বালাগঞ্জে ষড়যন্ত্র করে জমির প্রকৃত মালিককে হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২০     আপডেট : ৩ মাস আগে
  • 226
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    226
    Shares

বালাগঞ্জ থেকে সংবাদদাতা: বালাগঞ্জের মুসলিমাবাদ (ডেকাপুর) গ্রামে মৌরসী জমির মালিকদেরকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্রমুলক কাজের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রামে বসবাসকারী জনৈকা কুলসুমা বেগম গ্রামের ৬০০৭ নম্বর দাগের জমি নিজের দাবী করে জমির প্রকৃত মালিক মির্জা আনা গংকে নানাভাবে হয়রানি করছিলেন। এ অবস্থায় জমির মালিকানার কাগজপত্র পরীক্ষা করে মৌরসী সত্বে স্বত্ববান জমির মালিক মির্জা আনা গংকে সীমানা খুটির মাধ্যম পূব গৌরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, স্থানীয় মেম্বারসহ গ্রামের মুরুব্বিরা জমির মালিকানা নির্ধারন করে দেন।কিন্তু উল্লেখিত মহিলা স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বার সহ সবাইকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জমির মৌরসী মালিকানা দাবি করে বালাগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।অথচ কায়স্তঘাট মৌজায় কুলসুমার স্বামীর পিতা মাসুক মিয়ার কোন মৌরসী জমি নেই এবং মাসুক মিয়া জন্মসূত্রেও এই মৌজার বাসিন্দা নন।
কুলসুমার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বালাগঞ্জ থানার এ,এস আই মোস্তাক সরেজমিনে পরিদর্শন করে অভিযোগের কোন সত্যতা পাননি। তাই স্থানীয় মেম্বারকে নিজ নিজ কাগজপত্র নিয়ে থানায় যাওয়ার জন্য বলেন। থানা কমকর্তার নির্দেশে মির্জা আনা গং তাদের মৌরসী মালিকানার ফরছা, বতমান প্রিন্ট ফরছা, নতুন পুরাতন ম্যাপ সহ যাবতীয় কাগজ থানায় জমা করেন। কিন্তু অভিযোগকারি মহিলা উল্লেখিত কোন কাগজ দেখাতে পারেনি। বিগত ১৫ জুন ওসি স্যারের আহবানে দুনু পক্ষকে থানায় ডাকা হয় কিন্তু বিবাধি পক্ষ থানায় যান।অভিযোগকারি কলসুমা থানায হাজির হননি তার ভাসুর থানায় যান এবং সঠিক কাগজপত্র দেখাতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেন। কিন্তু ঐদিনও অভিযোগকারী পক্ষে কোন ধরনের কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। মির্জা আনা গং তাদের কাগজপত্র দাখিল করেন। ওসি নিজে কাগজপত্র দেখেন এবং তদন্তকারি অফিসার মোস্তাককে এই বিষয় জিজ্ঞাসা করলে তিনিও দরখাস্তকারির সব অভিযোগ মিথ্যা বলে প্রমান করেন।
পরবর্তীতে অভিযোগকারী কুলসুমা তার আমেরিকা প্রবাসী দেবরের ষড়যন্ত্রে পরের দিন পরিকল্পিত ভাবে গত ১৬ জুন বালাগঞ্জ থানায ফোন দেয় মুসলিমাবাদ গ্রামে নাকি গণ্ডগোল হচ্ছে। তৎক্ষনাৎ থানার এ,এস, আই মোস্তাক গ্রামে আসলে কোন ধরনের গন্ডগোল দেখতে পাননি।একই সময় থানার এসআই তপনকেও ঘটনাস্থলে পাঠানো হলেও তিনিও এলাকায় কোন ধরনের গন্ডগোল দেখতে পাননি।
অভিযুক্ত মির্জা আনা বলেন, কুলসুমা বেগমের অভিযোগ সম্পূণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমুলক । উল্লেখিত ৬০০৭ নম্বর দাগের জমি আমরা মৌরসী স্বত্বে স্বত্ববান। তাছাড়া অভিযোগকারী মহিলা তো দূরের কথা, তার স্বামীর পিতাও আমাদের মৌজায় মৌরসী স্বত্বে কোন জমির মালিক নন। সবচে বড়ো কথা অভিযোগকারী মহিলার ভাসুর সহ কয়েকজন পুরুষ দেশে থাকা সত্বেও শুধুমাত্র নারী হিসাবে সহানুভূতি লাভের হীন ষড়যন্ত্রে ভাইদেরকে বাদ দিয়ে তিনি নিজে বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। তিনি ‍উক্ত মহিলার মিথ্যা ষড়যন্ত্র থেকে পরিত্রাণ পেতে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন।


  • 226
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    226
    Shares

আরও পড়ুন