বন্দর ফাঁড়ির সামনে আরিফের অবস্থান, অতঃপর…

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

গভীর রাতে আরিফের পোস্টার লাগানোর সময় এক যুবককে পিঠিয়ে মাথা ফাটিয়ে পুলিশে তুলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে কামরান সমর্থকদের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। লোকমান (৩০) নামের ঐ যুবককে ছাড়িয়ে নিতে রাতে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অবস্থান নেন আরিফুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, আরিফুল হকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, দলের মহানগর সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ খসরুসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দও অবস্থান নেন। লোকমান আহমদ শহরতলীর বালুচর এলাকার বাসিন্দা।
বিএনপিমহানগর সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ খসরু জানান, রাত ১টার দিকে পুলিশ লোকমানকে ছেড়ে দেয়। এরপর তারা অবস্থান ত্যাগ করেন।
আসলাম আহমদ নামের লোকমানের সহযোগী জানান, তারা তিনজন বন্দর বাজারের হাসান মার্কেটের খুঁটিতে ধানের শীষ এর পোস্টার সাটাচ্ছিলেন। হঠাৎ ১৫/২০ জন যুবক এসে তাদের উপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা বলে আমরা নাকি নৌকার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছি। এরপর তারা লোকমানকে পেটাতে পেটাতে  নিয়ে যায়। আসলাম ও কেরামত কোন রকমে পালিয়ে গিয়ে প্রাণ বাঁচান।
আসলাম দাবি করেন, তারা কারো সমর্থক নন। যে টাকা দেয়, তাদের ব্যানার ফেস্টুন লাগিয়ে থাকেন তারা।
কতোয়ালী থানার ওসি মোশররফ জানান, কয়েকজন যুবক তাকে এনে থানায় দিয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। লোকমানের অভিভাবকদের আমরা খবর দিয়েছি। লোকমান থানায় তাদের হেফাজতে আছে বলে জানান ওসি।
বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী রাত পৌনে ১টায় জানান, লোকমানকে না ছাড়া পর্যন্ত তিনি ফাঁড়ির সামনে অবস্থান করবেন। আরিফ বলেন, আমি প্রয়োজনে মরতে রাজি আছি। তবুও পবিত্র নগরী সিলেটে কোন অনিয়ম নৈরাজ্য করতে দেব না। রাত একটায় লোকমানকে ছেড়ে দেবার পর আরিফসহ অন্য নেতারা ফাঁড়ির সম্মুখ থেকে তাদের অবস্থান ত্যাগ করেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন