক্ষিণ সুরমার ঝালোপাড়া থেকে উদ্ধার করা মা ও দুই মেয়ের লাশ ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। গতকাল বিকেলে নিহত শিউলী বেগমের ভাইয়ের নিকট হস্তান্তর করা হয় লাশ তিনটি। ময়নাতদন্তে তাদের তিনজনকেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে আলামত পাওয়া গেছে। নিহতের ভাই বাদশা মিয়া লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়ি ঢাকার মুন্সিগঞ্জের পথে রওয়ানা হয়েছেন। সেখানে জানাজা শেষে তাদের দাফন সম্পন্ন হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। এদিকে, ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন শিউলীর স্বামী হাসান মুন্সি এখনো পালাতক রয়েছে।
দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খায়রুল ফজল জানান, ময়নাতদন্তে তিনজনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলেই মনে হচ্ছে। নিহতের স্বামী ও সন্তানদের পিতা হাসান মুন্সিকে এখনো গ্রেফতার করা যায়নি। তাকে গ্রেফতার করতে পারলে মূল ঘটনা সম্পর্কে জানা যাবে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সকাল ১০টায় দক্ষিণ সুরমার ঝালোপাড়া এলাকার ডি ব্লকের একটি বাসার তালা ভেঙে বাথরুমের ভিতর থেকে গলিত তিনটি লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হচ্ছে- শিউলী বেগম (৩৫) ও তার কন্যা মীম (১৫) ও তানিম (১৩)। নিহতরা গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের বাসিন্দা। সকালে বাসা থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে পুলিশকে খবর দেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘরের তালা ভেঙে বাথরুমের ভেতরে মা-মেয়েদের মরদেহ দেখতে পায়। বাথরুম থেকে দুপুর ১২টায় লাশ ৩টি উদ্ধার করে দক্ষিণ সুরমা থানাপুলিশ। পরে ময়না তদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ বাসার কেয়ারটেকার ঝালোপাড়ার আলফত আলীর পুত্র এরশাদকে আটক করেছে। লাশ ৩টির অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তাদেরকে ৩/৪ দিন আগে হত্যা করে বাথরুমে রাখা হয়। এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে ধারণা করছেন পুলিশ ও এলাকাবাসী।

পরবর্তী খবর পড়ুন : শোকের মাস আগস্ট শুরু

আরও পড়ুন