প্রসঙ্গ : ইফতারি প্রথা

প্রকাশিত : ২৪ মে, ২০১৮     আপডেট : ২ বছর আগে

আব্দুল্লাহ আল শাহীন শারজাহ/ইউএই থেকে: চলছে পবিত্র মাস মাহে রামাদান। এই পবিত্র মাহে রামাদানকে কেন্দ্র করে সমাজে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ইফতারি প্রথা নামের সমাজিক ব্যাধি। মেয়ের বাবা মায়ের ঘুম নষ্ট করে দেয় এই ব্যাধি।এটা একটি ব্যয় বহুল অপসংস্কৃতি। এক সময় ছিল ২- ৩ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ আর এখন ১০-২০ /২৫-৩০ হাজারে গিয়ে পৌছেছে। লক্ষ লক্ষ টাকা খরছ করে মেয়ের বিয়ে দেবার পর মেয়ের বাবা মা শান্তিতে থাকতে পারেনা। আর এই অশান্তির কারণ সমাজের একাধিক কুসংস্কার। তারমধ্যে অন্যতম ইফতারি প্রথা।

ইফতারি প্রথাকে কুসংস্কার বলতে একটু ও কার্পন্য করতে পারিনা কারম এটা সমাজের জন্য অশান্তি। কোনো রকমের অশান্তি সংস্কৃতির অংশ হতে পারেনা। সংস্কৃতি হচ্ছে সুন্দর ও হক পক্ষের কর্ম।যে সমাজের সংস্কৃতি যত সঠিক এবং উন্নত সেই সামাজে বেশি প্রশান্তি বিরাজ করে। সমাজের শান্তির জন্য অন্তত এই ব্যাধি দূর করতে হবে।

বাধ্য করে ইফতারি দেওয়ানো কখনো রমজানের পবিত্রতা রক্ষার মধ্যে পরেনা। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা হবে তখন যখন অন্যকে কষ্ট থেকে রক্ষা করা যাবে, অশান্তি থেকে সরিয়ে নিয়ে আসা যাবে ।

সময়ের দাবি পবিত্র রমজানে ইফতারি প্রথাকে সমাজ থেকে বিতাড়িত করার। সে জন্য প্রথমেই প্রয়োজন জনসচেতনতা । যুব সমাজকে সেই সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে। সবেচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নারীদের সচেতন করা। নারীদের কানাকানি আর ফিসফিসানি অনেক ক্ষেত্রে এই অপসংস্কৃতি চর্চার কারণ। সুতরাং অবশ্যই প্রথমে নারীদের বুঝাতে হবে সংস্কৃতি আর অপসংস্কৃতির মধ্যেকার পার্থক্য।

তবে আপনজনকে নিয়ে ইফতার করা আর বাধ্যতা মূলক ইফতারি প্রথা এক নয়। মেয়ের বাবা নিজ উদ্যোগে যদি হালকা ইফতারি নিয়ে মেয়ের বাড়িতে জামাই,বিয়াই -বিয়াইনদের সাথে ইফতার করেন সেটা সম্পূর্ণ আলাদা।

 

আরও পড়ুন

সে কথা বলা হলো না—–

ইউনুস চৌধুরী   হয়তো ২০১১ সাল।...

ছাতকে ১৮০বোতল ভারতীয় মদসহ বিক্রেতা আটক

নিউজ ডেস্কঃ সুনামগঞ্জের ছাতকে ১৮০বোতল...

গাছবোঝাই ট্রাক্টর উল্টে চালকসহ নিহত ২

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় গাছবোঝাই ট্রাক্টর...