বরখাস্তকৃত এস আই রোকনের মাদকের উৎস ও সহযোগীদের সন্ধানে পুলিশ

Alternative Text
,
প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারি, ২০২১     আপডেট : ১ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর বরখাস্তকৃত এস আই রোকন উদ্দিন ভুইয়া (৪২) সহ ৫ জনকে গতকাল মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। কোতয়ালী থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ এ তথ্য জানিয়ে বলেন, এ ঘটনায় কোতয়ালী থানার এস আই ফায়াজ উদ্দিন ফয়েজ বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে আনা হয়। আদালত তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। ২০১৯ সালে কথিত স্ত্রী রিমাসহ এস আই রোকনের গ্রেফতারের বিষয়ে আলোকপাত করে ওসি বলেন, সেই মহিলাকে নিয়ে রোকনের ফের গ্রেফতার ও মাদক ব্যবসায় সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি-তাদেরকে ভাবনায় ফেলে দিয়েছে। রোকনের মাদকের উৎস ও তার সাথে ব্যবসায় আর কারা কারা জড়িত রয়েছে-সে বিষয়ে জানতে তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানান তিনি।
গত সোমবার বিকালে ওসি রোকন উদ্দিন ভুইয়া ও তার কথিত স্ত্রী রিমা বেগম (৪২) সহ ৫ জনকে ১৮৫ পিস ইয়াবা ও নগদ ৮২ হাজার ৩শ’ টাকাসহ নগরীর সুবিদবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার অপর তিন জন হচ্ছে জসিম উদ্দিন (২৪), ফাহিম শাহরিয়ার (৪১) ও ফরিদ আহমদ (৪৫)। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৬ জানুয়ারি শনিবার দিবাগত রাতে শিশুদের আটকে রেখে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা এবং ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে সিলেট নগরের দাড়িয়াপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে ভুয়া স্ত্রীসহ এস আই রোকন উদ্দিনকে আটক করে র‌্যাব। অভিযানের সময় ওই বাসা থেকে ১২ ও ১৩ বছর বয়েসের দুই শিশু ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় রোকন ও রিমার কাছ থেকে নীল রংয়ের ৩৭ পিস ও গোলাপী রংয়ের ২৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ সর্বমোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪২২ টাকা জব্দ করা হয়। ২০১৯ সালে গ্রেফতারের পর এপিবিএন’র জনৈক কর্মকর্তা জানান, দায়িত্ব পালনকালে এসআই রোকনের বিরুদ্ধে একটি গুরুদন্ড এবং ২৮টি লঘুদন্ড হয়। কর্মকালে তিনি ৭১টি পুরস্কারেও ভূষিত হন।
এস আই রোকন উদ্দিন ভুইয়ার বেপরোয়া আচরণে খোদ পুলিশ বিভাগও ছিল অতিষ্ঠ। দুর্নামের কারণে ২০১৮ সালে তাকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ(এসএমপি) থেকে এপিবিএন-এ বদলী করা হয়।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন