ভোলানন্দ নৈশ উচ্চ বিদ্যালয়ে সেমিনার

,
প্রকাশিত : ২১ মার্চ, ২০১৯     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আব্দুস সোবহান ইমন :

সিলেট সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত ভোলানন্দ নৈশ উচ্চ বিদ্যালয়ে ঝড়ে পড়া রোধকল্পে স্কুলের শিক্ষার্র্থীদেরকে ইংরেজী বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাজসেবী জুবায়ের আহমদ প্রতিষ্ঠিত ইউএসভিত্তিক সংস্থা এডুকেশন গাইডের উদ্যোগে গত বুধবার এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, যারা শ্রম দিয়ে কঠোর সংগ্রামের মাধ্যমে লড়াই করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলেছে তারাই সত্যিকারের সাহসী মানুষ। প্রতিযোগিতার বিশ্বে টিকে থাকার জন্যে ইংরেজি জানা অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের ভেতরের চেতনাকে বিকশিত করে, কাজিয়ে লাগিয়ে নিজেকে গড়ে তুলে আগামী দিনের স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যেতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মাঝপতে ঝরে পড়া রোধে সকল মহলকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন ,এই ঝড়ে পড়ার কারনেই বেকারত্ব বাড়ছে সামাজিক নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
ভোলানন্দ নৈশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিজয় ভূষণ ধরের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল মালেকের পরিচালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হায়াতুল ইসলাম আখঞ্জি, অধ্যক্ষ সরকার খালেক, সীমান্তিক টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ তাপাদার, সিলেট প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য মো.ফয়সল আলম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাহাঙ্গীর রহমান নোমান, সভাপতি শাহরিয়ার উদ্দিন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মানসুরা মেহরুন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাছির উদ্দিনের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো.জহিরুল ইসলাম, অসীম রঞ্জন তালকুদার, মো.সাইদুর রহমান, অজয় কুমার তালুকদার, আমিনুল ইসলাম, রনেশ রঞ্জন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে ইংরেজী বিষয়ে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের রিসোর্স পারসন, জাহাঙ্গীর রহমান নোমান, শাহরিয়ার উদ্দিন ও মানসুরা মেহরুন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর হায়াতুল ইসলাম আখঞ্জি বলেন, উন্নত দেশ থেকেও জুবায়ের আহমদ নিজের দেশের অবহেলিত সুবিধাবঞ্চিত সব শিক্ষার্থীদেরকে ইংরেজী বিষয়ে জ্ঞান প্রদানের লক্ষ্যে নিজের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে যে মহৎ কাজ করে যাচ্ছেন নি:সন্দেহে এটি একটি মহৎ কাজ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন