মাধবপুরে নারীদের গোসলের দৃশ্য ধারণ, গ্রেফতার ৩

Alternative Text
,
প্রকাশিত : ০৬ এপ্রিল, ২০২০     আপডেট : ১ বছর আগে
  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    7
    Shares

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ক্যামেরায় ক’জর নারীর গোসলের দৃশ্য ধারণ করার প্রতিবাদ করায় দৃর্বৃত্তরা বাড়িতে হামলা করে নারী ও শিশুসহ ৮ জনকে আহত করেছে। পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে দেয় দেড় বছরের এক শিশু সন্তানকে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে।

রোববার বিকেলে উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে ওই গ্রামের ইন্দুপাড়ার একটি পুকুরে দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীসহ ক’জন নারী গোসল করতে নামেন। এ সময় পুকুর পাড়ে বসে ক্যামেরা দিয়ে গোসলের দৃশ্য ধারণ করেন একই এলাকার অনু মিয়ার পুত্র সৌদি প্রবাসী হুমায়ূন মিয়া, মৃত শাহজাহান মিয়ার পুত্র শরীফ মিয়া, মৃত সায়েদ মিয়ার পুত্র বায়েজিদ মিয়া, আল্লাউদ্দিনের পুত্র সাহাবুদ্দিন মিয়া। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে নারীরা তাদের পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি অবহিত করে।

এ সময় ইন্দুপাড়ার মহাদেব সরকারের পুত্র বিমল সরকার ক’জন লোক নিয়ে পুকুরে পাড়ে বসা হুমায়ুনের কাছ থেকে ক্যামেরা আটকের চেষ্টা চালায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। পরে হুমায়ূন বাড়িতে গিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ একদল লোক নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। তাদের হামলায় আহত হয়েছে ৮জন। গুরুতর আহত চারজনকে মাধবপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এর মধ্যে এক নারীকে আশংকাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ইন্দুপাড়ার বাবুল সরকার ও অবিনাশ সরকার জানান, এ সময় হামলাকারীরা বিমল সরকারের দেড় বছরের একটি শিশু বাচ্চাকে মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে। খবর পেয়ে মাধবপুর চুনারুঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দিন ও থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইকবাল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। রাতে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত খেলু মিয়া (৫৫)সহ দুই নারীকে গ্রেফতার করে আজ সোমবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করেছে।

এ ব্যাপারে মনিপুর গ্রামের বাসুদেব সরকার বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্ল্যেখ করে থানায় একটি মামলা রুজু করেছেন। মাধবপুর থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম দস্তগির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ছাতিয়াইন তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কামরুল ইসলামকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে । এ ঘটনায় স্থানীয় চেয়ারম্যান সহিদ উদ্দিন হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

 


  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    7
    Shares

আরও পড়ুন

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ১৪ জুলাই

         নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১৪ জুলাই...

সিলেট জেলা ও মহানগর শ্রমিক দলের র‌্যালী

           মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে...

জাফলংয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যু

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাট...

জিন্দাবাজারে চীনা অনলাইন সুজ গ্যালীর উদ্বোধন

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেটের জিন্দাবাজারস্থ...