বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে সিলেট জেলা বিএনপির লিফলেট বিতরণ

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে  
  

সিলেট বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন- অবৈধ ফ্যাসীবাদি সরকার প্রতিহিংসা ও জিঘাংসার বশবর্তী হয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এক সাজানো কাল্পনিক মামলায় তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী এবং ৭১ বছরের বয়োজ্যৈষ্ঠ বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ফরমায়েসী সাজা প্রদান করেছে। অর্থ আত্মসাতের ভিত্তিহীন মিথ্যা অভিযোগে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে পাচ বছরের কারাদন্ড দিয়ে তাঁকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো পরিত্যক্ত স্যাঁতসেঁেত জরাজীর্ণ ভবনে নির্জন কারাবাসে পাঠানো হয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটিরও বেশী টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে। অথচ ট্রাস্টের কোন অর্থই আত্মসাৎ হয়নি। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে একখন্ড জমি ক্রয় ছাড়া বাকী এক টাকাও কোথাও খরচ করা হয়নি। বরং সেই ২ কোটি টাকা এখন সুদে আসলে ৬ কোটি টাকা হয়ে ট্রাস্টের নামেই ব্যাংকে পড়ে আছে। সুতরাং এমন একটি মামলায় তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রীকে সাজা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ আওয়ামী বাকশালীদের প্রতিহিংসার রাজনীতির নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। এর বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসেবে, ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলার ফরমায়েসী রায়ে কারান্তরীণ আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণ করা হয়। লিফলেট বিতরণকালে বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের শত শত নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে নগরীর কোর্ট পয়েন্ট থেকে লিফলেট বিতরণ শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান পয়েন্ট এবং বিপনী বিতানে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, জেলা সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন চেয়ারম্যান, একেএম তারেক কালাম, হাজী শাহাব উদ্দিন, আজির উদ্দিন চেয়ারম্যান, উপদেষ্ঠা আহমেদুর রহমান চৌধুরী মিলু, মাজহারুল ইসলাম ডালিম, জেলার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: ময়নুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, আবুল কাশেম, শামীম আহমদ, বিএনপি নেতা এডভোকেট আনোয়ার হোসেন, জেলা দফতর সম্পাদক এডভোকেট মো: ফখরুল হক, প্রচার সম্পাদক নিজাম উদ্দিন জায়গীরদার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মুজিবুর রহমান, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শাকিল মোর্শেদ, তাতী বিষয়ক সম্পাদক অহিদ তালুকদার, ধর্ম সম্পাদক আল মামুন খান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন নেতৃবৃন্দের মধ্য থেকে হাবিবুর রহমান হাবিব, এম. এ মালেক, দিদার ইবনে তাহের লস্কর, বুরহান উদ্দিন, দিলোয়ার হোসেন জয়, আব্দুল লতিফ খান, আব্দুল মালেক, সিরাজুল ইসলাম, আজির উদ্দিন আহমদ, শামসুর রহমান শামীম, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, ফয়েজুর রহমান ফয়েজ, আব্দুল হান্নান, হাসান মঈনুদ্দিন, আশরাফ বাহার, জমির মেম্বার, শফিকুর রহমান টুটুল, ফখরুল আলম, আজিজুল হোসেন আজিজ, মিজানুর রহমান নেছার, মুজাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, ফখরুল ইসলাম রুমেল, লিটন কুমার দাশ নান্টু, মকসুদুল করিম নোহেল, লায়েক আহমদ, এখলাছুর রহমান মুন্না, আলী আহমদ আলম, সোহেল ইবনে রাজা, মাসুম পারভেজ, সুমন আহমদ, দেলওয়ার আহমদ, সাইদুল ইসলাম হৃদয়, জাকারিয়া মুন্না, আরিফুল ইসলাম সুমন ও আশিকুর রহমান রানা প্রমুখ।

আরও পড়ুন