প্রবীণ সাংবাদিক মনসুর উদ্দিন ইকবালকে দেওয়ান আহবাব স্বর্ণপদক প্রদান করা হবে

Alternative Text
,
প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারি, ২০২২     আপডেট : ৪ মাস আগে

দেশের প্রাচীনতম সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ প্রবর্তিত ‘কেমুসাস দেওয়ান আহবাব স্বর্ণ পদক-২০২২’-এর জন্য প্রবীণ সাংবাদিক মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবালকে মনোনীত করা হয়েছে। ‘কেমুসাস দেওয়ান আহবাব স্বর্ণ পদক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হারুনুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মনোনীত ব্যক্তির নাম ঘোষণা করা হয়।

প্রখ্যাত লেখক, রাজনীতিবিদ, সমাজসংস্কারক, ভাষাসৈনিক দেওয়ান আহবাব চৌধুরী বিদ্যাবিনোদ (এমএলএ)’র স্মৃতিরক্ষা তথা অগ্রসর সমাজ বিনির্মাণে তার অবদানকে তুলে ধরা ও নতুন প্রজন্মকে তার চেতনায় উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে কেমুসাস এ পুরস্কার প্রবর্তন করেছে। আগামী ২৭ জানুয়ারি ২০২২ সন্ধ্যায় কেমুসাস’র ৮৫ বর্ষের বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রবীণ সাংবাদিক মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবালের হাতে স্বর্ণপদকটি তুলে দেয়া হবে।

হবিগঞ্জের বিশিষ্ট সাংবাদিক ও আইনজীবী মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল ১৯৫২ সালের ২৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বানিয়াচং গ্রামের চতুরঙ্গরায়ের পাড়া মহল্লা এবং শহরের রাজনগর আবাসিক এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা খ্যাতনামা রাজনীতিবিদ ও ক্রীড়াবিদ মরহুম এডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদের প্রথম পুত্র। মনসুর উদ্দিন ইকবাল তিনি ৫৪ বছর যাবত হবিগঞ্জে সাংবাদিকতা এবং পাশাপাশি ৪৫ বছর যাবত আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এডভোকেট মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল ১৯৬৯ সাল থেকে অদ্যাবধি দৈনিক ইত্তেফাকের হবিগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৮১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ইংরেজি দৈনিক দি নিউ নেশন-এর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৬৮ সালে সিলেটের প্রাচীনতম ‘সাপ্তাহিক যুগভেরী’ ও ‘ইস্টার্ন হেরাল্ড’ পত্রিকার মহকুমা সংবাদদাতা হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। ১৯৮৪ সাল থেকে তিনি ‘দৈনিক সিলেটের ডাক’-এর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। ইতিপূর্বে তিনি বাংলাদেশ বেতার সিলেট কেন্দ্র এবং সাপ্তাহিক পূর্বাণী’র সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৮৬ থেকে ২০০২ সাল এবং ২০০৭-২০০৮ সাল পর্যন্ত মোট ১৬ বছর তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯৭৪-৭৭) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রেসক্লাবের প্রথম নিজস্ব ভবন নির্মিত হয়। ২০০০-২০০১ সালে একই পদে দায়িত্ব পালনকালে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বহুতল ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোর নির্মিত হয়। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির জাতীয় সম্মেলনে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ইতিপূর্বে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক, ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১৯৮৩ সালে একই পদে পুনর্নিবাচিত করা হয়। সাংবাদিকতায় কৃতত্বিপূর্ণ অবদানের জন্য ২০০১ সালে হবিগঞ্জ সৎ সংঘ এবং ২০০৪ সালে ইন্সটিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিই) হবিগঞ্জ জেলা শাখা, ২০০৫ সালে শহিদ মনমোহন স্মৃতি সংসদ তাকে সম্মাননা প্রদান করে। সাংবাদিকতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২০১৯ সালে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব ও জেলা সাংবাদিক ফোরাম তাকে সম্মাননা প্রদান করে। এছাড়া হবিগঞ্জ জেলা সংবাদপত্র হকার্স সমিতি, বানিয়াচং ইকরা গণগ্রন্থাগার, হিলফুল ফুযুল সমাজ কল্যাণ পরিষদ, ইনার হুইল ক্লাব তাকে সম্মাননা প্রদান করে। সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সিলেটের রাগীব রাবেয়া ফাউন্ডেশন ২০১৬ সালে তাকে একুশে সম্মাননা প্রদান করে।

 


আরও পড়ুন

স্বামী বিদেশে থাকলে স্ত্রীর করণীয় কি?

 ইসলাম ও জীবন ডেস্ক: স্বামী বিদেশে...

মনের শিকল

 নাঈমুল ইসলাম গুলজার : শিকল...

সিসিক -এর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

 সিলেট সিটি কর্পোরেশন(সিসিক)-এর ভ্রাম্যমাণ আদালতের...