নবীগঞ্জে কথিত ইমামের লঙ্কাকান্ড এলাকায় উত্তেজনা

প্রকাশিত : ১২ জুন, ২০২০     আপডেট : ৪ মাস আগে
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি\

নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কানাইপুর জামে মসজিদের ইমামের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মিথ্যে অভিযোগ দায়ের নিয়ে কানাইপুর গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘনাটর সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে তথা কথিত ইমামের বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি এলাকাবাসীর।
সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, সরকার দেশের সকল মসজিদ মোয়াজ্জিনদের এই মহামারী করোসাভাইরাস প্রাদুর্ভাবকালীন সময়ে ৫ হাজার টাকা করে বরাদ্ধ প্রদান করেন। নবীগঞ্জ উপজেলার সকল মসজিদে এই বরাদ্ধ প্রদান করা হয়েছে। কানাইপুর জামে মজসিদের নামে একটি চেক ইসালামী ফাউন্ডেশেন রয়েছে বলে আমরা গ্রামবাসী জানতে পেরেছি। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাছে লিখিত অভিযোগকারী কথিত ইমাম হাফেজ নুর উদ্দিনকে আমরা মসজিদ পরিচালনা কমিটির লোকজনসহ গ্রামবাসী মিলে মসজিদের দানবক্সের টাকা ও বিভিন্ন সহায়তার টাকার গরমিল এবং হিসাব না দিতে পারায় বিগত ৪ মাস পূবেই ইমামতি থেকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন ইমাম নিয়োগ করি। যেখানে তিনি মসজিদের ইমাম নয় সেখানে তিনি ইমাম দাবি করে আমাদের গ্রামের প্রবীন মুরুব্বী হাজী আঃ রহিমের বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা আত্মসাত দাবি করে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আমরা মনে করি গ্রামের কিছু কুচক্রি মহলের যোগসাজসে ওই কথিত ইমামকে দিয়ে হাজ্বি আঃ রহিম সাহেবের মান সম্মান ক্ষুন করা জন্য এই মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। আমরা গ্রামবাসী এই ভুয়া ইমাম পরিচয় দানকারী এবং গ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনৃষ্ট করার জন্য যে কুচক্রী মহল এই মিথ্যা দায়েরের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসানের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে হাজ্বী আঃ রহিম বলেন, বিগত ১৪ মাস পূবেই ওমরা পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার সময় আমি কানাইপুর গ্রামে মসজিদ কমিটির মোয়াতল্লী থেকে কমিটির সদস্য এবং গ্রামবাসীর সামনে বয়সের দিক বিবেচনা করে সেচ্ছায় অব্যাহতি নেই। আজ পর্যন্ত আমি আর মসজিদের কোন দায় দায়িত্ব নেই এবং কোন প্রকার লেনদেরনের সাথে জড়িত নয়। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ দাখিলকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। এ অভিযোগের ব্যাপারে নবীঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল বলেন, আমি আত্মসাতের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম কানাইপুর জামে মসজিদের চেক এখন ও দেয়া হয়নি সুতরাং আত্মসাত আসবে কোথা থেকে। অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পরবর্তী খবর পড়ুন : আবার সেই আইএস বধু শামীমা...

আরও পড়ুন

সিলেট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের অভিনন্দন

         সিলেটের সাংবাদিকতার শতবর্ষের স্মারক প্রতিষ্ঠান...