দোয়ারাবাজারে আপন চাচাতো ভাই কর্তৃক মামলা হামলার শিকার নিরীহ ব্যক্তি

,
প্রকাশিত : ০৩ মার্চ, ২০২১     আপডেট : ২ মাস আগে
  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে আপন চাচাতো ভাই কর্তৃক মিথ্যা মামলা হামলার শিকার হচ্ছেন এক নিরীহ ব্যাক্তি। এমনকি ঐ ব্যাক্তিকে প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের ও হুমকি দেয়া হচ্ছে। বুধবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মৃত জাহির আলীর পুত্র নিয়াজুল হক।
লিখিত বক্তব্যে নিয়াজুল হক বলেন, গত ১৪ ফেব্রুয়ারী সিলেটের একটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় “ আখালিয়ায় হত্যার হুমকি দেওয়ায় মামলা” শীর্ষক একটি সংবাদ দেখে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে যাই। সংবাদে আমার চাচাতো ভাই আইনুল হক উল্লেখ করে , তার বড় ভাই তজমুল হককে সৌদি আরব পাঠানোর উদ্দেশ্যে সিএনজি অটোরিক্্রা দিয়ে দোয়ারাবাজার থেকে সিলেট শহরের ঘাসিটুলা এলাকায় তার ভগ্নিপতির বাসায় যাওয়ার পথে সিলেট নগরীর আখালিয়া বিডিআর ক্যাস্পের সামনে পৌছা মাত্র নোহা গাড়ি দিয়ে আমরা নাকি তাদের সিএনজি অটোরিক্্রার গতিরোধ করে মারধরের চেষ্টা করি এবং তার ভাইকে যাতে সৌদি আরবে না পাঠায় সে জন্য হুমকি দিয়ে চলে যাই। যা সম্পুর্ণ সাজানো, মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। নগরীর ঘাসিটুলা এলাকায় তার কিংবা তার বোনের কোন বাসা নেই। মূলত প্রতিহিংসার কারনে এবং পারিবারিক বিরোধের কারনেই সে এত বড় মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে এবং সিলেটের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ১ম আদালতে আমাদের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দায়ের করেছে। মামলায় আসামী করা হয়েছে আমাকে, আমার ভাই ফয়জুলহক, ফয়জুল হকের ছেলে সৈয়দ আহমদ, আমার ভগ্নিপতি সৈয়দাবাদ গ্রামের জবান আলীর ছেলে মুক্তার আলী এবং আমার ভাগনা সুজন মিয়াকে।
নিয়াজুল হক আরো বলেন, আমার ছোট বোন নাজমা বেগমের প্রায় ১৮ বছর আগে বিয়ে হয় আইনুলের চাচাতো ভাই একই গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে ওমান প্রবাসী আজাদ মিয়ার সাথে। তাদের ঔরসে দুই ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু কিছুদিন পর আজাদ ওমান গিয়ে আমার বোনের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। ইতিমধ্যে সে আমার বোনকে কোন রকম নোটিশ না দিয়ে দেশে এসে তার খালাতো বোনকে বিয়ে করে ওমান চলে গেছে। এ ঘটনায় আমরা সুনামগঞ্জ আদালতে পারিবারিক কোর্টে মামলা দায়ের করেছি। মামলাটি চলমান রয়েছে। পরবর্তীতে গত ৩ বছর আগে সন্তানদের ভরণপোষণের কথা চিন্তা করে আমার বোন সৌদি আরবে চলে যায়। সেখানে ২ বছর থেকে গত বছর দেশে চলে আসে। দেশে আসার পর থেকে আমার বোনকে আইনুল নানা রকম কু প্রস্তাব দিতে থাকে। এমন প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় আইনুল আমার বোনের উপর ক্ষেপে যায়। এরই মধ্যে প্রায় ৪ মাস আগে আমার বোন নাজমাকে আমাদের বাড়িতে এসে অনধিকার প্রবেশ করে আইনুল তার সহযোগীদের নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে আমরা আমার বোনকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানে দীর্ঘ চিকিৎসা নিয়ে সে বাড়ি ফিরে। এ ঘটনায় নাজমা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে মামলা দায়ের করে। এ মামলায় আইনুলসহ তার ২ সহযোগী বদরুল ও আনোয়ার ২৬ দিন কারাভোগ করে। কারাগার থেকে বের হয়ে সে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। আমাদেরকে নানাভাবে ভয়ভীতি হুমকি প্রদর্শন করে। এ প্রেক্ষাপট থেকেই সে তার ভাইকে সৌদি আরবে যেতে আমরা হুমকি দিচ্ছি বলে অপপ্রচার ও নাটক সাজিয়ে মামলা দায়ের করেছে। এ রকম মিথ্যা তথ্য ও নাটক সাজিয়ে মামলাকারী আইনুলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নিয়াজুল হক সুনামগঞ্জের প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।


  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

আরও পড়ুন

সিলেটে শীতের তীব্রতা বাড়ছে

4        4Sharesঅগ্রহায়ণের শুরু থেকে সিলেটে শীতের...

ওসমানীনগরে মহিলা আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

         সিলেটে ওসমানীনগর উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের...