নবীগঞ্জে কুশিয়রা পানি বিপদসীমার

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০১৯     আপডেট : ১ বছর আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দু’দিনের ভারী বর্ষণে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা। তবে খোয়াই নদীর পানি এখনও বিপদ সীমার এক মিটার (১শ’ সেন্টিমিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে ইতোমধ্যে কুশিয়ারা তীরের নি¤œাঞ্চলে বানের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতভর ও শুক্রবার সারাদিন ভারি বর্ষণ হওয়ায় উজান থেকে নেমে আসা পানি কুশিয়ারা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে শুক্রবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়া ওই নদীর পাশ্ববর্তী নি¤œাঞ্চলগুলো ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্ধি হয়ে পড়েছেন নদী তীরবর্তী বেশ কয়েকটি বাড়িঘরের বাসিন্দারা। এখনও প্রতিনিয়ত নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা করছেন স্থানীয় লোকজন। কুশিয়ারা নদীর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা যায়, অনেক স্থানে নদীর তীর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বালুর বস্তা ফেলে বাঁধ আটকানোর চেষ্টা করছেন। তবে সব চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক, পারর্কুল, আলীপুর, করিমপুর, ইনাতগঞ্জ, কসবা, নতুন কসবা, কাতিয়া, ফেসি, আটগর, মাধবপুর, কারনিছড়, জলালপুর, সৈয়দপুর, ফাইলগাঁও, পুরান আলাকন্দিসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম। এছাড়া বানিয়াচং উপজেলার মার্কুলী, সাওদেশ্বরী, ধীতপুর ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর, বদলপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা রয়েছে। এলাকাবাসীসহ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তারা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলোতে বালুর বস্তা ফেলে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করচ্ছেন। এদিকে, খোয়াই নদীর পানি এখনও বিপদসীমার এক মিটার (১শ’ সেন্টিমিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। খোয়াই নদীর পানি প্রতিনিয়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাতে ভারতের আসাম-ত্রিপুরা রাজ্যে বৃষ্টি হলে খোয়াই নদীও ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করার শঙ্কা করছেন তাঁরা। তবে এখন পর্যন্ত মাধবপুরের সুনাই নদীর পানি বিপদসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেখানেও ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধে পানি উন্নয়ন বোর্ড মেরামত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তোহিদ বিন হাসান বলেন, সময় যত বাড়ছে পানি তত বৃদ্ধি পাচ্ছে । বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামসহ আশপাশের এলাকা প্লাবিত হগওয়ার আশংকা রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে উপজেলায় একটি কন্ট্রোল রুম খুলেছি। জরুরি প্রয়োজনে সার্বক্ষনিক যোগযোগ করতে পারবেন পানিবন্ধি লোকজন। এ ব্যাপারে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তাওহিদুল ইসলাম বলেন- ‘কুশিয়ারা নদীর দূর্বল অংশগুলোতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা মেরামত কাজ করছেন। এছাড়া খোয়াই নদীতে পানি বাড়লে আশঙ্কার কিছু নেই। কারণ নদীর বাঁধের প্রত্যেকটি দূর্বল ও গতবছরের ক্ষতিগ্রস্থ অংশগুলো মেরামত করা হয়েছে।’


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও পড়ুন

সিলেট জেলা পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

         সিলেট জেলা পরিষদের উদ্যোগে আলোচনা...

মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

         আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয়...

সুনামগঞ্জ-৩ আসনে মাওলানা শাহীনুর পাশা মনোনয়নপত্র জমা

         সালেহ আহমদ হৃদয়, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি...