মরিয়মের স্বপ্ন

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০১৯     আপডেট : ১২ মাস আগে  
  

সৈয়দা সামিয়া ইয়াসমিন ছারা

ছোট্ট মেয়ে মরিয়ম। তার ইচ্ছে সে একজন কবি হবে। সে বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত লেখিকা হতে চায়। সে পড়ালেখার ফাকে ফাকে গল্প এবং কবিতা লিখে,এবং এগুলো তার সহপাঠী এবং শিক্ষকদের কে শুনায়। তার বাবা-মা তার অনেক প্রশংসা করেন এবং তাকে উৎসাহ দেন। একদিনের ঘটনা, মরিয়ম একটি কবিতা লিখেছে,নাম ‘ইচ্ছে’। সে তার বাবা-মাকে কবিতাটা শুনায় এবং তারা তার অনেক প্রশংসা করেন, মরিয়ম অনেক খুশি হয়। সে স্কুলে গিয়ে তার সহপাঠীদের কবিতাটা শুনায়। কবিতাটা শুনে সবাই হাসে। এতে মরিয়ম লজ্জিত হয় এবং বাসায় ফিরে আসে। তার মাকে কথাটা বললেন ওনি বলেন ‘ মন খারাপ করো না, তুমি অনেক ভালো কবিতা লিখো। আরো ভালো করার চেষ্টা করো তাহলে কেউ আর তুমার কবিতা শুনে হাসবেনা। ‘ মরিয়ম বুঝতে পারে। পরে সে আরো অনেক কবিতা লিখে। সে তার কবিতা গুলো আর সহপাঠী দের শুনায় না। শুধু তার বাবা-মা আর শিক্ষকদের শুনায়। তারা মরিয়ম কে অনেক উৎসাহ দেন। একদিন বিকেলবেলা মরিয়ম কবিতা লিখছিলো,এমন সময় সীমা মেডাম এলেন। দেখলেন মরিয়ম কবিতা লিখছে। তিনি কবিতাটা পড়ে বললেন ‘বাহ! তুমার এই কবিতাটা তো অনেক সুন্দর হয়েছে। তুমি চাইলে এটা পত্রিকায় ছাপাতে পারো’। মরিয়ম অনেক খুশি হলো। সে অনেক আগ্রহ নিয়ে তার ঐ কবিতাটা মেডামকে দিলো। মেডাম বলে গেলেন ‘ তুমার এই কবিতাটা আমি পত্রিকা অফিসে দেবো। তাদের কাছে ভালো লাগলে তারা তুমার কবিতাটা ছাপাবে’। ঐদিন মরিয়ম অনেক আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করে। পরদিন সকালে মরিয়ম স্কুলে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছিলো, এমন সময় শুনতে পেলো সীমা মেডাম ডাকছেন। মরিয়মের মা দরজা খুললেন। মরিয়ম দেখলো সীমা মেডাম একটি পত্রিকা নিয়ে এসেছেন। মেডাম বললেন ‘ অভিনন্দন মরিয়ম, তুমার কবিতাটা পত্রিকায় ছাপা হয়েছে’। মরিয়ম পত্রিকাটা হাতে নিয়ে দেখলো যে সত্যি সত্যিই তার কবিতাটা ছাপা হয়েছে। তার বাবা-মা অনেক খুশি হলেন,মরিয়মও অনেক খুশি হলো। সে পত্রিকাটা হাতে নিয়ে দৌড়ে তার স্কুলে গেলো এবং তার সহপাঠী এবং শিক্ষকদের দেখালো। তারা তাকে অভিনন্দন জানালেন এবং অনেক প্রশংসা করলেন। মরিয়মের স্বপ্ন আজ পূরণ হয়েছে।

 

আরও পড়ুন



শ্রীমঙ্গলে গাছের সঙ্গে বাঁধা স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

শ্রীমঙ্গলে গাছের সঙ্গে বাঁধা ইব্রাহীম...

সিসিক নির্বাচন: সিলেটে বিএনপির প্রার্থী আরিফ

সকল জল্পনা কল্পনা অবসান ঘটিয়ে অবশেষে...