নাগরি লিপি অনুরাগী জলিল চৌধুরীর ইন্তেকাল

প্রকাশিত : ১১ অক্টোবর, ২০১৯     আপডেট : ১২ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশিষ্ট নাগরি লিপি অনুরাগী এম.এ. জলিল চৌধুরী আর নেই। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টায় তিনি নগরীর একটি ক্লিনিকে ইন্তেকাল করেন। ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন) শুক্রবার বাদ জুমা গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি জামে মসজিদে তার নামাজে জানাজা শেষে ফুলবাড়ি গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এম.এ. জলিল চৌধুরী ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট গভর্নমেন্ট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক পাশ করে সিলেট এমসি কলেজ থেকে আইএসসি পাশ করে ইংল্যান্ড চলে যান। তিনি যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট মিনিস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে পলিমার ক্যামিস্ট্রি ও পলিমার টেকনোলজি বিষয়ে ডিগ্রি লাভ করেন। অধ্যয়ন শেষে তিনি ইমপ্যারিয়েল ক্যামিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির পেট্রো-ক্যামিকেল বিভাগের রিসার্চ গ্রুপের রিসার্চ এক্সপেরিম্যান্টাল ক্যামিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তিনি শৈশব থেকেই সিলটি ভাষা পড়া ও চর্চায় আগ্রহী ছিলেন। নাগরি লিপির বিকাশে তিনি অনন্য ভূমিকা রাখেন। তার প্রচেষ্টায় প্রকৌশলী খায়রুল আখতার চৌধুরী ও প্রকৌশলী জয়নুল আখতার চৌধুরী ভ্রাতৃদ্বয় ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে কম্পিউটারে নাগরি ফন্ট উদ্ভাবন করেন। কম্পিউটারে নাগরি উদ্ভাবনের পর এম.এ. জলিল চৌধুরী নাগরি বাংলা লিপিতে ১৬টির বেশী গ্রন্থ প্রকাশ করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ছিলটি পয়লা কিতাব, ঈমান ও ছালাত, উম্মি তরান, জলিল চৌধুরীর হযবরল কবিতা, ভেদকায়া, রংঢং কিচ্ছা, তিন খন্ডে রচিত চম্পু চয়ন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

‘পূর্ব বীরগাঁও আদর্শ সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র আত্ম প্রকাশ

         শিক্ষা, ঐক্য, শান্তি, প্রগতি স্লোগানে...

সিলেটের উন্নয়নের টাকার যথাযথ ব্যবহার হয়নি, হয়েছে লুটপাট

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেট সিটি...

খেলাধুলা জঙ্গী, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে -বদরুল ইসলাম শোয়েব

         সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বদরুল...